বিশ্ব শিক্ষক দিবস: স্মৃতির স্কুল, মহতীপ্রাণ শিক্ষক



ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম
স্মৃতির স্কুল, মহতীপ্রাণ  শিক্ষক

স্মৃতির স্কুল, মহতীপ্রাণ শিক্ষক

  • Font increase
  • Font Decrease

বাবার বদলির চাকরির সুবাদে অনেক স্কুল কলেজে পড়েছি। ফলে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো অনেক শিক্ষককে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। আজ শিক্ষক দিবসে সকল শিক্ষকের কথাই মনে পড়ছে। সকলের কাছে কৃতজ্ঞ। তবে আজ শিক্ষক দিবসে আমি আমার শৈশবের বিদ্যালয় ভেড়ামারা উচ্চ বিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার শিক্ষকদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। আমার শৈশবের এই মহান শিক্ষকদের স্মৃতি আমাকে এখনো প্রবলভাবে নাড়া দেয়।

আমার ছেলেবেলা কেটেছে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায়। ১৯৮০ থেকে ১৯৮৪ সাল পযন্ত ভেড়ামারা জিকে ২নং কলোনীর ব্যারাকে থাকতাম। পড়তাম ভেড়ামারা হাইস্কুলে। ১৯৮৪ সালে এস এস সি পরীক্ষা দেয়া পর্যন্ত যেসকল শিক্ষককে পেয়েছি তাঁরা হলেন: রুহুল ইসলাম স্যার ( প্রধান শিক্ষক), হাফেজ আবদুর রশীদ স্যার (সহকারী প্রধান শিক্ষক), আনোয়ারুল আজিম স্যার ; বিনোদ কুমার স্যার, মতিউর রহমান খান স্যার; মো. সিরাজুল ইসলাম স্যার; দাউদ আলী খান স্যার; মশিউর রহমান স্যার, এনামুল হক স্যার, আবদুল হাই স্যার, জিনাত আলী স্যার, আবদুল করিম স্যার, আবদুস সালাম স্যার, মকবুল হোসেন ভি এম স্যার , আজিজুল হক চাঁদু স্যার, গিয়াস স্যার এবং আবদুর রব স্যারকে।

আমার নিজ স্কুলের ( ভেড়ামারা হাইস্কুল) বাইরে বাল্যকালে আরেকজন শিক্ষক যিনি আমার পড়াশোনার ভিত্তি তৈরি করেছিলেন, তিনি হলেন আব্দুল্লাহ স্যার। তিনি ধরমপুর স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। আব্দুল্লাহ স্যার আমাকে বাসায় পড়াতেন। স্যার আমাকে গনিত, পদার্থ এবং রসায়ন পড়াতেন। স্যারের পড়াগুলো আজও মনে পড়ে। ২০১১ সালের দিকে স্যারের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ হয়েছিল। স্যার প্রায়ই ফোন দিতেন। ইচ্ছে ছিল স্যার আমায় দেখবেন, কিন্তু আর দেখা হয়নি। স্যার মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে চলে গেছেন। স্যারের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

দায়িত্ব ও পরিশ্রম কাকে বলে সেটা সেই স্কুল জীবনেই দেখেছি হেড স্যার রুহুল ইসলামকে। তুলনাবিহীন এই শিক্ষককে জ্ঞান গরিমায় আদর্শ ছিলেন। সক্রেটিস হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আমাদের জীবনে লেখাপড়ার পাশাপাশি, আদব কায়দা, ভদ্রতা রুহুল স্যারকে দেখেই রপ্ত করেছিল ওই সময়ের ছাত্ররা। ছাত্ররা তাঁকে যেমন ভয় করত, তেমন শ্রদ্ধাও করত। স্যার আমাদের দশম শ্রেণীতে ইংরেজী পড়াতেন। আমাদের সময় ইংরেজীতে লিও তলস্তয় এর লেখা থ্রি কোশ্চেন নামে একটি প্রবন্ধ ছিল। কী গম্ভীরভাবে দরাজ গলায় স্পষ্ট উচ্চারণে স্যার পড়াতেন। তখন কেউ না বুঝলেও ক্লাসে পিন পতন নীরবতা থাকতো। স্যার ক্লাসে বেত নিয়ে ঠুকতেন। বেতের ভয়ে আমি প্রবন্ধটা মুখস্ত করে ফেলেছিলাম প্রবন্ধের শুরুটা ছিল The thought came to a certain king that he would never fail if he knew three things. These three things were: What is the right time to begin something? Which people should he listen to? What is the most important thing for him to do?

স্যারের কারণে আমি সহ বন্ধুরা এই দুটি প্রশ্নের উত্তর দিতে ওস্তাদ ছিলাম। আমার ধারণা এখনো আমি ও আমার সহপাঠীরা চোখ বন্ধ করে এই দুটি প্রশ্নের উত্তর অনর্গল বলতে পারবো।

আর আরেকটি হলো What is the summary of the three questions? বাপরে বাপ এখনো ওই প্রবন্ধের কথা মনে হলে ভাবি তলস্তয়ের চেয়ে বোধ হয় আমাদের রুহুল স্যার এই তিন প্রশ্নের উত্তর বেশি জানেন।

আমার স্কুলের আরেক শিক্ষক ছিলেন হাফেজ স্যার। সকল বিষয়ে পারদর্শী এই স্যারকে কে ভুলতে পারে? স্যার পড়াতেন ইংরেজী দ্বিতীয় পত্র। হাফেজ স্যারের ক্লাস হতো টিফিন পিরিয়ডের পর। সাধারণত টিফিনের পরের ক্লাসগুলিতে ক্লাস নেয়া খুব কঠিন। ছাত্ররা অমনোযোগী হয়ে উঠে। কিংবা বেঞ্চে মাথা রেখে ঘুমিয়ে যায়। কিন্তু হাফেজ স্যার জাদুমন্ত্র জানতেন। ক্লাসকে সচল করে তুলতেন তাও ইংরেজী দ্বিতীয় পত্রের ক্লাস দিয়ে। হয়তো কোন ছাত্রকে দাঁড় করিয়ে বলতেন বলতো দেখি আমি একজন গাধা ছাত্র। ওমনি ক্লাসের সবাই হো হো করে হেসে উঠল। ঝিম ধরা ক্লাসে শুরু হয় আনন্দের বন্যা। ট্রান্সলেশন কাকে বলে স্যার শেখাতেন। ক্লাসে ঢুকেই বলতেন ট্রান্সলেশন কর- ভজহরি চা সিঙ্গারা খেয়ে রসগোল্লা খাচ্ছে। কিংবা ছাগলটি ভরভর করিয়া লাদিয়া দিল। স্কুলের মাঠের পাশেই ছিল পশু চিকিৎসালয় । স্যার ওই সকল দৃশ্য দেখতেন আর ট্রান্সলেশন করতে দিতেন।

আমাদের টিফিনের পর প্রায় সময় একটা প্লেন চক্কর দিত। তখন ভেড়ামারার কেউ একজন পাইলট হয়েছিল সেই নাকি প্লেন নিয়ে ভেড়ামারার উপর দিয়ে চক্কর দিত।( এটা অবশ্য শোনা কথা)। আমরা জানালার বাইরে আকাশের দিকে প্লেন খুঁজতাম। কিশোর বয়সের ছেলেরা প্লেন দেখবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কতটা দক্ষ শিক্ষক হলে শ্রেণি কক্ষের ডিসিপ্লিন নষ্ট হতে দেননি। বরং সেটাকেই পড়ানোর সাবজেক্ট বানাতেন। হাফেজ স্যার একধাপ এগিয়ে গিয়ে আরেকটি ট্রান্সলেশন দিতেন- উড়োজাহাজটি ভো ভো শব্দ করিয়া আসিতেছে। স্যারের পান্ডিত্য ছিল সর্বজনবিদিত। স্মরণশক্তি ছিল অসাধারণ।

করিম স্যার অষ্টম শ্রেণীতে ভূগোল এবং নবম শ্রেণীতে বাংলা ব্যাকরণ পড়াতেন। আমার আব্বার সঙ্গে স্যারের হ্নদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। স্যার আমাকে প্রাইভেট পড়াতেন। অন্য কাউকে পড়াতেন না। আমি স্যারের বাসায় যেতাম। যদিও ওই দুই বিষয়ে আমার আগ্রহ ছিল খুবই কম। কিন্তু আব্বার কারণে যেতাম। স্যারের ছেলে শাকিল আমাদের জুনিয়র ছিল। বাসায় গেলে ওর সাথেই গল্প গুজব বেশি হতো। তবে স্যার এতো সুন্দরভাবে ব্যাকরণ বোঝাতেন তা কখনো ভোলার নয়। আমি কারক কিছুতেই বুঝতাম না। বিশেষ করে অপাদান আর অধিকরণ এই দুই কারকে জড়িয়ে ফেলতাম। স্যার একদিন আমাকে গাছের নীচে নিয়ে বোঝালেন, গাছ থেকে পাতা পড়েছে এটাই অপাদান কারক । মানে কোন কিছু থেকে বিচ্যুত হওয়া। পাতা ডালে ছিল সেখান থেকে ছিড়ে পড়ল। ঠিক একইভাবে তিল থেকে বের হয়ে তেল হল। খেজুর রসে গুড় হল। দুধ থেকে দই হল। আবার স্টেশনের উদাহরণ দিয়ে বোঝাতেন ঈশ্বরদী থেকে ট্রেন ভেড়ামারা আসলো। এ রকমের কত উদাহরণ দিতেন।

অষ্টম শ্রেণির ক শাখার ক্লাস টিচার ছিলেন মতিউর রহমান স্যার। স্যারের বাসা ছিল বামুনপাড়ায়। জিকে ২ নং কলোনি থেকে বামুন পাড়ার দূরত্ব ৫ কিলোমিটার এর মতো হবে। স্যারের বাসায় সকাল ৭টায় প্রাইভেট পড়তে যেতাম। আমার একটা সাইকেল ছিল। বন্ধু মুজিবুল আসতো ষোলদাগ থেকে। ১৯৮১ সালের শীতের দিনগুলোতে মতিউর স্যারের বাসায় যেতে খেজুর রস, আলুর দম, কলাইয়ের রুটি কত কিছু যে খেয়েছি। স্যার আমার উচ্চারণ নিয়ে রসিকতা করতেন, বলতেন তুমি তো পাবনার ছাওয়াল। তোমরা স্ব্ররধ্বনির ব্যবহার জানো না। তোমরা দুইটা স্বরধ্বনির মাঝে কিছু থাকলেই ঝামেলা বাধিয়ে ফেল। বলেই স্যার বলতো ট্যাহা লিয়া আইছ্যাও তো। তখন কিছুই বুঝতাম না। স্যারের ধুতি পড়ার দিকে চেয়ে থাকতাম। বন্ধু মুজিবুল সহ সকলে হো হো করে হেসে দিত। স্যারের অসাধারণ পান্ডিত্য স্বীকার করতেই হবে।

ভেড়ামারা হাইস্কুলের একজন শিক্ষক এসেম্বলীর সময় খুব প্রাণোচ্ছল থাকতেন। তিনি সকলের প্রিয় ভি এম স্যার। স্যারের আসল নাম ছিল মকবুল হোসেন স্যার। সপ্তম শ্রেণীতে ক শাখায় স্যার আমাদের শ্রেণী শিক্ষক ছিলেন। কী পড়াতেন মনে পড়ে না। তবে বেশীরভাগ সময়ে স্যার রামায়ণ এবং মহাভারতের গল্প শোনাতেন।আজিজুল হক স্যারকে সকলে চাঁদু স্যার নামে ডাকতেন। স্যার আমাদের নবম দশম শ্রেণীতে রসায়ন পড়াতেন।

অসাধারণ বাংলা পড়াতেন আজিম স্যার। স্যারকে কোনদিনই চেয়ারে বসতে দেখিনি। ক্লাস নাইনে উঠেই স্যারকে পেলাম। কথা বিচিত্রা নামে বাংলা সহায়ক পাঠ্য ছিল । স্যার সেখান থেকে পড়াতেন পোস্ট মাস্টার, আদরিণী, মামলার ফল এসকল গল্প গুলো। স্যারের পড়ানো দেখে গল্পের নায়ক গুলোকে যেন পথে ঘাটে দেখতাম।

আমাদের সময়ে ধর্মীয় শিক্ষক ছিলেন দুইজন। একজন হলেন সিরাজ স্যার আর অপরজন হাই স্যার। ওই সময়ে নীল ডাউন বলে স্কুলে একটা প্রচলিত শাস্তির বিধান ছিল। ধর্ম শিক্ষক হাই স্যার আমাদের প্রায় সময়েই নীল ডাউন করতেন। পড়ার কারণে নয়, নামাজ না পড়ার কারনে। জোহরের নামাজের সময় কে কে মসজিদে যাইনি সেটা স্যার মনে রাখতেন। আর তার শাস্তি ছিল নীল ডাউন কিংবা মসজিদে বদনা কিনে দেয়া। হাই স্যার আমাদের নীল ডাউনের শাস্তি দিলেও স্যার কে কেন জানি নিষ্পাপ একজন মানুষ মনে হতো। নোয়াখালীর মানুষ ছিলেন। স্যার নোয়াখালির আঞ্চলিকতায় কথা বলতেন। ধর্মপরায়ণ, ন্যায়নিষ্ঠ স্যারকে সবাই ভালবাসতেন।

আমাদের আরেকজন হাই স্যার ছিলেন । তিনি কৃষি বিজ্ঞান পড়াতেন। স্যার স্টুডেন্টদের অনেক পছন্দ করতেন। সেই সুবাদে আমি ও আমার বন্ধুরা হাই স্যার এর ১৬ দাগের বাড়ীতে অনেকবার গেছি। যতদূর মনে পরে হাই স্যার এর অনেক লেখা কৃষি কথা নামে পত্রিকায় ছাপা হত।

ক্লাস টেনে আমাদের ক্লাস টিচার ছিলেন রব স্যার। খুবই ভাল একজন টিচার ছিলেন। আজও মনে পড়ে এস এস সি পরীক্ষার আগে টেস্ট পরীক্ষার ফলাফল দিয়েছিলেন রব স্যার। ১৯৮৩ সালে রব স্যার আমাদের পিকনিকে নিয়ে গিয়েছিলেন হার্ডিঞ্জ ব্রীজের নীচে। সেবারই স্যার একটা গান গেয়েছিলেন হৈমন্তী শুক্লার তুমি চলে গেলে, চেয়ে চেয়ে দেখলাম। এরপর যতদুর জেনেছিলাম স্যারও কান্সারে আক্রান্ত হয়ে ইহজগত ছেড়ে চলে গেছেন। এখনো কোন কারণে হার্ডিঞ্জ ব্রীজের কাছে গেলে ১৯৮৩ সালের পিকনিক আর স্যারের গানের কথা মনে পড়ে।

আমার জীবনে দেখা সুদর্শন স্যার ছিলেন এনামুল হক স্যার। স্যারের গ্রামের বাড়ি ছিল চাঁদগ্রাম। ১৯৮০ সালে আমরাও চাঁদগ্রামে থাকতাম। স্যার প্রতি শুক্রবার চাঁদগ্রাম চাষীক্লাবে মিটিং করতেন। অসম্ভব জনপ্রিয় ছিলেন স্যার। গ্রাম্য সালিশ মিটিংয়ে স্যার যে সমাধান দিতেন, সেটাই সবাই মানতেন। স্কুলেও স্যার আমাদের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিতেন। এসেম্বলীর সময় দেখতেন কেউ নোংরা কাপড়ে এসেছি কি না, কিংবা কারো চুল বড় হয়েছে কি না, কেউ নখ কেটেছে কি না। স্যারের শাস্তি ছিল স্কুল মাঠের ঘাস পরিস্কার করা। কিন্তু কখনো এগুলো শাস্তি মনে হয় নি। স্কুলের পুরস্কার বিতরণী কিংবা বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় স্যারকে খুবই প্রানবন্ত দেখেছি। স্যার মাঝে মাঝে আমাদের দিয়ে কবিতা আবৃত্তি করাতেন।

পেশাগত জীবনে আমিও একজন শিক্ষক। কিন্তু এটি এখন আর সম্মানীয় স্থানে নেই। আশির দশকে আমার দেখা ভেড়ামারা হাই স্কুল এর সেই সময়কার শিক্ষকদের তুলনা হয় না। ছাত্র হিসেবে আমার শৈশব ও কৈশোরের এই সকল শিক্ষকেরা হ্নদয়ের মণিকোঠায় চির জাগরুক হয়ে আছে । তাঁদের স্মৃতি আমি বহন করতে চাই অন্তহীন কাল ধরে। আমি যখন স্কুলের ছাত্র ছিলাম তখন বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকদের বেতন ও ভাতাদি সবচেয়ে অবহেলিত ছিল। তবুও আমার শিক্ষকদের কখনো স্কুলে বা অন্য কোন আলাপচারিতায় কখনো আফসোস করতে দেখিনি! তবে একটা জিনিসের স্যারদের অভাব ছিল না, সেটা হলো সম্মান!

আজ শিক্ষক দিবসে সকল শিক্ষকদের জানাই শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন।

(ডঃ মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, ইতিহাস বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রাক্তন প্রো ভাইস চ্যান্সেলর, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।)

   

৪ দিন আগে অপহৃত ২ ব্যক্তিকে ঢাবির মুহসীন হল থেকে উদ্ধার



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল থেকে চারদিন ধরে অপহৃত দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে। অপহৃত ২ ব্যক্তি হলেন-মোহাম্মদ আব্দুল জলিল এবং হেফাজ উদ্দিন।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টা ৪০ মিনিটে শাহবাগ থানা পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম তাদেরকে ঢাবির হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের ৫৪৪ নম্বর কক্ষ থেকে উদ্ধার করেন।

প্রক্টরিয়াল টিম এর বরাতে জানা যায়, ব্যবসার জন্য শাহাবুদ্দিনের কাছ থেকে থেকে ৩৫ লাখ টাকা ধার নেন জলিল। কিন্তু টাকা ফেরত চাইলে তিনি নানান বাহানা করে টাকা দিতে দেরি করছিলেন। তাই শাহাবুদ্দিন ১০-১২ জন নিয়ে গত ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে আব্দুল জলিলকে তার হাতিরঝিল থানার হাজিপাড়ার বাসা থেকে অপহরণ করেন। এ সময় তার সাথে থাকা হেফাজ উদ্দিনকেও অপহরণ করা হয়। আব্দুল জলিলকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলে এবং পরবর্তীতে হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের ৫৪৪ নম্বর কক্ষে আটকে রাখা হয়।

অপহরণের সাথে জড়িত তিন শিক্ষার্থীকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেছন ঢাবি প্রক্টর ড. মো. মাকসুদুর রহমান। তারা হলেন ছাত্রলীগের ঢাবি শাখার সাবেক উপ-দপ্তর সম্পাদক ও ফিন্যান্স বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আবুল হাসান সাইদি, ছাত্রলীগের মুহসীন হল শাখার প্রচার উপ-সম্পাদক ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোনতাছির হোসাইন এবং একই হলের ত্রাণ ও দুর্যোগ উপসম্পাদক আল শাহরিয়ার মাহমুদ তানসেন। অভিযুক্ত মোনতাছির হলে শাহাবুদ্দিনের আত্মীয় বলে পরিচিত।

আব্দুল জলিল বার্তা ২৪.কমকে বলেন, শাহাবুদ্দিন আমার থেকে ৩৫ লাখ টাকা পান। কিন্তু মাঝখানে ওনার সাথে আমার যোগাযোগ হয় না। পরে আমাকে ২১ ফেব্রুয়ারি রাত ২টায় বাসা থেকে ১০-১২ জন তুলে আনেন।

তিনি আরো বলেন, 'আমাকে বিভিন্ন স্থানে মারধর করা হয়েছে। গত তিন দিন ধরে হলে আটক করে রাখা হয়েছে। আমাকে যে মারা হচ্ছে আমি ভয়ে চিৎকারও করতে পারতেছিলাম না।'

ভুক্তভোগী আব্দুল জলিলকে মারধর করা হয়েছে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার সাব-ইনসপেক্টর আল আমিন।

তিনি বার্তা ২৪.কমকে বলেন, তার শরীরে মারধরের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে কক্ষটি(৫৪৪) খুঁজে আমরা তেমন কোনো অস্ত্র পাইনি।

এ বিষয়ে মুহসীন হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, 'তারা যে এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটিয়েছে, তা আমরা জানতাম না। যখন কমিটিতে পদ পেয়েছে, তখন তারা এ ধরনের কোনো কাজে জড়িত ছিল না। এখন তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি করে।'

তিনি আরো বলেন, 'তাদের অপরাধ প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী তাদের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরাও ছাত্রলীগ থেকে ব্যবস্থা নেব। তাদের দায় ছাত্রলীগ নেবে না।'

এ বিষয়ে ঢাবি প্রক্টর ড. মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, আমরা প্রথমে পুলিশের কাছ থেকে জানতে পারলাম, মুহসিন হলে চার বা পাঁচ তলায় আমাদের কয়েকজন ছাত্রের সহযোগিতায় একজনকে তুলে আনা হয়েছে। টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে তাকে মারধরও করা হয়েছে। পরে শাহবাগ থানা ও হল প্রশাসনের সহযোগিতায় আমরা ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করি। জড়িত ও ভুক্তভোগীদের জড়ো করে জিজ্ঞাসাবাদ করি। এতে সকল ঘটনা বেরিয়ে আসে। বাংলাদেশের আইন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী এদের বিচার হবে। বিশ্ববিদ্যালয় এ ধরনের অপরাধমূলক কাজে 'জিরো টলারেন্স' নীতিতে থাকবে। ভুক্তভোগীকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারা আগেই একটি জিডি করেছে। তার ভিত্তিতে এখন মামলায় যাবে।

তিনি আরও জানান, জড়িতদের হাতিরঝিল থানায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের যে বিধি রয়েছে, তা প্রয়োগ করে হল প্রশাসন ব্যবস্থা করবে।

উল্যেখ্য, এ ঘটনায় হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের ৫৪৪ নম্বর রুমটি হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে তালাবদ্ধ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এর আগেও এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রুম দখল করে ঢাবি শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে রুম থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠায় হল প্রশাসনের হস্তক্ষেপে রুমটি সিলগালা করা হয়। ওই ঘটনায় একজন সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগও উঠেছিলো।

;

মেঘনা পিইটি ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক জবি শিক্ষক শেখ মাশরিক



জবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি মেঘনা পিইটি ইন্ডাস্ট্রিজের স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ফিন্যান্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শেখ মাশরিক হাসান।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন বন্ধ আছে যার ফলে সরকার অভিজ্ঞতা ও পড়াশুনোর ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের দিয়েছে। আমরা আমাদের ম্যানেজমেন্ট ও অভিজ্ঞ লোকবল দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির আগের সুনাম ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করব এবং প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক করাই আমাদের লক্ষ্য ।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কোম্পানিটিতে চারজন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দেয়। নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন- অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত সচিব অমলেন্দু মুখার্জি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শেখ মাশরিক হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং এমএনএ অ্যাসোসিয়েটসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম নুরুল আলম।

উল্লেখ্য, মেঘনা পিইটি শেয়ারবাজারে দুর্বল মানের কোম্পানি হিসেবে জেড শ্রেণিভুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের কোনো ধরনের ডিভিডেন্ড দিতে পারছে না। এছাড়াও কোম্পানিটির উৎপাদন কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। এমতাবস্থায় নতুন করে চারজনকে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দিয়ে কোম্পানিটি সচল করার উদ্যোগ নেয় বিএসইসি।

;

দেড় হাজার শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে কুবিতে বিজ্ঞান উৎসব



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

দ্বিতীয়বারের মতো ভিন্ন ভিন্ন উদ্ভাবনীর সম্মেলনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাতীয় বিজ্ঞান উৎসব-২০২৪।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) কুবি সায়েন্স ক্লাবের উদ্যোগে সারা দিনব্যাপী এই বিজ্ঞান উৎসবের আয়োজন করা হয়। সকাল ১০টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন এর উদ্বোধন করেন। 

এবারের বিজ্ঞান মেলায় কুমিল্লাসহ আশেপাশের স্কুল, কলেজ ও অন্যান্য ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছেন ৷ প্রায় ১৭০০ জন এতে রেজিস্ট্রেশন করেছেন ৷ তাদের উদ্ভাবনের ও মডেলগুলো প্রদর্শনের জন্য স্টল রাখা হয়েছে ৭৬ টি।

বিজ্ঞান উৎসবের প্রজেক্ট প্রদর্শনকারী কুমিল্লা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী নাজমুস সাদ আব্দুল্লাহ বলেন, অনেক ভালো লাগছে, দীর্ঘদিন পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এরকম একটা বড় সাইন্স ফেস্টের আয়োজন করেছে। প্রায় ১৭০০ শিক্ষার্থী এটাতে অংশগ্রহণ করেছে। সাইন্স নিয়ে এরকম কার্যক্রম কুমিল্লাতে অনেক কম হয়। এটা থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের জ্ঞানকে প্র‍্যাক্টিকালি ইমপ্লিমেন্ট করার সুযোগ পাচ্ছে। পাশাপাশি তারা রোবটিক্সসহ আরও  অনেক আইডিয়া নিয়ে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। এর মাধ্যমে তাদের ব্রেইন ডেভেলপ হচ্ছে।


কুবি সায়েন্স ক্লাবের মডারেটর সহযোগী অধ্যাপক জিল্লুর রহমান বলেন, এই বিজ্ঞান মেলাকে ঘিরে কুবিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে ৷ বিভিন্ন ইভেন্টে এখনো কার্যক্রম চলছে ৷ বিকেলে কায়কোবাদ স্যার শিক্ষার্থীদের সাথে একটি সেশন করবেন। এবারের প্রধান উদ্দেশ্য হলো কুবির আশেপাশের যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে সেগুলোর সাথে যাতে সমোঝোতার সাথে ভালোভাবে কাজ করতে পারি। পাশাপাশি স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য বিজ্ঞানকে ভিত্তি হিসেবে ধরে তা ছড়িয়ে দেওয়াই কুবি সায়েন্স ক্লাবের এই উদ্যোগ।

অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, আমি দেখে খুবই আনন্দিত। এখানে প্রায় ১৭০০ স্টুডেন্ট রেজিষ্ট্রেশন করেছেন। কুমিল্লা এবং  পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে বিভিন্ন স্কুল এবং তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এসেছে। এখানে অলিম্পিয়াড হচ্ছে, সাইন্স প্রজেক্ট হচ্ছে। এগুলো আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কয়েকটি কাজ করে তার মধ্যে, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান শিক্ষায় মানুষের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এটা একটা প্রচেষ্টা বিশেষ করে স্কুল, কলেজের তরুণ শিক্ষার্থী। দ্বিতীয়ত, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল, কলেজের যোগাযোগ বৃদ্ধি। এর মাধ্যমে একে অপরের অংশগ্রহণমূলক কাজ বৃদ্ধি পাবে। তৃতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের যে একটা নিজস্বতা আছে, বিজ্ঞান শিক্ষায় যে বিশ্ববিদ্যালয় সমৃদ্ধ সেটারও একটা প্রমাণ দিচ্ছে। সুতরাং এসব দিক থেকে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ইভেন্ট।

এদিন একইসাথে প্রদর্শনী, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, ফটোগ্রাফি কন্টেস্ট, সায়েন্স প্রজেক্ট প্রদর্শনী, রুবিক কিউব শো সহ অনেক কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে ৷

;

ঢাবির 'ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট' এর ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে 'ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট' এর ১ম বর্ষ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ দেশের অন্য ৭টি বিভাগীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, 'ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট' ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়কারী ও বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ আব্দুল মঈনসহ সংশ্লিষ্টরা বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ ভবনস্থ পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অত্যন্ত স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খলভাবে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ভর্তি পরীক্ষায় ১০৫০ টি আসনের জন্য ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীর সংখ্যা ৩৭,৬৭৯ জন। এদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ৫৯টি কেন্দ্রে ২৬,১১০ জন এবং ঢাকার বাহিরে ৭টি বিভাগীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১,৫৬৯ জন আবেদনকারী অংশ নিচ্ছে বলে তিনি জানান। এবছর প্রতিটি আসনের বিপরীতে পরীক্ষার্থী ৩৫.৮৮ জন।

এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে সার্বিকভাবে সহযোগিতা প্রদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, বিভাগীয় শহরের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের উপাচার্যবৃন্দ ও সংশ্লিষ্টদের, পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

উল্যেখ্য, যে কোনো প্রতারক চক্রের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক ও তৎপর রয়েছেন বলে উপাচার্য উল্লেখ করেন।

;