স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রধান জায়গা বিশ্ববিদ্যালয়: জাবি উপাচার্য



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন 'বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ' এর উদ্যোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে 'একুশ শতকের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও নির্বাচন' শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে।

রোববার (১০ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় জহির রায়হান মিলনায়তনের সেমিনার কক্ষে স্ট্যাটিসটিকস এন্ড ডাটা সায়েন্স বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমগীর কবীরের সঞ্চালনায় এই আলোচনা অনুষ্ঠান শুরু হয়।

আলোচনা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সদস্য সচিব এবং সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক বশির আহমেদ বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বঙ্গবন্ধু তনয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আমাদের নিজেদের মধ্যে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। মানবাধিকার দিবস রাজনৈতিক উপাখ্যানে পরিণত হয়েছে। বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে অনেকেই অপেক্ষায় ছিলেন বাংলাদেশের উপর কীভাবে স্যাংশন আসে। কিন্তু স্যাংশন না আসায় তাদের মন খারাপ। তারা মানবাধিকারের কথা বলে। কিন্তু প্যালেস্টাইনে কোথায় তাদের সেই মানবাধিকার ও গণতন্ত্র?

তিনি আরো বলেন, হেনরি কিসিঞ্জার যখন বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলেছিলেন, তখন আমাদের মাথাপিছু আয় ছিল মাত্র ৯০ ডলার। আজকে আমাদের মাথাপিছু আয় প্রায় ৩ হাজার ডলার। ২০৪১ সালে আমাদের মাথাপিছু আয় হবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার। ষড়যন্ত্রকারীরা বাংলাদেশেকে আবারও সেই তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করতে চায়। আমরা সেই তলাবিহীন বাংলাদেশ চাই না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে যে বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন, আমরা সেই বাংলাদেশ চাই। আজ দেশে-বিদেশে বাংলাদেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আপনাদেরকে সেই ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সোচ্চার থাকতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ নূরুল আলম বলেন, উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও নির্বাচন তিনটি বিষয়ই এক এবং অভিন্ন। একটিকে বাদ দিয়ে অপরটি চিন্তা করা যায় না। স্বাধীনতার প্রথম দিকে এদেশে কিছুই ছিল না। বঙ্গবন্ধু শূন্য হাতে এ দেশ বিনির্মাণে আত্মনিয়োগ করেন৷ মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে স্কুল প্রতিষ্ঠা ও অন্যান্য অবকাঠামো শক্তিশালী করেন। প্রথম থেকেই তিনি সোনার বাংলা বিনির্মাণে প্রচেষ্টা চালান। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বেশিদিন সময় পাননি৷ ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে উন্নয়নকে থামিয়ে দেয়। উন্নয়নের চাকা পেছনে ঘুরিয়ে দেয়। তবে তা আবার শুরু হয়েছে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার মাধ্যমে।

তিনি আরও বলেন, প্রথমে অনেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রত্যয়টি বুঝতে পারেনি। কিন্তু এখন আমরা সেই সুফল সবাই ভোগ করছি৷ ১২ লক্ষ রোহিঙ্গাকে পৃথিবীর কোনো দেশ স্থান দেয়নি। প্রধানমন্ত্রী সেই কাজ করে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। মাদার অব হিউম্যানিটি খেতাবে ভূষিত হয়েছেন। বিভিন্ন মেগা প্রজেক্ট নির্মাণে তিনি সফলতার পরিচয় দিয়েছেন। নিজ অর্থায়নে পদ্মাসেতুর মত বিশাল প্রজেক্ট শেষ হয়েছে শুধু প্রধানমন্ত্রীর অবদানে। এখন দেশের এক প্রান্ত থেকে খুব অল্প সময়ে অন্য প্রান্তে পৌঁছানো যায়। যোগাযোগ ও অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী বিপ্লব ঘটিয়েছেন। মেট্রোরেলসহ অন্যান্য প্রজেক্টের কারণে শতশত কর্মঘণ্টা বেঁচে যাচ্ছে যা দেশের উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করছে। আগামী নির্বাচনে আপনারা শান্তির পক্ষে থাকবেন। প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন। আমি মনে করি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রধান জায়গা বিশ্ববিদ্যালয়। তাই আপনারা সবাই স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে সহযোগী হবেন সেই প্রত্যাশা রাখছি।

সভাপতির বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এ এ মামুন বলেন, অনেক দেশ ও সংগঠনই মানবতার কথা বলে। কিন্তু, মানবতা ভূলুণ্ঠিত হওয়া দেখার দুর্ভাগ্য প্রধানমন্ত্রীর মতো আর কারও হয়নি। ১৫ আগস্ট এর চেয়ে ঘৃণ্য কাজ পৃথিবীতে আর কোথাও ঘটেনি৷ তখন জাতিসংঘ বা আমেরিকার মানবিকতা কোথায় ছিল? প্রধানমন্ত্রী বেঁচে আছেন শুধু দেশ ও জনগণের জন্য। প্রধানমন্ত্রী যে উন্নয়ন করেছে তা অতীতে কখনো হয়নি৷ ভবিষ্যতে যদি হয় তবে তা শুধু বঙ্গবন্ধু কন্যার দ্বারাই হবে। এর কিছুই প্রধানমন্ত্রী নিজের জন্য করেনি। যা করেছে সব জনগণের জন্য। তাই উন্নয়নের স্বার্থে আমাদের দায়িত্ব হলো ভোট দিয়ে আওয়ামীলীগকে আবারও জয়যুক্ত করা।

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মোঃ মনজুরুল হক, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোস্তফা ফিরোজ, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. রাশেদা আখতার, প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান, শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. লায়েক সাজ্জাদ এন্দেল্লাহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, রেজিস্ট্রার আবু হাসান, বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রমুখ।

 

   

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও এতিম মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বই উপহার দিলো ছাত্রলীগ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, এতিম ও অসহায় মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আয়োজনে বইমেলা পরিদর্শন ও বই উপহার দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বইমেলার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের স্টল 'মাতৃভূমি'র সামনে বিকাল ৪ টায় এ চিত্র দেখা যায়।

মদিনাতুল উলূম প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদরাসা থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আয়োজনে একদল দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও এতিম মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের বইমেলা পরিদর্শন ও বই উপহার দেওয়া হয়। ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে এ সময় দায়িত্বে ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মাদরাসা শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম।

জহিরুল ইসলাম এ ব্যাপারে বার্তা ২৪.কমকে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় গত শীতে আমি এই মদিনাতুল উলূম প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদরাসায় শীত বস্ত্র বিতরণ করতে এসেছিলাম। আমি তখন একটি ব্যাপার দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম। আমি দেখলাম তারা হাত দিয়ে স্পর্শ করে পড়তে পারে। তখনই আমার ইচ্ছা জাগে তাদেরকে একদিন বইমেলায় নিয়ে এসে বই উপহার দেব এবং মেলা পরিদর্শন করাবো। আমার মনে হলো যে তাদেরকে যদি পবিত্র কুরআনের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস এর ব্যাপারে পড়ার ব্যবস্থা করে দিতে পারি তাহলে খুবই ভালো হয়। তাই তাদেরকে আজকে আমি ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে অসমাপ্ত আত্মজীবনী, একাত্তরের ডায়েরি এবং আমার বন্ধু রাশেদসহ বেশকিছু গল্পের বই উপহার দিয়েছি।

মদিনাতুল উলূম প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ হারুনুর রশীদ বার্তা ২৪.কমকে বলেন, আমরা প্রায় ৫০ জন মাদরাসা থেকে এসেছি। ছাত্র, শিক্ষক এবং কর্মচারী সবাই বইমেলায় এসেছি। ছাত্রলীগের এই আয়োজনে আমরা এবং বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা অনেক আনন্দিত।

;

জবিতে ফ্যাকাল্টি ডেভেলপমেন্ট ফর হায়ার এডুকেশন শীর্ষক কর্মশালা 



জবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) 'ফ্যাকাল্টি ডেভেলপমেন্ট ফর হায়ার এডুকেশন ইন জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি' শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করেছে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার লাউঞ্জে এ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

আইকিউএসি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক অধ্যাপক ড. আইন-উল হুদার সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর চৌধুরী।

এসময় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আইকিউএসি'র অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সরোয়ার আলম এবং মডারেটর হিসেবে ছিলেন সংস্থাটির অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলাম।

কর্মশালায় টেকনিক্যাল সেশনে 'ফ্যাকাল্টি ডেভেলপমেন্ট ফর হায়ার এডুকেশন ইন জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি' শীর্ষক উপস্থাপনা করেন সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটির সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান ও সংস্থাটির অতিরিক্ত পরিচালক শাহনাজ পারভিন।

কর্মশালায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

;

জাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন, আটক ১



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় 'ডি' ইউনিটের ছাত্রদের পরীক্ষা চলাকালীন মোবাইলে গুগল করে উত্তর প্রদানের সময় একজনকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অসদুপায় অবলম্বনকারী ঐ ছাত্রের নাম সাজ্জাদ হোসেন মিরাজ।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) 'ডি' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার দ্বিতীয় শিফটে সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে পরীক্ষা চলাকালীন নিয়ম বহির্ভূত অসদুপায় অবলম্বন করে সাজ্জাদ হোসেন মিরাজ নামের এক ছাত্র। তার বাড়ি লক্ষীপুর জেলায়।

এ সময় পরীক্ষার হলে দায়িত্বরত শিক্ষক অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম জানান, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের দ্বিতীয় তলায় ২৮২ নম্বর কক্ষে পরীক্ষার শুরুতে সবাইকে মোবাইল ফোন সামনে রেখে যাওয়ার কথা বললেও, ঐ ছাত্রের কাছে কোনো মোবাইল ফোন নেই বলে অস্বীকার করেন। এরপর পরীক্ষা শুরু হলে ঐ ছাত্র প্রবেশপত্রের নিচে মোবাইল রেখে গুগলে সার্চ করে উত্তর লিখছিলেন। বিষয়টি দায়িত্বরত শিক্ষকের নজরে আসলে তার খাতা নিয়ে তাকে প্রক্টোরিয়াল টিমের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসায় ঐ ছাত্র অপরাধ স্বীকার করেছেন। ইতোমধ্যে আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ঢাকার আশুলিয়া সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুর রহমানকে জানিয়েছি। পরীক্ষা শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালত তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন।

এছাড়াও একই ইউনিটে ৪র্থ শিফটের এক পরীক্ষার্থী দ্বিতীয় শিফটে গণিত ও পরিসংখ্যান বিভাগে পরীক্ষা দিতে যাওয়ায় তার পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করা হয়।

;

জাবিতে চলছে 'ডি' ইউনিটে ভর্তিচ্ছু ছাত্রদের পরীক্ষা



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষার চতুর্থ দিন 'ডি' ইউনিটের অধীনে জীববিজ্ঞান অনুষদে ভর্তিচ্ছু ছাত্রদের পরীক্ষা চলমান। এর আগে গতকাল একই ইউনিটে ছাত্রীদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) 'ডি' ইউনিটের ভর্তি পরিক্ষা প্রথম শিফটে সকাল ৯টা হতে শুরু হয়েছে এবং ৪র্থ শিফটে বেলা ২ টা ৫০ মিনিটে শেষ হবে।

'ডি' ইউনিটে ছাত্রদের আসন সংখ্যা ১৫৫টি এবং ছাত্রীদের আসন সংখ্যা ১৫৫টি। সর্বমোট ৩১০টি আসনের বিপরীতে আবেদনকারীর সংখ্যা ছাত্র ৩২ হাজার ৯৫ জন এবং ছাত্রী ৩৭ হাজার ৩২১ জন। সে হিসেবে ছাত্রদের প্রতি আসনের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৪১ জন। অন্যদিকে ছাত্রীদের প্রতি আসনের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ২০৮ জন ভর্তিচ্ছু।

এর আগে, সকালের দ্বিতীয় শিফটে নতুন কলা ভবনে ভর্তি পরীক্ষা পরিদর্শনে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম। এ সময় উপাচার্যের সাথে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহাম্মদ মোস্তফা ফিরোজ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আখতার, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক বশির আহমেদ, রেজিস্ট্রার মো. আবু হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় উপাচার্য সন্তোষ প্রকাশ করেন।

এছাড়া আগামীকাল (২৯ ফেব্রুয়ারি) ‘বি’ ইউনিট (সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ও আইন অনুষদ), আইবিএ-জেইউ এবং ‘ই’ ইউনিট (বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ)-এর ভর্তি পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা শেষ হবে।

;