শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় ঢাবি ছাত্র ফ্রন্ট'র নিন্দা



ঢাবি করেস্পন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় ঢাবি ছাত্র ফ্রন্ট'র নিন্দা

শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় ঢাবি ছাত্র ফ্রন্ট'র নিন্দা

  • Font increase
  • Font Decrease

বিজয় একাত্তর হলের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা।

সোমবার (০৪ ডিসেম্বর) সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট’র সদস্য মুহাম্মদ শওকত স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক সুহাইল আহমেদ শুভ ও সদস্য সচিব অদিতি ইসলাম।

নেতৃদ্বয় বিবৃতিতে বলেন, “গত ৩ ডিসেম্বর রাতে বিজয় একাত্তর হলের গেস্টরুমে বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী হাবিবকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের কর্মীদের বিরুদ্ধে। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনের কর্মসূচিতে বেশ কয়েকদিন যাবত অংশগ্রহণ না করার 'অভিযোগে' তাকে এই নির্যাতনের শিকার হতে হয়৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবকটি আবাসিক হলের নিত্যনৈমিত্তিক চিত্র এটি। স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকার যে অন্যায় শাসন বহাল রেখেছে তার একনিষ্ঠ লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবেই ছাত্রলীগ আজকে ক্যাম্পাসে এরূপ ত্রাসের সংস্কৃতি জারি রেখেছে।’’

‘‘আমরা অনেক আগে থেকেই বলে এসেছি, আবাসন সংকটকে জিম্মি করে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক দলীয় কর্মসূচিতে নেওয়া ও তার পরিপূরক গেস্টরুম নির্যাতনের যে চর্চা ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন করে আসছে তা বিশ্ববিদ্যালয় ধারণার সাথে সাংঘর্ষিক। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শিক্ষার্থীদের স্বাধীন সত্তার বিকাশ ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার পথকে রুদ্ধ করে দেয়। তা সত্ত্বেও বারংবার ধরনের ঘটনা ঘটেই চলেছে। প্রশাসনের উদাসীনতা এর জন্য সম্পূর্ণরূপে দায়ী।”

নেতৃবৃন্দ অনতিবিলম্বে এই ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, হলগুলিতে মনিটরিং সেল গঠনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ পরিষদ কার্যকর করে নিয়মিত সভা আয়োজন করার দাবি জানান। একই সাথে সন্ত্রাস-দখলদারিত্বমুক্ত হল-ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান শিক্ষার্থীদের প্রতি।

প্রসঙ্গত, রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের প্রথম বর্ষের ও বাংলা বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে 'গেস্টরুম নির্যাতন' করার অভিযোগ উঠে ছাত্রলীগের একই গ্রুপের দ্বিতীয় বর্ষের সিনিয়র শিক্ষার্থীদের উপর। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

   

জাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন, আটক ১



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় 'ডি' ইউনিটের ছাত্রদের পরীক্ষা চলাকালীন মোবাইলে গুগল করে উত্তর প্রদানের সময় একজনকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অসদুপায় অবলম্বনকারী ঐ ছাত্রের নাম সাজ্জাদ হোসেন মিরাজ।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) 'ডি' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার দ্বিতীয় শিফটে সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে পরীক্ষা চলাকালীন নিয়ম বহির্ভূত অসদুপায় অবলম্বন করে সাজ্জাদ হোসেন মিরাজ নামের এক ছাত্র। তার বাড়ি লক্ষীপুর জেলায়।

এ সময় পরীক্ষার হলে দায়িত্বরত শিক্ষক অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম জানান, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের দ্বিতীয় তলায় ২৮২ নম্বর কক্ষে পরীক্ষার শুরুতে সবাইকে মোবাইল ফোন সামনে রেখে যাওয়ার কথা বললেও, ঐ ছাত্রের কাছে কোনো মোবাইল ফোন নেই বলে অস্বীকার করেন। এরপর পরীক্ষা শুরু হলে ঐ ছাত্র প্রবেশপত্রের নিচে মোবাইল রেখে গুগলে সার্চ করে উত্তর লিখছিলেন। বিষয়টি দায়িত্বরত শিক্ষকের নজরে আসলে তার খাতা নিয়ে তাকে প্রক্টোরিয়াল টিমের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসায় ঐ ছাত্র অপরাধ স্বীকার করেছেন। ইতোমধ্যে আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ঢাকার আশুলিয়া সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুর রহমানকে জানিয়েছি। পরীক্ষা শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালত তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন।

এছাড়াও একই ইউনিটে ৪র্থ শিফটের এক পরীক্ষার্থী দ্বিতীয় শিফটে গণিত ও পরিসংখ্যান বিভাগে পরীক্ষা দিতে যাওয়ায় তার পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করা হয়।

;

জাবিতে চলছে 'ডি' ইউনিটে ভর্তিচ্ছু ছাত্রদের পরীক্ষা



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষার চতুর্থ দিন 'ডি' ইউনিটের অধীনে জীববিজ্ঞান অনুষদে ভর্তিচ্ছু ছাত্রদের পরীক্ষা চলমান। এর আগে গতকাল একই ইউনিটে ছাত্রীদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) 'ডি' ইউনিটের ভর্তি পরিক্ষা প্রথম শিফটে সকাল ৯টা হতে শুরু হয়েছে এবং ৪র্থ শিফটে বেলা ২ টা ৫০ মিনিটে শেষ হবে।

'ডি' ইউনিটে ছাত্রদের আসন সংখ্যা ১৫৫টি এবং ছাত্রীদের আসন সংখ্যা ১৫৫টি। সর্বমোট ৩১০টি আসনের বিপরীতে আবেদনকারীর সংখ্যা ছাত্র ৩২ হাজার ৯৫ জন এবং ছাত্রী ৩৭ হাজার ৩২১ জন। সে হিসেবে ছাত্রদের প্রতি আসনের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৪১ জন। অন্যদিকে ছাত্রীদের প্রতি আসনের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ২০৮ জন ভর্তিচ্ছু।

এর আগে, সকালের দ্বিতীয় শিফটে নতুন কলা ভবনে ভর্তি পরীক্ষা পরিদর্শনে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম। এ সময় উপাচার্যের সাথে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহাম্মদ মোস্তফা ফিরোজ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আখতার, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক বশির আহমেদ, রেজিস্ট্রার মো. আবু হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় উপাচার্য সন্তোষ প্রকাশ করেন।

এছাড়া আগামীকাল (২৯ ফেব্রুয়ারি) ‘বি’ ইউনিট (সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ও আইন অনুষদ), আইবিএ-জেইউ এবং ‘ই’ ইউনিট (বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ)-এর ভর্তি পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা শেষ হবে।

;

কুবিতে চার দফা দাবিতে ক্লাসে নীরবতা পালন কর্মসূচি



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষক সমিতি চার দফা দাবিতে আগামী রোববার পর্যন্ত শ্রেণীকক্ষে ক্লাসের শুরুতে পাঁচ মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে মৌন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের শিক্ষক মিলনায়তনে হওয়া এক জরুরি সাধারণ সভার সভা বিবরণী থেকে বিষয়টি জানা যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান স্বাক্ষরিত সভা বিবরণী থেকে জানা যায়, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ে শিক্ষকদের উপর প্রাণনাশের হামলার নিন্দা, প্রতিকার ও বিচারের দাবি জানানো হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী ৩ মার্চ চার দফা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রত্যেক শিক্ষক প্রতি ক্লাসের শুরুতেই ৫ (পাঁচ) মিনিট নিরবতা পালনের মাধ্যমে মৌন প্রতিবাদ কর্মসূচী পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

চার দফা দাবিগুলো হলো- কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দৃশ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক (চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত) দেলোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য উচ্ছৃঙ্খল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন পূর্বক যথাযথ শান্তি নিশ্চিতকরণ, ক্যাম্পাস থেকে হামলাকারী বহিরাগত সন্ত্রাসী ও অছাত্রদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারপূর্বক বিচার নিশ্চিত করা, নিরাপত্তা রক্ষায় ব্যর্থ ও মদদদাতা প্রক্টর জনাব কাজী ওমর সিদ্দিকী'র অপসারণ ও ক্যাম্পাস থেকে হামলাকারী বহিরাগত সন্ত্রাসী ও অছাত্রদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারপূর্বক বিচার নিশ্চিত করা।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, 'গত ১৯ ফেব্রুয়ারি উপাচার্য দপ্তরে শিক্ষকদের উপর যে হামলা হলো সে বিষয়ে প্রশাসন এখনো কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি। স্বয়ং মাননীয় উপাচার্যকে হামলাকারীদের সাথে বিভিন্ন সময় একসঙ্গে মিটিং করতে দেখা গিয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে সকল শিক্ষক ক্লাস শুরুর পাঁচ মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে মৌন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করবে। তারপরেও উক্ত ঘটনার কোন বিচারের ব্যবস্থা না করা হলে আমরা আরো কঠোর আন্দোলনে যাব।'

;

অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বালন ছাত্রলীগের



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদের ওপর হামলার ঘটনার স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বালন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাংলা একাডেমি সংলগ্ন রমনা কালী মন্দিরের পাশে হুমায়ুন আজাদ ফলকে মোমবাতি প্রজ্বালন করেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

মোমবাতি প্রজ্বালন অনুষ্ঠান শেষে ঢাবি ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলা সাহিত্যে হুমায়ুন আজাদ যোগ করেছেন এক ভিন্ন মাত্রা। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রায় সকল শাখায় তার সমৃদ্ধ অবদান ছিল। গতানুগতিক ধারাকে অস্বীকার করে, প্রথার বিরোধিতা করে তার সমস্ত বই, প্রবন্ধ, কবিতা সৃষ্টি হয়েছে। তার প্রবচনগুচ্ছ এ দেশের যুক্তিবাদী পাঠক সমাজকে সচেতন করেছে। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ট্যাবু, নৈতিকতা, বিশ্বাস, মূল্যবোধ তাকে, তার চিন্তাকে মুহূর্তের জন্যও স্তব্ধ করেনি।

তারা আরো বলেন, এ কারণেই ‘প্রথাবিরোধী’ অভিধানটি তার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়েছে। হুমায়ুন আজাদ তার জীবদ্দশায় কলমের মাধ্যমে মৌলবাদী, জঙ্গিবাদী, দেশবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে সবসময় লড়াই করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে দীর্ঘ সময় ধরে অধ্যাপনা করেছেন। ধর্মনিরপেক্ষ ও নারীবাদী এই লেখক তার লেখার মাধ্যমে আঘাত হেনেছেন ধর্মীয় কুসংস্কার, সামাজিক অসংগতি এবং সমাজের প্রতিষ্ঠিত কাঠামোর বিরুদ্ধে।

তারা আরো যোগ করেন, ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বইমেলা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিজের বাসায় ফেরার পথে তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসীদের হামলায় মারাত্মকভাবে আহত হন তিনি। বহুমাত্রিক লেখক হুমায়ুন আজাদের ওপর মৌলবাদী সন্ত্রাসীদের এই নিকৃষ্ট হামলার স্মরণে আমরা এই কর্মসূচি পালন করছি।

এ কর্মসূচিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় ও হল শাখার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

;