Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

ডিমের কালিয়ায় সাধাসিধে সেহেরি

ডিমের কালিয়ায় সাধাসিধে সেহেরি
ডিমের কালিয়া, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

রান্নার বাড়তি ঝামেলা ও কষ্ট এড়াতে অনেকেই রাতের খাবারের সাথেই সেহেরির খাবার তৈরি করে ফেলেন।

সেহেরির জন্য রান্না করা হলেও, সাধারণ ডিমের রান্না কিংবা ডাল-আলু ভর্তাই থাকে সেহেরির মেন্যুতে। তবে বাড়তি ঝামেলা ব্যতীত ব্যতিক্রমী স্বাদের ডিমের পদ খেতে চাইলে সাধারণ ডিমের ঝোলের পরিবর্তে রাঁধতে পারেন মজাদার ডিমের কালিয়া।

ডিমের কালিয়া তৈরির জন্য যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/14/1557829583274.JPG
ডিমের কালিয়া তৈরির উপকরণ

 

১. চারটি ডিম।

২. দেড় চা চামচ লবণ।

৩. ১/৪ কাপ সরিষার তেল।

৪. দুই ইঞ্চির একটি দারুচিনি স্টিক।

৫. এক চা চামচ চিনি।

৬. একটি বড় পেয়াক কুঁচি।

৭. এক টেবিল চামচ রসুন-আদা কুঁচি।

৮. দুইটি বড় টমেটো কুঁচি।

৯. এক টেবিল চামচ টমেটো পেস্ট।

১০. পাঁচ-ছয়টি কাঁচামরিচ।

১১. ১/৪ কাপ কাজুবাদাম।

১২. ৩/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

১৩. দেড় চা চামচ মরিচ গুঁড়া।

১৪. একটি বড় তেজপাতা।

১৫. চারটি দারচিনি।

১৬. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

১৭. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

১৮. এক চা চামচ মৌরি গুঁড়া।

ডিমের কালিয়া যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/14/1557829620998.JPG
ডিমের কালিয়া

 

১. ডিম সিদ্ধ করে বড় একটি বাটিতে নিতে হবে। এতে ১/৪ চা চামচ লবণ, ১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়া, ও ১/৪ চা চামচ মরিচ গুঁড়া মেশাতে হবে।

২. চুলায় মাঝারি আঁচে কড়াই গরম করে এতে সরিষার তেল গরোম করে ডিমগুলো এক মিনিটের মতো ভেজে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, ডিম খুব বেশি ভাজা যাবে না। হালকা ভাজা হয়ে গেলে কড়াই থেকে নামিয়ে নিতে হবে।

৩. একই কড়াইতে দারুচিনি, এলাচ, তেজপাতা দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে আদা ও সরুন কুঁচি দিতে হবে। কিছুক্ষণ ভাজা হলে পেঁয়াজ কুঁচি দিয়ে মিনিটখানেক ভাজতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/14/1557829662077.JPG
ডিমের কালিয়া

 

৪. ভিন্ন একটি পাত্রে জিরা গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া ও মৌরি গুঁড়া দুই টেবিল চামচ পানির সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। এই পেস্টটি ডিমে দিয়ে সাথে টমেটো কুঁচিও দিয়ে দিতে হবে। পাঁচ মিনিটের জন্য রান্না করে এতে টমেটো পেস্ট দিতে হবে ও আরও মিনিট তিনেক রাঁধতে হবে।

৫. ডিম ও মশলা একসাথে ভালোভাবে কষানো হয়ে আসলে দেড় কাপ পানি, আধা চা চামচ লবণ দিয়ে কড়াইয়ের মুখ ঢেকে মিনিট পাঁচেক উচ্চ জ্বালে রাঁধতে হবে।

ডিমের ঝোল টেনে আসলে এতে কাঁচামরিচ ও ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: অল্প সময়ে চিংড়ির ঝাল মালাইকারি

আরও পড়ুন: খাসির মাংসের সুস্বাদু তেহারি

আপনার মতামত লিখুন :

পাঁচ কারণে পান করুন আঙুরের রস

পাঁচ কারণে পান করুন আঙুরের রস
আঙুরের রস

মৌসুমি ফলগুলো বছরের শুধু নির্দিষ্ট একটি সময়েই পাওয়া যায়।

সেদিক থেকে আঙুর প্রাধান্য পাবে অনেক বেশি। পুরো বছর জুড়ে সহজলভ্য এই ফলটি শুধু খেতেই সুমিষ্ট ও সুস্বাদু নয়, হৃদযন্ত্র, মস্তিষ্ক ও ত্বকের জন্যেও চমৎকার উপকারিতা বহন করে।

গবেষণালব্ধ তথ্য থেকে জানা যায়, আঙুর থেকে পাওয়া যাবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও। সেদিক থেকে আঙুরের রসকে বলা যেতে পারে আধুনিক সময়ের ডিটক্স ড্রিংক।

প্রায় ৬০০০ বছর আগে থেকেই আঙুর তার ঔষধি গুণাগুণের জন্য পরিচিত। এক্ষেত্রে ধন্যবাদ দিতে হয় মিশরিয়দের। তারাই প্রথম আঙুর, আঙুরের রস, আঙুরের মদ ও তার গুণাগুণের সাথে পরিচিত করায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566455706012.jpg

আঙুরের রসের উপকারিতাগুলো কী?

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান সমৃদ্ধ আঙুরের রস হাইপারটেনশন ও চেহারায় বয়সের ছাপ দেখা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্লথ করে দেয়। এমনতর আরও বহু উপকারিতা রয়েছে এই ফলের রসে, যার মাঝে প্রধান কয়েকটি উপকারিতা তুলে ধরা হলো।

দূরে রাখে হৃদরোগ

শুরুতেই উল্লেখ করা হয়েছে, আঙুরে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এছাড়া রয়েছে কোয়েরসেটিন, প্রোসায়ানাইডস, ট্যানিন ও স্যাপনিনসের মতো ফাইটোকেমিক্যালস। এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলো হৃদযন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখতে থেরাপিউটিক প্রক্রায়ার মতো কাজ করে বলে জানাচ্ছে বেশ কিছু গবেষণা।

বিশেষ করে লাল আঙুর রক্তের ভালো কোলেস্টেরল (HDL) এর মাত্রা বৃদ্ধিতে এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) এর মাত্রা হ্রাস করতে কাজ করে। এতে করে খুব সহজেই হৃদযন্ত্রের উপর বাড়তি চাপ পড়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

বয়স্কদের স্মৃতিশক্তি হারানোর প্রক্রিয়া স্লথ করে

আঙুরের রসের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান নিউরনাল সিগন্যালে ইতিবাচক প্রভাব রাখতে কাজ করে। নিয়মিত আঙুরের রস পানে ডিমেনশিয়ার সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনাকে হ্রাস করে। রেসভারট্রল এর মতো অ্যাকতিভ পলিফেনল মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তির উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং নতুন তথ্য শেখা, মুড ভালো করা ও স্মৃতিশক্তিকে প্রখর করায় সাহায্য করে।

রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ও ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হলো ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার অন্যতম বড় একটি কারণ। পরিমিত মাত্রায় আঙুরের রস পানে ইনস্যুলিন রেসিস্ট্যান্সের মাত্রা হ্রাস করে। এতে থাকা ফ্ল্যাভনোলস, রেসভেরাট্রল ও ফেনলিক অ্যাসিড হলো প্রধান অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566455724535.JPG

এতে রয়েছে অ্যান্টি-ক্যানসার উপাদান

লাল আঙুরের রস ডিএনএর ক্ষতির মাত্রা কমাতে কাজ করে, যা থেকে ক্যানসার দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কোরিয়াতে হওয়া একটি গবেষণা থেকে দেখা গেছে, নিয়মিত লাল আঙুরের রস মানে ডিএনএর অক্সিডেটিভ ড্যামেজের মাত্রা কমে যায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

শুধু তাই নয়,  আঙুরের ফাইটোকেমিক্যালস কোলন ক্যানসারের কোষ ধ্বংসে কাজ করে। কেমোথেরাপি চলাকালীন সময়ে ফ্ল্যাভনয়েড সমৃদ্ধ আঙুরের রস কেমোর সাইড ইফেক্ট তথা- বমিভাব, মাথাঘোরানো কমাতে সাহায্য করে।

সুস্থ রাখে পাকস্থলী

প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে আঙুরের রস যোগ করার ফলে পাকস্থলীর মাইক্রোবিয়াল পরিবেশ পরিবর্তন করে দেয়। আঙুরের রসের পলিফেলনস প্যাথোযেনস, অক্সিডেন্টিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ থেকে পাকস্থলিকে রক্ষা করে। এছাড়া এতে থাকা আঁশ খাদ্য পরিপাকে সহায়ক।

আরও পড়ুন: মৌসুমি ফল জামের সাত উপকারিতা

আরও পড়ুন: আট উপকারিতার আতা ফল

সাদামাটা নিমকিমাখা

সাদামাটা নিমকিমাখা
ছবি: নিমকিমাখা

হুটহাট করেই হাবিজাবি কোন খাবার খেতে ইচ্ছা করে।

এই হাবিজাবিটা আসলে কি, সেটা বুঝতে পারা দুষ্কর। এমন খাবার খাওয়ার ইচ্ছাকে অনেকে কাব্যিকভাবে ছোটখাটো ক্ষুধা নামেও ডেকে থাকে।

হুট করে কোন কিছু খেতে ইচ্ছা করলে ঘরে থাকা অল্প জিনিস কীভাবে মুখরোচক ও নতুন খাবার তৈরি করা যায় এইটাই যেন চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। মন অবস্থায় ঘরে থাকা নিমকি ও অল্প পেঁয়াজ-মরিচেই তৈরি করে নেওয়া যাবে নিমকিমাখা। কীভাবে তৈরি করবেন? চটজলদি দেখে নিন রেসিপিটি।

নিমকিমাখা তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566394524865.JPG

১. ২০০ গ্রাম নিমকি।

২. একটি পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. একটি টমেটো কুঁচি।

৪. দুইটি কাঁচামরিচ কুঁচি।

৫. অর্ধেকটি শসা কুঁচি।

৬. অর্ধেকটি ক্যাপসিকাম কুঁচি।

৭. একমুঠো ধনিয়াপাতা কুঁচি।

৮. এক টেবিল চামচ লেবুর রস।

৯. দুই টেবিল চামচ সরিষার তেল।

১০. স্বাদমতো লবণ।

নিমকিমাখা যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566394543339.JPG

১. প্রথমে সরিষার তেলে পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ কুঁচি চটকে নিতে হবে। এতে টমেটো, শসা, ক্যাপসিকাম ও ধনিয়া কুঁচি দিয়ে মাখিয়ে লবণ দিতে হবে।

২. সকল উপাদান মাখানো হয়ে গেলে নিমকি দিয়ে পেঁয়াজ-কাঁচামরিচের সাথে মাখিয়ে তার উপরে লেবুর রস ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র