শিক্ষার্থীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্যের অভিযোগ শেকৃবির ডিনের বিরুদ্ধে



শেকৃবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
অধ্যাপক ড. অশোক কুমার ঘোষ

অধ্যাপক ড. অশোক কুমার ঘোষ

  • Font increase
  • Font Decrease

নারী শিক্ষার্থীদের পোশাক নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রিবিজনেস ম্যানেজমেন্ট অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. অশোক কুমার ঘোষের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ক্ষোভ বিরাজ করছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে।

জানা যায়, অনুষদভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রম ও ট্যুরের বিষয়ে আলাপচারিতার জন্য ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শ্রেণিকক্ষে যান ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় অনুষদের ডিন ড. অশোক কুমার ঘোষ গত ১৩ মে ২১-২২ সেশনের শ্রেণিকক্ষে গিয়ে বলেন, তোরা কেন যাস আমি জানি না? মেয়েদের ফিগার দেখতে যাস? পাতলা কাপড়ের নিচে ব্রা এর স্ট্রিপ দেখতে যাস?

পরবর্তীতে ১৫ মে ডিনের এমন মন্তব্যের প্রতিবাদ করতে ও ব্যাখ্যা চাইতে সব শিক্ষার্থী তার কাছে গেলে তিনি ঘটনা অস্বীকার করেন এবং এসব কথার কোন রেকর্ড আছে কিনা জানতে চান। হুকমি দিয়ে বলেন তোরা কিভাবে পাস করিস দেখে নিব।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনায় অনুষদের অধিকাংশ শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর অভিযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কিন্তু উক্ত শিক্ষক ও ফ্যাকাল্টিতে তার অনুগত শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সমস্যার তৈরি করতে পারে আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা আর প্রশাসনিক ব্যবস্থায় যায়নি৷। তবে এ নিয়ে এখনো সমালোচনা চলছে শিক্ষার্থীদের মাঝে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, ড. অশোক ক্লাসে এসেও মেয়েদের বিষয়ে অশালীন কথা বলেন। বোর্ডে শুধু টপিক লেখেন তারপর এমন কিছু গল্প করেন যা শিক্ষকের কাছে কোন শিক্ষার্থী এমনটা আশা করে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক ড. অশোক কুমার ঘোষ বলেন, মেয়েদের পোশাক নিয়ে যে অভিযোগ, এমন কোনো কথা আমি বলিনি। কেন তারা বানিয়ে বলেছে জানি না। আর ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি বিষয়ে যে অভিযোগ এসেছে সেক্ষেত্রে আমি ওদের কোনো কোর্স নেই না, কিভাবে আমি ফেল করাবো।

তাছাড়া আমি শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে সবসময় কাজ করেছি। শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এ ধরণের কথা আমি বলার কথা চিন্তাও করতে পারি না। যারা অভিযোগ আনছে তাদের উদ্দেশ্য কি সে বিষয়ে আমি অবগত নই।

   

ইউজিসির সাথে খুবির বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরিত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খুলনা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এর সাথে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের জন্য বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

রোববার (২৩ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ইউজিসি ভবনের অডিটরিয়ামে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি। ইউজিসির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীরের সভাপতিত্বে ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরীর উপস্থিতিতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ইউজিসির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সচিব ড. ফেরদৌস জামান এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন এপিএ টিম লিডার রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস।

এ সময় ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, প্রফেসর ড. হাসিনা খান, প্রফেসর ড. মো. জাকির হোসেন, অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রার এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিএ’র ফোকালপয়েন্ট উপ-রেজিস্ট্রার এস এম আবু নাসের ফারুক উপস্থিত ছিলেন।

এই কর্মসম্পাদন চুক্তির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয় বার্ষিক কর্মসম্পাদন বাস্তবায়নে প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রগতির অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অনুরূপভাবে অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইউজিসির সাথে পৃথকভাবে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর করে।

;

ইবির হল খুলবে আগামীকাল, ক্লাস শুরু ২৯ জুন



ইবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রীষ্মকালীন ও ঈদ-উল-আযহা'র দীর্ঘ ১৪ দিনের ছুটি শেষে আগামী সোমবার (২৪ জুন) সকাল ১০ টায় শিক্ষার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আবাসিক হলসমূহ। এছাড়াও পরদিন (মঙ্গলবার) থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালু হবে বলে জানা গেছে। তবে ক্লাস শুরু হবে ২৯ জুন থেকে।

রোববার (২৩ জুন) প্রভোস্ট কাউন্সিল সভাপতি ও সাদ্দাম হোসেন হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এছাড়াও টানা বন্ধে হল সমূহের ভেতরে-বাইরে গজানো জঙ্গল যথাযথ পরিষ্কারে নির্দেশনাও দেওয়া আছে বলে জানান তিনি।

এদিকে গ্রীষ্মকালীন ও ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে ১০ জুন সকাল দশটা থেকে ২৪ জুন সকাল দশটার আগ পর্যন্ত হলসমূহ বন্ধ রাখা হয়। 

হল খুলে দেওয়ার আগমুহূর্ত পর্যন্ত হল এরিয়া পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন শাহ্ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আকতার হোসেন বলেন, বন্ধের ভেতরেই হলের বাহিরের যে পরিষ্কার করা পাশাপাশি হলের বিশেষ করে পেছনের যে জঙ্গল পরিষ্কার সেটা করা হয়েছে। আশা করি কোন সমস্যা হবে না।

সার্বিক বিষয়ে প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রতিটি হলে যথাযথ পরিষ্কার যেন করা হয় সে নির্দেশনা আগে থেকেই দেওয়া আছে। এছাড়াও সাপের উপদ্রব ঠেকাতে হলের আশেপাশের বাগানে কার্বনিক এসিড ছিটিয়ে রাখার ব্যবস্থা করবো।

প্রসঙ্গত, গ্রীষ্মকালীন ও পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ৬ জুন থেকে ছুটিতে যায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। ক্যাম্পাসের ক্লাস বন্ধের ৪ দিন পর বন্ধ হয় আবাসিক হলগুলো এবং ক্যাম্পাস খোলার একদিন আগে শিক্ষার্থীদের জন্য হলে প্রবেশ উন্মুক্ত করে দেয়া হবে বলে জানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এছাড়াও হল বন্ধ হওয়ার আগে দীর্ঘ ছুটিতে হলগুলো খোলা রাখার দাবিতে আন্দোলন করেছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।

;

দীর্ঘ দুই মাস পর শ্রেনি কার্যক্রমে ফিরছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উপাচার্য-শিক্ষক দ্বন্দ্বে প্রায় ২ মাস (৫৪ দিন) বন্ধ থাকার পর আগামীকাল থেকে শ্রেণি কার্যক্রমে ফিরছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। সশরীরে একাডেমিক কার্যক্রমে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আমিরুল হক চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামীকাল (২৩ জুন) থেকে বিশ্ববিদ্যালয় খুলছে এবং যথারীতি ক্লাস হবে।' এর আগে গত ৯ জুন থেকে চালু হয়েছে প্রশাসনিক কার্যক্রম।

জানা যায়, গত ৩০ এপ্রিল ৯৩তম সিন্ডিকেট সভায় উপাচার্য-শিক্ষক সমিতির দ্বন্দ্বের জেরে অনির্দিষ্টকালের জন্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তীতে গত ৫ জুন অনুষ্ঠিত ৯৫তম জরুরি সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ৯ জুন থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং ঈদুল আজহা এর ছুটি শেষে ২৩ জুন থেকে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হবে।

এর মধ্যেই ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৬ জুন থেকে ২২ জুন অবধি একাডেমিক কার্যক্রম এবং ১৩-২২ জুন অবধি প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

এদিকে বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন যাবৎ সকল ধরনের শ্রেণি কার্যক্রম বর্জন করে আসছিল শিক্ষক সমিতি। সর্বশেষ গত ২১ জুন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মাহমুদুল হাছান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ক্লাসে ফিরবেন শিক্ষকরা। পাশাপাশি অব্যাহত থাকবে তাদের আন্দোলন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সকল দাবি আদায়ের আগে পর্যন্ত শিক্ষকরা বেলা ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টার কর্মবিরতিও পালন করবে।

এছাড়াও শিক্ষক সমিতির দাবিসমূহ আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন না হলে প্রশাসনকে আবারও পূর্বের ন্যায় আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে শিক্ষক সমিতি।

এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু তাহের বলেন, 'আমরা সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত মেনে আগামীকাল (২৩ জুন) থেকে সশরীরে ক্লাস নেব। প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে অনলাইনে অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে হলেও তাদের ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব।'

;

জানালার গ্রিল নিয়ে পালাতে গিয়ে আটক চবি ছাত্রলীগ নেতা



চবি করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পুরাতন শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের জানালার দুটি গ্রিল নিয়ে পালাতে গিয়ে মূল ফটকে আটক হন মোহাম্মদ জুয়েল নামের এক ছাত্রলীগ নেতা। তিনি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক ও সিক্সটি নাইন পক্ষের অনুসারী।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বিকাল ৫ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটোকে দায়িত্বরত গার্ড তাকে আটক করেন। এ সময় তাকে একটি রিক্সাযোগে জানালার দুইটি গ্রিল সহ আটক করা হয়।

আটককৃত শিক্ষার্থী ব্যাংকিং ও বিমা বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী। পরবর্তীতে তার কাছে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তিনি প্রশাসনের কাছে অঙ্গীকারনামায় বলেন, আমি এই মর্মে অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমি মোহাম্মদ জুয়েল, সেশন ১৭-১৮, ডিপার্টমেন্ট ব্যাংকিং ও বিমা, শাহজালাল হল, রুম নং ৩৩৬ এ থাকি। ভুলবশত কারণে পরিত্যক্ত জানালার দুটি গ্রিল অটোরিকশা যোগে বিক্রয় করার উদ্দেশ্যে শাহজালাল হল হইতে বাইরে নেওয়ার পথে জিরোপয়েন্ট গেটে আটক করে এবং প্রক্টর মহোদয় উপস্থিত হইলে ভবিষ্যতে এই ধরনের কাজ করিব না মর্মে অঙ্গীকার করলাম। যদি ভবিষ্যতে করি পুলিশ প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে ব্যবস্থা নেবে তা আমি স্বাচ্ছন্দ্যে মানিয়া নিব।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ অহিদুল আলম বলেন, বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি গার্ড আমাদের কে ব্যাপারটি জানায়। পরে ওই শিক্ষার্থীকে আটক করে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই শিক্ষার্থী দাবি করেছে রডগুলো নষ্ট হয়ে পড়ে আছে ভেবে সে বিক্রি করতে চেয়েছে। কিন্তু এভাবে চাইলেই তো কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তির যা ইচ্ছা তা করতে পারে না। আসলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম বোধ থাকা উচিত কি করা যাবে আর যাবে না।

মোহাম্মদ জুয়েলের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান, গ্রিল দুটো অনেক পুরনো, এগুলো কোন কাজে আসবেনা ভেবে না বুঝেই নিয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে বিষয়টি অনেক বড় হয়ে যায়।

;