রেকর্ড সংখ্যক পদে ৪৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা 
৪৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

৪৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

  • Font increase
  • Font Decrease

তিন হাজার ১৪০ পদে ৪৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে পিএসসির ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

গত ১০ বিসিএসের মধ্যে এবারই রেকর্ড সংখ্যক পদে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে পিএসসি। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৬৯৮টি পদ রয়েছে স্বাস্থ্য ক্যাডারে।

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রার্থীরা আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে আবেদন করতে পারবেন এবং এটি ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলমান থাকবে। নির্ধারিত তারিখ ও সময়ের পূর্বে বা পরে কোনো আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারে শূন্য পদসমূহ প্রতিযোগিতামূলক ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২৩ এর মাধ্যমে পূরণের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদনপত্র আহ্বান করা হলো। আগামী ১০ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে আবেদন শুরু হবে। এ প্রক্রিয়া চলবে ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

পিএসসি সূত্র জানিয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ৪৬তম বিসিএসে জনবল চাহিদা পাঠানো হয়। সেখানে ৩ হাজার ১০০ পদের কথা উল্লেখ ছিল। তবে বৃহস্পতিবার সকালে পিএসসির এক সভায় ৪০টি ক্যাডার পদ বাড়িয়ে ৩ হাজার ১৪০টি ক্যাডার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

পরবর্তীতে নতুন পদ সৃষ্টি, পদবিলুপ্তি, পদোন্নতি, অবসরগ্রহণ, মৃত্যু, পদত্যাগ অথবা অপসারণজনিত কারণে বিজ্ঞাপিত শূন্যপদের সংখ্যা পরিবর্তন হতে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে পিএসসি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবেদন সম্পন্ন হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রার্থীদের ফি জমাদান সম্পন্ন করতে হবে জানিয়ে জানিয়েছে পিএসসি। ফি জমাদানের পূর্বে আবেদনপত্র সংশোধনের সুযোগ থাকবে প্রার্থীদের। ফি জমাদানের পর আর কোনো সংশোধনের সুযোগ থাকবে না। এছাড়াও আবেদনের জন্য শেষ তারিখ ও সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে আবেদন করতে প্রার্থীদের পরামর্শ জানিয়েছে দেশের সরকারি চাকরির নিয়োগকারী এই তদারক সংস্থাটি।

   

প্রাথমিকের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ১ম পর্বের (বরিশাল, সিলেট, রংপুর বিভাগ) লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সর্বমোট ২ হাজার ৪৯৭ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে সুপারিশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.mopme.gov.bd এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dpe.gov.bd -তে ফল পাওয়া যাবে। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা মোবাইলেও মেসেজ পাবেন।

২০২৩ সালের ৮ ডিসেম্বর ৩ বিভাগের ১৮ জেলার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬শ ৯৭ জন পরীক্ষার্থী ছিল। লিখিত পরীক্ষায় ৯ হাজার ৩ শত ৩৭ জন উত্তীর্ণ হয়।

;

প্রাথমিকের ২য় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা শুক্রবার 



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রাথমিকের ২য় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা শুক্রবার 

প্রাথমিকের ২য় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা শুক্রবার 

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় ধাপের লিখিত (খুলনা, রাজশাহী, ময়নমনসিংহ বিভাগ) পরীক্ষা আগামীকাল ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। তিন বিভাগের ২২ টি জেলা শহরে সকাল ১০ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত ১ ঘণ্টার এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত জানান, সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠানে সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। জেলাপ্রশাসকগণ স্ব স্ব জেলার সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন। এবার মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তাকে বিভিন্ন জেলায় মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা ইতিমধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলায় পৌঁছে গেছেন।

দ্বিতীয় পর্বে মোট পরীক্ষার্থী ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ জন, কেন্দ্রের সংখ্যা ৬০৩ টি, কক্ষের সংখ্যা ৯ হাজার ৩৫৭ টি। ২০২৩ এর ২০ মার্চ ২য় পর্বের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়।

প্রথম পর্বের (বরিশাল, সিলেট, রংপুর বিভাগ) পরীক্ষা গত ৮ ডিসেম্বর, ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়। ২০ ডিসেম্বর লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এ পর্বের মৌখিক পরীক্ষা চলমান।

;

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা পদে নিয়োগের ফলাফল প্রকাশের দাবি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের আওতাধীন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) পদে নিয়োগের ফলাফল বাতিলের নোটিশ বন্ধ করে দ্রুত ফল প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন নিয়োগ প্রত্যাশীরা।

রোববার (২১ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরম খাঁ হলে সংবাদ সম্মেলন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এই দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এফডব্লিউভি পদে নিয়োগ প্রত্যাশী কানিজ মারিয়া ও ফৌজিয়া আক্তার বলেন, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের আওতাধীন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ২০২০ সালের ১০ মার্চ পরিবার কল্যণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) পদে এক হাজার ৮০ জন প্রশিক্ষণার্থী মনোনয়নের বিজ্ঞপ্তি জারি করে।

বিজ্ঞপ্তির আলোকে প্রায় ৩ লাখ ৩১ হাজার প্রার্থী আবেদন করেন। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দীর্ঘ তিন বছর পর ২০২৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি এই পদের লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ওই বছরের ১১ মে প্রকাশ করা হয় এবং ২৫ মে থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত ভাইভা পরীক্ষা গ্রহণের নোটিশ প্রকাশ করা হয়। এই পরীক্ষা যাতে স্বচ্ছ হয়, এজন্য বারবার কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারপরও দুর্নীতির অজুহাতে এই নিয়োগ বাতিল করা হয়।

তারা আরও বলেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা বিভিন্ন পত্রিকাকে জানিয়েছে যে, ইতিমধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অতিরিক্ত সচিবসহ চার সদস্য এক উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটির মাধ্যমে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তদন্তে অভিযোগের পক্ষে কোন ধরনের সত্যতা না পেয়ে বিষয়টি নথিভুক্ত করা হয়েছে। তাহলে মৌখিক পরীক্ষার দীর্ঘ আট মাস পর পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর অনিয়মের আলামত কোথায় পেলো?

নিয়োগ প্রত্যাশীরা অভিযোগ করে বলেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর বরাবরই মেয়েদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলে। তারা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ৭ নং শর্তে উল্লেখ্য করেছিল, চূড়ান্ত কৃতকার্য প্রশিক্ষণার্থীরা যোগদানের পূর্বে সিভিল সার্জন কর্তৃক শারীরিক সুস্থতা ও গর্ভবতী নয় এই মর্মে সনদ পত্র দাখিল করতে হবে। গর্ভবতী হলে তার মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে। প্রার্থীরা আশায় বসে থাকে এই মনে হয় পরীক্ষা হবে কিন্তু পরীক্ষার কোন খবর নাই। যার কারণে তারা পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারেনি।   

তারা আরও বলেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের চার বছর পর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করে। এসব পরীক্ষা গ্রহণের দীর্ঘ আট মাস পরে ফলাফল প্রকাশ না করে বরং ৭ হাজার ৬২১ জন নিয়োগ প্রত্যাশী ও তাদের পরিবারকে কাঁদিয়ে নিয়োগ বাতিলের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। আমরা চূড়ান্ত ফলাফল প্রত্যাশীরা দ্রুত ফলাফলের জন্য চার বার মাবনবন্ধন করি। এতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ফল প্রকাশ না করে নিয়োগের ৭নং শর্তটি বাতিল করে। চার বছর পরে এসে এই শর্ত বাতিল করলে কি তারা আমাদের চার বছর ফিরিয়ে দিতে পারবে? এত বিপুল সংখ্যক পরীক্ষার্থীর দীর্ঘ সময় যাবত শারীরিক, মানসিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির দায়ভার কে নেবে? 

সংবাদ সম্মেলনে তারা আরও বলেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর কি জানে একজন মা হওয়ার জন্য কতটা ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। এই পরীক্ষার কারণে অনেক বোনের সরকারি চাকরির বয়স শেষ হয়েছে, অনেকের সংসার নষ্ট হয়েছে। আমাদের কি এটাই অপরাধ যে আমরা মেয়ে মানুষ। সমাজে কি আমাদের কোন স্থান নেই।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি কামনা করে এই নিয়োগ বাতিলের নোটিশ বাতিল করে দ্রুত ফলাফল প্রকাশের দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জান্নাতুল গুলশান আরা, প্রিয়ংকা, সানজিদা লিজা, বনলতা, নিপা সুলতানাসহ প্রায় অর্ধশত নিয়োগ প্রত্যাশী উপস্থিত ছিলেন।

;

৪৬তম বিসিএসের প্রিলি ৯ মার্চ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
৪৬তম বিসিএসের প্রিলি ৯ মার্চ

৪৬তম বিসিএসের প্রিলি ৯ মার্চ

  • Font increase
  • Font Decrease

৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি টেস্ট পরীক্ষা আগামী ৯ মার্চ (শনিবার) অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে এ পরীক্ষা। এবার পদের সংখ্যা ৩ হাজার ১৪০ টি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রয়ক আনন্দ কুমার বিশ্বাস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার হল, আসন ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাসমূহ যথাসময়ে পিএসসির ওয়েবসাইটে এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

এর আগে গত বছরের ৩০ নভেম্বর ৪৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন। যার আবেদন চলে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরে ১০ ডিসেম্বর থেকে ৪৬তম বিসিএসের আবেদন শুরু হয়।

এতে বিসিএস সহকারী সার্জন ১ হাজার ৬৮২ জন, সহকারী ডেন্টাল সার্জন ১৬ জন নেওয়া হবে। এর পরপরই সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে শিক্ষা ক্যাডারে। বিভিন্ন বিষয়ে এই ক্যাডার থেকে বিসিএস শিক্ষায় ৫২০ জন নেওয়া হবে। প্রশাসনে ২৭৪, পররাষ্ট্রে ১০, পুলিশে ৮০, আনসারে ১৪, মৎস্যে ২৬ ও গণপূর্তে ৬৫ জন নেওয়া হবে।

;