ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ২৯ এপ্রিল



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ২৯ এপ্রিল

ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ২৯ এপ্রিল

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্রাজুয়েট ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৯শে এপ্রিল থেকে শুরুর সুপারিশ করা হয়েছে। এবার চার ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এ সুপারিশ করা হয়। আগামী ৩০ জানুয়ারি একাডেমিক ভর্তি পরীক্ষার সভায় এটি চূড়ান্ত করা হবে।

জানা গেছে, ২৯শে এপ্রিল চারুকলা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে শুরু হবে এবারের ভর্তি পরীক্ষা। এছাড়া ৬ মে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট, ১২ মে বিজ্ঞান ইউনিট, ১৩ মে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, এবারের ভর্তি পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- আমরা এবার ভর্তি করব আন্ডারগ্রাজুয়েট প্রোগ্রামে। আগে হতো সম্মান প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। আন্তর্জাতিকভাবে মিল রেখে এটা করেছি আমরা। এবার চার ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

   

বিজ্ঞান অনুষদের পরীক্ষা দিয়ে শুরু হল চবির ভর্তি যুদ্ধ



চবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪. কম
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির 'এ' ইউনিট তথা বিজ্ঞান অনুষদের পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হয়েছে ভর্তি পরীক্ষা। চলবে আগামী ১৬ মার্চ পর্যন্ত।

শনিবার (২ মার্চ) প্রথম দিনের মত বেলা ১১টায় পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় ১২টায়। এর আগে সকাল সোয়া ১০টায় কেন্দ্রে প্রবেশ করে পরীক্ষার্থীরা।

এ বছর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ চট্টগ্রামে আরও পাঁচটি কেন্দ্রে চলছে ভর্তি পরীক্ষা। কেন্দ্রগুলো হলো- হাটহাজারী সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারী এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, খুলশী, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি, ওয়াসা মোড়, দামপাড়া ক্যাম্পাস, পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, খুলশী। এই পাঁচটি কেন্দ্রে মোট ১৩০২২ জন পরীক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে।

এছাড়াও এবার চবি ছাড়া আরও দুইটি বিভাগীয় শহর তথা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) চলছে ভর্তি পরীক্ষা।


বিজ্ঞান অনুষদের ১ হাজার ২১৫টি আসনের বিপরীতে এবার আবেদন করেছে ৯৯ হাজার ৫২১ জন শিক্ষার্থী। সে হিসেবে ‘এ’ ইউনিটে আসন প্রতি লড়বেন ৮১ জন। বিজ্ঞান ভুক্ত ‘এ’ ইউনিটের অধীনে রয়েছে চারটি অনুষদ। এগুলো হলো বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেরিন সাইন্স অ্যান্ড ফিশারিজ অনুষদ।

ভর্তি পরীক্ষার সার্বিক বিষয় নিয়ে চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার বলেন, আমরা সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষার সবরকম প্রস্তুতি নিয়েছি। এ বছর আমরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও ৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছি। আশা করি এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তি কমে আসবে।

নিরাপত্তার ব্যাপারে জানতে চাইলে চবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. নুরুল আজিম শিকদার জানান, আমরা পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নিয়েছি। পুলিশ, প্রক্টরিয়াল বডি, বিএনসিসি, র‍্যাব, রোভার স্কাউট, নিরাপত্তা কর্মী এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে সহযোগিতা করছে আশা করি আমরা নির্বিঘ্নে ও সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পাদন করতে পারব।

;

'জাহাঙ্গীরনগর একটি চেতনার নাম'



মায়াবতী মৃন্ময়ী, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় নেতা, সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের ডাইরেক্টর শেখ মনোয়ার হোসেন বলেছেন, 'জাহাঙ্গীরনগর একটি চেতনার নাম, যার ভিত্তিতে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা জাহাঙ্গীরনগরের প্রাক্তনীরা অটুট সাংস্কৃতিক বন্ধন রচনা করেছেন।'

'বন-পাহাড়ে প্রাণের স্পন্দনে/এসো মিলি জাবি'র বন্ধনে' স্লোগান ধারণ করে শুক্রবার (১ মার্চ) চট্টগ্রাম ফরেস্ট একাডেমি মাঠে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনীদের (জাবিয়ান) পারিবারিক মিলনমেলায় অতিথির বক্তব্যে শেখ মনোয়ার হোসেন বলেন, 'জাবিয়ান পরিচিতি ও ঐক্যকে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে এনে ইতিবাচক শক্তিতে রূপান্তর করার জন্য আমরা কাজ করছি। এ লক্ষ্যে বিস্তারিত প্রকল্প ও কর্মসূচি প্রণীত হয়েছে। আমরা মুক্তিযুদ্ধের মহান আদর্শে সমাজ প্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর।' 


অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বার্তা২৪.কম'র অ্যাসোসিয়েট এডিটর, চট্টগ্রাম সেন্টার ফর রিজিওনাল স্টাডিজ, বাংলাদেশ (সিসিআরএসবিডি)'র নির্বাহী পরিচালক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মাহফুজ পারভেজ, ফরেস্ট ইন্সট্রাকটর মো. আবদুর রশীদ তালুকদার, ইপিক হেলথ কেয়ারের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর টিএম হান্নান রিপন, মো. শফিকুল কবীর, মো. আকবর হোসেন, ড. মো. হযরত আলী মিঞা, একেএম শামসুদ্দীন চৌধুরী মুকুল, ড. ওয়াহিদা পারভিন, ড. মাখন চন্দ্র রায় প্রমুখ।

বসন্তের মোহনীয় আবহাওয়ায় নৈসর্গিক প্রাকৃতিক পরিবেশে জাবিয়ান মিলনমেলায় বৃহত্তম চট্টগ্রামের শতাধিক প্রাক্তনী সপরিবারে অংশ নেন। এতে শিশুকিশোরদের খেলাধুলা, বিনোদন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পুরনো ক্যাম্পাসের স্মৃতির প্রলেপে অনুষ্ঠান শেষ হলে সবার হৃদয়ে স্পন্দিত হয় বিদায় বেদনার করুণ সুর।

মিলনমেলায় জাবিয়ান চট্টগ্রামের একটি কমিটি গঠিত হয়। এতে সভাপতি আহমেদুল হক রাসেল, সহসভাপতি ড. মো. হযরত আলী মিঞা, সাধারণ সম্পাদক একেএম শামসুদ্দীন চৌধুরী মুকুল, যুগ্ম সম্পাদক মো. আ. মোবারক ও মো. এমদাদুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক ড. মাহফুজ পারভেজ, অর্থ সম্পাদক মো. আনিসুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক টিএম হান্নান রিপন, সাহিত্য সম্পাদক ড. মাখন চন্দ্র রায়সহ অনেকেই অন্তর্ভূক্ত হন।

;

রাবি'র ভর্তি পরীক্ষা: আবাসন ও চিকিৎসাসহ প্রশাসনের নানা পদক্ষেপ



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী মঙ্গলবার (৫ মার্চ) থেকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। 'এ', 'বি', এবং 'সি' তিনটি ইউনিটে অনুষ্ঠিত এই ভর্তি পরীক্ষা ৫ মার্চ থেকে শুরু হয়ে চলবে ৭ মার্চ পর্যন্ত। ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সীমিত আবাসন ও চিকিৎসা ব্যবস্থাসহ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শুক্রবার (১ মার্চ) বিকেল পৌনে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব তথ্য জানান রাবি উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার।

লিখিত বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, এবছর বিশেষ কোটাসহ মোট আসন সংখ্যা ৪ হাজার ৪৩৮টি এবং কোটা বাদে আসন সংখ্যা ৩ হাজার ৯০৪টি। এই আসনের বিপরীতে মোট ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ৬৮০টি চূড়ান্ত আবেদন জমা হয়েছে। 'এ' ইউনিটে ৭৪ হাজার ৭৮৫টি, 'বি' ইউনিটে ৩৪ হাজার ৫৪১টি এবং 'সি' ইউনিটে ৭৬ হাজার ৩৫৪টি চূড়ান্ত আবেদন সম্পন্ন হয়েছে। এবার একক আবেদনকারীর সংখ্যা ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৯৭৭ টি। এর মধ্যে পুরুষ আবেদনকারীর সংখ্যা ৯০ হাজার ৪৫৬টি এবং নারী আবেদনকারীর সংখ্যা ৬৪ হাজার ৫২১টি। কোটা বাদে আবেদনকারীর সংখ্যা 'এ' ইউনিটে ৬৯ হাজার ৫২৭টি, 'বি' ইউনিটে ৩২ হাজার ৬১৪টি এবং 'সি' ইউনিটে ৭০ হাজার ৯৭৬টি।

গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, পরীক্ষা চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে ১১টি অভিভাবক টেন্টের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিটি টেন্টে অভিভাবকদের বসার জন্য ২০০টি করে চেয়ার থাকবে। পরীক্ষা চলাকালে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে রাবি চিকিৎসাকেন্দ্রের ৪টি অ্যাম্বুলেন্স ও ১টি মেডিকেল টিম, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের ২ সদস্যের ১টি মেডিকেল টিম ও ১টি অ্যাম্বুলেন্স এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ১টি অ্যাম্বুলেন্স ও ২ সদস্যের মেডিকেল টিম কাজ করবে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাধারণভাবে ব্যবহারের জন্য ১১টি স্থানে ওয়াশরুমের ব্যবস্থা থাকবে। বিএনসিসি/রোভার স্কাউট/রেঞ্জারগণ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত ১২টি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহযোগিতা প্রদান করবে। এসব হেল্পডেস্কে খাবার পানির ব্যবস্থা থাকবে।

আবাসনের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, পরীক্ষার্থীদের বিভিন্ন আবাসিক হলে ও বিশ্ববিদ্যালয় জিমনেসিয়ামে সীমিত আকারে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নারী অভিভাবকদের অবস্থানের জন্য রাবির মহিলা জিমনেসিয়াম ও পশ্চিম ৯০ নম্বর বাসায় সীমিত ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রের ফটোকপি ও নিজেদের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমাদান সাপেক্ষে পরীক্ষার্থীর অভিভাবক সীমিত আকারে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে পারবে। পরীক্ষা চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে লিফলেট বিতরণ, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলার পাশাপাশি ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত কোনো গুজব, অসাধুচক্রের খপ্পর থেকে সকলকে সাবধান থাকার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়াও পরীক্ষা চলাকালে খাবারের দাম ও মান নিয়ে এবং অটোরিকশা, মেসমালিকদের অতিরিক্ত অর্থ আদায় না করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মতবিনিময় করেছেন বলে জানান তিনি।

ভর্তি পরীক্ষার নিয়মাবলি প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, এবারে এক ঘণ্টাব্যাপী ভর্তি-পরীক্ষা MCQ পদ্ধতিতে গ্রহণ করা হবে। পরীক্ষা চলাকালে কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কক্ষের বাইরে যেতে পারবে না। পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ও ক্যালকুলেটরসহ মেমোরিযুক্ত অন্য কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে রাখা যাবে না। পরীক্ষা শুরুর ১ ঘণ্টা আগে পরীক্ষা ভবনের গেট ও ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষা কক্ষের প্রবেশগেট খুলে দেয়া হবে।

বিভাগীয় শহরে কেন পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে না? সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের প্রেক্ষিতে উপাচার্য বলেন, আমাদের দীর্ঘদিন শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ থাকায় জনবল কম। এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারলে সামনের বছর থেকেই বিকেন্দ্রীকরণের দিকে আগাবে রাবি প্রশাসন।

সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক হুমায়ুন কবির, প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সাঊদ, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে, ভর্তি পরীক্ষার তিন ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক, বিভিন্ন হল প্রাধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পরীক্ষা চলাকালে যান চলাচলের নির্দেশনা

ভর্তি-পরীক্ষা সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এসবের মধ্যে আছে ৫ থেকে ৭ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলো শহরের নির্ধারিত স্থান থেকে সকাল সোয়া সাতটায় ক্যাম্পাস অভিমুখে ছেড়ে আসবে। ৫ ও ৬ মার্চ ক্যাম্পাস থেকে বিকেল সোয়া পাঁচটায় এবং ৭ মার্চ বেলা পোনে তিনটায় ক্যাম্পাস থেকে ছেড়ে যাবে। সকাল সাড়ে সাতটার পর ক্যাম্পাসে কোনো প্রকার ভারী যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। এছাড়া ৫ থেকে ৭ মার্চ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ তাদের ব্যক্তিগত গাড়িসমূহ পার্কিং এর জন্য সাবাস বাংলাদেশ মাঠ ব্যবহার করবেন। তবে তাদেরকে অবশ্যই সাড়ে সাতটার মধ্যে গাড়িসমূহ পার্কিং করতে হবে। ব্যক্তিগত গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহন কাজলা ও বিনোদপুর গেট দিয়ে প্রবেশ করে মেইন গেট দিয়ে বেরিয়ে যাবে।

;

চবির পাহাড়ে অগ্নিকাণ্ড



চবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) একটি পাহাড়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় কিছু ঔষধি গাছ পুড়ে গেলেও মানুষের কোন ধরনের ক্ষয় ক্ষতি হয়নি।

শুক্রবার (১ মার্চ) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ফরেস্ট্রি এন্ড এনভারমেন্টাল সাইন্স ইনস্টিটিউটের পিছনে পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল বডি ও কর্মীদের আগুন নেভাতে দেখা যায়। এ বিষয়ে চবি সহকারী প্রক্টর সৌরভ সাহা জয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'আগুন লাগার পিছনে আমরা প্রাথমিকভাবে তিনটি কারণ অনুমান করতে পেরেছি। সেগুলো হলো- বসন্তকাল চলায় প্রচুর বাতাস হচ্ছে,অনেকেই আবর্জনা পোড়ানোর জন্য বিভিন্ন জায়গায় আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে সেখান থেকে পাতা বা অন্য কিছু উড়ে এসে আগুন লাগতে পারে।

আবার চট্টগ্রামের স্থানীয়রা পাহাড়িরা বিভিন্ন ধরনের আদা বা শাক সবজি চাষ করে। তারাও পাহাড় পরিষ্কার করার জন্য আগুন লাগাতে পারে।

এছাড়াও একটি বিশেষ মহল ভর্তি পরীক্ষা কে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং আমাদের মনোযোগকে অন্যদিকে নেওয়ার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে পাহাড়ে আগুন লাগাতে পারে।

প্রশাসনের ভূমিকা সম্পর্ক জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন,"আমরা খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং হাটহাজারীর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের তৎপরতা এবং নিরাপত্তাকর্মীদের সহায়তায় আগুন নিভাতে সক্ষম হই।"

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোন তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন তদন্ত কমিটি গঠন করি নাই, প্রক্টোরিয়াল বডি নিজেরাই জানার চেষ্টা করছে,পরবর্তীতে গণমাধ্যম কর্মীদের জানানো হবে।

;