Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিশ্ব বই দিবস: যে কারণে বই পড়া ভীষণ জরুরি

বিশ্ব বই দিবস: যে কারণে বই পড়া ভীষণ জরুরি
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রযুক্তির দাপটে হারিয়ে যেতে বসেছে বই পড়ার অভ্যাসটি।

বই হাতে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটিয়ে দেওয়া, বইয়ের কাহিনির মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলা, ক্রমশ গল্পের সাথে নিজেকে জড়িয়ে নেওয়ার মতো অনুভূতিগুলোর সামনে সবকিছুই খুব তুচ্ছ।

বই পড়া, বইয়ের মুদ্রণ ও বইয়ের স্বত্বাধিকারের বিষয়ে জনসচেতনা বৃদ্ধির জন্যেই আজকের দিন ২৩ এপ্রিল ‘বিশ্ব বই দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়ে আসছে ১৯৯৫ সাল থেকে।

কোথা থেকে এলো বিশ্ব বই দিবস?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/23/1556014857706.jpg
বিশ্ব বই দিবস

 

১৯৯৫ সালে থেকে ইউনেস্কোর উদ্যোগে বিশ্ব বই দিবস পালন করা হয়ে আসলেও, আদতে বিশ্ব বই দিবসের ধারণাটি আসে স্পেনের লেখক ভিসেন্ত ক্লাভেল আন্দ্রেস এর কাছ থেকে।

স্পেনের একজন বিখ্যাত লেখক, মিগেল দে থের্ভান্তেস মারা যান ১৬১৬ সালের ২৩ এপ্রিল। লেখক আন্দ্রেস ছিলেন তার ভক্ত। প্রিয় লেখককে স্মরণীয় করে রাখার উদ্দেশে ১৯২৩ সালের ২৩ এপ্রিল স্পেনে তিনি বিশ্ব বই দিবস পালন করা শুরু করেন। তবে দিনটি আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্ব বই দিবস হিসেবে ইউনেস্কোর কাছ থেকে স্বীকৃতি পায় ১৯৯৫ সালে।

কেন বই পড়া জরুরি?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/23/1556014965858.jpeg
মস্তিষ্কের সুস্থতায় প্রয়োজন বই পড়া

 

শরীর সুস্থ রাখার জন্য যেমন স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া প্রয়োজন, ঠিক তেমনিভাবেই ব্রেন তথা মস্তিষ্ককে সুস্থ, কার্যক্ষম ও সচল রাখার জন্য খাদ্য দেওয়া প্রয়োজন। সাম্প্রতিক সময়ের গবেষণা জানাচ্ছে, বই পড়ার অভ্যাসটি হলো মস্তিষ্কের খাদ্য!

আপনি বলতেই পারেন, ব্রেনকে সুস্থ ও সচল রাখার জন্য নিয়মিত ফিশ অয়েল কিংবা হলুদ খেলে, অথবা নতুন ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাস, পালজ বুক কিংবা অংক সমাধানের চেষ্টা করলেই তো হয়। যা একইসাথে স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের জ্ঞানীয় কার্যকারিতা বৃদ্ধি করবে।

তবে জেনে রাখুন, উপরোক্ত সকল কাজের চাইতে মস্তিষ্কের জন্য সবচেয়ে উপকারী ও কার্যকর হলো বই পড়ার অভ্যাস। বই পড়া ব্রেনের জন্য উপকারী, এর পেছনে আসলে খুব বড় কোন রহস্য নেই।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউসিএলএ সেন্টার ফর ডিসলেক্সিয়ার ডিরেক্টর বলেন, ‘ভাষা শেখা কিংবা কোন কিছু লেখার চাইতেও বই পড়ার সময় একজন পড়ুয়া অনেক বেশি চিন্তাভাবনা করেন। যা তাকে কাল্পনিক জগতে বিস্তৃতভাবে চিন্তা করার সুযোগ করে দেয়, চিন্তার নতুন অনেক দ্বার খুলে দেয়। এতে করে ভাষা শেখার চাইতেও অনেক বেশি উপকৃত হয় মস্তিষ্ক’।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/23/1556015006269.jpeg
মস্তিষ্কের সুস্থতায় প্রয়োজন বই পড়া

 

আরও দারুণ বিষয় জানাচ্ছে ইমোরি ইউনিভার্সিটি। এই ইউনিভার্সিটির এক গবেষণাপ্রাপ্ত তথ্য থেকে দেখা গেছে, বই শেষ বই পড়ার পাঁচ দিন পরেও মস্তিষ্কে তার কার্যকারিতা চলতে থাকে।

আরও একটি বিষয়টি জেনে দারুণ চমৎকৃত হবেন। বইয়ের গল্পে যে কাজের বিবরণ দেওয়া থাকে, মস্তিষ্ক সে কাজটির অনুভূতি গ্রহণ করে সেই রূপ কাজ করে। ধরুন আপনি বইয়ে ঘোড়ায় চড়ার কাহিনি পড়ছেন। মস্তিষ্ক সে অনুভূতি হিসেবে সেভাবে কাজ করবে।

শারীরিক কোন কাজের কথা পড়ার সময় নিউরন সেইরূপভাবে কাজ করা শুরু করে। এক্ষেত্রে দায়ী হলো মোটোর নিউরন ফাংশন। বলা যেতেই পারে, বই পড়ার মাধ্যমে মস্তিষ্কের দারুণ ব্যায়ামও হয়ে যায়।

নিজেকে সুস্থ রাখার সঙ্গে মস্তিষ্কের সুস্থতার বিষয়ে খেয়াল রাখলে উপকার হবে নিজেরই। তাই বই কিনুন ও বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন ও অন্যকে বই পড়ার প্রতি উৎসাহী করে তুলুন আজ থেকেই।

আরও পড়ুন: ১২ কারণে গড়ে তুলুন বই পড়ার অভ্যাস

আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক যে ৫টি বইয়ে ঘুরে যেতে পারে জীবনের মোড়!

আপনার মতামত লিখুন :

মিষ্টি আলুতে তৈরি গোলাপজাম মিষ্টি

মিষ্টি আলুতে তৈরি গোলাপজাম মিষ্টি
মিষ্টি আলুর গোলাপজাম, ছবি: সংগৃহীত

বিভিন্ন ধরনের রেসিপির কল্যানে বাড়িতে বসেই তৈরি করে নেওয়া যায় পছন্দসই মুখরোচক নানা পদের মিষ্টি।

রসমালাই থেকে শুরু করে রসগোল্লা, কোনটাই বাদ যায় না। সে তালিকায় গোলাপজামও রয়েছে বটে।

কিন্তু আজকের রেসিপিতে নয়নাভিরাম মিষ্টি গোলাপজাম তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে একেবারেই ভিন্ন একটি উপাদান। ভিন্নতা আনতে গোলাপজাম তৈরি করা হয়েছে মিষ্টি আলু দিয়ে। আলু যাদের ভীষণ প্রিয় তারা এই মিষ্টি থেকে নজর এড়াতেই পারবেন না।

মিষ্টি আলুর গোলাপজাম তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563275983781.png

১. ২টি সেদ্ধ ও ভর্তা করা মিষ্টি আলু।

২. ৩/৪ কাপ ময়দা।

৩. ১ চা চামচ বেকিং সোডা।

৪. ২ টেবিল চামচ দুধ।

চিনির সিরা তৈরিতে যা লাগবে

১. ২ কাপ চিনি।

২. ২ কাপ পানি।

৩. কয়েকটি লবঙ্গ।

৪. এক চিমটি জাফরান।

মিষ্টি আলুর গোলাপজাম যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563276023054.png

১. চিনির সিরা তৈরি করতে একটি সসপ্যানে পানি দিয়ে এতে চিনি, লবঙ্গ ও জাফরান মিশিয়ে ৫-৭ মিনিট তাপ দিতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত সিরা ঘন ও আঠালো না হয়। এরপর চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে। 

২. একটি পাত্রে মিষ্টি আলুগুলো চটকে ভর্তা করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে এতে যেন কোনো দলা হয়ে না থাকে। এতে বেকিং সোডা ছিটিয়ে, ময়দা ও দুধ মিশিয়ে নিতে হবে। হালকা ভাবে ময়দা মাখাতে হবে, যদি বেশি আঠালো হয় তাহলে কিছু বাড়তি ময়দা দিতে হবে এবং যদি বেশি শুকনো হয় তাহলে বাড়তি দুধ দিতে হবে। মাখানো ময়দা খুব কোমল বা নরম হতে হবে।  

৩. মিষ্টির গোলা বানাতে, হাতে অল্প একটু ঘি বা ভেজিটেবল অয়েল মাখিয়ে নিতে হবে। মাখানো ময়দা থেকে কিছুটা নিয়ে হাতে রেখে গোল করে ঘুরাতে হবে। খেয়াল করতে হবে এতে কোনো ফাটা অংশ যেন না থাকে। সাথে খেয়াল রাখতে হবে গোলা যেন বেশি বড় না হয়, কারণ বড় হলে চিনির সিরা শোষণ করে আরও বড় হয়ে যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563276040394.png

৪. গোলাপজাম ভাজার জন্য সসপ্যানে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে ঠিকমতো গরম করতে হবে। তেল যেন বেশি গরম না হয় আবার কম গরমও না হয় এবং ভাজার সময় যেন পুড়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যখন গোলাগুলো তেলে দেয়া হবে, গোলাগুলো তেলের উপরে ভেসে উঠবে। সোনালি-খয়েরি রং না হওয়া পর্যন্ত মিষ্টির গোলাগুলো ভাজতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, সসপ্যানে একসাথে অনেকগুলো মিষ্টি দেওয়া যাবে না। নয়তো ভালোভাবে ভাজা যাবে না।

৫. মিষ্টি ভাজা হয়ে গেলে উঠিয়ে সিরাতে মিষ্টিগুলো কয়েক ঘণ্টা  চুবিয়ে রেখে দিতে হবে।

ঠাণ্ডা হয়ে এলে এবং চিনির সিরা শোষণ করে মিষ্টি ফুলে উঠলে পরিবেশনের জন্য নামিয়ে নিতে হবে।

আরও পড়ুন: ঘরে তৈরি গরম ও মুচমুচে জিলাপি

আরও পড়ুন: মিষ্টি মুখে আমের রসগোল্লা

বর্ষা জুড়ে স্নিকার্স কনভার্স থাকবে ঝকঝকে!

বর্ষা জুড়ে স্নিকার্স কনভার্স থাকবে ঝকঝকে!
সঠিক নিয়মে পরিষ্কার করতে পারলে কনভার্স স্নিকার্স থাকবে ঝকঝকে, ছবি: সংগৃহীত

আসছে বর্ষা জুড়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যা দেখা দেবে কনভার্স বা স্নিকার্স নিয়ে।

প্রিয় কনভার্সটাই সবার আগে নোংরা হবে বৃষ্টি-কাদায়। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের মাঝে অনেকেই কেডসের বদলে সাদা কনভার্স পরতে পছন্দ করে। শুধু স্কুল-কলেজ পড়ুয়া নয়, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া নারী-পুরুষ থেকে শুরু করে কর্মজীবীদের কাছেও কনভার্স পছন্দের তালিকায় থাকে।

সহজেই পরিধেয়, আরামদায়ক ও বর্ষাকালীন সময়ে কনভার্স পরার ফলে রাস্তার ময়লা-কাদা থেকে পা সুরক্ষিত থাকে বলে এদিকেই বেশি ঝুঁকে থাকেন সকলে। কিন্তু সমস্যাটা দেখা দেয় শখের কনভার্স যখন নোংরা হয়ে যায়। বিশেষ করে সাদা কনভার্স ময়লা হয় খুব দ্রুততম সময়ে।

সাদা কিংবা রঙিন যেটাই হোক না কেন, কনভার্স পরিষ্কার করা বেশ কৌশলের বিষয়। আজকের ফিচার সেটাই জানানো হবে ধাপে ধাপে। যা আগত পুরো বর্ষা জুড়ে আপনার ও আপনার সন্তানের প্রিয় কনভার্স ও স্নিকার্সকে পরিষ্কার রাখতে কাজ করবে।

কনভার্স ও স্নিকার্স কীভাবে পরিষ্কার করতে হবে?

কনভার্স বা স্নিকার্স যেটাই হোক না কেন, হাতের সাহায্যে যত্ন করে পরিষ্কার করাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়। এতে করে প্রিয় জুতাটি নষ্ট হবে না। পরিষ্কারের জন্য প্রথমেই ব্রাশের সাহায্যে জুতার উপরের অংশ ও আশেপাশের অংশসহ নিচের অংশের ধুলাবালি ঝেড়ে ফেলে দিতে হবে।

এবারে এক কাপ গরম পানিতে এক টেবিল চামচ ডিশ ওয়াশার মিশিয়ে এতে পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে ভেজা কাপড়ের সাহায্যে জুতার বাইরের অংশে ঘষতে হবে। দেখা যাবে যে কাপড়ে জুতার ময়লা উঠে আসছে। এভাবে দুইটি জুতাই পরিষ্কার হয়ে গেলে এতে জুতার ফিতা ডুবিয়ে কিছুক্ষণ রেখে উঠিয়ে নিতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563256592557.jpg

এবারে জুতা দুইটিকে সাদা পেপার টাওয়েল দিয়ে ভালোভাবে মুড়িয়ে রেখে দিতে হবে কিছুক্ষণের জন্য। এতে করে জুতার বাড়তি পানি পেপার শোষণ করে নেবে। এরপর জুতাগুলো ঘরোয়া তাপমাত্রায় ও বাতাসে রাখতে হবে শুকানোর জন্য। রোদে কিংবা চুলার নিচে দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। জুতার ফিতা ভালোভাবে নিংড়ে শুকানোর জন্য নেড়ে দিতে হবে। জুতা ও ফিতা শুকিয়ে গেলে দেখা যাবে একদম নতুনের মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে।

কনভার্স ও স্নিকার্স থেকে কীভাবে দাগ ওঠাতে হবে?

সাধারণ ময়লা হওয়ার বাইরেও স্নিকার্স ও কনভার্সে জেদি দাগ লেগে যায়। যা উপরোক্ত নিয়মে পরিষ্কার করলেও পুরোপুরি উঠতে চায় না। সেক্ষেত্রে কনভার্সের তন্তুর উপর বিবেচনা করে দুই ধরনের উপাদান ব্যবহার করতে হবে। কনভার্স বা স্নিকার্স যদি ক্যানভাস কাপড়ের হয় তবে হাইড্রোজেন পার অক্সাইডে ব্রাশ চুবিয়ে যে ব্রাশ দিয়ে জুতায় দাগযুক্ত স্থানে ঘষতে হবে। এবং চামড়ার হলে ভেজা ব্রাশে বেকিং সোডা মিশিয়ে সেটা জুতার দাগযুক্ত স্থানে খুব আলতোভাবে ঘষতে হবে। এভাবে করলে খুব সহজেই দাগ উঠে যাবে স্নিকার্স বা কনভার্স থেকে।

আরও পড়ুন: স্মার্ট টিভি পরিষ্কারের স্মার্ট উপায়!

আরও পড়ুন: কীভাবে পরিষ্কার করবেন মেকআপ ব্রাশ?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র