ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন আজ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রায় সাড়ে চার বছর পর আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলন। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এ সম্মেলন বেলা ৩টা নাগাদ শুরু হবার কথা রয়েছে।

এতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন। ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশ সমুন্নত, পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক ক্যাম্পাসের স্বার্থে শাখা ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষ্যে লাগানো সকল ব্যানার-ফেস্টুন সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রলীগ।

উল্লেখ্য, সোমবার (২১ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ৩০তম জাতীয় সম্মেলন সফলভাবে আয়োজন ও প্রস্তুতি উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আগামী ৩ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করা হয়।

২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন হয়। সম্মেলনের আড়াই মাস পর ৩১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়।

২০১৮ সালের ৩১ জুলাই এক বছর মেয়াদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দায়িত্ব নেওয়ার পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতেই প্রায় ১০ মাস সময় নিয়েছেন সনজিত-সাদ্দাম। হল কমিটিগুলো করেছেন মেয়াদ শেষ হওয়ার আড়াই বছর পর।

সিটের দাবিতে মধ্যরাতে উপাচার্য ভবনের সামনে জাবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নতুন হলে আসন বরাদ্দের দাবিতে মধ্যরাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো নূরুল আলমের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করছেন নারী শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (২৮ জানুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজিলাতুন্নেছা হল থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে আসেন ছাত্রীরা। এ সময় তারা সংশ্লিষ্ট হল প্রশাসনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করে চারটি দাবি তুলে ধরেন।

দাবিগুলো হলো– নতুন হলের নামকরণ ফজিলাতুন্নেছা করতে হবে; রাতেই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কক্ষ বরাদ্দ দিতে হবে; সবার আগে ফজিলাতুন্নেছা হলের শিক্ষার্থীদের নতুন হলে আসন দিতে হবে; হলে কক্ষ বরাদ্দের ক্ষেত্রে কোনো পলিটিক্যাল ব্লক করা যাবে না।

এ সময় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জানা যায়, হল প্রশাসনের নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে ২৮ জানুয়ারি সকালে হল স্থানান্তরের জন্য প্রস্তুতি নেন ছাত্রীরা। পরে রাতে তারা জানতে পারেন ২৮ তারিখ স্থানান্তরের নোটিশ পরিবর্তন করা হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের তালিকা নতুন হলের প্রভোস্টের কাছে না পৌঁছানোয় কক্ষ বণ্টন হয়নি। এর সমাধানের জন্য তারা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে এসে অবস্থান নেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজিলাতুন্নেছা হলের শিক্ষার্থী সাবিহা ইসলাম বলেন, বারবার আশ্বাস দেওয়ার পরেও আমাদের নতুন হলে ওঠানো হচ্ছে না। আমাদের তাড়াহুড়ো করে নোটিশ দেওয়া হয় ২৮ তারিখে হল পরিবর্তন করানো হবে। এরপর আবার সেই তারিখ পরিবর্তন করা হলো। আমরা শুনেছি, আমাদের আগে অন্যান্য হলের শিক্ষার্থীদের নতুন হলে ওঠানো হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, যেহেতু মধ্যরাতে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসার সামনে এসেছে, তাই আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলছি। আশা করি তাদের সঙ্গে কথা বলে একটি সমাধান বের হয়ে আসবে।

ছাত্রীদের হল স্থানান্তরের বিষয়ে অধ্যাপক এ টি এম আতিকুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের আগামীকাল হল শিফট করার কথা। নতুন হলের প্রাধ্যক্ষ লটারির মাধ্যমে ঠিক করবেন শিক্ষার্থীরা কে কোন কক্ষে যাবে। যাদের নাম তালিকায় এসেছে তাদের সবাইকে স্থানান্তর করা হবে। এই আন্দোলন অমূলক।

;

ঢাবির মৈত্রী হলের অবস্থান পালনকারী শিক্ষার্থীরা হলে ফিরেছেন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের প্রভোস্ট নাজমুন নাহারের পদত্যাগের দাবিসহ বেশ কিছু দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা শিক্ষার্থীরা হলে ফিরে গেছে।

উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা শেষে বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে তারা হলে ফিরে যান। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি কোনো ছাত্রী।

ছাত্রীদের অভিযোগগুলোর মধ্যে আছে আসন বরাদ্দে কালক্ষেপণ করা, হলের ক্যানটিনে খাবারের মানোন্নয়নে উদ্যোগ না নেয়া, শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উদাসীনতা, নানা আশ্বাস দিয়ে পরে তা পূরণ না করা ইত্যাদি।

এসব অভিযোগে বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন কুয়েত মৈত্রী হলের অর্ধশত শিক্ষার্থী। কিছুক্ষণ পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী প্রভোস্টের সঙ্গে কথা বলে ছাত্রীদেরকে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

পরে কুয়েত মৈত্রী হলের এক শিক্ষার্থী সাংবাদিকদের বলেন, যেখানে অন্য হলে আমাদের সহপাঠীরা প্রথম বর্ষে সিট পেয়ে গেছে, সেখানে তৃতীয় বর্ষ শেষ হতে চললেও আমরা সিট পাইনি, গণরুমে থাকছি। আমাদের আসন না দিয়ে হল প্রশাসন দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের সিট দিচ্ছে। জানতে চাওয়া হলে কর্তৃপক্ষ আমাদের বলেছে, উপাচার্য চলমান শিক্ষাবর্ষকে সিট দেয়ার নিয়ম করেছেন।

সরস্বতীপূজা প্রসঙ্গে ক্ষুব্ধ আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ছাত্রীদের হলগুলোতে সরস্বতীপূজার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিটি হলে আলোকসজ্জা, সাউন্ড সিস্টেম সব ক্ষেত্রে প্রভোস্ট ও আবাসিক শিক্ষকদের উপস্থিতি ছিল। কিন্তু আমাদের হলের শিক্ষকরা আসেননি। আলোকসজ্জা তো দূরের কথা, সাজানোর কোনো খবর নেই। আমাদের পাশে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে দুই দিন ধরে আলোকসজ্জা আছে। এই পরিস্থিতি দেখার পর ছাত্রীদের ক্ষোভ সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এ কারণেই আমরা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রভোস্ট নাজমুন নাহারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

;

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন রাবির দুই অধ্যাপক



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন রাবির দুই অধ্যাপক

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন রাবির দুই অধ্যাপক

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন অঙ্গনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বাংলা বিভাগের সাবেক দুই শিক্ষক। গতকাল বুধবার (২৫ জানুয়ারি) বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার কমিটি ২০২২-এর সকল সদস্যের সম্মতিক্রমে এবং বাংলা একাডেমি নির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে এই পুরস্কারের ঘোষণা দেয়া হয়।

পুরষ্কারে ভূষিত রাবির দুই শিক্ষক হলেন- অধ্যাপক ড. আবদুল খালেক এবং অধ্যাপক ড. মুহম্মদ আবদুল জলিল। তাঁরা দুজনই ফোকলোরে অসামান্য অবদান রাখায় এই পুরস্কার পেয়েছেন। বাংলা একাডেমি আয়োজিত অমর একুশে বইমেলা ২০২৩-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেবেন।

অধ্যাপক ড. আবদুল খালেক ১৯ আগস্ট ১৯৩৭ সালে সিরাজগঞ্জের চরনবীপুুরে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি একাধারে বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক, কলামনিস্ট ও রাজনীতিবিদ। কর্মজীবনে অধ্যাপক আবদুল খালেক পাবনার সরকারী এডওয়ার্ড কলেজের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেন। পরবর্তিতে রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি রাজশাহীর নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য। বর্তমানে দ্বিতীয় মেয়াদে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অধ্যাপক আবদুল খালেক একজন যশস্বী শিক্ষাবিদ, চতুর্ভাষিক। তিনি বাংলা, ইংরেজি, সংস্কৃত ও চীনা ভাষায় পারদর্শী।

অধ্যাপক ড. মুহম্মদ আবদুল জলিল ১৯৪৮ সালের ৬ জুন সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার হলদিঘর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে একজন শিক্ষক, ফোকলোর গবেষক ও লেখক। তিনি বাংলা একাডেমির একজন ফেলো। কর্মজীবনে আবদুল জলিল বাংলা একাডেমিতে কাজ করেন। পরবর্তীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। এরপর একই প্রতিষ্ঠানে ফোকলোর, বাংলা, নাট্যকলা বিভাগে অধ্যাপনা ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বর্তমানে নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জানতে চাইলে ড. আবদুল খালেক বলেন, এটি খুবই আনন্দের খবর। খুব ভালো লাগছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি রাবির সাবেক উপাচার্য হিসেবে এবং বর্তমানে নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। এই ধরনের সম্মাননা দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যই গৌরবের বলে মনে করেন তিনি।

;

ঢাবিসহ অধিভুক্ত কলেজের ১১৪ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) একজন শিক্ষার্থীকে স্থায়ী ও ১১৩ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিসিপ্লিনারি বোর্ড।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) বোর্ডের এক সভায় এ সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত নির্ধারণী ফোরাম আসন্ন সিন্ডিকেটের সভায় এটি চূড়ান্ত করা হবে।

সভাসূত্রে জানা যায়, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন, পরীক্ষকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও অনৈতিক অবস্থানের কারণে ১০৯ জনকে দুই থেকে চার বছর পর্যন্ত বহিষ্কারসহ বিভিন্ন শাস্তি, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে লাঞ্ছনার অভিযোগে সূর্যসেন হল এবং সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জিম নাজমুলকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়। অ্যালকোহল গ্রহণ করায় ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) তিন শিক্ষার্থীকে ইনস্টিটিউটের গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়। এ ছাড়া, চারুকলা ইনস্টিটিউটের কর্মচারীকে হত্যার হুমকি দেওয়ায় এক শিক্ষার্থীকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়।

আরও জানায়, গত বছরের ৩১ অক্টোবর গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করার অভিযোগে মো. নাজমুল আলম ওরফে জিম নাজমুলকে গত ৫ নভেম্বর সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না তার জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশও দেয় প্রশাসন। এর আগে বিভিন্ন সময়ে নারী হেনস্তা, শিক্ষার্থী নির্যাতন ও আইন শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে জড়িতের অভিযোগ থাকায় স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় ডিসিপ্লিনারি বোর্ড।’

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রব্বানী বলেন, যাচাই বাছাই করে তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও তার অধিভুক্ত বিভিন্ন কলেজের মোট ১১৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে জিম নাজমুল নামের এক শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের এ সিদ্ধান্ত সুপারিশ হিসেবে সিন্ডিকেটে যাবে বলে উল্লেখ করেন প্রক্টর।

;