Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ৩১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

কর্মোদ্দীপ্ত থাকতে সাহায্য করবে এই নিয়মগুলো!

কর্মোদ্দীপ্ত থাকতে সাহায্য করবে এই নিয়মগুলো!
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

কাজের ক্ষেত্রে নিজেকে ‘প্রোডাক্টিভ’ রাখতে চাইলে ইচ্ছাশক্তিই যথেষ্ট, এমনটা মনে হলেও সত্যটি হলো- এর সঙ্গে প্রয়োজন কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম।

কর্মোদ্দীপ্ত থাকতে চাইলে এই সকল নিয়মের ছাঁচে নিজেকে ফেলতে হবে ঠিকঠাকভাবে।

নিয়মের কথায় সকলেই কিছুটা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে যায়। কিন্তু এই নিয়মগুলো মোটেও কষ্টকর কিংবা খটোমটো নয়। বরং নিজেকে আরও বেশি সুস্থ ও কাজের প্রতি মনযোগী করে তোলার ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা অনেক। ক্যারিয়ারে নিজেকে সফল অবস্থানে দেখতে চাইলে ভীষণ প্রয়োজনীয় এই নিয়মগুলোই হবে আপনার সবচে’ ভালো বন্ধু।

তালিকা তৈরি করুন

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/31/1548917624283.jpeg

যেকোন কাজের জন্যেই তালিকা তৈরি করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। কারণ কোন কাজই একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সম্ভাব্য কাজের জন্য কি প্রয়োজন হতে পারে, কি ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া লাগবে- তার একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করা থাকলে কাজ করার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে।

নিজেকে নিজেই পুরস্কৃত করুন

একটু অদ্ভুত মনে হলেও সামান্য এই কাজটিই অনেক বড় ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে জীবনে ও কাজের ধারার উপর। নিজের ছোটখাটো সাফল্যে নিজেকে নিজেই পছন্দের কোন জিনিস উপহার দিন। ধরুন কোন একটা মিটিং এ খুব চমৎকার প্রেজেন্টেশনের পর সবার বাহবা পেলে নিজের জন্য সেই বইটি অর্ডার দিয়ে দিন, যেটা গত কয়েকদিন ধরে কিনতে চাচ্ছিলেন। আদতে খুব ছোট এই কাজগুলোই পরবর্তীতে বড় কাজের প্রতি উদ্দীপ্ত করে তোলে।

কাজ থেকে বিরতি নিন

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/31/1548917708703.jpeg

এটা মনে রাখুন যে আপনি কোন রোবট নন। প্রতিটি মানুষের একটি নির্দিষ্ট সময় পর বিশ্রামের প্রয়োজন হয়। অনেক সময় শুধুমাত্র ছুটির দিনগুলোতে বিশ্রাম নেওয়া যথেষ্ট নয়। সেক্ষেত্রে কাজের চাপ থেকে সাময়িক সময়ের জন্য বিরতি নিন। নিজেকে যদি সময় না দেন, বিশ্রাম না দেন তবে কাজের গতি কমে যাবে অনেকখানি। বরং কিছুটা বিশ্রাম কাজের গতি বাড়িয়ে দিতে পারে তুলনামূলক অনেকটা বেশি।

ধরাবাঁধা ঘুমের সময়

একটা বিষয় ভালোভাবে মনে রাখা প্রয়োজন। কাজের ক্ষেত্রে যত বেশি অ্যাকটিভ থাকতে চাইবেন, নিজেকে তত বেশি নিয়মের মাঝে রাখার চেষ্টা করতে হবে। নিয়মের ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রথমেই ঘুমের সময়কে নিয়মের মাঝে আনতে হবে। ঘুমানোর ও ঘুম থেকে ওঠার সঠিক সময়কে কোনভাবেই ব্যহত করা যাবে না। চেষ্টা করতে হবে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার ও দ্রুত ঘুম থেকে ওঠার এবং আট ঘন্টা পরিপূর্ণভাবে ঘুমানোর।

বাস্তববাদী হতে হবে

কাল্পনিক কোন লক্ষ্য তৈরি করা এবং বাস্তবসম্মত লক্ষ্য তৈরি করার মাঝে অনেক বড় তফাৎ রয়েছে। নিজের কাজ, কাজের অগ্রসর ও কাজের পরিকল্পনাগুলো হতে হবে সুপরিকল্পিত ও বাস্তবসম্মত। তবে সঠিকভাবে তা পালন ও সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। যদি কাজের পরিকল্পনা করা হয় আবেগের বশে, তবে তা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অতিরঞ্জিত হয়ে যায় এবং  তা পূরণ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

সময় নষ্ট করা বন্ধ করুন

অবশ্যই কাজের ফাঁকে বিরতি নেওয়ার বা রিফ্রেশমেন্টের প্রয়োজন হয়। কাজের মাঝে নিজেকে সময় দেওয়ায় কোন ক্ষতি নেই। মোবাইলে গেমস খেলা, গান শোনা কিংবা ভিডিও দেখা যেতেই পারে। কিন্তু এই রিফ্রেশমেন্ট যেন লম্বা সময়ের জন্য না হয়। নইলে কাজের প্রতি আগ্রহ, মনোযোগ ও ধারাবাহিকতা নষ্ট হয়ে যাবে। স্বল্প সময়ের রিফ্রেশমেন্ট কাজের গতি বাড়িয়ে দিলেও, দীর্ঘ সময়ে গড়ালে তা সময় নষ্ট করে এবং কাজের ক্ষতি করে।

আরও পড়ুন: মন বসে না কাজের টেবিলে!

আরও পড়ুন: কর্মক্ষেত্রেও থাকুন আত্মবিশ্বাসী

আপনার মতামত লিখুন :

শারীরিক সুস্থতা পেতে গড়ুন ১০ অভ্যাস

শারীরিক সুস্থতা পেতে গড়ুন ১০ অভ্যাস
মানসিক অস্থিরতা কমাতে ডুব দিন প্রিয় বইয়ের পাতায়, ছবি: সংগৃহীত

কেবলমাত্র অসুস্থ হলেই সুস্থ থাকার মর্ম হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যায়।

শারীরিক অসুস্থতার জন্য ভুগতে হয়, কষ্ট পোহাতে হয় কেবলমাত্র নিজেকেই। কিন্তু অসুস্থতা ভালো হয়ে গেলেই আবারো সব ভুলে পুরনো অভ্যাসে ফেরা হয়। অথচ খুব চমৎকার ও সাধারণ নিত্যদিনের কিছু অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে শারীরিক সুস্থতা পাওয়া কঠিন কিছু নয়।

স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, নিয়ম মেনে চলার পাশাপাশি নিজের মানসিক চাপ ও অশান্তিকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। নতুবা কোন উপকারই পাওয়া যাবে না নিয়ম মেনে। খুবই উপকারী যে দশটি বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন বয়স ও লিঙ্গ ভেদে সকলের, জেনে নিন সে বিষয়গুলো।

১. প্রতিদন নিয়ম করে ঠিক একই সময়ে সকাল, দুপুর ও রাতের খাবার গ্রহণ করুন। সময়ের পরিবর্তনে শরীরে চাপের সৃষ্টি হয়, যা থেকে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল নিঃসরণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এতে করে শরীরে ভারসাম্যের ব্যাঘাত ঘটে।

২. খুব বেশি মানসিক অশান্তি ও অস্থিরতায় আছেন? প্রিয় ও পছন্দের কোন বই পড়ুন। এতে করে মন অন্যদিকে কাজ করবে ও কর্টিসল নিঃসরণের মাত্রা কমে যাবে।

৩. চা পানের জন্য ফুটন্ত পানিতে টিব্যাগ ২-৩ মিনিটের বদলে ৫ মিনিট রাখুন। বিশেষত যদি গ্রিন টি পান করেন তবে অবশ্যই ৫ মিনিট রেখে এরপর সেই চা পান করবেন। এতে করে চায়ের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ভালোভাবে পানিতে মিশ্রিত হবে। গবেষক জানাচ্ছে, এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হার্ট অ্যাটাক, ক্যানসার, টাইপ-২ ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার হার কমাতে কাজ করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194079935.jpg

৪. অফিসে দীর্ঘসময়য়ের জন্য বসে থাকা হয় প্রায় প্রতিদিন। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এখন থেকে চেষ্টা করবেন প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর বসা অবস্থা থেকে দাঁড়িয়ে যেতে ও বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে। দীর্ঘসময় বসে থাকার ফলে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পায় ও ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। এতে করে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায় অনেকটা।

৫. খাদ্যাভ্যাসের মাঝে যদি কোন পরিবর্তন আনতে চান, তবে প্রথমেই মাংস গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে ফেলুন। উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক, আপনি ৪ টুকরো মাংস খান। এখন থেকে চেষ্টা করুন ২ টুকরো খাওয়ার। বাকি দুই টুকরোর স্থানে রাখুন সবজি ও ফল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194093891.jpg

৬. প্রতিদিন একটি আপেল, চিকিৎসককে দূরে রাখতে সাহায্য করবে- বহু পুরনো এই কথাটাই নতুনভাবে আবারো মনে করিয়ে দেওয়া হলো। ফলের মাঝে আপেলের বিকল্প নেই। এই ফলের স্বাদ সবার কাছে ভালো না লাগলেও, এর স্বাস্থ্য উপকারিতা অতুলনীয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194106249.jpg

৭. প্রচণ্ড কাজের চাপ, মানসিক চাপ, চারদিকের সবকিছু খুব বেশি অস্থির করে তুলছে? বই পড়তে, গান শুনতেও ইচ্ছা করছে না? বাম হাত শক্তভাবে মুঠি করে কিছুক্ষণ রেখে দিন। আবার খুলুন, আবার বন্ধ করুন। খুব সহজ এই পদ্ধতিতেই খেলোয়াড়রা নিজেদের শান্ত রাখেন ও মস্তিষ্ককে প্রশান্ত করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194621626.jpg

৮. অফিসে কাজের পাহাড়ে হিমশিম খাচ্ছেন, অস্থিরতায় কর্টিসলের মাত্রা বেড়েই চলেছে। চটজলদি ইউটিউবে ফানি ক্যাট ভিডিও দেখে ফেলুন। পনের-বিশ মিনিট সময় ব্যয় করুন এমন মজার ভিডিও দেখে। এরপর আবারও কাজের সমুদ্রে ঝাঁপ দিন। সাইকোলজি টুডে জানাচ্ছে, গবেষণা থেকে দেখা গেছে যে বিড়ালের মজার ভিডিও মানসিক অস্থিরতা কমাতে কাজ করে ও আবারো কাজ করার উদ্যম ফিরিয়ে আনে।

৯. হুটহাট ছোটখাটো ক্ষুধাভাবকে তাড়াতে বেছে নিন বাদাম। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা সমৃদ্ধ বাদাম খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা ও প্রদাহ কমাতে কাজ করবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194123306.jpg

১০. সানস্ক্রিনকে ভুলে গেলে একেবারেই চলবে না। খুবই প্রয়োজনীয় এই জিনিসটিকে প্রতিদিনের ব্যবহার্য অনুষঙ্গের মাঝে অবশ্যই রাখতে হবে।

আরও পড়ুন: নিজের যত্নে অবহেলা নয়

আরও পড়ুন: যে অভ্যাসগুলো কমাবে বয়স বৃদ্ধির হার

দাঁতে নখ কাটার ৭ স্বাস্থ্য ঝুঁকি

দাঁতে নখ কাটার ৭ স্বাস্থ্য ঝুঁকি
বেশ কয়েক ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিতে পারে এই অভ্যাস থেকে, ছবি: সংগৃহীত

সারাদিনে সব কাজ করা হয় হাত দিয়েই।

অনেক সময় খেয়াল থাকে না কী করা হয়েছে এবং সেই নোংরা হাতের নখ বেখেয়ালে কাটেন অনেকেই। এর ফলে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস সহ ময়লাগুলো শরীরে প্রবেশ করে অবলীলায়।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নখ কাটা হয় স্বভাববশত। আবার কোন সমস্যা যেমন- কিছু ভাবলে, চিন্তা করলে, অন্যমনস্ক হলে, কারো সাথে কথা বলার সময়, বকা শুনলে, কোন কারণে রাগান্বিত হলে ইত্যাদি কারণেও নখ কাটা হতে পারে।   

অনেকেই ভাবেন দাঁতে নখ কাটার অভ্যাস কেনো কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা, এটি জটিল কোন ব্যাপার তো নয়। Onychophagia একটি অনিয়ন্ত্রিত মৌখিক স্বাস্থ্যজনিত রোগ বা দাঁতে নখ কাটার অভ্যাস। অনেকেই এই সমস্যায় ভুক্তভোগী।

কিন্তু জেনে রাখা প্রয়োজন দাঁতে নখ কাটার ফলে দেখা দিতে পারে, কোন ৭ ধরণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি। সেক্ষেত্রে নিজের এই বদঅভ্যাসটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে।

ত্বকের ইনফেকশন

নিউ ইয়র্ক শহরের ত্বক-বিশেষজ্ঞ দেব্রা জলিমান এমডি স্বাস্থ্য সংস্থাকে জানান, দাঁতে নখ কাটার ফলে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এমন একটি জীবাণু হলো, প্যারোনিচিয়া। যার ফলে ত্বক লাল হয়ে ফুলে যেতে পারে এবং নখের ভেতরে ইনফেকশন দেখা দিতে পারে।

আঙ্গুলের বিকলাঙ্গতা

ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিভেনশন রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক ডেভিড কাটজ জানান, প্যারোনিচিয়া বা ব্যাকটেরিয়াজনিত ইনফেকশন যদি অতিমাত্রায় হয়ে যায় তাহলে তা হাতের হাড়ের বন্ধনীগুলোতেও ইনফেকশন ছড়িয়ে দিতে পারে। এটি সেপ্টিক আর্থথ্রিটিস নামক একটি অবস্থার ফলে হতে পারে, যা নিরাময় করা কঠিন এবং অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563189891612.jpg

নখের আকৃতির বিকৃতি

চিকিৎসক জলিমান ব্যাখ্যা করেছেন, দীর্ঘদিন যাবৎ দাঁতে নখ কাটালে নখের নিচে থাকা টিস্যু নষ্ট হয়ে যেতে পারে ও এর ফলে নখের আকৃতির বিকৃতি দেখা দিতে পারে। এছাড়াও নখের শিরার সমস্যা হলে নখ বড় হওয়া বন্ধ হয়ে যায়।

হার্পিস ভাইরাস

ঠাণ্ডা-জ্বরের মাঝে দাঁতে নখ কাটলে মুখ ও ঠোঁটের মাধ্যমে হার্পিস নামক ভাইরাস নখে ইনফেকশন সৃষ্টি করতে পারে। ফলে ঠোঁট ও নখে ঠোসা জাতীয় ইনফেকশন হতে পারে।

দাঁতের সৌন্দর্য নষ্ট

একাডেমি অব জেনারেল ডেন্টিস্ট্রি সহ মেরিল্যান্ড-ভিত্তিক দন্তচিকিৎসক গিগি জানান, রোগীদের দাঁতে নখ কাটার ভফলে সবচেয়ে বড় সমস্যা হয় তাদের চিকন ও ভঙ্গুর দাঁতে। দাঁতে নখ কাটার ফলে জীবাণুগুলো দাঁতকে কালো, নষ্ট করে ফেলে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563189876237.jpg

দাঁতের স্থান পরিবর্তন

যারা সাধারণত দাঁতে নখ কাটেন, তারা নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট দাঁতেই নখ কেটে থাকেন। এর ফলে দাঁতে বারংবার চাপ অরথোডন্টিক প্রয়োগের মতো কাজ করে। এতে দাঁতের স্থান সরে যেতে পারে।

মাড়ির সমস্যা

চিকিৎসক মাইনকে সতর্ক করেছেন, মাঝে মাঝে দাঁতে নখ কাটার ফলে নখের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র টুকরোগুলো মাড়িতে গিয়ে আটকিয়ে যায়। এতে সৃষ্টি হয় মাড়ি ফোলা, রক্ত বের হওয়া, ব্যথা করা সহ নানান ইনফেকশন।

কিভাবে নখ কামড়ানোর অভ্যাস পরিত্যাগ করা যাবে?

১. নখ কেটে ছোট করে রাখতে হবে। নখ কাটটে হবে নখের মাংসের একটু নিচে, যাতে দাঁতের স্পর্শে না আসে। 

২. নারীরা নখে দামি নেইলপলিশ ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে তা নষ্ট করতে না চাইলে নখ কামড়ানো থেকে বিরত থাকতে পারবেন।

৩. হাতে স্ট্রেস বল বা রাবার জাতীয় কিছু নিয়ে রাখতে পারেন।

সাথে নিজেও খুঁজে নিতে পারেন এমন কোন পদ্ধতি, যেটি আপনাকে দাঁতে নখ কাটা থেকে দূরে রাখবে।

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

আরও পড়ুন: সুস্থতার জন্যে বিশ্রাম ও ঘুম কতটা জরুরি?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র