ইউনিলিভার বাংলাদেশ পেল এশিয়ার ‘বেস্ট এমপ্লয়ার ব্র্যান্ড ২০২২’ অ্যাওয়ার্ড



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইউনিলিভার বাংলাদেশ পেল এশিয়ার ‘বেস্ট এমপ্লয়ার ব্র্যান্ড ২০২২’ অ্যাওয়ার্ড

ইউনিলিভার বাংলাদেশ পেল এশিয়ার ‘বেস্ট এমপ্লয়ার ব্র্যান্ড ২০২২’ অ্যাওয়ার্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বজুড়ে মানব-সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বীকৃতি প্রদানকারী স্বাধীন সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড এইচআরডি কংগ্রেস’ ইউনিলিভার বাংলাদেশকে (ইউবিএল) এশিয়ার  ‘বেস্ট এমপ্লয়ার ব্র্যান্ড ২০২২’ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেছে।

বিগত তিন দশক ধরে ‘ওয়ার্ল্ড এইচআরডি কংগ্রেস’ ১৩৩টি’র বেশি দেশের হাজার হাজার পেশাদারকে একই মঞ্চে জড়ো করেছে এবং এটি পরিণত হয়েছে মানব-সম্পদ বিষয়ক পেশাজীবীদের সর্ববৃহৎ মিলনমেলায়। সম্প্রতি ‘এশিয়ার বেস্ট এমপ্লয়ার ব্র্যান্ড’ অ্যাওয়ার্ড এর ১৩তম আসরে  ইন্ডাস্ট্রি ও সংস্থার বৈশ্বিক নেতৃবৃন্দ সিঙ্গাপুরের প্যান প্যাসিফিক ম্যারিন স্কয়ারে মিলিত হয়েছিলেন। সম্মানজনক এই আয়োজনে মেধার অন্বেষণ ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ইউনিলিভার বাংলাদেশের কর্মপ্রক্রিয়া ও নীতিবোধ সবার সামনে তুলে ধরা হয় এবং তা প্রশংসা অর্জন করে। উদ্দেশ্যমুখী ও বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯০টির বেশি দেশে ইউনিলিভারের উপস্থিতি রয়েছে এবং কোম্পানিটি বৈশ্বিক চাহিদা অনুযায়ী তরুণ মেধাবীদের দক্ষ করে গড়ে তোলে ও তাদের পরিচর্যা করে। ইউনিলিভার কম্বোডিয়া লিমিটেড এবং ইউনিলিভার শ্রীলংকাও অনুসরণীয় বিভিন্ন উদ্যোগের জন্য তাদের নিজেদের দেশের হয়ে অ্যাওয়ার্ড জিতেছে।     

ইউবিএল এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাভেদ আখতার বলেন, “বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ডিজিটালাইজেশনের এই যাত্রায়, তরুণদের কাজের ক্ষেত্র তৈরি করার এটাই উৎকৃষ্ট সময়। নাগরিকদের জীবনমানের পূর্ণাঙ্গ রূপ দেয়ার মাধ্যমে জাতিকে সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে- আমাদের সাথে নিয়ে ক্যারিয়ার গড়া প্রসঙ্গে ইউনিলিভার বাংলাদেশের বর্তমান ও গুরুত্বপূর্ণ কর্মীরা প্রতিষ্ঠানের ওপর যে আস্থা রেখেছেন, এই অ্যাওয়ার্ড সেই প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেওয়ায় আমি আনন্দিত। পছন্দের সেরা এমপ্লয়ার হওয়ায় আমরা অধিকতর অগ্রগামী পৃথিবী ও সমাজ ব্যবস্থা বিনির্মাণে বিভিন্ন সেক্টরের সবচেয়ে উজ্জ্বল মেধাবীদের সঙ্গে অংশীদার হিসেবে কাজ করতে সক্ষম হয়েছি।”

এই অ্যাওয়ার্ডকে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় মেধার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেছেন ইউনিলিভার বাংলাদেশের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক সাকশী হান্ডা। তিনি বলেন, “এই প্রতিযোগিতায় বিচারকরা তরুণদের ক্যারিয়ার বিষয়ক অগ্রাধিকার এবং পরিবর্তনশীল ব্যবসায়িক পরিবেশে তাদের চাহিদা পূরণে ইউনিলিভারের দায়বদ্ধতার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। ক্যাম্পাসভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের তাদের পছন্দনীয় কাজের ক্ষেত্র, যেমন- সাপ্লাই চেইন, মার্কেটিং, ফাইন্যান্স অথবা কর্পোরেট ইত্যাদি বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ তৈরি করে দেই। এছাড়া ক্যারিয়ার ব্রেক কর্মসূচি ও  আমাদের এখানে আরো রয়েছে ফ্রিল্যান্সিং এর সুযোগ; পাশাপাশি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা বিজমায়েস্ত্রোজ তরুণদের সম্ভাবনা উন্মোচনের সুযোগ করে দেয়। যেহেতু আমরা শেখার সক্ষমতা তৈরিতে ভূমিকা রাখছি, এ ধরনের বৈশ্বিক উদ্যোগ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও তাদের ডিজিটাল রূপান্তরে অনুপ্রাণিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের মেধাবীদের ইতিবাচক প্রভাব তুলে ধরছে।”

এর আগে, ইউনিভার্সাম এর স্বাধীন এক জরিপে ইউনিলিভার বাংলাদেশ নিত্য ব্যবহার্য ও ভোগ্যপণ্য (এফএমসিজি) ইন্ডাস্ট্রি এবং অন্য সব সেক্টরে সেরা এমপ্লয়ার বা ‘নাম্বার ওয়ান এমপ্লয়ার অব চয়েস’ নির্বাচিত হয়। এছাড়া, এ বছরের শুরুতে স্বাধীন এক জরিপের মাধ্যমে ইউবিএলকে বাংলাদেশে ‘দ্য গ্লোবাল বেস্ট এমপ্লয়ার ব্র্যান্ড’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ‘ওয়ার্ল্ড এইচআরডি কংগ্রেস’।

স্বপ্ন এখন বগুড়া উপশহরে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্বপ্ন এখন বগুড়া উপশহরে

স্বপ্ন এখন বগুড়া উপশহরে

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ স্বপ্ন এখন বগুড়া উপশহর এলাকায়। শুক্রবার ( ৩০ সেপ্টেম্বর ) বিকাল ৪ টা ৪৫ মিনিটে নতুন এই আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফ্র্যাঞ্চাইজি মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, বগুড়া নার্সিং হোমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ এ এইচ এম মুশিহুর রহমান, বগুড়ার বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী এ কে এম রাজিউল্লাহ, বগুড়া জেল খানা মসজিদের হাফেজ আবদুল গাফফার ইমাম , স্বপ্নর জোনাল ম্যানেজার অপারেশন মুসা তারেক, আউটলেট ম্যানেজার সিদ্দিকুর রহমানসহ অনেকে ।

এটি স্বপ্নের ২৫০ তম আউটলেট। স্বপ্ন’র নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, স্বপ্ন এখন দেশের ৪৩টি জেলায়। বগুড়া উপশহরে আমাদের সেবার পরিসর আরও বিস্তৃত হবে। আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ পরিবেশে গ্রাহকরা স্বপ্নের এ আউটলেট থেকে নিয়মিত বাজারের সুযোগ পাবেন।

স্বপ্নের অপারেশন্স ডিরেক্টর আবু নাছের জানান, নতুন এ আউটলেটে থাকছে মাসব্যাপী নানা অফার ও হোম ডেলিভারি সেবা।

নতুন এই আউটলেটের ঠিকানা: রুমানা ম্যানশন, রোড ২১, বাড়ী ২২, হাউজিং এস্টেট, উপশহর, বগুড়া । হোম ডেলিভারির জন্য যোগাযোগের নাম্বার ০১৭১৪-৫৬০৪৮৩।

;

কর্ণফূলী গ্যাসে বড়চোরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ছোট চোরের বিচারের



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ফিরোজ খান, সফিউল আজম খান এবং এমএ মাজেদ

ফিরোজ খান, সফিউল আজম খান এবং এমএ মাজেদ

  • Font increase
  • Font Decrease

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ মাজেদসহ দুর্নীতিবাজদের বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও পেট্রোবাংলার পদক্ষেপকে দায়সারা মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দুই দফা তদন্তে ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য প্রমাণ পাওয়ার পরও স্বপদে বহাল রাখার ঘটনা নজীর বিহীন বলে মন্তব্য করেছেন তারা।

কেজিডিসিএল এর একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, সিন্ডিকেটের হোতাদের স্বপদে বহাল রেখে তাদেরকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাগরেদদের বিচার করার। যাদের বিচার করা জন্য ব্যবস্থাপনা পরিচালককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তারাতো তার সকল অপকর্মের সহযোগী। সাগরেদকে রক্ষা করতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক। বিষয়টি অনেকটা এমন হয়েছে, বড় চোরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ছোটদের বিচারের।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, এক কোম্পানি থেকে সরিয়ে অন্য কোম্পানির দায়িত্ব দেওয়াকে আমি শাস্তি মনে করি না। আমরা বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছি। পেট্রোবাংলা থেকে ডেপুটেশনে থাকা দুই কর্মকর্তাকে (ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ মাজেদ, কোম্পানি সচিব ফিরোজ খান) আমার স্বাক্ষরে শোকজ করা হয়েছে। জবাব পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন জবাব দাখিলের সময় সীমা শেষ হয় নি।

তিনি বলেন, ডিপির (বিভাগীয় ব্যবস্থা) ক্ষেত্রে যদি কোন অনিয়ম হয়, উভয় ক্ষেত্রেই জবাবদিহিতা্র ব্যবস্থা রয়েছে। যার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তিনিও যেমন আওতাভুক্ত, তেমনি আমারও জবাবদিহিতার জায়গা রয়েছে। অতএব কোন দিক থেকেই অনিয়মের সুযোগ নেই।

পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যানের কাছে প্রশ্ন ছিল, তদন্ত কমিটি সিন্ডিকেটের তথ্য প্রমাণ পেয়েছে। সেই সিন্ডিকেট প্রধানদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সহযোগিদের বিচারের। এ কারণে ন্যায় বিচার নিয়ে অনেকে সংশয় প্রকাশ করেছে। জবাবে পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান বলেছেন, তদন্ত কমিটি অভিযুক্ত করেছে ঠিকই। তাদেরকে কি অত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়েছে। তাদেরওতো বক্তব্য থাকতে পারে। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে। বিচারিক ব্যবস্থায় তিন দফায় আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়। তবে আমি এটুকু বলতে পারি, আমি যতদিন এই চেয়ারে রয়েছি, অনিয়ম করলে কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

কেজিডিসিএল সূত্র জানিয়েছে, ঘুষ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বেশিরভাগ কর্মকর্তা এখনও বহাল তবিয়তে। বিশেষ করে সিন্ডিকেটের প্রধান কোম্পানি সচিব ফিরোজ খান ও অন্যতম সহযোগি জিএম সফিউল আজম খান, জিএম আমিনুর রহমান ছড়ি ঘুরিয়ে যাচ্ছেন। নিচের দিকে কয়েকজনের ইনক্রিমেন্ট স্থগিত ও আইওয়াসের জন্য কয়েকজনের ডেস্ক পরিবর্তন করা হয়েছে। ইনক্রিমেন্ট গুরুদন্ড হলেও দপ্তর বদল একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এতো মহাজালিয়াতির পরও তাদের এমন আস্ফালন অন্যদের হতাশ করে। সৎভাবে কাজ করার মানসিকতা হারিয়ে ফেলে, চেইন অব কমান্ড নষ্ট হয়ে যায় প্রতিষ্ঠানের।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পেট্রোবাংলা কয়েক বছর ধরে শুধু তদন্তেই করে গেলো। শাস্তি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ভূমিকা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে জনমনে।তারা যদি আন্তরিক হতো, প্রথম তদন্তের পরেই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। এখনও তাদের বহাল রেখে সঠিক বিচার আশা করা কঠিন। ওরা ফাঁক গলে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য আরও জালিয়াতি করতে পারে। আগেও যেভাবে রেজিস্টার কাঁটাছেড়া করেছে, আরও করতে পারে। তাই ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে হলে তাদেরকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া জরুরি।

গত সপ্তাহে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির জিএম (প্রশাসন) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মোজাহার আলীকে। তার কাছে প্রশ্ন ছিল কি ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে অভিযুক্তদের বিষয়ে। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, আমি মাত্র দু’দিন অফিস করেছি, এরপর সাপ্তাহিক ছুটি চলছে। এখনও সবকিছু জানা হয় নি।

কেজিডিসিএল’র দুর্নীতির বিষয়ে সর্বশেষ কমিটি গঠন (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২)  করা হয় পরিচালক (পরিকল্পনা) আলী ইকবাল মোঃ নুরুল্লাহ এর নেতৃত্বে। ৪ সদস্যের ওই কমিটি গঠনই করা হয় পরিচালকের (অপারেশন এন্ড মাইন্স) নেতৃত্বে গঠিত কমিটির রিপোর্টের ‍উপর ভিত্তি করে। আলী ইকবাল মোঃ নুরুল্লাহ কমিটি তদন্তে অসংখ্য অনিয়মের পাশাপাশি কেজিডিসিএল’এ একটি সিন্ডিকেটের প্রমাণ পেয়েছেন। কমিটি তার ৩১ পৃষ্ঠার রিপোর্টে অসংখ্যা দুর্নীতির তথ্য তুলে এনেছেন। কমিটি বলেছে, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদকে পাশ কাটিয়ে নতুন সংযোগ ও পুনঃসংযোগ প্রদান করা হয়েছে। এতে একদিকে নিয়মকানুন লঙ্ঘিত হয়েছে, অপরদিকে কোম্পানি তথা রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া বোর্ড পেপারে জালিয়াতি, সিন্ডিকেটের বাইরে থাকা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি আটকানোসহ মহাদুর্নীতির তথ্য প্রমান পেয়েছে কমিটি।

তদন্ত কমিটি সুপারিশে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ মাজেদ, বিপণন উত্তর ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক (চ.দা) প্রকৌশলী সফিউল আজম খান, বিপণন দক্ষিণ ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক আমিনুর রহমান, জিএম (প্রশাসন) ফিরোজ খানসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে কমিটি।

কেজিডিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ মাজেদ এর সরকারি নম্বরে একাধিক দফায় ফোন দিলেও বন্ধ পাওয়া গেছে।

;

স্বপ্ন এখন মৌলভীবাজারের শেরপুরে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্বপ্ন এখন মৌলভীবাজারের শেরপুরে

স্বপ্ন এখন মৌলভীবাজারের শেরপুরে

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ স্বপ্ন এখন মৌলভীবাজার জেলার শেরপুর এলাকায়।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে নতুন এই আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফ্র্যাঞ্চাইজি পার্টনার সৈয়দ আলী হায়দার, স্থানীয় বিশিষ্ট গুরুজন আবদুস সালাম, রিজিওনাল ম্যানেজার অব অপারেশন আজিম উদ্দিন, আউটলেট ম্যানেজার আহমেদ হোসেনসহ অনেকে ।

এটি স্বপ্নের ২৪৯তম আউটলেট। স্বপ্ন’র নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, স্বপ্ন এখন দেশের ৪৩টি জেলায়। মৌলভীবাজারের শেরপুরে আমাদের সেবার পরিসর আরও বিস্তৃত হবে। আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ পরিবেশে গ্রাহকরা স্বপ্নের এ আউটলেট থেকে নিয়মিত বাজারের সুযোগ পাবেন।

স্বপ্নের অপারেশন্স ডিরেক্টর আবু নাছের জানান, নতুন এ আউটলেটে থাকছে মাসব্যাপী নানা অফার ও হোম ডেলিভারি সেবা।

নতুন এই আউটলেটের ঠিকানা: হালিমা অ্যান্ড নাইমা কমপ্লেক্স, শেরপুর হাইওয়ে রােড, শেরপুর, মৌলভীবাজার।

;

নীতি সুদহার ফের বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে আবারও নীতি সুদহার বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এ নির্দেশনার ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে এখন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা ধার করতে হলে আগের চেয়ে শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি সুদ দিতে হবে। এর ফলে রেপো সুদহার বেড়ে হয়েছে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ। রোববার (২ অক্টোবর) থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মনিটারি পলিসি কমিটির (এমপিসি) ৫৬তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ নিয়ে গত চার মাসে তিন দফায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতি সুদহার বাড়াল। অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ২৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত মুদ্রানীতি কমিটির সভার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের ওভারনাইট রেপো সুদহার বেসিস পয়েন্ট ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হলো। তবে রিভার্স রেপো তথা ব্যাংকগুলো থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকা তোলার সুদহার বিদ্যমান ৪ শতাংশে অপরিবর্তিত থাকবে।

চলতি বছরের মে মাসের আগ পর্যন্ত রেপোর সুদহার ছিল ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। গত ২৯ মে এক নির্দেশনার মাধ্যমে বেসিস পয়েন্ট শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়ানো হয়। এরপর ৩০ জুন আবার বেসিস পয়েন্ট ৫০ শতাংশ বাড়িয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ দফায় বেসিস পয়েন্ট বাড়ল ২৫ শতাংশ।

২০২০ সালে করোনাভাইরাসের প্রভাব শুরুর আগে অবশ্য রেপোর সুদহার ছিল ৬ শতাংশ। তিন দফায় ১ দশমিক ২৫ শতাংশীয় পয়েন্ট কমিয়ে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশে নামানো হয়। ২০১৩ সালে রেপোতে সর্বোচ্চ সুদহার ছিল ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

;