সরকারের বড় সাফল্য বিদ্যুতেই গলার কাঁটা হতে পারে!



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

গ্যাসের বর্তমান সংকট সামাল দিলে বিপদজনক পথে হাটছে পেট্রোবাংলা এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। অতিরিক্ত উৎপাদন গ্যাস ক্ষেত্র ফিল্ডগুলোর মারাত্বক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

সাঙ্গু ও বাখরাবাদের মতো পরিণতি হলে, সামাল দেওয়ার মতো বিকল্প নেই সরকারের হাতে। সেই ধাক্কা ২০২৩ সাল নাগাদ আশঙ্কা করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। যখন দেশ থাকবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনমূখী। আওয়ামী লীগ সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য ঘরে ঘরে বিদ্যুতই এতে গলার কাঁটা হয়ে উঠতে পারে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী খন্দকার সালেক সূফী বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, গ্যাস কুপগুলোর সাধারণত একটি ক্যাপাসিটি নির্ধারণ করা থাকে। বাংলাদেশের কূপগুলোর গ্যাস উত্তোলনের ক্যাপাসিটি রয়েছে প্রায় ৩০ এমএমসিএফডির মতো। কিন্তু কিছু কূপ থেকে দ্বিগুণ পর্যন্ত উত্তোলন করা হচ্ছে। বিষয়টি গ্যাস ফিল্ডের জন্য ভয়ানক হতে পারে। এ্মনকি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার অনেক নজির রয়েছে। আর এই নজির পেতে বিদেশ যেতে হবে না। বাংলাদেশের সাঙ্গু গ্যাস ফিল্ড এভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। সাঙ্গুর উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ১২০ এমএমসিএফডি, সেখানে ১৫০এমএমসিএফডি পর‌্যন্ত উত্তোলন করা হয়। অতিরিক্ত উত্তোলনের কারণে প্রথমে পানি পরে বালি আসতে থাকে। তারপরও বিষয়টিতে মনযোগ না দেওয়ায় ২০১৩ সালে বন্ধ হয়ে যায় সাঙ্গু। বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ডও এক সময় বসে যেতে ধরেছিল।

তিনি বলেন, নিকট অতিতে এতো কিছুর পরও কোনই শিক্ষা গ্রহণ করেনি পেট্রোবাংলা। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্যাস রিজার্ভ বিবিয়ানা। বর্তমানে দৈনিক উত্তোলিত গ্যাসের মধ্যে ৪৭.৫ শতাংশ (২৩ মে ২০২১) গ্যাস আসছে এই ফিল্ড থেকে। বহুজাতিক কোম্পানি শেভরন এই ফিল্ড থেকে অনেকদিন ধরে অতিরিক্ত গ্যাস উত্তোলন করছে। এতে গ্যাসের চাপ কমে এসেছে, সাঙ্গুর মতো বিবিয়ানাতেও পানি আসা শুরু করেছে। যে কোনো সময় ফিল্ডটির গ্যাস উৎপাদন ব্যাপক আকারে কমে যেতে পারে। কি হারে হ্রাস পাবে তা ধারনাতীত হতে পারে।

শেভরন অনেকদিন ধরেই বাংলাদেশ ছাড়তে চায়, বছর তিনেক আগে চীনা কোম্পানির কাছে বিক্রি করে চলে যেতে চেযেছিল। গ্যাস ফিল্ড বন্ধ হয়ে গেলে তাদের কিছু যায় আসে না। কিন্তু বাংলাদেশের বড় ধরণের ক্ষতি হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন সালেক সূফী।

তিনি বলেন, একই অবস্থা বাঙ্গুরা গ্যাস ফিল্ডেরও। এখানেও অতিরিক্ত গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে করে গ্যাসের সঙ্গে পানি আসা শুরু হয়েছে। এই ফিল্ডটিও ঝূঁকির মধ্যে রয়েছে। সরকারের উচিত হবে ফিল্ডগুলোর উপর স্ট্যাডি করে পরিকল্পনা নেওয়া। কূপের চাপ, রিজার্ভ ও চাহিদা রিভিউ করে পরিকল্পনা করা। বহুজাতিক কোম্পানিগুলো অতিরিক্ত উৎপাদন করে তাদের মুনাফা দ্রুত তুলে নিতে চায়। কারণ যতো বেশি গ্যাস তুলবে ততো দ্রুত তাদের বিনিয়োগ উঠে আসবে।

তিনি বলেন, এখনই গ্যাসের উৎপাদন কমতে শুরু করেছে। এক সময় ২৭০০ এমএমসিএফডি পর‌্যন্ত উৎপাদন হয়েছে। এখন ২৫০০ এমএমসিএফডির নিচে নেমে এসেছে। ২০২৩ সাল নাগাদ গ্যাস উৎপাদন বড় ধরণের হ্রাস পেতে পারে। তেমন পরিস্থিতির জন্য পেট্রোবাংলার কোনো প্রস্তুতি ‍দৃশ্যমান নয়। তারা এখনই গ্যাসের যোগান দিতে পারছে না। এলএনজি আমদানি করেও ঘাটতি সামাল দিতে পারছে না। গ্যাসের চাহিদা বাড়ছে দ্রুত গতিতে, সেখানে যদি দেশীয় গ্যাস হ্রাস পায় তা সামাল দেওয়া কঠিন হবে। বর্তমানে এলএনজি আমদানি করে ঘাটতি মোকাবেলা করার চেষ্টা চলছে। এলএনজি আমদানির সক্ষমতা বাড়ানো বিষয়টিও সময় সাপেক্ষ এবং ব্যায় বহুল।

বর্তমানে ১০০০এমএমসিএফডি এলএনজি আমদানি করার সক্ষমতা অর্জণ করেছে। এই এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা ছিল ২০১৪ সালে। বাস্তবায়ন হতে আর ৫ বছর বেশি সময় লেগে যায়, ২০১৮ সালের আগস্টে প্রথম ইউনিট ৫০০ এমএমসিএফডি আনতে সক্ষম হয়। দ্বিতীয় ইউনিট এসেছে ২০১৯ সালের এপ্রিলে। মাতারবাড়িতে ১০০০ এমএমসিএফডি ক্ষমতা সম্পন্ন ল্যান্ড বেজড এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা। মাত্র কনসালটেন্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে নির্ধারিত সময়ে আসবে সে কথা বলা জটিল। পূর্বের অভিজ্ঞতা নেগেটিভ উত্তর দেয়। অর্থাৎ ঘাটতি বেড়ে গেলেও বাড়তি এলএনজি আমদানির ‍পথ প্রায় বন্ধ।

অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে ২০২৩ সালের দিকে গ্যাসের সম্ভাব্য উৎপাদন হ্রাস মোকাবেলায় কি পরিকল্পনা রয়েছে। এমন প্রশ্নের জবাবে পেট্রোবাংলার পরিচালক (পরিকল্পনা) আইয়ুব খান চৌধুরী বার্তা২৪.কমকে বলেন, এ বিষয়ে পরিচালক (অপরেশন এন্ড মাইনস) ভালো বলতে পারবেন। তার সঙ্গে কথা বলেন।

পরিচালক (অপরেশন এন্ড মাইনস) প্রকৌশলী আলী মোঃ আল মামুন  বার্তা২৪.কমকে বলেন, পিএসসির (উৎপাদন বন্টন চুক্তি) মতামত নিয়েই অতিরিক্ত গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। যে পরিমাণ বাড়তি উৎপাদনে টেকনিক্যালি সমস্যা হওয়ার কথা না সেই পরিমাণ তোলা হচ্ছে, এতে সমস্যা হওয়ার কথা না। ২০২৩ সাল নাগাদ উৎপাদন হ্রাস মোকাবেলায় কি উদ্যোগ রয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমি নতুন এসেছি, এ বিষয়ে ভালো করে না জেনে মন্তব্য করতে চাই না।

বাংলাদেশে এখন পর্য‌ন্ত ২৭টি গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কৃত হয়েছে। এসব ফিল্ডে প্রমাণিত মজুদের পরিমাণ ২১ দশমিক ৪ টিসিএফ, আরও ৬ টিসিএফ রয়েছে সম্ভাব্য মজুদ। এরমধ্যে প্রায় সাড়ে ১৮ টিসিএফ উত্তোলন করা হয়েছে। সে হিসেবে প্রমাণিত মজুদ অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ৩ টিসিএফ, আর সম্ভাব্য মজুদ রয়েছে আরও ৭ টিএসএফ’র মতো। আর প্রতি বছরে উত্তোলিত হচ্ছে প্রায় ১ টিসিএফ’র মতো।

গ্যাসের ঘাটতি কারণে এখনই হিমশিম খেতে হয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগকে। গ্যাসের সরবরাহ কমে গেলে, বিদ্যুতের উৎপাদন কমে গিয়ে বেড়ে যেতে পারে লোডশেডিং। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের এমন শঙ্কা সঠিক হলে সরকারের সবচেয়ে বড় সফলতা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ গলার কাঁটায় পরিণত হতে পারে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন এক সেমিনারে বলেছেন, আমাদের গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে ১১ হাজার মেগাওয়ার্ট। এসব কেন্দ্রে ১৫শ এমএমসিএফডি চাহিদার বিপরীতে গ্যাস সরবরাহ পাচ্ছি ১২শ এমএমসিএফডি (আগস্ট ২০২০)। যা দিয়ে ৬ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন করতে পারি। প্রায় ২৫ শতাংশ গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসে থাকছে। গ্যাস থেকে পাওয়া যাচ্ছে সর্বোচ্চ ৮২৫০ মেগাওয়াটের মতো।

গ্যাসের ঘাটতি মোকাবিলায় সবচেয়ে ভালো উপায় হতে পারতো কয়লা উত্তোলন ও বেশি বেশি কূপ খনন করা। কিন্তু সেই ট্রেন মিস করেছে বলে মনে করে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। কয়লা এখনই না তোলার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। আর বেশি কূপ খনন থেকেও রয়েছে অনেকটা পিছিয়ে। সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধ্যানও হতাশাজনক। জ্বালানি বিভাগের যখন বেহাল অবস্থা, তখন বিদ্যুৎ বিভাগ নতুন নতুন গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাস্তবায়ন করে চলেছে। ২০১৬ সালের রিভাইস মাস্টারপ্লান অনুযায়ী ২০২১ সালে ২৬৬১ মেগাওয়াট ও ২০২২ সালে ১১৮৮ মেগাওয়াট নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র যুক্ত হওয়ার কথা।

মতামত নেওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করেও বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের সাক্ষাৎ পাওয়া যায় নি। ফোন করলেও রিভিস করেন নি। অন্যদিকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আনিসুর রহমানকে প্রথমে ফোন করে পরে এসএমএস দিলেও সাড়া দেন নি।

‘স্থির লক্ষ্য ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সমন্বয় হলে সাফল্য আসবেই’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পুরস্কার গ্রহণ করছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

পুরস্কার গ্রহণ করছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ‘স্থির লক্ষ্য ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সমন্বয় হলে সাফল্য আসবেই। দলগত প্রচেষ্টা ও প্রতিষ্ঠানের একাগ্রতা সাফল্যের নেপথ্যে বড় অবদান রাখে।’

সোমবার (১৫ জুলাই) ২০২২-২৩ অর্থ বছরে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বাস্তবায়নে বিদ্যুৎ বিভাগ প্রথম এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ তৃতীয় হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণের পর দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি এমন মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিরবচ্ছিন্ন ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সরবরাহের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কর্মকর্তাদের আরও আন্তরিক হয়ে কাজ করতে হবে। স্বাধীনতা পুরস্কার বা ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার অর্জন এবং শতভাগ বিদ্যুতায়ন বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে গ্রাহকদের আকাঙ্খা বেড়ে গেছে। সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্পন্ন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, গ্রাহকদের এখন অন্যতম চাহিদা।

পুরস্কার গ্রহণ করছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

তিনি বলেন, প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা পূরণে সরকার এলএনজি আমদানির পাশাপাশি নিজস্ব উৎস থেকে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে। নতুন নতুন গ্যাস কূপ অনুসন্ধান, ওয়ার্কওভার কূপ খনন, গ্যাস উৎপাদন, এলএনজি আমদানি, জ্বালানি তেল আমদানি, গ্যাস ও তেল সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণ, এলপি গ্যাসের ব্যবহার সম্প্রসারণ, আইন, বিধি, নীতিমালা প্রণয়ন ইত্যাদি লক্ষ্যমাত্রা বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ফলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কার্যক্রমের গতি ব্যাপকভাবে প্রসারিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, এপিএ বাস্তবায়নে ৫২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ ১০০-এর মধ্যে ৯৯.৯৬ পেয়ে প্রথম হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে দ্বিতীয় স্থান, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রথম স্থান এবং ২০১৭-১৮ অর্থবছরেও এপিএ বাস্তবায়নে প্রথম স্থান অর্জন করেছিল। এপিএ সফলভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিগত ২০১৭-১৮, ২০১৮-১৯ ও ২০২২-২৩ অর্থবছরে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।

;

ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে নগদ’র রেমিট্যান্স সেবা সংক্রান্ত চুক্তি 



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে নগদ’র রেমিট্যান্স সেবা সংক্রান্ত চুক্তি 

ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে নগদ’র রেমিট্যান্স সেবা সংক্রান্ত চুক্তি 

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও নগদ লিমিটেডের মধ্যে রেমিট্যান্স সেবা সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এখন থেকে নগদ-এর গ্রাহকেরা ইসলামী ব্যাংকের সাথে যুক্ত হয়ে বিশ্বের ২০০ টিরও বেশি দেশ থেকে প্রেরিত রেমিট্যান্স দ্রুতসময়ে ও সহজে সংগ্রহ করতে পারবে এবং সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট চার্জে টাকা উত্তোলন করতে পারবে।

সোমবার (১৫ জুলাই) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা ও নগদ-এর এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান ও সিইও তানভীর এ মিশুকের উপস্থিতিতে ইসলামী ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিফতাহ উদ্দীন এবং নগদ-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মারুফুল ইসলাম ঝলক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এসময় ইসলামী ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী ও মোঃ আলতাফ হুসাইন, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইঞ্জিনিয়ার আ ফ ম কামালউদ্দিন ও কাজী মোঃ রেজাউল করিম, ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিসেস উইং প্রধান মোহাম্মদ ইহসানুল ইসলাম, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নজরুল ইসলাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ ওমর হায়াত চৌধুরী, ওভারসীজ ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ খালেদ এবং নগদ-এর চিফ স্ট্য্রাটেজি অফিসার মোঃ মুঈজ তাসনিম তাকি ও হেড অফ রেমিট্যান্স মোহাম্মদ জিয়াউল হকসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

;

বিইউপি ও নগদ যৌথভাবে চালু করছে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন কোর্স



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিইউপি ও নগদ যৌথভাবে চালু করছে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন কোর্স

বিইউপি ও নগদ যৌথভাবে চালু করছে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন কোর্স

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন দারুণ জনপ্রিয় একটি বিষয়। অনেকের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ঠিকভাবে না জানার কারণে কন্টেন্ট ক্রিয়েশনে ভালো করতে পারেন না। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালের (বিইউপি) সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে এমএফএস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদ লিমিটেড।

সম্প্রতি বিইউপি ক্যাম্পাসে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে নগদ ও বিইউপি। বিউপির পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারপারসন লে. কর্নেল মাসুদুর রহমান খান ও নগদের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সোলায়মান স্বাক্ষর করেন। এ সময় নগদের হেড অব মার্কেটিং স্ট্রাটেজি অ্যান্ড প্ল্যানিং মনসুরুল আজিজ, জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক আরিফুল ইসলাম, সহকারী ব্যবস্থাপক তানহা ওয়াহিদ আদৃতাসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফলে চলতি মাস থেকে বিইউপির সাংবাদিকতা বিভাগে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন কোর্স চালু হবে। এর জন্য প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে গিয়ে আগ্রহী শিক্ষার্থীকে প্রয়োজনীয় ফরম পূরণ করে ৫১০ টাকা ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে। এরপর বিইউপির প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী বাকি প্রক্রিয়া ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। শিক্ষার্থীরা ভর্তির জন্য যে ফি প্রদান করবেন, সেটিও নগদের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক প্রদান করতে পারবেন।

এই কোর্সে সফলভাবে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এই কোর্সে ভালো করা শিক্ষার্থীরা প্রথমবারের মতো নগদের দেওয়া ‘ক্রিয়েটরশিপ’ ইন্টার্নশিপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। বিইউপির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক এবং বিভিন্ন দক্ষ পেশাদার ব্যক্তিদের মাধ্যমে এই কোর্স পরিচালিত হবে। ৩০ জুলাই পর্যন্ত এই কোর্সে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।

নগদের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সোলায়মান বিইউপির সাথে চুক্তির বিষয়ে বলেন, ‘নগদ শুরু থেকেই প্রযুক্তিগত দিক থেকে শুরু করে উদ্ভাবনী সব ভাবনা নিয়ে কাজ করছে। যার কারণে আমরা দেশের বাইরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশেও কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের বিষয়ে যারা ভালোভাবে জানতে আগ্রহী, তাদের জন্য বিইউপির সাথে যৌথভাবে এই কোর্স চালু হচ্ছে। আশা করি এখান থেকে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন এবং মানসম্মত কন্টেন্ট তৈরি করতে পারবেন।’

চুক্তির বিষয়ে বিইউপির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারপারসন লে. কর্নেল মাসুদুর রহমান খান বলেন, ‘দেশে প্রথমবারের মতো কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের ওপর বিইউপি ও নগদ এমন একটি কোর্স নিয়ে আসছে। এই কোর্সে অত্যাধুনিক মিডিয়া ল্যাব ব্যবহার করে প্রতি শুক্র ও শনিবার দেশের সেরা পেশাদার ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মাধ্যমে মানসম্মত কন্টেন্ট ক্রিয়েশন শিখতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।’

;

মঙ্গলবার যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম ব্যুরো
মঙ্গলবার যে সব এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, ছবি: সংগৃহীত

মঙ্গলবার যে সব এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি প্রতিস্থাপন কাজের জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার ৮ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

সোমবার (১৫ জুলাই) তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি প্রতিস্থাপন কাজের জন্য মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০ টা থেকে সন্ধা ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস, শহীদ মঈনুল রোড এবং স্বাধীনতা স্বরণী সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যমান সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

;