চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুফল পেতে বিজ্ঞান চর্চা বাড়াতে হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুফল পেতে বিজ্ঞান চর্চা বাড়াতে হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুফল পেতে বিজ্ঞান চর্চা বাড়াতে হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুফল পেতে হলে বিজ্ঞান চর্চা বাড়াতে হবে। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ব্যবহার যতই বাড়াতে পারবো তত দ্রুত টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।

শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি ) ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের ‘১৪তম ডিআরএমসি-সামিট ন্যাশনাল সায়েন্স কার্নিভাল-২০২৩’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন ।

তিনি বলেন, এ ধরণের আয়োজন থেকেই বেরিয়ে আসবে দেশের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীরা যারা দেশের সীমা অতিক্রম করে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশকে তুলে ধরবে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ধারণ করে নির্মাণ করবে টেকসই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থা।

‘যায়েদ সাসটেইন্যাবিলিটি প্রাইজ ২০২৩’ অর্জন করায় ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ দলকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, একাগ্রতা থাকলে বাংলাদেশের তরুণরা আগামীতে আরও ভাল করবে। সরকার নানাভাবে সহযোগিতা করছে। বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল হতেও, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের দক্ষতা বৃদ্ধি, আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব টেকসই জ্বালানি শক্তি উন্নয়নে নতুন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও পদ্ধতিসমূহ খুঁজে বের করে উদ্ভাবনী সমাধানে গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক ও অন্যান্য সহযোগিতা করা হচ্ছে।


তিন দিনব্যাপী বিজ্ঞান উৎসবের আয়োজনে প্রজেক্ট ডিসপ্লে, দেয়াল পত্রিকা, স্ক্র্যাপ বুক ডিসপ্লে, ফটোগ্রাফি প্রদর্শনী, অলিম্পিয়াডস, আইকিউ টেস্ট, সাইন্সফিকশন লিখন, ইলাসট্রেইশন এক্সজিবিশন, পোস্টার ডিজাইনিং এক্সজিবিশন, গেইমিং কনটেস্ট, লাইন ফলোইং, প্রভৃতি কুইজ, সুডোকু প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞান ভিত্তিক উপস্থিত বক্তৃতা ও রোবোটিক ওয়ার্কশপ প্রতিযোগিতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৪৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন।

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী শামীম ফরহাদের সভাপতিত্বে অনুঠানে অন্যান্যের মধ্যে টাইটেল স্পন্সর সামিট গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান লতিফ খান, বিজিএমই সভাপতি ফারুক হাসান ও কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

   

ফের বাড়ল বিদ্যুতের দাম



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের দাম, গড় দর ৬.৭০ টাকা থেকে ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৭.০৪ টাকা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

নতুন দর বিলিং মাস ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর হবে। গেজেটে বলা হয়েছে, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড তাদের সমিতি ভেদে ভিন্ন ধরে নির্ধারণ করতে পারবে। তবে ভারিত গড় সরকার নির্ধারিত দরের বেশি হতে পারবে না।

লোকসানী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস) সমূহকে এগিয়ে নিতে এক সময় ক্রসসাবসিডি দেওয়া হতো। মুনাফায় থাকা সমিতির পাইকারি বিদ্যুতের দাম তুলনামূলক বেশি আদায় করে সমন্বয় করার রেওয়াজ বিদ্যমান।

গেজেটে ২৩০ এবং ১৩২ কেভিতে ৬টি বিতরণ কোম্পানির অভিন্ন দর যথাক্রমে ৮.৪৪৪০ টাকা এবং ৮.৪৭৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ৩৩ কেভিতে ভিন্ন ভিন্ন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দর সবচেয়ে কম ৬.২৩২৫ টাকা করা হয়েছে। ৩৩ কেভিতে সবচেয়ে বেশি ধরা হয়েছে ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির (ডেসকো) দর। কোম্পানিটির ইউনিট প্রতি দর ধরা হয়েছে ৮.৫৮৮০ টাকা।

পাইকারি দর ৬.৭০ টাকা থেকে ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৭.০৪ টাকা করা হয়েছে। এতে ভর্তুকির পরিমাণ ৩ হাজার কোটি টাকা হ্রাস পাবে। দাম বৃদ্ধির পরও প্রায় ৩৬ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে বলে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ধারণা করছে।

দুপুরে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ জ্বালানি খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয়েছে ডলারের দর বেড়ে যাওয়ায়। তেল-গ্যাস ও কয়লার আন্তর্জাতিক বাজারদর ক্ষেত্র বিশেষে একই থাকলেও আগের চেয়ে ডলার প্রতি ৪০ টাকার বেশি খরচ হচ্ছে। এখানেই বিশাল গ্যাপ তৈরি হয়েছে। ডলারের সঙ্গে সমন্বয় করার কাজ করছি। এখন বিদ্যুতের গড় উৎপাদন খরচ পড়ছে ১২ টাকার মতো, আর ৭ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। আমরা হিসেবে করে দেখেছি চলতি বছর বিদ্যুতে ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। ধীরে ধীরে কয়েকবছর ধরে সমন্বয় করা হবে। কম ব্যবহারকারি গ্রাহকের বিদ্যুতের দাম কম বাড়বে আর উপরের দিকে বেশি বাড়বে।

এ ছাড়া গ্রাহক পর্যায়েও দাম বাড়ানো প্রক্রিয়া চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানো গেছে। প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, আমরা দাম বাড়াচ্ছি না সমন্বয় করছি। প্রফিট করলে দাম বাড়ানোর কথা বলতে পারতেন। লোকসান কিছুটা কমানোর জন্য সমন্বয় করা হচ্ছে। গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৩৪ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৭০ পয়সা হারে বাড়বে।

;

ইসলামী ব্যাংকের ময়মনসিংহ জোনের এজেন্ট ব্যাংকিং সম্মেলন অনুষ্ঠিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ময়মনসিংহ জোনের এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন এবং মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা সম্প্রতি জামালপুরের একটি রিসোর্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে বক্তব্য দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবুল ফায়েজ মুহাম্মদ কামালউদ্দিন।

সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ মাকসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে বিভিন্ন সেশনে বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ জোনপ্রধান মোঃ আনিসুল হক, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এ কে এম মাহবুব মোরশেদ, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ আবদুল জলিল ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী মোহাম্মদ ইসমাঈল। সম্মেলনে জোনের অধীন শাখাসমূহের প্রধান ও এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের স্বত্বাধিকারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

;

৪৩৯ কোটি টাকার সার কিনছে সরকার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ৪৩৮ কোটি ৯১ লাখ টাকার ইউরিয়া, ডিএপি সার ও ফসফরিক এসিড কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরমধ্যে ২৫৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকার ডিএপি সার, ১২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকার ইউরিয়া সার এবং ৬২ কোটি ৯২ লাখ টাকার ফসফরিক এসিড রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে কমিটির সভায় এসব প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান।

এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত সচিব জানান, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় জি টু জি পদ্ধতিতে সৌদি আরবের মা আদেন থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানি ব্যয় হবে ২৫৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। প্রতি মেট্রিক টনের দাম পড়বে ৫৭৬ মার্কিন ডলার। যা আগে ছিল ৫৮৯ মার্কিন ডলার।

এছাড়া কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) কাছ থেকে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ১২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। প্রতি টনের দাম পড়বে ৩৭১ দশমিক ৩৭ ডলার। যা আগে ছিল ৩১৬ দশমিক ৬২৫ মার্কিন ডলার। এছাড়াও আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ১০ হাজার টন ফসফরিক এসিড কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৬২ কোটি ৯২ লাখ টাকা। প্রতি টনের দাম পড়বে ৫৭২ ডলার। যা আগে ছিল ৫৮২ ডলার। এ ফসফরিক এসিড সরবরাহ করবে চায়নার জুনজুয়াই ইকো টেকনোলজি কোম্পানি। এদের ঢাকার প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছে মেসার্স বেস্ট ইস্টার্ন।

;

২৪৯ কোটি টাকার ডাল-গম কিনছে সরকার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ২৪৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকার ডাল ও গম কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এরমধ্যে ৮৩ কোটি ১২ লাখ টাকার মসুর ডাল এবং ১৬৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকার গম কেনা হবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে কমিটির সভায় এসব প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান।

তিনি জানান, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠান এম এস এগ্রো কট ইন্টারন্যাশনাল থেকে ৫০ হাজার টন গম কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৬৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। প্রতি টন গমের মূল্য পড়বে ৩০৩ দশমিক ১৬ ডলার। আগের ক্রয় মূল্য ছিল ৩১৫ দশমিক ২৯ ডলার।

এদিকে রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা টিসিবির জন্য স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৮ হাজার টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাজশাহীর নাবিল নবা ফুডস লিমিটেড থেকে এই মসুর ডাল কিনতে মোট খরচ হবে ৮৩ কোটি ১২ লাখ টাকা। প্রতিকেজি মসুর ডালের দাম পড়বে ১০৩ টাকা ৯০ পয়সা।

;