১০২ কোটি টাকার বিনিয়োগ পেল পেপারফ্লাই



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সারা দেশব্যাপী দোরগোড়ায় ডেলিভারি প্রদানে পথিকৃৎ এবং অগ্রগণ্য প্রযুক্তি-নির্ভর লজিস্টিকস কোম্পানি পেপারফ্লাই দেশের কুরিয়ার (এক্সপ্রেস) ইন্ডাস্ট্রির ডিজিটাল যুগের শুভসূচনা ঘটাতে যাচ্ছে। এই উদ্দেশ্যে কোম্পানিটি ভারতের অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি-নির্ভর ই-কমার্স লজিস্টিকস সল্যুশন প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইকম এক্সপ্রেসের কাছ থেকে আরও ১০২ কোটি টাকার বিনিয়োগ নিশ্চিত করেছে।

২০১৬ সালে শাহরিয়ার হাসান, রাজিবুল ইসলাম, রাহাত আহমেদ এবং শামসুদ্দীন আহমেদ মিলে পেপারফ্লাই প্রতিষ্ঠা করেন। পেপারফ্লাই বাংলাদেশের প্রথম প্রযুক্তিনির্ভর লজিস্টিকস কোম্পানি যা সারা দেশব্যাপী সেবা প্রদান করছে। গত ৬ বছরে পেপারফ্লাই দেশের ই-কমার্স লজিস্টিকস ইন্ডাস্ট্রিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করেছে, প্রবর্তন করেছে দেশব্যাপী দোরগোড়ায় ডেলিভারি, দ্বারপ্রান্ত থেকেই পণ্য সংগ্রহ, দ্রুততম মিড-মাইল নেটওয়ার্ক, অ্যাপ সমন্বয়করণ, ক্যাশবিহীন মূল্য পরিশোধ এবং আরও অনেক কিছু। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে কোম্পানিটি দেশীয় কুরিয়ার ও পার্সেল ইন্ডাস্ট্রিকে লক্ষ্য করে সর্বপ্রথম এর কন্ট্র্যানক্ট নির্ভর বিটুবি সার্ভিস ও দোরগোড়ায় এক্সপ্রেস ডেলিভারি সার্ভিস চালু করে এবং এক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাড়া পায়।

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে পেপারফ্লাই বাংলাদেশের এক্সপ্রেস কুরিয়ার ডেলিভারি সার্ভিসের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক ও আমূল পরিবর্তন আনতে চায়। এই কোম্পানিটির এ পর্যন্ত যে জয়যাত্রা, তা আসলে পুরো টিমের দলগত দক্ষতা ও নতুন যুগের উপযোগী লজিস্টিকস ব্যবস্থা গড়ে তোলার ইচ্ছাশক্তির বহিঃপ্রকাশ এবং অবশ্যই তা পেপারফ্লাইয়ের প্রতিষ্ঠাতাদের দূরদর্শী ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের অধীনেই সম্ভব হয়েছে।

এই নতুন বিনিয়োগ দেশব্যাপী আরও একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সহায়ক হবে, যা কিনা কুরিয়ার ও পার্সেল ইন্ডাস্ট্রির সকল প্রয়োজনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে সাজানো হবে এবং সেই সাথে দ্রুত বর্ধনশীল ই-কমার্স ডেলিভারি খাতের কথাও লক্ষ্য রাখা হবে।

কোম্পানিটি দেশীয় প্রতিভা ও মেধা কাজে লাগিয়ে তার নিজস্ব আই ও টি সল্যুশনসের ক্ষেত্রেও বিনিয়োগ করারও পরিকল্পনা করছে। এতে শুধু ইন্টেলিজেন্ট প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে দ্রুততর ডেলিভারি নিশ্চিত হবে না, দেশের নিজস্ব হার্ডওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিও উপরে উঠে আসার সুযোগ পাবে। পেপারফ্লাই এই ক্ষেত্রে উন্নততর সাপ্লাই চেইন এবং লজিস্টিকস প্রক্রিয়ায় আরও গতি আনা এবং ওয়্যারহাউস, পরিপূর্ণতা ও নেটওয়ার্ক অপারেশন্সের জন্য পরিবর্তনশীল ও সহজে ভিন্নতা আনা যায় এমন সব সল্যুশনস গ্রহণ করার মাধ্যমে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে চায়।

বাংলাদেশ ই-কমার্স বাজারের মূল্যমান ২০২১ সালে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি ছিল এবং এ মূল্য আগামী কয়েক বছরে দ্বিগুণ আকার ধারণ করবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। আবার দেশের কুরিয়ার মার্কেটে বর্তমান সময়ে বছরে ১২০০ কোটির লেনদেন হচ্ছে কিন্তু এই খাতে প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা প্রদান এবং উন্নত আধুনিক প্রযুক্তিগত অভাব রয়েছে। এর ফলে এ খাতের বৃদ্ধি ও উপযোগিতা ব্যাহত হচ্ছে। পেপারফ্লাই এ জট খুলে ফেলার এবং লজিস্টিকস সংক্রান্ত সকল ভোগান্তির অবসান ঘটাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করার পরিকল্পনা করছে।

স্ট্র্যা টেজিক বিনিয়োগকারী ইকম এক্সপ্রেস লিমিটেড, ভারতের ইকমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে এন্ড টু এন্ড প্রযুক্তি নির্ভর লজিস্টিকস সল্যুশন প্রদানের ক্ষেত্রে একটি অগ্রগণ্য প্রতিষ্ঠান। গুরুগ্রামে হেডকোয়ার্টার বিশিষ্ট ইকম এক্সপ্রেস ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল টি এ কৃষ্ণান, মাঞ্জু ধাওয়ান, কে সত্যনারায়ণ এবং পরলোকগত সঞ্জীব সাক্সেনার হাত ধরে, ভারতীয় লজিস্টিকস ও ডিস্ট্রিবিউশন ইন্ডাস্ট্রিতে তাদের সম্মিলিত ১০০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতার আলোকে।

এই বিনিয়োগের ব্যাপারে ইকম এক্সপ্রেসের সিইও এবং সহ প্রতিষ্ঠাতাটি. এ. কৃষ্ণান বলেন, পেপারফ্লাই বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতের বিকাশ ঘটানো এবং দেশের সর্বত্র এই সেবা প্রদানের পরিসর বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পেপারফ্লাইয়ে ইকম এক্সপ্রেসের সহায়ক বিনিয়োগের মাধ্যমে আমরা এই কোম্পানির প্রতি আমাদের পূর্ণ সহায়তা প্রদানের ইচ্ছা প্রকাশ করছি যাতে তারা তাদের পরিসর বাড়াতে পারে, দেশের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল কমার্সের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সল্যুশনসের সাহায্যে এগিয়ে যেতে পারে। পেপারফ্লাইয়ের বিটুবি সল্যুশনস সেবা প্রদান করা শুরু হবার পর থেকে তা অসাধারণ গতিতে চলছে এবং আমরা আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই এই খাতটিকে আরও বড় পরিসরে দেখতে পাবো। আমাদের এই বিনিয়োগ বাংলাদেশের ই-কমার্স মার্কেটের প্রতি আমাদের আস্থা আরো জোরদার করে তুলছে আর এর ফলে কোম্পানিটি বৃদ্ধির পরিসর বা স্কেল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভবিষ্যতের জন্য উপযোগী ভাবে সদা প্রস্তুত থাকতে পারবে এবং আমরা এর বিকশিত হবার যাত্রার অংশীদার হতে আগ্রহী।

পেপারফ্লাইয়ের এমডি ও সিইও শাহরিয়ার হাসান এ প্রসঙ্গে বলেন, আমরা আমাদের সূচনা থেকেই ই-কমার্স লজিস্টিকস সল্যুশন প্রদানে পথিকৃৎ এর ভূমিকা পালন করে আসছি এবং বাংলাদেশের সকল গ্রামাঞ্চলের দোরগোড়াও ডেলিভারির আওতায় নিয়ে আসার ব্যাপারে আমাদের অগ্রগামী ভূমিকা রয়েছে। গত বছর আমরা আমাদের বিশ্বমানসম্পন্ন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে স্থানীয় কুরিয়ার পার্সেল ইন্ডাস্ট্রিতে বিটুবি সেবা প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছি এবং বেশ উদ্দীপনামূলক সাড়া পেয়েছি। এই বিনিয়োগ দ্বারা এ কথা নিশ্চিত হওয়া যায় আমরা আগামী বছরগুলোতে একেবারে তৃণমূল পর্যায়ে প্রযুক্তি ও উপযোগিতার সঠিক মিশেল ঘটিয়ে আগের নিয়মে চলা ইন্ডাস্ট্রিতে আমূল পরিবর্তন আনার প্রত্যয় রাখি। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে বাংলাদেশের লজিস্টিকস খাতের সম্ভাবনার বিষয়টি স্বচ্ছভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে এই ফান্ড সংযোজনার মাধ্যমে।

বর্তমান সময়ে পেপারফ্লাইতে ২০০০ কর্মী কাজ করেন এবং এই প্রতিষ্ঠানটি সারা দেশে ২০০টি পয়েন্টে দেশব্যাপী ডেলিভারি সার্ভিস দিয়ে থাকে।কোম্পানিটির হেডকোয়ার্টার এবং কেন্দ্রীয় ওয়্যারহাউজ ঢাকায় অবস্থিত।

নীতি সুদহার ফের বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে আবারও নীতি সুদহার বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এ নির্দেশনার ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে এখন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা ধার করতে হলে আগের চেয়ে শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি সুদ দিতে হবে। এর ফলে রেপো সুদহার বেড়ে হয়েছে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ। রোববার (২ অক্টোবর) থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মনিটারি পলিসি কমিটির (এমপিসি) ৫৬তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ নিয়ে গত চার মাসে তিন দফায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতি সুদহার বাড়াল। অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ২৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত মুদ্রানীতি কমিটির সভার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের ওভারনাইট রেপো সুদহার বেসিস পয়েন্ট ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হলো। তবে রিভার্স রেপো তথা ব্যাংকগুলো থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকা তোলার সুদহার বিদ্যমান ৪ শতাংশে অপরিবর্তিত থাকবে।

চলতি বছরের মে মাসের আগ পর্যন্ত রেপোর সুদহার ছিল ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। গত ২৯ মে এক নির্দেশনার মাধ্যমে বেসিস পয়েন্ট শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়ানো হয়। এরপর ৩০ জুন আবার বেসিস পয়েন্ট ৫০ শতাংশ বাড়িয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ দফায় বেসিস পয়েন্ট বাড়ল ২৫ শতাংশ।

২০২০ সালে করোনাভাইরাসের প্রভাব শুরুর আগে অবশ্য রেপোর সুদহার ছিল ৬ শতাংশ। তিন দফায় ১ দশমিক ২৫ শতাংশীয় পয়েন্ট কমিয়ে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশে নামানো হয়। ২০১৩ সালে রেপোতে সর্বোচ্চ সুদহার ছিল ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

;

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য এবার ৫০ হাজার বই বিতরণ করেছে বিকাশ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য এবার ৫০ হাজার বই বিতরণ করেছে বিকাশ

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য এবার ৫০ হাজার বই বিতরণ করেছে বিকাশ

  • Font increase
  • Font Decrease

সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে এ বছর দেশজুড়ে ৭৪টি স্কুল এবং ব্যক্তি উদ্যোগের লাইব্রেরিতে ৫০ হাজার বই বিতরণ করেছে বিকাশ। বইগুলোর একটি অংশ বিকাশের উদ্যোগে একুশে বইমেলায় আসা পাঠক-লেখক-দর্শনার্থীদের কাছ থেকে এবং সুপারশপ আগোরা ও মীনা বাজার, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, মিডিয়া হাউজ, সকল বিকাশ কাস্টমার কেয়ার, কাস্টমার সেন্টার ও বিকাশের অফিসগুলো থেকে সংগৃহীত হয়। এর সঙ্গে বিকাশের পক্ষ থেকে আরো বই যুক্ত করে মোট এই ৫০ হাজার বই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদেরকে বিতরণ করা হয়।

নির্ভয় ফাউন্ডেশন, অদম্য ১৯, চারুলতা, আলোর দিশারী, ইগনাইট ফাউন্ডেশন, আলোর ধারা স্কুল, ড্রিম স্কুল, আলোর ভুবন গ্রন্থাগার, খিলগাও পাঠশালা, সবার পাঠশালা, হাতে খড়ি ফাউন্ডেশন, তাকওয়া ফাউন্ডেশন, ষ্টেশন পাঠাগার, হেল্প স্কুল ও অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্কুলসহ আরো কিছু প্রতিষ্ঠানে বইগুলো বিতরণ করা হয়।

২০২০ সাল থেকেই বাংলা একাডেমির বইমেলায় আসা পাঠক-লেখক-দর্শনার্থীদের নিয়ে এই কার্যক্রমকে গতিশীল করতে বই সংগ্রহ করে বিতরণ শুরু করে বিকাশ। এই নিয়ে, গত তিন বছরে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য মোট ৭২,৫০০ বই দিলো বিকাশ।

সব ধরনের বই পড়তে পারার আনন্দ নিয়ে শিশুপল্লী স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র শোয়েব বলেন, “বই আমার কাছে সব। সায়েন্স ফিকশন, নভেল আমার পছন্দের হলেও বিকাশ সব ধরণের বই দিয়েছে। এসব দেশী বিদেশী বই আমাদেরকে পড়াশোনার বাইরেও আরো অনেক কিছু জানার সুযোগ করে দিচ্ছে।”

ঢাকার হাইকেয়ার স্কুলের প্রিন্সিপাল (ভারপ্রাপ্ত) রওশন আরা বেগম বলেন, “বইগুলো আমাদের বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশে সহায়তা করবে। সেই সাথে তাদের কল্পনাশক্তি বাড়বে এবং তারা নিজেরাও লেখালেখি ও গল্প বলায় অনুপ্রাণিত হবে।”

অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ ইমতিয়াজ জামি বলেন, “তিন বছর ধরে সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের জন্য বই সংগ্রহ ও বিতরণ করে আসছি। এ বছর আমরা দেশের আটটি বিভাগের স্কুল ও লাইব্রেরিতে বই বিতরণ করেছি। এই প্রোগ্রাম আমরা আগামীতেও অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবো।”

বিকাশের চিফ মার্কেটিং অফিসার মীর নওবত আলী বলেন, “বিকাশ সবসময়ই সৃজনশীল, মেধা-বিকাশ উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত থাকার চেষ্টা করে। ভবিষ্যতেও সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশু কিশোররা যাতে সব ধরণের বই পড়ে নিজেদেরকে বিকশিত করতে পারে, সেই চেষ্টা অব্যাহত রাখবে বিকাশ।”

উল্লেখ্য, বিকাশ সব সময়ই বইয়ের সঙ্গে থেকেছে। আগামী প্রজন্মের মাঝে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে দেশের দায়িত্বশীল কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে ২০১৪ সাল থেকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই পড়া কর্মসূচির সাথে যুক্ত আছে। এ পর্যন্ত সারাদেশের ২৯০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২,৫৩,৬০০ বই দিয়েছে বিকাশ যা সরাসরি ২৬ লাখ শিক্ষার্থীকে বই পড়ার সুযোগ দিয়েছে। এছাড়া মুজিব শতবর্ষ উদযাপন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে স্কুলের শিক্ষার্থীদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত করতে সারাদেশে বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের ৫০০টি স্কুলে ২০ হাজার কপি গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ বিতরণ করেছে যা প্রায় আড়াই লাখ শিক্ষার্থীর মাঝে পৌঁছে গিয়েছে। বই কিনতে উৎসাহিত করতে গত আট বছর ধরে বইমেলা উপলক্ষ্যে বই কেনায় ক্যাশব্যাকও দিয়ে আসছে বিকাশ। পাশাপাশি বাঙালি জাতির প্রাণের উৎসব অমর একুশে বইমেলায় বিকাশ গত চার বছর ধরে মূল পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বাংলা একাডেমির সাথে কাজ করে আসছে।

;

ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর পরিচালনা পর্ষদের এক সভা ২৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের বোর্ডরুমে অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃ নাজমুল হাসান, পিএইচডি এতে সভাপতিত্ব করেন।

সভায় ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সাহাবুদ্দিন, আইডিবি-র প্রতিনিধি ড. আরিফ সুলেমানসহ অন্যান্য পরিচালকবৃন্দ, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা এবং অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও কোম্পানি সেক্রেটারি জে.কিউ.এম. হাবিবুল্লাহ, এফসিএস উপস্থিত ছিলেন।

;

মাদারীপুরের শিবচরে ইসলামী ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মাদারীপুরের শিবচরে ইসলামী ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন

মাদারীপুরের শিবচরে ইসলামী ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন

  • Font increase
  • Font Decrease

মাদারীপুরের শিবচরে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ৩৮৬তম শাখা ২৮ সেপ্টেম্বর বুধবার উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে এ শাখা উদ্বোধন করেন। ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনির চৌধুরী, ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ আলতাফ হুসাইন, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মিফতাহ উদ্দিন ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ আব্দুস সোবহান। স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ মাকসুদুর রহমান এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন শিবচর শাখাপ্রধান মোঃ সাইফুল ইসলাম। গ্রাহক শুভানুধ্যায়ীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন শিবচর বণিক সমিতির সভাপতি মোঃ লোকমান খান। এ সময় সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এ এম শহীদুল এমরানসহ ব্যাংকের নির্বাহী-কর্মকর্তা, গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

নূর-ই-আলম চৌধুরী, এমপি প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ তথা সারাবিশ্বে অন্যতম একটি অবস্থান তৈরী করতে সক্ষম হয়েছে। প্রযুক্তিভিত্তিক উন্নত সেবা প্রদান ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করে এ ব্যাংক সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। উন্নত ব্যাংকিং সেবা প্রদানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর সোনার বাংলা গঠনে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে ইসলামী ব্যাংক। শিবচরে ব্যাংকের নতুন শাখা উদ্বোধন করায় তিনি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। শিবচরে শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন, উন্নত রেমিট্যান্স সেবা প্রদান ও জীবনমান উন্নয়নে বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতিকে পরিবর্তন করতে ইসলামী ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা সভাপতির ভাষণে বলেন, ইসলামী ব্যাংক আমানত, বিনিয়োগ, আমদানি, রপ্তানি, রেমিট্যান্সসহ সকল সূচকে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়নে ইসলামী ব্যাংক অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছে। সারা দেশে বিস্তৃত শাখা, উপশাখা, এজেন্ট ও সিআরএম নেটওয়ার্কের মাধ্যমে গ্রাহকদের সার্বক্ষণিক সেবা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের অর্জিত রেমিট্যান্সের প্রায় ৩০% এককভাবে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে আসে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে এ ব্যাংক। আধুনিক ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করে নিজেদের উন্নয়নের পাশাপাশি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কাজে অংশ নিতে সকলকে আহবান জানান তিনি।

;