১৮ দিনের ব্যবধানে আবারও বাড়লো বিদ্যুতের দাম



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

১৮ দিনের ব্যবধানে আবারও বাড়লো বিদ্যুতের দাম। এবার নির্বাহী আদেশে গ্রাহকের পাশাপাশি পাইকারি পর্যায়েও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাড়তি দর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

এ দফায় গ্রাহক পর্যায়ে ৫ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ৮ শতাংশ দাম বাড়িয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এভাবে ঘন ঘন বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘটনা নজিরবিহীন। মাত্র ১৮ দিন আগে ১২ জানুয়ারি গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়। অন্যদিকে বিইআরসি সর্বশেষ গত ২১ নভেম্বর বিদ্যুতের পাইকারি দাম বাড়িয়েছিল। তখন ইউনিট প্রতি ৫.১৭ টাকা থেকে গড়ে ১৯.৯২ শতাংশ বাড়িয়ে ৬.২০ টাকা করা হয়।

নির্বাহী ক্ষমতায় দেওয়া আদেশে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পাইকারি দর ২৩০ কেভিতে ৮.১০ টাকা, ১৩২ কেভিতে ৮.১৩ টাকা এবং ৩৩ কেভিতে ৫.৮৯ টাকা করা হয়েছে। ২৩০ ও ১৩২ কেভিতে অভিন্ন দর নির্ধারণ করা হলেও ৩৩ কেভিতে ভিন্ন ভিন্ন ধরা হয়েছে। ডিপিডিসির ৩৩ কেভিতে ৮.২২ টাকা, ডেসকো ৮.২৪ টাকা, ওজোপাডিকো ৭.১২ টাকা এবং নেসকোতে ৬.৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিগত তিন সপ্তাহে তিন দফায় গ্যাস বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘটনা ঘটলো, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল। আগে কখনই এতো কম সময়ের মধ্যে দফায় দফায় দাম বাড়েনি। এতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

অন্যদিকে সবচেয়ে কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী লাইফ লাইন (৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী) গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম এর আগে ১৯ পয়সা বাড়িয়ে ৩.৯৪ টাকা করা হয়েছিল। এবার আরও ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৪.১৪ টাকা করা হয়েছে। প্রথমধাপে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর বিদ্যমান দর ৪.৪০ টাকা বাড়িয়ে ৪.৬২ টাকা, দ্বিতীয় ধাপে ৭৬-২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যমান দর ৬.০১ বাড়য়ে ৬.৩১ টাকা, ২০১-৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যমান দর ৬.৩০ টাকা বাড়িয়ে ৬.৬২ টাকা ৩০১-৪০০ ইউনিটের বিদ্যমান দর ৬.৬৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬.৯৯ টাকা, ৪০১-৬০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যমান দর ১০.৪৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০.৯৬ টাকা, সর্বশেষ ধাপ ৬০০ ইউনিটের ঊর্ধ্বে ব্যবহারকারীদের বিদ্যমান দর ১২.০৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২.৬৩ টাকা করা হয়েছে।

কৃষি সেচে গত ১২ ডিসেম্বর ২১ পয়সা বাড়িয়ে ৪.৩৭ টাকা করা হয়েছিল, এবার আরও ২২ পয়সা বাড়িয়ে ৪.৫৯ টাকা করা হয়েছে। শিক্ষা, ধর্মীয়, দাতব্য প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে ৬.৩২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬.৬৪ টাকা, রাস্তার বাতি ও পানির পাম্পে ৮.০৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮.৪৯ টাকা, বাণিজ্যিক ও অফিসের বর্তমান দর ফ্ল্যাট রেটে ১০.৮২ টাকা বাড়িয়ে ১১.৩৬ টাকা, অফ-পীকে ৯,৭৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০.২২ টাকা পীকে ১২.৯৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩.৬৩ টাকা করা হয়েছে। ক্ষুদ্র শিল্পে ( নিম্নচাপ) ফ্ল্যাট রেটে ৯.৪১ টাকা, অফপীকে ৮.৪৬ টাকা, পীকে ১১.২৯ টাকা দর ধরা হয়েছে।

মধ্যমচাপে শিল্প গ্রাহকদের ফ্ল্যাট রেটে ৯.৪৩ টাকা, অফ পীকে ৮.৪৯ টাকা, পীকে ১১.৭৮ টাকা করা হয়েছে। উচ্চচাপ (৩৩ কেভি) গ্রাহকদের ফ্ল্যাট রেটে ৮.৮৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯.৩১ টাকা, অফ-পীকে ৭.৯৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮.৩৯ টাকা এবং পীকে ১১.০৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১.৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) পাইকারি দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের উপর গত ১৮ মে গণশুনানি গ্রহণ করে বিইআরসি। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) বর্তমান দর ইউনিট প্রতি ৫.১৭ টাকা থেকে ৬৬ শতাংশ বাড়িয়ে ৮.৫৮ টাকা করার আবেদন করেছিল। বিপিডিবির পাইকারি দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবে বলেছিল, চাহিদা মতো গ্যাস সরবরাহ না পাওয়ায় তেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে গিয়ে খরচ বেড়ে গেছে। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে বিদ্যুতে গড় উৎপাদন খরচ ছিল ২.১৩ টাকা, ২০২০-২১ অর্থ বছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.১৬ টাকায়। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, কয়লার মুসক বৃদ্ধির কারণে ২০২২ সালে ইউনিট প্রতি উৎপাদন খরচ দাঁড়াবে ৪.২৪ টাকায়। পাইকারি দাম না বাড়লে ২০২২ সালে ৩০ হাজার ২৫১ কোটি ৮০ লাখ টাকা লোকসান হবে। ওই শুনানির পর ১৯.৯২ শতাংশ পাইকারি দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

 

   

বিপিএল চ্যাম্পিয়ন বরিশালের জন্য নগদের ২০ লাখ টাকার পুরস্কার



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তামিম ইকবালের নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) শিরোপা জিতে নিল ফরচুন বরিশাল। আর ট্রফি নিয়ে দল যখন উল্লাস করছে, সেই সময় তামিমদেরই আহ্বানে শিরোপা জয়ের উৎসবে যোগ দেন নগদ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর এ মিশুক।

বরিশাল দলের সিনিয়র খেলোয়াড়দের আমন্ত্রণে ভিডিও কলে যুক্ত হয়ে ট্রফি জেতার জন্য দলের খেলোয়াড়দের জন্য ২০ লাখ টাকার অর্থ পুরস্কার ঘোষণা করেছেন তানভীর এ মিশুক। চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশাল অঙ্কের এই অর্থ পুরস্কারের ঘোষণা দেন নগদ সিইও।

বরিশাল বরাবরই বিপিএলের অভাগা দল। বেশ কয়েকবার ফাইনালে গিয়েও এতোদিন অবধি শিরোপা জিততে পারেনি তারা। এবারও তাদের নিয়ে কোনো হইচই ছিল না। বরং তাদের ‘বুড়োদের দল’ হিসেবেও বলেছে অনেকে। তবে টুর্নামেন্ট শুরু হতেই সব আলোচনা বদলে দিয়েছে তারা। প্রবল দাপট দেখিয়ে উঠে এসেছে তারা ফাইনালে। ফাইনালের হট ফেবারিট কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ট্রফি জিতে নেয় দক্ষিণের এই দলটি।

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরেই আত্মহারা আনন্দে মেতে ওঠে বরিশাল। সেখান থেকে ভিডিও কলে তানভীর এ মিশুককে যুক্ত করেন দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তানভীরও তামিম এবং তাঁর দলকে শুভেচ্ছা জানান এবং অর্থ পুরস্কারের ঘোষণা দেন। ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন দলের মধ্যে উচ্ছ্বাসের জোয়ার বয়ে যায়।

দল হিসেবে বরিশালের সঙ্গে সরাসরি কোনো সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও এই দলেরই অধিনায়ক তামিম ইকবাল বেশ কয়েক বছর ধরে নগদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। তাছাড়া মুশফিকুর রহিম যুক্ত আছেন নগদ ইসলামিকের সঙ্গে। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ এবং মেহেদী হাসান মিরাজও নানাভাবে নগদের প্রচারের জন্য কাজ করছেন। মূলত নগদের উদ্ভাবনী শক্তি এবং চমকপ্রদ সেবা দেশ সেরা তারকাদের নগদের ডেরায় ভিড়িয়েছে। তাছাড়া এবারের আসরের ‘পাওয়ার্ড বাই’ ক্যাটাগরিতে বিপিএল-এর সঙ্গে যুক্ত ছিল নগদ।

অর্থ পুরস্কার পাওয়ার পর তামিম ইকবাল বলেন, “দেশের ক্রিকেটের জন্য নগদ এবং তানভীর ভাইয়ের সব সময়ই একটি বাড়তি মমত্মবোধ আছে। নানাভাবে নগদ ও তানভীর তাদের এই ভালোবাসার বহিপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। ২০ লাখ টাকার এই উপহারকে আমরা আমাদের দেওয়া অনন্য সম্মান হিসেবে গ্রহণ করছি এবং তানভীর ভাইয়ের প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে এও প্রত্যাশা করছি, নগদ এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রধান হিসেবে তানভীর ভাই সাফল্যের চূড়ায় আরোহণ করবেন।”

একই সময় নগদ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর এ মিশুকও চ্যাম্পিয়ন বরিশাল দলকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, “ক্রিকেট সব সময় বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে ধারণ করা অনন্য ভালোবাসার জায়গা। আর আমরাও যেহেতু বাংলাদেশকে হৃদয়ে ধারণ করি, ফলে ঘুরে ফিরে আমাদেরকেও ক্রিকেট আর ক্রিকেটারদের কাছেই আসতে হয়। আমি প্রত্যাশা করি – তামিম, মুশফিক, মাহমুদুল্লাহ বা মিরাজরা আমাদের দেশেকে যেভাবে একের পর এক সাফল্য উপহার দিয়েছে, তারই ধারবাহিকতায় সামনের দিনেও ক্রিকেট বিশ্বে বাংলাদেশ অনন্য একটি অবস্থান পাবে। আর আর্থিক খাতে আমরাও নতুন নতুন সেবা উপহার দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।”

শুক্রবারের ফাইনালে আগে ব্যাট করা কুমিল্লা ৬ উইকেটে ১৫৪ রান করে। জবাবে ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বরিশাল। অধিনায়ক তামিম ইকবাল ২৬ বলে ৩৯ রানের ইনিংস খেলেন। তামিম টুর্নামেন্টেরই সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন। এর আগে প্লে অফে তাদের নায়ক ছিলেন মুশফিকুর রহিম। আরেক সিনিয়র মাহমুদউল্লাহরও দারুণ কেটেছে টুর্নামেন্ট।

;

রমজান উপলক্ষে বিভিন্ন পণ্যে স্বপ্ন’র বিশেষ ছাড়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সামনে মাহে রমজান। তাই পরিবারের প্রয়োজনীয় অনেক পণ্যে রমজান উপলক্ষ্যে বিশেষ ছাড় দিচ্ছে দেশের জনপ্রিয় সুপারশপ ‘স্বপ্ন’।

স্বপ্ন কর্তৃপক্ষ জানায়, ১ থেকে ২ মার্চ বেশকিছু পণ্য খোলা বাজারের চেয়ে কম দামে স্বপ্ন'র আউটলেটে গ্রাহকরা কিনতে পারবেন।

নিচে বিশেষ ছাড়ের পণ্যগুলোর দাম তুলে ধরা হলো :

ছোলা প্রতি কেজি; পাওয়া যাবে ৯৯ টাকায়, নতুন আলু ২৬ টাকা, গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা, ফার্ম এর ডিম (প্রতি পিস) ১০.৯৫ টাকা, ইলিশ (৪০০-৪৯৯ গ্রাম) -প্রতি পিস ৪১০ টাকা, রুই মাছ (১-১.৪৯৯ কেজি সাইজ) ২৯৫ টাকা, পুষ্টি সয়াবিন তেল (৫ লিটার) ৭৭৫ টাকা, মিনিকেট প্রিমিয়াম চাল প্রতি কেজি ৬৮ টাকা, নাজিরশাল প্রিমিয়াম চাল ৭৩ টাকায় পাওয়া যাবে। তবে এসব পণ্যে কোনো ভ্যাট দেওয়া লাগবে না।

এছাড়াও এসিআই অ্যারোমা/পুষ্টি চিনিগুড়া চাল প্রতি কেজি পাওয়া যাবে ১৫০ টাকায়, ফ্রেশ লবণ প্রতি কেজি ৩৫.৭০ টাকা, ইনস্ট্যান্ট ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার ১০০০ গ্রাম ৭৪০.২৫ টাকা, এসিআই পিউর চিক বেসন-৫০০ গ্রাম ১০৫ টাকা, ট্যাং পাউডার ড্রিংক ওরেঞ্জ/ম্যাংগো (জার) ৭১৯.৫০ টাকা, ট্যাং পাউডার ড্রিংক ওরেন্জ/ম্যাংগো (জার-২ কেজি) ১৭৮৫ টাকা, রুহ আফজা ৭৫০ মিলি ৫৪০.৭৫ টাকা, নিউট্রোলাইফ জুস- ১ লিটার ২৪৬.৭৫ টাকা, মসুর ডাল (ছোট দানা-১ কেজি) ১২৩ টাকা (ভ্যাট নেই), এসিআই পিউর হলুদ/মরিচ পাউডার-২০০ গ্রাম ৮৪ টাকা, তীর হালিম মিক্সড-২০০ গ্রাম ৪৯.৯৮ টাকায় পাওয়া যাবে।

কোকাকোলা/স্প্রাইট ২.২৫ লিটার পাওয়া যাবে ১৪১.৭৫ টাকায়, সানসিল্ক শ্যাম্পু ৩৪০+-১০ মিলি ৩৩৬ টাকায় পাওয়া যাবে।

এছাড়া মুড়ি, চিড়া, মসলা, বেবী ডায়পারসহ নানা পণ্যে থাকবে ছাড়। এসিআই/পুষ্টি-এর আটা ময়দার ২ কেজি প্যাকে থাকছে ১৭ টাকা ছাড়।

একটি পরিবারের ঘরের মাসের বাজারে স্বপ্ন সবগুলো প্রয়োজনীয় পণ্যে সর্বোচ্চ ডিসকাউন্ট দিচ্ছে। এছাড়া খোলা চাল, ডাল, চিনি, আলু, পিঁয়াজ, মাছ, মাংসে কোনো ভ্যাট নেই।

;

রংপুরের বাজারে কমছে না পেঁয়াজের দাম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
রংপুরের বাজারে কমছে না পেঁয়াজের দাম

রংপুরের বাজারে কমছে না পেঁয়াজের দাম

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরের বাজারে গরুর মাংস এবং ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। অপরিবর্তিত দামেই বিক্রি হচ্ছে সবজি, চাল, চিনি, মাছ ও ডিম। তবে পেঁয়াজের দাম চড়া। কমতে শুরু করছে আটার দাম।

শুক্রবার নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন তথ্য জানা যায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন- পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বেশি। এ কারণেই পেঁয়াজ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। তারা প্রতিকেজি পেঁয়াজ ১০০-১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।

তারা বাজার মনিটরিং জোরদারের আহবান জানিয়ে বলেছেন- এখন পেঁয়াজের ভরা মৌসুম। বাজারে পর্যাপ্ত পেঁয়াজও রয়েছে। তবুও পেঁয়াজ কিনতে দামে হয়রানি হতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

চালের বাজার ঘুরে জানা যায়, প্রতিকেজি মোটা চাল ৪৫-৪৮ টাকা, মোটা (স্বর্ণা) ৫০ টাকা, মিনিকেট চাল ৭২-৭৫ টাকা, পাইজাম ৫৫ টাকা, বিআর২৮ এবং ২৯ চাল ৬৩- ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে রুই, কাতলা, মৃগেল, সাটি, তেলাপিয়া, মাগুর শিং, চিংড়ি, পাঙ্গাস আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। বাজারে প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৪ টাকায়। আদার কেজি ২০০-২৪০ টাকা। বাজারে গরুর মাংস ৬৮০-৭২০ টাকা এবং খাসির মাংস ৮০০-৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কোন কোন ব্যবসায়ী আরো বেশি দাম নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করছেন ক্রেতাসাধারণ।

সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, আলু আকারভেদে ৩০-৬০ টাকা, শিম ৩০-৪০ টাকা, কচুর লতা ৬০-৭০ টাকা, মুলা ২০-২৫ টাকা, গাজর ৩০ টাকা, ফুলকপি প্রতিপিচ ২০ টাকা, বাঁধাকপি প্রতিপিচ ১৫-২০ টাকা, বেগুন ৩০-৬০ টাকা, পেপে ৩৫-৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়িরা প্রতি আটি শাক বিক্রি করছেন ১০-১৫ টাকায়।

এদিকে রংপুরের বিভিন্ন বাজারে আসছে গ্রীষ্মকালীন সবজি। গ্রীষ্মের সবজি সজনে, করলা ও পটল ওঠেছে বাজারে। যদিও এসব পণ্যের দাম আকাশ ছোঁয়া।

;

ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ও বনানীতে শনিবার ৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ও বনানীতে শনিবার ৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না

ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ও বনানীতে শনিবার ৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, বনানী ডিওএইচএস, আরজতপাড়া, শাহীনবাগ এলাকার সকল শ্রেণির গ্রাহকের আগামীকাল শনিবার (২ মার্চ) ৮ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি কাজের জন্য বেলা ১টা ৩০ টা থেকে রাত ৯টা ৩০ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার (১ মার্চ) তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

তিতাস গ্যাস জানিয়েছে, উক্ত সময়ে আশেপাশে এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে। গ্রাহকবৃন্দের সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

;