রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে রিজভী, শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গভীর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্লাবে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর অবস্থান করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন আমন্ত্রণকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও ক্লাবের সভাপতি ওবায়দুল ইসলাম। ইতিমধ্যে ক্লাব কর্তৃপক্ষ বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত সাদা দলের এ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে।

জানা যায়, এ ঘটনায় ক্লাবের সদস্য ও ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক সীতেশ চন্দ্র বাছারকে আহ্বায়ক করে একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত রোববার রাতে রিজভী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে যান। সেখানে তিনি অবস্থান করেন রাত ১টা পর্যন্ত। সঙ্গে তার স্ত্রী ও বন্ধুরাও ছিলেন।

‘রাজনৈতিক একজন নেতার সঙ্গে ক্লাবে বৈঠক করার বিষয়ে’ জানতে চেয়ে এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সরকারে থাকা আওয়ামী লীগ সমর্থিত নীল দলের সিনেট সদস্য অধ্যাপক আব্দুর রহীম।

এ বিষয়ে ওবায়দুল ইসলাম সাংবাদিক বলেন, রাতে ক্লাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অতিথিরা আসেন। খাওয়া-দাওয়া করেন। এটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ক্লাবের সভাপতি। আমার আমন্ত্রণেও রিজভীসহ কিছু অতিথি এসেছিলেন। কেউ গোপন বৈঠক করতে কি ক্লাবে আসবে? কোনো বৈঠক করা হয়নি। সাধারণ আড্ডা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ আছে এবং অতিথিরা তাদের স্ত্রীদের নিয়ে এসেছিলেন। কেউ যদি গোপন বৈঠকের পরিকল্পনা নিয়ে আসে তাহলে কি স্ত্রীদের নিয়ে আসবেন? আমরা যখন ক্লাবে আড্ডা দিচ্ছিলাম তখন অন্য রুমে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরাও ছিলেন। রাতে ক্লাবে এ রকম অতিথি সব শিক্ষকেরই আসে। আমরা তো কখনো এ নিয়ে প্রশ্ন তুলিনি? কেন তুলবো? এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। মূলত হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের ঘটনাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ক্লাবের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, রাকসুর সাবেক ভিপি ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রিজভীকে গত রোববার রাত ১১টা ১৭ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাবে প্রবেশ করছেন। তিনি সেখানে রাত একটা পর্যন্ত অবস্থান করেন।

ওই সময় ক্লাবে তার সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপি সমর্থিত শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের সাবেক আহ্বায়ক ও ক্লাবের বর্তমান সভাপতি অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলামসহ আরও ১০ থেকে ১২ জন ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেছেন, অনেক প্রশ্ন। যেখানে রাত ১০টার সময় সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায় সেখানে এভাবে রাত ১টা পর্যন্ত রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে বৈঠক কেন? এমনিতেই দেশে নাশকতামূলক নানা আশঙ্কা করা হচ্ছে। তার মধ্যে এ বৈঠক স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। একই সঙ্গে ক্লাব কর্তৃপক্ষের দায় দায়িত্ব অবস্থান নিয়ে আমার প্রশ্ন, তারা ঠিক কাজ করছে কিনা।

এদিকে ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ। তিনি বলেছেন, ঘটনার জানার পরই আমি প্রক্টরকে বলেছি ঘটনা খতিয়ে দেখতে, ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে একটা পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দিতে। আমার এখতিয়ারের মধ্যে যা আছে সেভাবে আমি দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

এদিকে রিজভীর সঙ্গে সাদা দলের সাবেক আহ্বায়কের বৈঠককে ‘রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র’ আখ্যায়িত করে গত মঙ্গলবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। সমাবেশ থেকে রিজভী ও অধ্যাপাক ওবায়দুলকে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়।

‘তারেক রহমান লন্ডনে বসে হারিকেন ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত’



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়

ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়

  • Font increase
  • Font Decrease

ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে বসে হারিকেন ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত ৷ হঠাৎ করে তারা হারিকেন নিয়ে খুব উদগ্রীব। টাকা পয়সা এত ইনকাম করেছে যে, তারা হারিকেন ব্যবসা ছাড়ছে না।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার দা’ সূর্য হল ছাত্রলীগের আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের সকল শহিদ স্মরণে ‘তোমার স্বপ্নে পথচলি আজো চেতনায় মহীয়ান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, তারা আজ হারিকেন নিয়ে মিথ্যা নাটক করছে। ফ্যানের বাতাস খেয়ে সভা-সেমিনারে বলছে, ‘লোডশেডিং’। আন্তর্জাতিক অঙ্গণে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এটার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের কিছুটা ছাড় দিতে হচ্ছে। এটা সাময়িক সমস্যা। এটি উত্তরণ হবে। তাদের সময়ে তো বিদ্যুৎ ১৩/১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং থাকত।

ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন, খালেদা জিয়া, তারেক রহমানও জিয়াউর রহমানের পথে হেঁটেছিল। যার দৃষ্টান্ত ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২১ বার হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল। নেত্রী চাইলে তার প্রতিশোধ নিতে পারতেন না? পারতেন। তিনি (শেখ হাসিনা) মনে করেন যারা খারাপ কাজ করে, অন্যায় করে তাদের শাস্তি প্রাকৃতিকভাবেই হবে। তা হচ্ছেও। ১৫ আগস্ট যারা মিথ্যা জন্মদিন পালন করবে, তাদের দাঁত ভাঙা জবাব দেওয়া হবে এবং শক্ত হাতে তাদের দমন করা হবে, বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, বিশেষ অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলে ফাহিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার দা’ সূর্য সেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মকবুল হোসেন ভূঁইয়া, আওয়ামী লীগের সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, মাস্টার দা’ সূর্য হল ছাত্রলীগের সভাপতি মারিয়াম জামান সোহান, সাবেক মাস্টার দা’ সূর্য হল সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান শাহীন বক্তব্য রাখেন।

;

১৫ আগস্ট স্মরণে ঢাবি সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের আলোচনা সভা



আরিফ জাওয়াদ, ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছাত্রলীগের আলোচনা সভা

ছাত্রলীগের আলোচনা সভা

  • Font increase
  • Font Decrease

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের সকল শহিদ স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাস্টার দা’ সূর্য হলে ‘তোমার স্বপ্নে পথচলি আজো চেতনায় মহীয়ান’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার দা’ সূর্য হল ছাত্রলীগের আয়োজনে ওই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে বঙ্গবন্ধু পরিবারকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এই শোক স্মরণেই মাসব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। তারই অংশ হিসেবে পালিত হয় এই আলোচনা সভা।

মাস্টার দা’ সূর্য হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিয়াম রহমানের সঞ্চালনায় ও হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মারিয়াম জামান সোহানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ। শুরুতে শোকাবহ আগস্টের কথা স্মরণে ১ মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুস সোবহান গোলাপ বলেন, জিয়াউর রহমান সেই সময় শিক্ষার্থীদের বই-খাতার পরিবর্তে অস্ত্র তুলে দিয়েছিলেন। সেই সময় জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আর ছাত্রদলের দখলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কলুষিত করেছিলেন তারা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এমন বর্বরোচিত ঘটনার পর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল বের করতে চাইলে সেই সময় বের করতে দেওয়া হয়নি। ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মীকে হত্যা করেছেন জিয়াউর রহমান।

তিনি বলেন, যে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) বাংলাদেশ নামে একটি দেশ উপহার দিল তাকে বাঁচতে দিল না ঘাতকরা। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন ঘৃণ্য ঘটনা হয়তো দ্বিতীয়টি খুঁজে পাওয়া যাবে না। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশকে পিছিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করা হয়েছিল কিন্তু তারপরেও নানান চড়াই-উৎরাই দেরি হলেও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, শুধু জিয়াউর রহমান নয়, খন্দকার মোশতাক সময় মত তার কাজ করার জন্য অনেক আগেই আমাদের দলে প্রবেশ করেছিল। ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতা ছিল ৯৬ সাল পর্যন্ত। এ হত্যার বিচার বাতিলের জন্য ইনডেমনিটি অ্যাক্ট জারি করা হয়। পরবর্তীতে জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এলে যুদ্ধ অপরাধীর বিচারের মাধ্যমে জাতিকে কলঙ্ক মুক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরি করতে চাওয়াতে ২০০৮ সালে যারা হেসেছিল। তারা সেই হাসার উত্তর পেয়ে গেছে। প্রতিনিয়ত বঙ্গবন্ধুর রোপন করা বীজ, দেরিতে হলেও বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু যদি বেঁচে থাকত, যদি প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় বাস্তবায়ন করতে পারত, তাহলে ৮০ দশকেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হত, বলে মনে করেন শেখ ফজলে ফাহিম।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার দা’ সূর্য সেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মকবুল হোসেন ভূঁইয়া, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজী, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, মাস্টার দা’ সূর্য হল ছাত্রলীগের সভাপতি মারিয়াম জামান সোহান, সাবেক মাস্টার দা’ সূর্য হল সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান শাহীন বক্তব্য রাখেন।

;

ঢাবিতে ১ম বর্ষের ক্লাস শুরু ৭ সেপ্টেম্বর



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাবিতে ১ম বর্ষের ক্লাস শুরু ৭ সেপ্টেম্বর

ঢাবিতে ১ম বর্ষের ক্লাস শুরু ৭ সেপ্টেম্বর

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ক্লাস আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে। বিষয়টি জনসংযোগ দফতরের পরিচালক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে ডিনস কমিটির এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এছাড়া, কোভিড-১৯ মহামারি পরিস্থিতির কারণে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকাকালীন মার্চ ২০২০ থেকে ২০২১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরায় আরম্ভ না হওয়া পর্যন্ত ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের প্রদত্ত আবাসন ফি এবং পরিবহন ফি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মওকুফ করেছে।

উক্ত আবাসন ফি ও পরিবহন ফি সমন্বয় করে স্ব স্ব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ফেরত দেয়া হচ্ছে। নিজ নিজ বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে যোগাযোগ করে মওকুফকৃত উল্লেখিত ফি’র চেক গ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির সময় ১ম বর্ষ থেকে ৪র্থ বর্ষ, ৫ম বর্ষ (ফার্মেসি) এবং মাস্টার্স শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আবাসন ফি ও পরিবহন ফি নেয়া হয়েছিল।

;

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা শুরু



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা শুরু

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০২২-২৩ আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতার শুরু হয়েছে। এবারের প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৩টি ফুটবল টিম অংশগ্রহণ করছে।

বুধবার (১০ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এই প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী ম্যাচটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগ এবং আরবি বিভাগের মধ্যে অনুষ্ঠিত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান উদ্বোধনী বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সকল শহিদের অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ বিনির্মাণে খেলাধুলাসহ সহশিক্ষা কার্যক্রমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। শ্রেণিকক্ষ ও গবেষণাগারের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ক্রীড়া কার্যকলাপেও অংশগ্রহণ করবে।

পড়াশুনার পাশাপাশি শিল্প, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাসহ সহশিক্ষা কার্যক্রমে নিজেদের সম্পৃক্ত রেখে উদার, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য উপাচার্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান উপাচার্য।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. অসীম সরকার স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এসময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

;