Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

বর্ষা জুড়ে স্নিকার্স কনভার্স থাকবে ঝকঝকে!

বর্ষা জুড়ে স্নিকার্স কনভার্স থাকবে ঝকঝকে!
সঠিক নিয়মে পরিষ্কার করতে পারলে কনভার্স স্নিকার্স থাকবে ঝকঝকে, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

আসছে বর্ষা জুড়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যা দেখা দেবে কনভার্স বা স্নিকার্স নিয়ে।

প্রিয় কনভার্সটাই সবার আগে নোংরা হবে বৃষ্টি-কাদায়। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের মাঝে অনেকেই কেডসের বদলে সাদা কনভার্স পরতে পছন্দ করে। শুধু স্কুল-কলেজ পড়ুয়া নয়, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া নারী-পুরুষ থেকে শুরু করে কর্মজীবীদের কাছেও কনভার্স পছন্দের তালিকায় থাকে।

সহজেই পরিধেয়, আরামদায়ক ও বর্ষাকালীন সময়ে কনভার্স পরার ফলে রাস্তার ময়লা-কাদা থেকে পা সুরক্ষিত থাকে বলে এদিকেই বেশি ঝুঁকে থাকেন সকলে। কিন্তু সমস্যাটা দেখা দেয় শখের কনভার্স যখন নোংরা হয়ে যায়। বিশেষ করে সাদা কনভার্স ময়লা হয় খুব দ্রুততম সময়ে।

সাদা কিংবা রঙিন যেটাই হোক না কেন, কনভার্স পরিষ্কার করা বেশ কৌশলের বিষয়। আজকের ফিচার সেটাই জানানো হবে ধাপে ধাপে। যা আগত পুরো বর্ষা জুড়ে আপনার ও আপনার সন্তানের প্রিয় কনভার্স ও স্নিকার্সকে পরিষ্কার রাখতে কাজ করবে।

কনভার্স ও স্নিকার্স কীভাবে পরিষ্কার করতে হবে?

কনভার্স বা স্নিকার্স যেটাই হোক না কেন, হাতের সাহায্যে যত্ন করে পরিষ্কার করাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়। এতে করে প্রিয় জুতাটি নষ্ট হবে না। পরিষ্কারের জন্য প্রথমেই ব্রাশের সাহায্যে জুতার উপরের অংশ ও আশেপাশের অংশসহ নিচের অংশের ধুলাবালি ঝেড়ে ফেলে দিতে হবে।

এবারে এক কাপ গরম পানিতে এক টেবিল চামচ ডিশ ওয়াশার মিশিয়ে এতে পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে ভেজা কাপড়ের সাহায্যে জুতার বাইরের অংশে ঘষতে হবে। দেখা যাবে যে কাপড়ে জুতার ময়লা উঠে আসছে। এভাবে দুইটি জুতাই পরিষ্কার হয়ে গেলে এতে জুতার ফিতা ডুবিয়ে কিছুক্ষণ রেখে উঠিয়ে নিতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563256592557.jpg

এবারে জুতা দুইটিকে সাদা পেপার টাওয়েল দিয়ে ভালোভাবে মুড়িয়ে রেখে দিতে হবে কিছুক্ষণের জন্য। এতে করে জুতার বাড়তি পানি পেপার শোষণ করে নেবে। এরপর জুতাগুলো ঘরোয়া তাপমাত্রায় ও বাতাসে রাখতে হবে শুকানোর জন্য। রোদে কিংবা চুলার নিচে দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। জুতার ফিতা ভালোভাবে নিংড়ে শুকানোর জন্য নেড়ে দিতে হবে। জুতা ও ফিতা শুকিয়ে গেলে দেখা যাবে একদম নতুনের মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে।

কনভার্স ও স্নিকার্স থেকে কীভাবে দাগ ওঠাতে হবে?

সাধারণ ময়লা হওয়ার বাইরেও স্নিকার্স ও কনভার্সে জেদি দাগ লেগে যায়। যা উপরোক্ত নিয়মে পরিষ্কার করলেও পুরোপুরি উঠতে চায় না। সেক্ষেত্রে কনভার্সের তন্তুর উপর বিবেচনা করে দুই ধরনের উপাদান ব্যবহার করতে হবে। কনভার্স বা স্নিকার্স যদি ক্যানভাস কাপড়ের হয় তবে হাইড্রোজেন পার অক্সাইডে ব্রাশ চুবিয়ে যে ব্রাশ দিয়ে জুতায় দাগযুক্ত স্থানে ঘষতে হবে। এবং চামড়ার হলে ভেজা ব্রাশে বেকিং সোডা মিশিয়ে সেটা জুতার দাগযুক্ত স্থানে খুব আলতোভাবে ঘষতে হবে। এভাবে করলে খুব সহজেই দাগ উঠে যাবে স্নিকার্স বা কনভার্স থেকে।

আরও পড়ুন: স্মার্ট টিভি পরিষ্কারের স্মার্ট উপায়!

আরও পড়ুন: কীভাবে পরিষ্কার করবেন মেকআপ ব্রাশ?

আপনার মতামত লিখুন :

ঠোঁটের সৌন্দর্যে দারুচিনি

ঠোঁটের সৌন্দর্যে দারুচিনি
ছবি: সংগৃহীত

ত্বকের পরিচর্যা ও যত্নের পাশপাশি ঠোঁটের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।

সঠিক যত্ন যেমন  ঠোঁটকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে, ঠিক তেমনভাবে অযত্নে ঠোঁটে দেখা দিতে পারে নানাবিধ সমস্যা। তবে আজকের ফিচারটি মূলত ঠোঁটের যত্ন নিয়ে নয়, প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহারে কীভাবে ঠোঁটকে আকর্ষণীয় দেখানো যাবে সেটাই জানানো হয়েছে।

প্রাকৃতিক উপাদানের মাঝে দারুচিনি ঠোঁটকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে সবচেয়ে বেশি কার্যকর। প্রাকৃতিক এই উপাদানে থাকে ক্যাসিয়া অয়েল (Cassia Oil), যা একধরণের প্রশান্তিদায়ক এবং ত্বকের জন্য নিরাপদ উপাদান। তবে এটা ব্যবহারে ঠোঁটের রক্ত চলাচলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে ঠোঁট উজ্জ্বল, লালচে ও ফোলা দেখায়।

তাই দারুচিনিকে সবচেয়ে নিরাপদ, সহজলভ্য, সস্তা ও প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে ধরা হয় ঠোঁটের সৌন্দর্যবর্ধক উপাদান হিসেবে। জেনে নিন দারুচিনি ব্যবহারে ঠোঁটের সৌন্দর্যবর্ধনে তিনটি ভিন্ন লিপ স্ক্রাব তৈরির প্রক্রিয়া।

দারুচিনি ও চিনির লিপ স্ক্রাব

এই লিপ স্ক্রাবটি তৈরিতে প্রয়োজন হবে এক টেবিল চামচ দারুচিনি পাউডার, এক টেবিল চামচ চিনি, এক টেবিলচামচ অলিভ অয়েল অথবা নারিকেল তেল। এই উপাদানগুলো মিশিয়ে নিতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে চিনি যেন সম্পূর্ণ গলে না যায়। হাতের আঙ্গুলের সাহায্যে এই স্ক্রাব ঠোঁটে ম্যাসাজ করে পাঁচ মিনিট রেখে দিতে হবে। এরপর পানিতে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

দারুচিনি ও আদার লিপ স্ক্রাব

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566463547394.JPG

এই লিপ স্ক্রাবটি তৈরিতে প্রয়োজন হবে এক-তৃতীয়াংশ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া, এক-তৃতীয়াংশ আদা গুঁড়া, এক ফোঁটা পিপারমিন্ট এসেনশিয়াল অয়েল, এক চা চামচ আমন্ড অয়েল। সকল উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করতে হবে। এই পেস্ট ঠোঁটে পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করে মিনিটখানেক রেখে দিয়ে এরপর ধুয়ে ফেলতে হবে।

দারুচিনি ও মধুর লিপ স্ক্রাব

এতে প্রয়োজন হবে এক চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া, আধা চা চামচ মধু ও আধা চা চামচ অলিভ অয়েল। উপাদান তিনটি একসাথে মিশিয়ে ঠোঁটে ম্যাসাজ করে দশ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর কুসুম গরম পানিতে ঠোঁট ধুয়ে লিপবাম ব্যবহার করতে হবে।

আরও পড়ুন: যেমন হওয়া প্রয়োজন স্পর্শকাতর ত্বকের যত্ন

আরও পড়ুন: ত্বকের তিন যত্নে টমেটোর রস

পাঁচ কারণে পান করুন আঙুরের রস

পাঁচ কারণে পান করুন আঙুরের রস
আঙুরের রস

মৌসুমি ফলগুলো বছরের শুধু নির্দিষ্ট একটি সময়েই পাওয়া যায়।

সেদিক থেকে আঙুর প্রাধান্য পাবে অনেক বেশি। পুরো বছর জুড়ে সহজলভ্য এই ফলটি শুধু খেতেই সুমিষ্ট ও সুস্বাদু নয়, হৃদযন্ত্র, মস্তিষ্ক ও ত্বকের জন্যেও চমৎকার উপকারিতা বহন করে।

গবেষণালব্ধ তথ্য থেকে জানা যায়, আঙুর থেকে পাওয়া যাবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও। সেদিক থেকে আঙুরের রসকে বলা যেতে পারে আধুনিক সময়ের ডিটক্স ড্রিংক।

প্রায় ৬০০০ বছর আগে থেকেই আঙুর তার ঔষধি গুণাগুণের জন্য পরিচিত। এক্ষেত্রে ধন্যবাদ দিতে হয় মিশরিয়দের। তারাই প্রথম আঙুর, আঙুরের রস, আঙুরের মদ ও তার গুণাগুণের সাথে পরিচিত করায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566455706012.jpg

আঙুরের রসের উপকারিতাগুলো কী?

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান সমৃদ্ধ আঙুরের রস হাইপারটেনশন ও চেহারায় বয়সের ছাপ দেখা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্লথ করে দেয়। এমনতর আরও বহু উপকারিতা রয়েছে এই ফলের রসে, যার মাঝে প্রধান কয়েকটি উপকারিতা তুলে ধরা হলো।

দূরে রাখে হৃদরোগ

শুরুতেই উল্লেখ করা হয়েছে, আঙুরে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এছাড়া রয়েছে কোয়েরসেটিন, প্রোসায়ানাইডস, ট্যানিন ও স্যাপনিনসের মতো ফাইটোকেমিক্যালস। এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলো হৃদযন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখতে থেরাপিউটিক প্রক্রায়ার মতো কাজ করে বলে জানাচ্ছে বেশ কিছু গবেষণা।

বিশেষ করে লাল আঙুর রক্তের ভালো কোলেস্টেরল (HDL) এর মাত্রা বৃদ্ধিতে এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) এর মাত্রা হ্রাস করতে কাজ করে। এতে করে খুব সহজেই হৃদযন্ত্রের উপর বাড়তি চাপ পড়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

বয়স্কদের স্মৃতিশক্তি হারানোর প্রক্রিয়া স্লথ করে

আঙুরের রসের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান নিউরনাল সিগন্যালে ইতিবাচক প্রভাব রাখতে কাজ করে। নিয়মিত আঙুরের রস পানে ডিমেনশিয়ার সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনাকে হ্রাস করে। রেসভারট্রল এর মতো অ্যাকতিভ পলিফেনল মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তির উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং নতুন তথ্য শেখা, মুড ভালো করা ও স্মৃতিশক্তিকে প্রখর করায় সাহায্য করে।

রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ও ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হলো ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার অন্যতম বড় একটি কারণ। পরিমিত মাত্রায় আঙুরের রস পানে ইনস্যুলিন রেসিস্ট্যান্সের মাত্রা হ্রাস করে। এতে থাকা ফ্ল্যাভনোলস, রেসভেরাট্রল ও ফেনলিক অ্যাসিড হলো প্রধান অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566455724535.JPG

এতে রয়েছে অ্যান্টি-ক্যানসার উপাদান

লাল আঙুরের রস ডিএনএর ক্ষতির মাত্রা কমাতে কাজ করে, যা থেকে ক্যানসার দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কোরিয়াতে হওয়া একটি গবেষণা থেকে দেখা গেছে, নিয়মিত লাল আঙুরের রস মানে ডিএনএর অক্সিডেটিভ ড্যামেজের মাত্রা কমে যায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

শুধু তাই নয়,  আঙুরের ফাইটোকেমিক্যালস কোলন ক্যানসারের কোষ ধ্বংসে কাজ করে। কেমোথেরাপি চলাকালীন সময়ে ফ্ল্যাভনয়েড সমৃদ্ধ আঙুরের রস কেমোর সাইড ইফেক্ট তথা- বমিভাব, মাথাঘোরানো কমাতে সাহায্য করে।

সুস্থ রাখে পাকস্থলী

প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে আঙুরের রস যোগ করার ফলে পাকস্থলীর মাইক্রোবিয়াল পরিবেশ পরিবর্তন করে দেয়। আঙুরের রসের পলিফেলনস প্যাথোযেনস, অক্সিডেন্টিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ থেকে পাকস্থলিকে রক্ষা করে। এছাড়া এতে থাকা আঁশ খাদ্য পরিপাকে সহায়ক।

আরও পড়ুন: মৌসুমি ফল জামের সাত উপকারিতা

আরও পড়ুন: আট উপকারিতার আতা ফল

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র