কার্বন নিরপেক্ষ রোডম্যাপ তৈরিতে যৌথভাবে কাজ করবে সামিট জেরা এশিয়া



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কার্বন নিরপেক্ষ রোডম্যাপ তৈরিতে যৌথভাবে কাজ করবে সামিট জেরা এশিয়া

কার্বন নিরপেক্ষ রোডম্যাপ তৈরিতে যৌথভাবে কাজ করবে সামিট জেরা এশিয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (সামিট) ও জেরা এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেড (জেরা এশিয়া) বাংলাদেশের কার্বন নিরপেক্ষ রোডম্যাপ তৈরিতে যৌথভাবে কাজ করবে।

সোমবার (২৫ এপ্রিল) টোকিওতে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছে কোম্পানি দুটি।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প উপমন্ত্রী তাদাআকিহিরো, সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে সিএফও নিকোলাস প্যাডগালসকাস এবং জেরা এশিয়ার সিইও তোসিরো কুদামা।

এই চুক্তিতে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ত্বরান্বিত করতে এবং প্যারিস জলবায়ু চুক্তির লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে সামিটের শূন্য কার্বন নির্গমন লক্ষ্যমাত্রা স্থাপন, তা অর্জনের রোডম্যাপের রূপরেখা তৈরি এবং হাইড্রোজেন বা অ্যামোনিয়ার মতো সবুজ-জ্বালানি ব্যবহার করে ডিকার্বনাইজেশনের প্রচেষ্টা জোরদার করার নিদের্শনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের সিইও ও এমডি আয়েশা আজিজ খান বলেন, বাংলাদেশ ক্লাইমেট ভালনারেবিলিটি ফোরামের (সিভিএফ) সদস্য হিসেবে ২০৪১ সালের মধ্যে জাতীয় জ্বালানি চাহিদার ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে সরবরাহ করার অঙ্গীকার করেছে। তার ধারাবাহিকতায়, সামিট এবং আমাদের অংশীদার জেরার সাথে নিয়ে বিশ্বমানের অভিযোজন পদ্ধতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা শূন্য কার্বন নির্গমন লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য কাজ করতে চাই।

জেরা এশিয়ার সিইও তোসিরো কুদামা বলেন, জেরা এশিয়া বাংলাদেশে তার ডিকার্বনাইজেশন প্রচেষ্টা বাস্তবায়ন নিয়ে সামিটের সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আনন্দিত, কারণ জেরা নিজেও ২০৫০ সালের মধ্যে তার অভ্যন্তরীণ ও বিদেশি কার্যক্রমে কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গমন কমিয়ে শূন্য-কার্বন অর্জন করতে চাইছে। আমরা বিশ্বাস করি জেরা এবংজাপানের অভিজ্ঞতার আলোকে, আমরা সামিট এবং সর্বোপরি বাংলাদেশকে সহায়তা করতে সক্ষম হবো।

বাংলাদেশ বিভিন্ন জ্বালানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যকারিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন খাত উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানো এবং প্যারিস চুক্তির লক্ষ্য অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সামিট গ্রুপ বাংলাদেশের বৃহত্তম অবকাঠামো উন্নয়নকারি শিল্পগোষ্ঠী। সিঙ্গাপুরে অবস্থিত সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের বৃহত্তম স্বতন্ত্র বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এছাড়া সামিট একটি ভাসমান সংরক্ষণাগার এবং পুনঃগ্যাসে রূপান্তকরণ ইউনিট (এফএসআরইউ) জাহাজের স্বত্ত্বাধিকার এবং পরিচালনা করে যা বাংলাদেশে প্রতিদিন৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ করে। এতে মিতসুবিশি করপোরেশন থেকে বিনিয়োগ আছে এবং অন্যান্য বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য জাপানের তাইয়ো লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি থেকে বিনিয়োগ পেয়েছে সামিট। ২০১৯ সালে জেরা কো. ইনকরপোরেটেড, জেরা সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের ২২ শতাংশ অংশীদারিত্ব গ্রহণ করেছে।

জেরা একটি বৈশ্বিক জ্বালানি কোম্পানি যার প্রধান শক্তি হলো জ্বালানি সাপ্লাই চেইনের পুরোটা জুড়ে কাজ করবার ক্ষমতা, যার ব্যাপ্তি এলএনজিও অন্যান্য জ্বালানি প্রকল্পে অংশগ্রহণ, জ্বালানির পরিবহন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন। ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত জেরা জাপানের প্রধান দুটি বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি টেপকো ফুয়েল এন্ড পাওয়ার ইনকরপোরেটেড এবং চুবুইলেকট্রিকের সমবিনিয়োগের যৌথ মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠান। জেরার লক্ষ্য হলো জ্বালানি খাতের সম্পদ উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক দরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ করা।

জাতীয় রপ্তানি ট্রফি পাচ্ছে ৭৭ প্রতিষ্ঠান



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: জাতীয় রপ্তানি ট্রফি

ছবি: জাতীয় রপ্তানি ট্রফি

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানি আয়, আয়গত প্রবৃদ্ধি, নতুন পণ্যের সংযোজন, নতুন বাজারে প্রবেশ ও কমপ্লায়েন্স প্রতিপালনে বিশেষ অবদানের জন্য জাতীয় রপ্তানি ট্রফি পাচ্ছে ৭৭টি প্রতিষ্ঠান।

রোববার (১৪জুলাই) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সফল রপ্তানিকারকদের মধ্যে 'জাতীয় রপ্তানি ট্রফি' তুলে দিবেন। শনিবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর টিসিবি ভবনে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু এ তথ্য জানান।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী 'হস্তশিল্প'কে বর্ষপণ্য ঘোষণার পর হস্তশিল্পকে যেন রপ্তানি করা যায় সেলক্ষ্যে কাজ করছে মন্ত্রণালয় । রপ্তানি বাড়লে, দেশে কর্মসংস্থান বাড়বে। রপ্তানি বাণিজ্যকে বাড়াতে 'জাতীয় রপ্তানি ট্রফি' সহায়ক ভূমিকা রাখবে। চীন,ভারত, জাপানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে। '

টিটু আরও বলেন, 'বাংলাদেশ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজার সুবিধা নিতে কর্মতৎপরতা চালাচ্ছে। সম্প্রতি চীন সফরে বাংলাদেশকে 'ম্যানুফেকচারার হাব' করতে ব্যবসায়ীরা উৎসাহ দেখিয়েছে যাতে চীনা সরকার সহযোগিতা করবে৷ রফতানি বাড়াতে ভারত সফরে 'বিমসটেক' কী করে আরও কার্যকর করা যায় তা আলোচনা হয়েছে। কয়েকমাসের মধ্যে বিভিন্ন দেশের বাণিজ্য প্রতিনিধি দল ব্যবসা,বিনিয়োগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশে আসবে। '

এসময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহা. সেলিম উদ্দিন, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান মো: আনোয়ার হোসেন, আরজেএসসি'র নিবন্ধক (অতি. সচিব) মিজানুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় রপ্তানি ট্রফি নীতিমালা-২০১৩ অনুসরণে বাছাই কমিটির মাধ্যমে মোট ৩২টি খাতের রপ্তানিকারকদের মধ্য হতে ২০২১-২০২২ অর্থবছরের রপ্তানি আয়, আয়গত প্রবৃদ্ধি, নতুন পণ্যের সংযোজন, নতুন বাজারে প্রবেশ, কমপ্লায়েন্স প্রতিপালন ইত্যাদি মূল্যায়নপূর্বক বিজয়ী প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হয়। প্রতিটি খাতের জন্য কৃতি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ, রোপ্য ও ব্রোঞ্জ ট্রফি প্রদান করা হয়ে থাকে। এছাড়া সকল খাতের মধ্যে হতে সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় অর্জনকারী প্রতিষ্ঠানকে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি’শিরোনামে ১টি বিশেষ ট্রফি (স্বর্ণ)সহ মোট ২৯টি স্বর্ণ, ২৭টি রৌপ্য এবং ২১টি ব্রোঞ্জ ট্রফি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

;

শুধুমাত্র সকাল-সন্ধ্যা বাণিজ্য চালু রেখেছে পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বেনাপোল (যশোর)
ছবি: বার্তা২৪, বেনাপোল বন্দর

ছবি: বার্তা২৪, বেনাপোল বন্দর

  • Font increase
  • Font Decrease

কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই বেনাপোল বন্দরের সঙ্গে সপ্তাহের সাতদিনই ২৪ ঘণ্টা বাণিজ্য সেবা চালু না রেখে শুধুমাত্র সকাল-সন্ধ্যা বাণিজ্য সেবা আমদানি-রফতানি চালাতে শুরু করেছে সীমান্তের ওপারের পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ।

এতে করে সীমান্তের ওপারে পণ্যজটের কবলে পড়েছেন আমদানিকারকেরা।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যার পর থেকে রাতে কোনো পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তবে দিনে বাণিজ্য স্বাভাবিক থাকছে। এর আগে রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা আমদানি, রফতানি হতো দুই বন্দরের মধ্যেই।

এদিকে, ২৪ ঘণ্টা বাণিজ্য সেবা বন্ধ হলে ব্যবসায়ীদের লোকসানের পাশাপাশি আমদানি কমে রাজস্ব আয়ে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে জানিয়েছেন বাণিজ্য সংশিষ্টরা।

বেনাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, সন্ধ্যার পর বাণিজ্য বন্ধের কারণ জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে পেট্রাপোল পোর্ট ম্যানেজারকে।

বাণিজ্য সংশিষ্টরা জানিয়েছেন, বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ১ আগস্ট দুই দেশের রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্তে শুরু হয় সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টার বাণিজ্য সেবা।

তার আগে শুধুমাত্র সকাল-সন্ধ্যা বাণিজ্য পরিচালিত হতো। ২৪ ঘণ্টা পণ্য পরিবহনের সুযোগে রাত-দিন এমনকী জরুরি মুহূর্তে শুক্রবারও আমদানি, রফতানি ও পণ্য খালাস কার্যক্রম চলতো। এতে আগের চেয়ে বাণিজ্য ও রাজস্বের পরিমাণ বেড়ে যায় ৪০ শতাংশ। ফলে প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে গতিশীলতা ফেরে আমদানি, রফতানিতে।

আমদানির পরিমাণ ৩শ ট্রাক থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ৫শ ট্রাকে এবং বছরে রাজস্ব আয় ৩ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ৬ হাজার কোটি টাকার ঘরে।

তবে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ কোনো আলোচনা ছাড়াই হঠাৎ ২৪ ঘণ্টা বাণিজ্য সেবা বন্ধ করে কেবল সকাল-সন্ধ্যা আমদানি, রফতানি চালানোর নির্দেশ দেয় পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ।

এতে বেনাপোল বন্দরে সন্ধ্যা ৬টার পর ওপার থেকে পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করতে না পারায় খাদ্যদ্রব্য, শিল্প-কলকারখানার কাঁচা মালসহ বিভিন্ন জরুরি পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছে।

এপারেও আটকে যাচ্ছে, রফতানি পণ্য। এতে কমেছে আমদানি, রফতানির পরিমাণ। আটকেপড়া পণ্যবাহী ট্রাকে লোকসান ও শিল্প-কলকারখানার উৎপাদন ব্যাহতের আশঙ্কা করছেন বাণিজ্য সংশ্লিষ্টরা।

পণ্যবাহী ট্রাকচালক কবির জানান, তিনি রফতানি পণ্য নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে বেনাপোল বন্দরে আসেন। তবে সন্ধ্যা ৬টার পর ভারতীয় কর্তৃপক্ষ পণ্যবাহী ট্রাকের গেটপাস না দেওয়ায় ভারতে ঢুকতে পারেননি।

আমদানি, রফতানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জানান, রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা এপথে আমদানি, রফতানি হতো। এখন সন্ধ্যার পরে ভারত বাণিজ্য পরিচালনা করছে না। এতে পচনশীল খাদ্যদ্রব্য নিয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

আমদানির চাহিদা বেশি তবে সন্ধ্যার পর পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করতে না পারায় বাণিজ্য ঘাটতি বাড়বে। বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দরে যানজট বাড়ছে আমদানি, রফতানি পণ্যে।

বেনাপোল বন্দরের আমদানিকারক ইদ্রিস আলী জানান, ভারত-বাংলাদেশ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি হওয়া পণ্য থেকে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭শ ৫ কোটি টাকা। ২৪ ঘণ্টা পণ্য আমদানির সুবিধা বন্ধ থাকলে রাজস্ব আয়ে বিরূপ প্রভাব পড়বে।

বেনাপোল বন্দর পরিচালক রেজাউল করিম জানান, বেনাপোল বন্দরে রাত, দিন ২৪ ঘণ্টা বাণিজ্য সেবা চলছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ পণ্যবাহী ট্রাক যেতে দিচ্ছে না।

বর্তমানে সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত পণ্য আমদানি হচ্ছে ওপার থেকে। সন্ধ্যার পর বাণিজ্য সেবা বন্ধের কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে তাদের কাছে। তারা বাণিজ্য সংশিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে জানাবেন বলে বলেছেন।

;

শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ইসলামী ব্যাংক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ইসলামী ব্যাংক

শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ইসলামী ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৪ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।

শনিবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ইসলামী ব্যাংক ২-০ গোলে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসিকে হারিয়ে শিরোপা অর্জন করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট থেকে ট্রফি গ্রহণ করেন ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা, ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আকিজ উদ্দীন ও কাজী মো. রেজাউল করিমসহ দলীয় অধিনায়ক।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)-এর চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী নাজমুল হাসান, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার ও টুর্নামেন্ট আয়োজক কমিটির সভাপতি একেএম নুরুল ফজল বুলবুল উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাংক কর্মকর্তাদের নিয়ে বিএবি দ্বিতীয়বারের মতো এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করে। দেশের ৩১টি বেসরকারি ব্যাংক এবারের টুর্নামেন্টে অংশ নেয়। টুর্নামেন্টে সার্বিক সহযোগিতা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনা ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ড। সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

;

বিবিয়ানা গ্যাস প্ল্যান্ট পরিদর্শনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বিবিয়ানা গ্যাস প্ল্যান্ট

ছবি: বিবিয়ানা গ্যাস প্ল্যান্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

শেভরন বাংলাদেশ পরিচালিত হবিগঞ্জের বিবিয়ানা গ্যাস প্ল্যান্ড এবং সিলেটের জালালাবাদ গ্যাস প্ল্যান্ট পরিদর্শন করেছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোঃ নুরুল আলম। পরিদর্শনে তার সঙ্গে ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ হুমায়ুন কবির, যুগ্ম সচিব মো. মোরশেদা ফেরদৌস এবং সচিবের ব্যক্তিগত সহকারী শাহরিয়ার আল-কবীর সিদ্দিকী।

শনিবার (১৩ জুলাই) শেভরন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এরিক এম ওয়াকার খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রতিনিধিদলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। ওয়াকারের সাথে প্রতিনিধিদল গ্যাস প্ল্যান্ট পরিদর্শন করেন, প্ল্যান্টে বাস্তবায়িত অপারেশন, সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতি সম্পর্কে একটি সার্বিক ধারণা লাভ করেন।

পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন বিবিয়ানা ও জালালাবাদ গ্যাস প্লান্টের অপারেশনস ডিরেক্টর রায়ান এম ওট, করপোরেট অ্যাফেয়ার্স ডিরেক্টর মুহাম্মদ ইমরুল কবির এবং গ্যাস প্ল্যান্ট সুপারিনটেনডেন্টরা।

গত ৩০ বছর এর কার্যক্রম ও উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কথা উল্লেখ করে মোঃ নুরুল আলম শেভরন বাংলাদেশকে শুভেচ্ছা জানান। দেশে সাশ্রয়ী, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহে কোম্পানির নিরবচ্ছিন্ন সহায়তার কথাও তুলে ধরেন।

সচিব বলেন, “আমাদের জ্বালানি খাতে শেভরন বাংলাদেশ যে অগ্রগতি সাধন করেছে তা প্রশংসনীয়। সুষ্ঠু ও সংগঠিত কার্যক্রম এবং টেকসই অনুশীলনের প্রতি প্রতিশ্রুতি তাদের কাজের মধ্যে স্পষ্ট। আমরা বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে তাদের আরো প্রসারিত ও নিরবচ্ছিন্ন অবদান প্রত্যাশা করছি।”

প্রবৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের প্রতি গুরুত্ব প্রদানের লক্ষ্যে সচিব মোঃ নুরুল আলম বিবিয়ানা গ্যাস প্ল্যান্টে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানেও অংশ নেন।

এই সফরে জ্বালানি খাতের মূল স্টেকহোল্ডারদের সাথে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য সরকারের প্রতিশ্রুতির ওপর জোর দেয়া হয়। সফরটি বাংলাদেশ সরকার এবং শেভরন বাংলাদেশের মধ্যে চলমান সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বের একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত করে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা। দেশের ২১টি গ্যাস ক্ষেত্র থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ( ১০ জুলাই সকাল ৮টা থেকে ১১ জুলাই সকাল ৮টা) ২০১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া গেছে। এরমধ্যে শুধু বিবিয়ানা গ্যাস ক্ষেত্র থেকে উত্তোলন করা হয়েছে ৯৯৬ মিলিয়ন ঘনফুট। একইদিনে জালালাবাদ থেকে গ্যাস পাওয়া গেছে ১৫৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।

;