রাবির বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে পুরস্কৃত হলেন ২৯ শিক্ষার্থী



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
রাবির বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে পুরস্কৃত হলেন ২৯ শিক্ষার্থী

রাবির বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে পুরস্কৃত হলেন ২৯ শিক্ষার্থী

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে ২৯ জন শিক্ষার্থী পুরস্কৃত হয়েছেন। গত বুধবার (১ মার্চ) বিকেল ৫টায় চারুকলা মুক্তমঞ্চে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী শিল্পীদের হাতে অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার।

পুরস্কার প্রদানের পূর্বে উদ্বোধনী গান ও নৃত্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। সভায় চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সভাপতি ও ‘বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী-২০২৩’র আহ্বায়ক অধ্যাপক আবদুস সোবাহানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন রাবি উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার, উদ্বোধক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক সনৎকুমার সাহা। এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী ও বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. আবু তাহের।

আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত অতিথিরা তাদের বক্তব্যে চারুশিল্পের বিভিন্ন দিক আলোকপাত করেন এবং রাবি উপাচার্য রাবি চারুকলাকে আরও সুন্দর করে তুলতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।
আলোচনা সভা ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান শেষে সাত দিনব্যাপী আয়োজিত এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক সনৎকুমার সাহা।

প্রদর্শনীর বিষয়ে জানতে চাইলে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আবদুস সোবাহান বলেন, প্রদর্শনীটি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন একাডেমিক ভবনে আগামী ৭ মার্চ পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সকল দর্শনার্থীদের জন্য উন্মক্ত থাকবে এই প্রদর্শনী। এবারের প্রদর্শনীতে চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র এই তিন ডিসিপ্লিনের প্রথম বর্ষ মাস্টার্স পর্যন্ত মোট ২৯জন শিক্ষার্থী পুরস্কৃত হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে সকল মাধ্যম শ্রেষ্ঠ পুরস্কার, মাধ্যম শ্রেষ্ঠ পুরস্কার, নিরীক্ষাধর্মী শ্রেষ্ঠ পুরস্কার এবং শ্রেণি শ্রেষ্ঠ ক্যাটাগরিতে দেশের প্রথিতযশা প্রয়াত কয়েকজন চারুশিল্পীর নামে স্মৃতি পুরস্কার। এছাড়াও এবারে এই প্রতিষ্ঠানের প্রথমদিকের অন্যতম অধ্যক্ষ প্রয়াত অধ্যাপক শিল্পী গোলাম ফারুকের নামেও ‘স্মৃতি পুরস্কার’ প্রদান করা হয়েছে।

   

জাবি ভর্তি পরীক্ষা: ৬ জনের উত্তরপত্র বাতিল, গ্রেফতার ১



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় শ্রুতি লেখক পরিবর্তনের মাধ্যমে অসদুপায় অবলম্বন করে পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন ৫ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী। এ ঘটনায় তাদের ভর্তি পরিক্ষার উত্তরপত্র ও পরীক্ষার রোল নম্বর বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই ঘটনায় ১জন শ্রুতি লেখককে মোবাইল কোর্টে শাস্তি অনুযায়ী গ্রেফতার করেছে পুলিশ ।

গ্রেফতারকৃত ওই শ্রুতি লেখকের নাম সাগর হোসেন রোহান। তার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায়। ঢাকার একটি কলেজে ইতিহাস বিভাগে তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তিনি। ঢাকার আশুলিয়া সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আশরাফুর রহমান তাকে পাবলিক পরীক্ষা আইন ১৯৮০ এর ৩ (খ) ধারা অনুযায়ী ১ (এক) বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ২০০ টাকা জরিমানা করেন। পরে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে তাকে সোপর্দকরা হয়।

ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র ও রোল নম্বর বাতিল করা পরীক্ষার্থীরা হলেন- মো. দেলোয়ার হোসেন, রাজু আহমেদ, মো. টুটুল হাসান, মো. মেহেদী হাসান ও আওয়াল হোসেন আরাফাত।

এদের সবার 'সি' ইউনিট (কলা ও মানবিকী অনুষদ) এর ভর্তি পরিক্ষার উত্তরপত্র বাতিল করা হয়। এছাড়া মো. মেহেদী হাসান ও আওয়াল হোসেন আরাফাতের বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য 'বি' ইউনিট (সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ ও আইন অনুষদ) এর এবং রাজু আহমেদের 'ই' ইউনিট (বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ) এর ভর্তি পরীক্ষার রোল নম্বরও বাতিল ঘোষণা করা হয়।

এছাড়া পরীক্ষা দিতে এসে অশোভনীয় আচরণ করায় সাজিদ হাসান নামের ভর্তিচ্ছুর পরীক্ষার উত্তরপত্র ও রোল নম্বর বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য 'বি' ইউনিটের (সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ ও আইন অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষার জন্যও তার রোল নম্বর বাতিল ঘোষণা করা হয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা সূত্রে জানায়, পরীক্ষার উত্তরপত্র বাতিলকৃত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সাজিদ হাসান পরীক্ষার আগে পরীক্ষা কেন্দ্রের শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা এক রোভার স্কাউট সদস্যের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। বাকি পাঁচজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষকে শ্রুতি লেখক সম্পর্কে ভূল তথ্য দিয়ে এবং বিশ্ববিদ্যালয় কতৃক অনুমোদিত শ্রুতি লেখক পরিবর্তন করে অন্য শ্রুতিলেখক নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। 

শ্রুতিলেখক সাগর হোসেনকে গ্রেফতারের বিষয়ে ঢাকার আশুলিয়া সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আশরাফুর রহমান বলেন, তাকে পাবলিক পরীক্ষা আইন ১৯৮০ এর ৩ (খ) ধারা অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, ‘ আমরা যাদের বিরুদ্ধে শ্রুতিলেখক পরিবর্তন করে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অভিযোগ পেয়েছি তাদেরকে বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী শাস্তি দিয়েছি। যারা এই চক্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছে তাদেরকে খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষার্থী এর সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে নিয়ম মোতাবেক পদক্ষেপ নেব।

এদিকে এ ঘটনায় উত্তরপত্র বাতিল হওয়া দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা আক্ষেপ করে জানান, সৃষ্টিকর্তা আমাদের অন্ধ করে পাঠিয়েছেন যার কারণে আমাদের শুধু মানুষেরা আমাদের সাথে যা করে তা সয়ে যাওয়া লাগে। আমাদের বেশীরভাগই গ্রাম থেকে উঠে আসা। এখানে বিশ্ববিদ্যালয় বলছে দশম শ্রেণির বা আমাদের থেকে একাডেমিক দিক দিয়ে কমপক্ষে দুই বছরের জুনিয়ররা শ্রুতিলেখক হতে পারবেন। অথচ গ্রামাঞ্চলে শিক্ষার মানে ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়। সেখানে এমন দশম বা ইন্টার পাশ এমন শিক্ষার্থী অনেক আছে যারা ইংরেজি ভালোভাবে পড়তে পারে না। আবার যাদের অনেকে পারে তাদের গার্ডিয়ানরা আমাদের সাথে শ্রুতিলেখক হিসেবে পাঠাতে অসম্মতি জ্ঞাপন করেন। এরকম পরিস্থিতিতে যারা ইংরেজি পারে না বা ভালোভাবে উচ্চারণ করে রিডিং পড়তে পারে না তাদের ওপর ১ ঘন্টার এই জীবন পরিবর্তনকারী পরীক্ষায় কিভাবে আমরা ভরসা রাখতে পারি এই প্রশ্ন রেখে গেলাম আপনাদের কাছে।

এসময় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরীক্ষায় কেন্দ্রীয়ভাবে ব্রেইল সিষ্টেম কার্যক্রম গ্রহণ করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে তারা মত প্রকাশ করেন।

;

রোভার স্কাউট সদস্যের গায়ে হাত, ভর্তিচ্ছুর পরীক্ষা বাতিল



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষার ৫ম শিফটে দায়িত্বরত রোভার স্কাউট সদস্যের গায়ে হাত তুলেছে এক পরীক্ষার্থী। এ অভিযোগে 'সি' ইউনিটের ওই পরীক্ষার্থীর ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ৫ম শিফটের পরীক্ষা চলাকালীন এ ঘটনা ঘটেছে নতুন কলা ভবনে। সাজিদ হাসান নামের ঐ পরীক্ষার্থী জামালপুর জেলার সদর উপজেলার শাহাপুরের অধিবাসী এবং মো. মোকাদ্দেস আলীর পুত্র। তিনি বর্তমানে ঢাকার ধানমন্ডি থানার জিগাতলা কাঁচাবাজার সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করছেন।

লিখিত এক স্বীকারোক্তি পত্রে সাজিদ হোসেন বলেন, আমি স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে ও অন্যের প্ররোচনা ব্যতিরেকে এই মর্মে লিখিত বক্তব্য প্রদান করছি যে, অদ্য ২৫/০২/২০২৪ তারিখে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষায় পরীক্ষা দিতে এসে দায়িত্বরত রোভার স্কাউট সদস্য'র গায়ে হাত তুলেছি। এ অবস্থায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আমার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে C- ইউনিট, কলা ও মানবিকী অনুষদ, রোল নম্বর ৩১০৩৪৫৮ এবং B- ইউনিট, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, রোল নম্বর: ২১০১৫৮৭-এর ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করলে আমার কোনো আপত্তি নাই।

এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে ভুক্তভোগী রোভার স্কাউট সদস্য বলেন, আমার সাথে দায়িত্ব চলাকালে যে অন্যায় হয়েছে তার সুষ্ঠু বিচার চেয়েছি। বিচার পেয়ে আমি এখন কিছুটা নির্ভার অনুভব করছি। এতে করে আর কেউ এই দুঃসাহস করবে না। অন্যায়ের শাস্তি দেয়ার জন্য প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

সিনিয়র রোভার মেট ও রোভার ইন কাউন্সিল এর সভাপতি ফেরদৌস আল হাসান বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এ বছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট ভর্তি পরীক্ষার শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত ছিল। আজ ‘সি’ ইউনিটের পঞ্চম শিফটের পরীক্ষা চলাকালে একজন পরীক্ষার্থী শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে ভবনে প্রবেশ করতে চাইলে একজন রোভার সদস্য তাকে বাধা দেয় এবং শৃঙ্খলভাবে ভবনে প্রবেশ করতে বলে। তখন ঐ পরীক্ষার্থী উত্তেজিত হয়ে রোভার সদস্যকে অকথ্য ভাষায় গালি দেয় এবং ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এতে রোভার সদস্য আহত হয়। এমতাবস্থায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঐ পরীক্ষার্থীকে গণপিটুনি দিতে চাইলে রোভার সদস্যরাই তাকে উদ্ধার করে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর জাবি রোভার এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে। পরে প্রক্টর স্যার তার ‘সি’ এবং ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা বাতিল করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, তার অপরাধের শাস্তিস্বরূপ এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তার ‘সি’ ইউনিট ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। যদি সে পরবর্তীতে পরীক্ষা দিতে আসে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

;

পর্দা নামল জাককানইবি'তে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবের



জাককানইবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) অনুষ্ঠিত ৬ দিনব্যাপী ২য় আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবের পর্দা নামলো।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের চুরুলিয়া মঞ্চে ৬টি নাটকের প্রদর্শনীর মাধ্যমে এ নাট্যোৎসবের আয়োজন সমাপ্ত হয়। সূচনা আয়োজনসহ কলা ভবনের জিয়া হায়দার থিয়েটার ল্যাবে এর অনুষ্ঠান সমূহ প্রদর্শিত হয়।

৬টি নাটকের মধ্যে ৩টি ভারতীয় নাটক প্রদর্শনী হয়েছে। উদ্বোধনী নাটক হিসেবে মঞ্চায়িত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নাট্যদল ইন্ডিয়ান মাইম থিয়েটার প্রযোজিত Based on a false story। এ নাটকটি নির্দেশনা দিয়েছেন সুরুজ বিশ্বাস ও মধুরিমা গোস্বামী। এছাড়াও অন্যান্য প্রযোজনাগুলো হচ্ছে নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভগের শিক্ষার্থী নির্দেশক অপূর্ব চক্রবর্তীর নির্দেশনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নৃত্যনাট্য বিসর্জন, সাকলাইন আরাফাত নির্দেশিত হাবিব জাকারিয়া রচিত নাটক মোমডানা এবং ফুয়াদ হাসান পার্থ নির্দেশিত শম্ভুর ডায়েরি, ভারতের গোবরডাঙ্গা নকশা প্রযোজিত হিন্দি ভাষার নাটক Yes এবং শেষ দিন আশিষ দাস নির্দেশিত ভারতের নাটক আশ্চর্য মানুষ।

এ বছর বিভাগের পক্ষ থেকে নাট্যজন সম্মাননা প্রদান করা হয় বাংলাদেশের বিশিষ্ট নাট্যজন মামুনুর রশীদকে।

আন্তর্জাতিক এ নাট্যোৎসবে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট নাটাব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ড. পবিত্র সরকার। সভাপতিত্ব করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. কামাল উদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুশাররাত শবনম, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবীর।

উল্লেখ্য, গত ২০ ফেব্রুয়ারি এ উৎসব শুরু হয়।

;

ঢাবি শামসুন নাহার হল কুইজ সোসাইটির সভাপতি কেয়া-সম্পাদক এলিন



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শামসুন নাহার হল কুইজ সোসাইটির নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন কামরুন্নাহার কেয়া এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সায়মা হক এলিন।

রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জানা যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কুইজ ক্লাবের সভাপতি রিমন আল মাহদী এবং সাধারণ সম্পাদক শোয়াইব রহমান এ কমিটি অনুমোদন করেছেন। একইসঙ্গে অনুমোদনে অনুস্বাক্ষর করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কুইজ ক্লাবের মডারেটর ড. মো. রায়হান সরকার এবং ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান।

কামরুন্নাহার কেয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে, সায়মা হক এলিন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ৩য় বর্ষে অধ্যয়নরত।

এ কমিটিতে অনান্যরা হলেন– সহ-সভাপতি দূর্গা পাল। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল মাওয়া তাজকিয়া।সাংগঠনিক সম্পাদক মোছা: আইরিন আক্তার, দপ্তর সম্পাদক সাথী বিশ্বাস, প্রচার সম্পাদক সামিয়া মাসুদ মম, অর্থ সম্পাদক উমা রানী পোদ্দার, অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি সম্পাদক আফ্রিনা জান্নাত, প্রশিক্ষণ সম্পাদক কানিজ ফাতেমা সেতু, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মুমতাহিনাহ মুহু, প্রকাশনা সম্পাদক সুমাইয়া আক্তার, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক রিয়া ইকবাল।

কমিটি এবং ক্লাব সম্পর্কে জানতে চাওয়ায় শামসুন নাহার হল কুইজ ক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি কামরুন্নাহার কেয়া বলেন, ক্লাবের পূর্ববর্তী কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং অন্যান্য সদস্যরা যেভাবে স্বতঃস্ফুর্তভাবে এবং সফলতার সাথে কার্যক্রম চালিয়েছেন, তাদের দেখানো পথ অনুসরণ করে কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবো।

একইসঙ্গে এ কমিটিকে পরবর্তী এক মাসের মধ্যে নতুন নেতৃত্বকে পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

;