Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

বদহজমের জন্য দায়ী যে খাবারটি

বদহজমের জন্য দায়ী যে খাবারটি
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

পেটের যে সমস্যাটি প্রায় সময়েই খুব জ্বালায়, সেটা হলো ফুডপয়জনিং তথা বদহজম।

একটুও এদিক সেদিক হলে বদহজমের সমস্যা এসে উপস্থিত হয় আচমকা। ক্ষেত্র বিশেষে দেখা যায় প্রায় প্রতি সপ্তাহেই একবার এই সমস্যাটি দেখা দেয়।

এছাড়া গ্রীষ্মকালে আবহাওয়াজনিত কারণে সমস্যাটি যেন বেড়ে যায় আরও বেশ অনেকটা। বদহজমের সমস্যাটি যেকোন খাবার কিংবা পানীয় পানেই হতে পারে। তবে বিশেষ একটি খাবার এই সমস্যাটি তৈরির জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ী।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্য সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (CDC) বেশিরভাগ সময়ে বদহজম দেখা দেওয়ার পেছনে দায়ী থাকা খাবার শনাক্ত করেছে। প্রতিষ্ঠানটি খাবার গ্রহণ ও সেই সংক্রান্ত অসুস্থতা ও রোগের প্রাদুর্ভাবের তথ্য সমূহ সংগ্রহ করেছে। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৫ সালের প্রায় ৫৭৬০টি রিপোর্ট ও প্রায় ১০০,০০০ অসুস্থতার রিপোর্ট অনুসারে তারা বদহজম তৈরিকারী সমস্যাযুক্ত খাবারটি চিহ্নিত করেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/29/1559108836388.jpg

খাবারটি আর অন্য কিছুই নয়। আমাদের প্রতিদিনে খাওয়া পরিচিত মুরগির মাংস। পর্যাপ্ত প্রাণীজ প্রোটিন ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর পুষ্টি উপাদান সম্পন্ন মুরগির মাংস আমাদের দেখে প্রায় প্রতি বেলাতেই কোন না কোন খাবারের সাথে খাওয়া হয়ে থাকে। বদহজমের মতো সমস্যাটি যদি সেই খাবারটি থেকে বেশি দেখা দেয়, তবে বিষয়টি বেশ জটিল হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু তথ্যউপাত্ত এমনটাই জানাচ্ছে।

মুরগির মাংস খাওয়ায় পেটের সমস্যা দেখা দেয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সঠিকভাবে মাংস পরিষ্কার ও রান্না না করার কারণে। কাঁচা মুরগির মাংসে থাকে পেটের অসুস্থতা ও সমস্যা তৈরিকারী ব্যাকটেরিয়া সমূহ। ফলে কিছুটা আন্ডারকুকড (সঠিকভাবে সিদ্ধ / রান্না না হওয়া) মুরগির মাংস যেকোনভাবে খাওয়া হলেই পেটের সমস্যা দেখা দিবে।

এমনকি কাঁচা মাংসের সংস্পর্শে অন্যান্য খাবার থাকলে, সেটা থেকেও ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পরে  এবং পেটে প্রবেশের মাধ্যমে বদহজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই মুরগির মাংস কেনা, পরিষ্কার করা ও রান্না করার ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ে সচেতন থাকা আবশ্যিক।

১. কাঁচা মুরগির মাংসের আশেপাশে অন্য যেকোন খাবার রাখা থেকে বিরত থাকতে হবে।

২. কাঁচা মুরগির মাংস ধরার পর হাত কুসুম গরম পানি ও সাবান দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।

৩. মুরগির মাংস রাঁধার আগে খুব ভালোভাবে পানিতে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

৪. মুরগির মাংস কাটাবাছার জন্য সম্পূর্ণ ভিন্ন বটি, ছুরি ও কাটিং বোর্ড ব্যবহার করতে হবে।

৫. রান্না করা বেঁচে যাওয়া মুরগির মাংস দুই ঘন্টার মাঝে রেফ্রিজারেটরে রাখতে হবে।

আরও পড়ুন: যা হতে পারে অতিরিক্ত অ্যাপল সাইডার ভিনেগার পানে

আরও পড়ুন: বার্গার খাওয়ার পর কী ঘটে শরীরে?

আপনার মতামত লিখুন :

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে সুরক্ষিত ত্বক

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে সুরক্ষিত ত্বক
টি ট্রি অয়েল

বিভিন্ন ধরনের এসেনশিয়াল অয়েলের মাঝে টি ট্রি অয়েল সবচেয়ে পরিচিত ও প্রচলিত একটি।

এই এসেনশিয়াল অয়েলের অসংখ্য উপকারিতার মাঝে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। শুধু ত্বক নয়, চুলের যত্নেও সমানভাবে ব্যবহৃত হয় টি ট্রি অয়েল। এছাড়াও ডিওডরেন্ট, পোকামাকড় দূর করতে ও মাউথওয়াশ হিসেবেও কার্যকর এই এসেনশিয়াল অয়েল।

টি ট্রি অয়েল ব্যবহার বিধি

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুব কঠিন কোন বিধিনিষেধ নেই। তবে মনে রাখতে হবে, ত্বকে বা চুলে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরাসরি এই তেল ব্যবহার করা যাবে না। ক্যারিয়ার তেল তথা নারিকেল তেল অথবা অলিভ অয়েলের সাথে মিশিয়ে তবেই ব্যবহার করতে হবে এই এসেনশিয়াল অয়েল।

অনেকেই টি ট্রি অয়েল পরিমাণে অনেক বেশি নিয়ে ফেলে। এক্ষেত্রে ১-৩ ফোঁটা ব্যবহার করাই যথেষ্ট। অল্প পরিমাণ এসেনশিয়াল অয়েল থেকেও সম্পূর্ণ উপকারিতা পাওয়া যাবে।

তবে টি ট্রি অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে অবশ্য। এই তেল চোখের আশেপাশের অংশ ব্যবহার না করাই শ্রেয়। এতে চোখের আশেপাশের অংশের ত্বকে জ্বালাপোড়া দেখা দেয়। কারণ মুখমণ্ডলের এ অংশের ত্বক তুলনামূলক বেশি পাতলা হয়ে থাকে।

এছাড়া টি ট্রি অয়েল ব্যবহার পূর্বে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভালো, এই তেল ব্যবহারে ত্বকে কোন সমস্যা দেখা দেয় কিনা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566115011865.jpg

টি ট্রি অয়েলের উপকারিতা

এই এসেনশিয়াল অয়েলের বিবিধ উপকারিতার মাঝে মূল ও প্রধান কয়েকটি উপকারিতা তুলে ধরা হলো।

শুষ্ক ত্বকের সমস্যা কমায়

যাদের ত্বক খুব শুষ্ক, তাদের জন্য টি ট্রি অয়েল খুব ভালো কাজ করবে। এই তেলটি শুষ্ক ত্বকের জ্বালাপোড়াভাব ও চুলকানির প্রাদুর্ভাব কমায়। বিশেষত এতে থাকা জিংক অক্সাইড শুষ্ক ত্বক ও একজিমার সমস্যা কমাতে কাজ করে।

তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন

টি ট্রি অয়েলের অ্যান্টিসেপটিক উপাদান তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারী। একটি গবেষণা জানাচ্ছে,  সানস্ক্রিনের সাথে টি ট্রি অয়েল মিশ্রিত থাকলে ত্বকের তৈলাক্ততা কমে যায় অনেকখানি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566115031078.jpg

ত্বকের প্রদাহ

উপকারী এই এসেনশিয়াল অয়েলের অ্যান্ট-ইনফ্ল্যামেটরি প্রভাব ত্বকের প্রদাহ, ব্যথা ও জ্বালাপোড়ার সমস্যাকে কমিয়ে এনে আরাম প্রদান করে। এমনকি ত্বকের কোন অংশ ফুলে গেলে বা ত্বকে লালচে ভাব দেখা দিলে সেটা কমাতেও কাজ করে টি ট্রি অয়েল।

ক্ষত সারাতে টি ট্রি অয়েল

টি ট্রি অয়েলের অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ধর্ম ত্বকের কাটাছেঁড়া ও ক্ষত সারাতে খুব চমৎকার কাজ করে। ২০১৩ সালের একটি গবেষণা থেকে দেখা গেছে প্রতি ১০ জনের মাঝে ৯ জনের টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে ক্ষত দ্রুত ও অল্প সময়ের মাঝে ভালো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ব্রণের প্রাদুর্ভাব কমবে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহারে

আরও পড়ুন: ত্বকের ফাটা দাগ কমাতে ক্যাস্টর অয়েল

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র