Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

বিত্তবান হতে গড়ে তুলতে হবে ‘তিন অভ্যাস’

বিত্তবান হতে গড়ে তুলতে হবে ‘তিন অভ্যাস’
সঠিক অভ্যাস রপ্ত করতে পারলে বিত্তবান হওয়া কঠিন কিছু নয়, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

বিত্তবান হতে চায় সবাই।

চেষ্টা, পরিশ্রম ও ইচ্ছা থাকলে অবশ্যই তা অসম্ভব কিছু নয়। তবে নির্দিষ্ট আয়ের মানুষদের জন্য এই বিষয়টি অনেকটাই অমাবশ্যার চাঁদের মতো হয়ে যায়। সেই সমস্যা উত্তরণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Inc. ম্যাগাজিনের সাংবাদিক মিন্ডা যেটলিন জানিয়েছেন মাল্টি বিলিয়নিয়ার, আমেরিকান বিজনেস ম্যাগনেট, ইনভেস্টর ও ফিলান্থ্রপিষ্ট ওয়ারেন বাফেটের তিনটি অভ্যাস সম্পর্কে।

চিন্তা করতে হবে উদ্যোক্তার মতো

নিজের পেশা ও আয় যেমনই হোক না কেন, সবসময় নিজেকে একজন উদ্যোক্তার স্থান থেকে চিন্তা করতে হবে, পরিকল্পনা করতে হবে, টাকা-পয়সার বিষয়ে ভাবতে হবে। ওয়ারেন বাফেট জানান, নিজের মাঝে সবসময় অনুসন্ধানী মনোভাব ধরে রাখতে হবে। যেকোন সুযোগের সদ্ব্যবহার করার সাহস দেখাতে হবে। খুব অল্প কিছু টাকা বাড়তি আয়ের সুযোগ পেলেও, সে সুযোগটি কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে হবে।

ধার করতে হবে যথাসম্ভব কম

হাতে টাকা কম থাকলে, জরুরি প্রয়োজনে কিংবা অনেকেই অভ্যাসবশত অন্যের কাছ থেকে টাকা ধার করে থাকেন। টাকা ধার করার এই বিষয়টি অনেকটাই ‘ডাউনওয়ার্ড স্পাইরাল’ বা নিম্নমুখী গতির মতো বিষয়। একবার এর জালচক্রে আটকা পরে গেলে, এর থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজে পাওয়া কষ্টকর হয়ে যায়। তাই চেষ্টা করতে হবে হাতে যে পরিমাণ টাকা থাকবে তার মাঝেই সমাধান খুঁজে বের করার। ধার করা টাকা সবসময়ই ‘ক্রেডিট’ এর ঘরে অবস্থান নেয়। যা কোন না কোনভাবে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাবই ফেলে দেয়। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, ধার-দেনার বোঝা ঘাড়ে নিয়ে খুব একটা উন্নতি করা সম্ভব হয় না কখনোই।

আয়ের চাইতে ব্যয় কম করতে হবে

নিশ্চয় আয়ের চাইতে ব্যয় কমই হয়। কিন্তু এখানে একটি বিষয় আছে। আয়ের স্ট্যান্ডার্ডের তুলনায় ব্যয় হতে হবে অন্তত পক্ষে দুই স্ট্যান্ডার্ড কম। বাজেট করতে হবে সেই অনুযায়ি। ধরুন আপনার মাসিক আয় চল্লিশ হাজার টাকা। আপনি যদি পুরো মাসের ব্যয়ের হিসাব করেন পঁয়ত্রিশ হাজার টাকার, তবে জেনে রাখুন এই অভ্যাস কোনভাবেই আপনার ভবিষ্যৎ আর্থিক অবস্থায় ইতিবাচক কোন প্রভাব রাখবে না। চল্লিশ হাজারের বিপরিতে আপনাকে ব্যয়ের হিসেব করতে হবে বড়জোর পঁচিশ হাজারের। তার বেশি নয় একদম। বাকি টাকা ব্যাংকে রাখতে হবে অথবা বিনিয়োগ করতে হবে।

আরও পড়ুন: হিমশিম খাচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে?

আরও পড়ুন: শিখতে হবে ‘না’ বলা!

আপনার মতামত লিখুন :

দই পটলে হবে স্বাদের বদল

দই পটলে হবে স্বাদের বদল
দই পটল

কোরবানির ঈদের সময়ে লাগাতারভাবে মাংস খাওয়ার ফলে স্বাভাবিকভাবেই মাংস খাওয়ায় অরুচি দেখা দেয়।

এ সময় মাংস ব্যতীত সবজির সাধারণ ও হালকা পদ খেতে ইচ্ছা করে। সবজিতে স্বাদের বদল করতে চাইলে টকদইয়ে রান্না করা দই পটল রেঁধে নিতে পারেন।

দই পটল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/16/1565947754092.jpg

১. ১০-১৫টি পটল।

২. ৩-৪ টেবিল চামচ টকদই।

৩. এক টেবিল চামচ আদা বাটা।

৪. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৫. এক চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৮. এক চিমটি হিং।

৯. ৫-৬ টেবিল চামচ সরিষার তেল।

১০. ৩-৪টি কাঁচামরিচ।

১১. এক চা চামচ ঘি।

১২. স্বাদমতো লবণ ও চিনি।

১৩. পরিমাণমতো পানি।

দই পটল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/16/1565947770145.jpg

১. পটলগুলো ধুয়ে ছিলে দুইপাশের মাথা কেটে নিতে হবে।

২. একটি ছোট কাঁচের পাত্রে সকল গুঁড়া মসলা, আদা বাটা ও পানি একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে রেখে দিতে হবে।

৩. কড়াইতে মাঝারি আঁচে তেল গরম করে এতে পটল, অল্প লবণ ও এক চিমটি হলুদ গুঁড়া দিয়ে ৫-৬ মিনিট ভেজে ভিন্ন একটি পাত্রে উঠিয়ে রাখতে হবে।

৪. পটল ভাজা তেলেই মসলার মিশ্রণ দিয়ে ৩-৪ মিনিট কষিয়ে হিং দিয়ে নাড়তে হবে। কিছুক্ষণ নেড়ে এতে দই দিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে কিছুক্ষণ নাড়তে হবে।

৫. ৫-৬ মিনিট পর দইয়ের মিশ্রণে বুদবুদ দেখা দিলে ভেজে রাখা পটল, এক কাপ পানি, স্বাদমতো লবণ ও এক চিমটি চিনি দিয়ে মিনিট দশেকের মতো ভালভাবে নেড়ে পানি শুকিয়ে আনতে হবে।

৬. ঝোল পটলের সাথে মাখামাখা হয়ে আসলে পটলের উপর ঘি ও কাঁচামরিচ ফালি দিয়ে কিছুক্ষণ চুলায় রেখে নামিয়ে নিতে হবে।

আরও পড়ুন: দইয়ের ড্রেসিংয়ে সবজি ও কুইনোর সালাদ

আরও পড়ুন: খাবারে রুচি ফেরাতে সরিষা বেগুন

ছুটি শেষে বাড়ি ফিরে অবশ্য করণীয়

ছুটি শেষে বাড়ি ফিরে অবশ্য করণীয়
ঘরে লুকানো মশা দূর করতে মশা নিরোধক স্প্রে ব্যবহার করতে হবে

ঈদের ছুটির আগে সবাই যেভাবে তোরজোড় করে ঢাকা ছেড়েছিল, ঠিক একই তোরজোড় নিয়ে ঢাকা ফিরে আসছে।

লম্বা ছুটির সময় প্রায় শেষের দিকে। আবারো শুরু হবে আগের কর্মব্যস্ততা। ফেরার পথে যেন জ্যামের ভোগান্তিতে না পড়তে হয়, তাই অনেকেই একদিন হাতে থাকতেই ফিরে আসছেন নগরে।

অন্যান্যবারের থেকে এবারের ঢাকা ফিরে আসার মধ্যে বেশ অনেকটা পার্থক্য রয়েছে। এবারে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা রয়েছে সাথে, ফলে খালি বাড়িতে ফিরে নির্দিষ্ট কিছু কাজ অবশ্যই করতে হবে সবার আগে। মনে রাখতে হবে, নিজের ও নিজের পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রাধান্য পাবে সবার আগে।

যেহেতু ঈদের লম্বা ছুটিতে সপরিবারে ছুটি কাটাতে যাওয়া হয়, এ সময়ে বাড়িঘরে মশার উৎপাত বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। জেনে রাখুন বাড়ি ফিরেই কোন কাজগুলো সবার আগে করবেন।

১. বাসায় ঢুকে প্রথমেই প্রতিটি ঘরের দরজা জানালা খুলে দিয়ে ফুল স্পিডে ফ্যান ছেড়ে দিন। এতে করে জমে থাকা ভ্যাপসা গন্ধ, ধুলা ও লুকায়িত পোকা-মশা অনেকাংশে দূর হয়ে যাবে।

২. ঘরে ফ্যান চলাকালীন সময়ে বারান্দা ও রান্নাঘর পরীক্ষা করুন। বারান্দায় এবং রান্নাঘরে কোন পাত্রে বা টবে পানি জমে আছে কিনা ভালোভাবে দেখুন। যদি থাকে তবে তৎক্ষণাৎ ফেলে দিন।

৩. শৌচাগারে হাই কমোড থাকলে প্রতিটি শৌচাগারের হাই কমোড ফ্ল্যাশ করুন।

৪. সম্ভব হলে ঘরের আনাচেকানাচে ঝাড়ু দিয়ে ফেলুন। এতে করে একইসাথে ঘর পরিষ্কার হবে এবং ফ্রেশ লাগবে।

৫. এবারে ঘরের জানালা ও দরজা পুনরায় বন্ধ করে মশা নিরোধক স্প্রে করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। অন্তত মিনিট পনের পর জানাল ও দরজা খুলে ফ্যান চালু করে দিন।

ধাপে ধাপে উপরোক্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারলে বাড়ি ফেরার পরে অনেকটাই দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা যাবে। বিশেষত বাড়ির সদস্য যদি বয়স্ক ও শিশু হয়, তবে চেষ্টা করতে হবে তাদের প্রবেশের আগেই কাজগুলো সম্পন্ন করে ফেলার।

আরও পড়ুন: মশা তাড়াবে যে গাছগুলো!

আরও পড়ুন: যেভাবে মশা দূরে থাকবে আপনার কাছ থেকে!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র