আশ্বাসে অনশন ভাঙল কুবির শিক্ষার্থীরা



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
আশ্বাসে অনশন ভাঙল কুবির শিক্ষার্থীরা

আশ্বাসে অনশন ভাঙল কুবির শিক্ষার্থীরা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রশাসনের আশ্বাসে সাড়ে ২৩ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির চার নেতা।

সোমবার (২০ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবির ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান নেতাকর্মীদের পানি পান করিয়ে তাদের অনশন ভাঙান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অনশনকারী সালমান চৌধুরী বলেন, প্রশাসন আমাদের আশ্বাস দিয়েছে যে আমাদের দাবি দাওয়া তারা পূরণ করবে। সেই কারণেই আমরা অনশন ভেঙেছি। আমাদের দুই জনের (এনায়েত উল্লাহ ও সালমান চৌধুরী) ওপর যে বহিষ্কার আদেশ ছিলো সেটা সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। আমরা এখন ক্লাস পরীক্ষা দিতে পারবো। তবে আমরা সেদিনই সন্তুষ্ট হবো যেদিন আমাদের পাঁচ দফা দাবির দৃশ্যমান বাস্তবায়ন হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, তারা যদি আমার বিরুদ্ধে কোন প্রমাণ দেখাতে পারে তাহলে আমি নিজেই পদত্যাগ করবো। তাদের যে দাবি দাওয়া ছিলো সেটা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন মেনে বাস্তবায়ন করা হবে। এখন থেকে হলে সন্ধ্যাকালীন কোর্সের কেউ থাকতে পারবে না।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, এখন থেকে ক্যাম্পাসে অছাত্র কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। সকলকেই আইডি কার্ড দেখিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে হবে। দুজন শিক্ষার্থীকে যে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত কমিটি গঠন করে সিন্ডিকেটে তদন্ত রিপোর্ট পেশ করা হবে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া প্রক্টরের বিরুদ্ধে যে মৌখিক অভিযোগ এনেছিলো তারা সে ব্যাপারে যদি কোন প্রমাণ নিয়ে আসে তাহলে আমি অবশ্যই ব্যবস্থা নেবো।

এর আগে, গত ৮ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এক মসজিদের সামনে মারধরের শিকার হন শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ ও একই হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালমান চৌধুরী। পরবর্তীতে ক্যাম্পাসে পাঁচ ঘণ্টা অবস্থান করে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে গিয়ে দেড় ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ করে রাখেন মারধরের বিচারের দাবিতে। এরপর গত ৯ মার্চ ও ১৪ মার্চ সংবাদ সম্মেলন করে ছয়দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। সর্বশেষ গত ১৯ মার্চ সংবাদ সম্মেলন করে আমরণ অনশনের ঘোষণা দিয়ে একই দিন বিকাল চারটায় অনশনে বসে।

উল্লেখ্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির নেতাকর্মীরা পাঁচ দফা দাবি আদায়ে নানা কর্মসূচি পালন করে। পাঁচ দফা দাবিগুলো হলো- প্রক্টরের পদত্যাগ, হামলাকারীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার ও বিশ্ববিদ্যালয় বাদী হয়ে মামলা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আইনি পরামর্শক নিয়োগ করতে হবে। একই সঙ্গে অছাত্র, বহিরাগত ও একাধিক মামলার আসামিদের হলে ওঠা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর (এনায়েত উল্লাহ ও সালমান চৌধুরী) সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল স্তরের স্টেকহোল্ডারদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রদান।

হলে থাকার অনুমতি দিয়ে ছাড়া পেলেন বাকৃবি ভিসি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে থাকতে বাধা দেওয়া হবে না প্রক্টরের কাছ থেকে এমন মৌখিক প্রতিশ্রুতি পাওয়া পর ভিসির বাসভবনেের প্রধান ফটকের তালা খুলে দিয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এতে ভিসি ও শিক্ষকরা পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকার পর মুক্ত হয়।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাত সোয়া ৮টার দিকে ভিসির বাসভবনের প্রধান ফটকের তালা খুলে দেয় শিক্ষার্থীরা।

এর আগে বিকেল ৩টায় হল ত্যাগের নোটিশ প্রত্যাহার দাবিতে ভিসির বাস ভবন ঘেরাও করে প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে বিক্ষভ করে আন্দোলনকারী শিক্ষর্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ডা. আজহারুল ইসলাম জানান, শিক্ষার্থীদের হলে থাকতে বাধা নেই। নিরাপত্তার সব সুবিধাই দেবে প্রশাসন। পরে শিক্ষার্থীরা অবস্থান সমাপ্ত ঘোষণা হলে ফিরে যান।

;

রাবিতে অবরুদ্ধ উপাচার্য, পুলিশের টিয়ারসেল নিক্ষেপ



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি- বার্তা২৪.কম

ছবি- বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ প্রত্যাহারসহ ৫ দফা দাবিতে সকাল থেকে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করছে কোটা আন্দোলনকারীরা।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হবিবুর রহমান মাঠ থেকে আন্দোলন শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসনিক ভবন অবরুদ্ধ করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

এসময় তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে পাঁচ দফা লিখিত দাবি জানায়। শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো- বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হল সকল ধরনের ছাত্র রাজনীতিমুক্ত থাকতে হবে এবং ছাত্রলীগের অস্ত্রপাতি উদ্ধার করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, চলমান আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের কোনো ধরনের মামলা না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে, হলের সিট ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে একদিনের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হলে তুলতে হবে এবং ছাত্রলীগের দখলকৃত সিট গণরুমে পরিণত করতে হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, এদিন বিকেল সাড়ে ছয়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা গেট হয়ে প্রবেশ করে পুলিশ। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এসময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে ইট ভাঙা শুরু করে। ভাঙা ইটে ভরে গেছে প্যারিস রোডের অনেকাংশ। ৭টা ১০ মিনিটের দিকে কয়েকটি টিয়ারশেল ছোড়ে পুলিশ। এতে শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলেও কিছু সময় পরে আবারও একত্রিত হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন তারা। এসময় শিক্ষার্থী ও পুলিশের মুখোমুখি অবস্থান দেখা যায়।#

;

জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা

জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের দেয়া স্লোগান নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে চিরকুট লিখেন লেখক ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। তার এমন প্রতিক্রিয়ার প্রতিবাদে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা তাকে ক্যাম্পাসে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে শাবিপ্রবি শাখার কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক আসাদুল্লাহ গালিব এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে, নিরাপত্তার স্বার্থে ক্যাম্পাস বন্ধ ও শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দিলে তার বিপরীতে প্রতিবাদ জানায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা কয়েকটি দাবির সঙ্গে লেখক ও শাবিপ্রবির সাবেক অধ্যাপক ড. জাফর ইকবালকেও ক্যাম্পাসে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।

শিক্ষার্থীদের পক্ষে শাবিপ্রবি শাখার কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী আসাদুল্লাহ গালিব বলেন, আমরা স্পষ্ট করছি, ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালসহ যারা শিক্ষার্থীদের দাবির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে কিংবা নেবেন, তাদের শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ করা হলো।

;

জাবিতে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের টিয়ার সেল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাভার
আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের টিয়ারশেল

আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের টিয়ারশেল

  • Font increase
  • Font Decrease

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) হল ছাড়ার নির্দেশনা না মানায় কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে। শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে মুহুর্মুহু রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল ছুড়ছে পুলিশ। আর ইটপাটকেল ছুড়ছে আন্দোলনকারীরা।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৫টা ১০ মিনিট থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চলছিল।

টিয়ারশেল ছুড়ছে পুলিশ

এর আগে, বিকেল সোয়া ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার সংলগ্ন সড়কে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ তাদের ওপর টিয়ারশেল ছোড়া শুরু করে। ঘটনাস্থল থেকে বার্তা২৪,কমের প্রতিনিধি জানান, হল ছাড়ার নির্দেশনা দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে উপাচার্যসহ আরও কয়েকজন শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

পুলিশ টিয়ারশেল ছুড়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে

পরে শহীদ মিনারের এক পাশে শিক্ষার্থী ও অপর পাশে পুলিশ অবস্থান নেয়। তখন থেকেই উভয় পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় আলোচনা ও উত্তেজনা চলছিল।

বিকেল ৫টার দিকে শিক্ষার্থীদের শহীদ মিনার এলাকা থেকে সরে যেতে বলে পুলিশ। কিন্তু শিক্ষার্থীরা সরে না যাওয়ায় পুলিশ তাদের ওপর জলকামান থেকে পানি ও টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ও ফাঁকা গুলি ছুড়ছে।

;