‘চতুর্থ নয়,পঞ্চম শিল্প বিপ্লব ছুঁয়ে দেওয়া সম্ভব আমাদের পক্ষে’



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘চতুর্থ নয়,পঞ্চম শিল্প বিপ্লব ছুঁয়ে দেওয়া সম্ভব আমাদের পক্ষে’

‘চতুর্থ নয়,পঞ্চম শিল্প বিপ্লব ছুঁয়ে দেওয়া সম্ভব আমাদের পক্ষে’

  • Font increase
  • Font Decrease

চতুর্থ নয়,পঞ্চম শিল্প বিপ্লব ছুঁয়ে দেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দুইদিন ব্যাপী ৬ষ্ঠ বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াড - ২০২৩, জাতীয় পর্বের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি ও মানবসম্পদের চাহিদা ব্যাপকহারে বাড়ছে। দ্রুত গতি এবং নির্ভুল হওয়ার জন্য বাংলাদেশেও এখন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। চতুর্থ নয় পঞ্চম শিল্প বিপ্লব ছুঁয়ে দেওয়া সম্ভব আমাদের পক্ষে। আমাদের এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। স্কুল পর্যায়ে প্রোগ্রামিং রোবটিং এগুলোর প্রতি যদি হাতেখড়ি দেওয়া হয় তাহলে শিশুদের চিন্তাশক্তি যেভাবে বিকশিত হবে আর তারা যে যৌক্তিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে সেটা আমাদের জন্য খুব দরকার।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বে শিক্ষাক্ষেত্রের অনন্য উদাহরণগুলোকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সারাদেশে ৩০০ টি স্কুলকে স্মার্ট স্কুল হিসেবে গড়ে তুলার লক্ষ্যে শেখ রাসেল স্কুল অব ফিউচার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আমাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমরা শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে নানা ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকি। তার মধ্যে সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা অন্যতম।

নতুন শিক্ষাক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের নতুন শিক্ষাক্রম সম্পর্কে আমরা ২০১৭-১৮ সালে গবেষণা করেছিলাম সেখানে আমরা ভেবেছলাম আগের যে শিক্ষাক্রম বা এখনো কিছু শ্রেণিতে যে শিক্ষাক্রম চালু আছে সেটা আমাদের জন্য কতটুকু উপযোগী এবং সামনে যে দিন আসছে তার জন্য কতটা উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে আমাদেরকে তৈরি করছে। কিন্তু আমারা দেখেছি যে সৃজনশীল পদ্ধতি চালু করে মুখস্ত বিদ্যা বাদ দেওয়ার চেষ্টা করলেও সেটা খুব ফলপ্রসূ হয়নি। তাই আমাদের মনে হয়েছিলো যে আমাদের অনেক জায়গায় পরিবর্তন আনা দরকার। এবং শুধু পরিবর্তন বা সংস্করণ নয় একটা রূপান্তর প্রয়োজন। সে লক্ষ্যেই ২০১৭-১৮ সালের গবেষণার ফলাফল আর বৈশ্বিক যে পুরো চিন্তা এই সব কিছুকে মিলিয়ে আমরা চিন্তা করলাম শিক্ষায় একটা রূপান্তর ঘটাতে হবে এবং সেই জন্য আমাদের নতুন একটা শিক্ষাক্রমে যেতে হবে। সেই নতুন শিক্ষাক্রমের কাঠামো তৈরি করা হয়েছে ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সময় নিয়ে।

তিনি আরও বলেন, সাধারণত শিক্ষা বিষয়ক কোনো আলোচনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাইরে যায় না কিন্তু আমরা আমাদের এই পরিকল্পনা আমাদের পেইজে আপলোড দিয়েছি, অন্যান্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। এবং আমাদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতেও উত্থাপন করেছি এবং মতামত নিয়েছি। এবং সবশেষে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে এটি উত্থাপন করেছি। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন এবং অনুমোদন দেওয়ার পরেই আমরা কয়েকটি শ্রেণিতে এই নতুন শিক্ষাক্রম চালু করেছি।

আইসিটি বিভাগের সচিব সামসুল আরেফিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৩১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠিত হবে। আজ যারা রোবট অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করেছে আমরা আশা করি তাদের হাত ধরেই স্মার্ট বাংলাদেশ আমরা গড়তে পারবো।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মতো জনবহুল দেশের বড় সম্পদ হলো তরুণ। তরুণদের হাত ধরেই কিন্তু একটা দেশ এগোতে পারে। আজকে যারা এই রোবট অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করেছে আমরা আশা করি তাদের হাত ধরেই আমরা এই জনবহুল দেশকেও আমরা এগিয়ে নিতে পারবো।

পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে একাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্রোঞ্জ,সিলভার এবং গোল্ড মেডেল প্রদান করা হয়।  বক্তৃতা শেষে শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি রোবট অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে আইসিটি বিভাগের মহাপরিচালক মোস্তফা কামালসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আন্দোলন প্রত্যাহার করলেন রাবি শিক্ষার্থীরা



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
রাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীরা

রাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীরা

  • Font increase
  • Font Decrease

আল্টিমেটাম দিয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে সকল প্রকার কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে রাবি শিক্ষার্থী মোকাররম হোসেন বলেন, আমরা সারাদেশের ন্যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে আন্দোলন করে বর্তমানে একটি পর্যায়ে এসে পৌঁছেছি। আমাদের একদফা দাবিটির সন্তোষজনক সমাধান হয়েছে। এতে সারা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ সন্তুষ্ট। তবে আন্দোলনের মধ্যে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। তার প্রেক্ষিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৮দ ফা দাবি ছিলো। ৮ দফা দাবির মধ্যে কোটা নিয়ে ইতোমধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মামলার বিষয়ে আইনমন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। কারফিউও শিথিল করা হচ্ছে এবং ধীরে ধীরে ইন্টারনেট সেবাও চালু হচ্ছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনে রাবি থেকে নেতৃত্ব দেওয়া এই শিক্ষার্থী বলেন, এসবের বাইরে আমাদের দাবি হল- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা প্রশাসন কর্তৃক নিশ্চিত করতে হবে। অতিদ্রুত বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী শুধুমাত্র ক্যাম্পাসের প্রবেশদ্বারে অবস্থান করতে হবে। আবাসিক হলগুলোতে শুধুমাত্র বৈধ শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত করতে হবে। শহীদ ও ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষার্থীদের পরিবারে ক্ষতিপূরণ ও তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে এবং আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থীদের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের নিয়ে অতি দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের এই শিক্ষার্থী আরও বলেন, আমরা দেখতেছি সরকার ধীরে ধীরে আমাদের সকল দাবি মেনে নিচ্ছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, আজ থেকে সকল ধরণের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোনো তৃতীয় পক্ষ এসে আমাদের অহিংস আন্দোলনকে সহিংস করবে, এই সুযোগ আমরা আর দেব না। আমরা আশা করব, সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের ৮দফা দাবি পরিপূর্ণ করে সারা বাংলাদেশে শান্তি ফিরিয়ে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করবে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আমাদের দাবি আদায় না হলে আমরা আবারও মাঠে নামব।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে রাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী সুজন ভৌমিক, অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষাথী তোফায়েল আহমেদ ও মনিমুল হক এবং আরবী বিভাগের শিক্ষার্থী রেজোয়ান গাজী মহারাজ উপস্থিত ছিলেন।

;

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবি অধ্যাপকের পদত্যাগ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জাবি অধ্যাপকের পদত্যাগ

জাবি অধ্যাপকের পদত্যাগ

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি সকল চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারাদেশে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম।

বুধবার (২৫ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রার এর মাধ্যমে উপচার্য্য বরারর লিখিত আবেদনের মাধ্যমে তিনি এই স্বেচ্ছায় পদত্যাগপত্র জমা দেন।

জাবির এই সহযোগী অধ্যাপক পদত্যাগ লিখেন, জনাব, আমি বিগত প্রায় ১৪ বছর ধরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে শিক্ষকতা করছি। দেশের সাম্প্রতিক সহিংসতা এবং নৈরাজ্য সৃষ্টির জন্য বাংলাদেশ সরকারের উদাসীনতা এবং শিক্ষকদের দলীয় মনোভাব আমাকে অনেক ব্যথিত করেছে। আমি সব সময় সত্য এবং ন্যায়ের পক্ষে কথা বলেছি এবং শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সর্বদা পাশে থেকেছি।

তিনি আরও লিখেন, শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কারের একটি ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনের বিরুদ্ধে সরকারের আগ্রাসী মনোভাবের কারণে অনেক সাধারণ শিক্ষার্থীর মূল্যবান জীবন দিতে হয়েছে। সরকার চাইলে দ্রুত শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিতে পারতো, তাহলে এত প্রাণহানির ঘটনা ঘটতো না।

যে সকল শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন, তাদেরকে নিয়ে তাদের পরিবারের অনেক স্বপ্ন ছিল। সন্তান হারানোর বেদনায় তারা আজ দিশেহারা। তাদের সাথে সাথে সমগ্র জাতি আজ শোকাহত। গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগ, পুলিশ, র‌্যাব এবং বিজিবি যে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, তা এই জাতির জন্য একটি কালো অধ্যায়ের জন্ম দিয়েছে। স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে হত্যা এবং কিছু সংখ্যক প্রতিবাদী শিক্ষকদের রক্তাক্ত করার মধ্যদিয়ে ১৯৭১ সালের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। এই হত্যাকাণ্ড দেখেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং শিক্ষকদের আমি নির্লিপ্ত থাকতে দেখেছি। শিক্ষকদের ভূমিকা আজ জাতির কাছে প্রশ্নবিদ্ধ। রাজনৈতিক দলীয় করণের কারণে শিক্ষক সমাজের বিবেক লোপ পেয়েছে, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক ভুলুষ্ঠিত হয়েছে। শহীদ সকল শিক্ষার্থী এবং আহত সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা প্রকাশ করছি এবং তাদের জন্য দোয়া করছি। সমগ্র বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজের মূল্যবোধ এবং নৈতিকতাবোধ কে জাগ্রত করতে আমি সহযোগী অধ্যাপক, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিস বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় চাকুরী হতে স্বেচ্ছায় অব্যহতি ঘোষণা করছি।

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য্য অধ্যাপক ড. নরুল আমীন বার্তা২৪. কমকে বলেন, শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম সেচ্চায় পদত্যাগ করার জন্য একটি আবেদন জানিয়েছে। সেটি আমাদের রেজিস্ট্রার গ্রহণ করেছে। আমি এখনো পদত্যাগপত্র দেখি নাই। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত পরে বলবো।

;

মুখে কালো কাপড় বেঁধে বাকৃবি শিক্ষকদের প্রতিবাদ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: মুখে কালো কাপড় বেঁধে বাকৃবি শিক্ষকদের প্রতিবাদ/বার্তা২৪.কম

ছবি: মুখে কালো কাপড় বেঁধে বাকৃবি শিক্ষকদের প্রতিবাদ/বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ছাত্র-ছাত্রী নির্যাতন এবং হত্যার প্রতিবাদে নিজেদের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) বিবেকবান সাধারণ শিক্ষক উল্লেখ করে মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন মিছিল করেন। বিজয় একাত্তর ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন কিছু শিক্ষক। বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষকগণ ওই মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে কৃষি অনুষদের করিডোর থেকে মৌন মিছিল শুরু হয়ে বিজয় একাত্তর ভাস্কর্যের চত্তরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অবস্থান করে নিহত শিক্ষার্থীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা দোআ করা হয়।

এসময় শিক্ষকরা বলেন ছাত্ররা আমাদের আন্দোলনে সহযোগিতা করছিলো কিন্তু আমরা তাদেরকে সহযোগিতা করতে পারিনি। এজন্য আমরা দুঃখিত। আমরা সাধারণ শিক্ষকরা ক্লাস শুরু হওয়ার পরে যাতে আবার শিরদাঁড়া শক্ত করে দাঁড়াতে পারি তার জন্য আজকে আমরা এই রোদের মধ্যে এসে দাঁড়িয়েছি।সবাই শিরদাঁড়া সোজা করেন বুলেট চলবেই তার মধ্যে লড়াই থাকবেই। মনে রাখবেন ৩০ লক্ষ শহীদের বিনিময়ে আমরা আজ বেঁচে আছি।

;

ববিতে শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে ক্যাম্পাস ছাড়লো পুলিশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বরিশাল
ছবি: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

ছবি: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

  • Font increase
  • Font Decrease

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে গেছে পুলিশ। এর আগে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে বাধা দিয়ে তাদের তোপের মুখে পড়েন তারা। স্থানীয় জনতাদের নিয়ে শিক্ষার্থীরা চারদিক থেকে ঘিরে ধরলে টিয়ার শেল, রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পুলিশ। এ ঘটনায় ৮ শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা 'কমপ্লিটি শাটডউট' কর্মসূচি নিয়ে ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়কে অবস্থান করে। এ সময় পুলিশ অ্যাকশনে গেলে, শিক্ষার্থীরা তাদের বিরুদ্ধে চড়াও হয়।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ

শিক্ষার্থীদের ছোড়া ইট পাটকেলের ফলে আশেপাশের দোকানপাটে অবস্থান নেন পুলিশ সদস্যরা। পরে ক্যাম্পাস বেরিয়ে মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে পুলিশকে ঘিরে ধরে শিক্ষার্থীরা। পরে কোণঠাসা হয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যান পুলিশ সদস্যরা। এ সময় তাদের নিরাপত্তা দিয়ে শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত সেতু পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এর আগে সকালে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি অবস্থানে ছিল র‍্যাব, পুলিশ, এপিবিএন ও বিজিবির সদস্যরা। শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালনে বাধা দেন তারা। পরে ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেয় শিক্ষার্থীরা। সে সময় পার হলেই সংঘর্ষ শুরু হয়।

;