Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আজই শপথ নিচ্ছেন বিএনপির নির্বাচিতরা

আজই শপথ নিচ্ছেন বিএনপির নির্বাচিতরা
বিএনপির পতাকা, ছবি: সংগৃহীত
শাহজাহান মোল্লা
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সব জল্পনা কল্পনা শেষে একাদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন বিএনপির নির্বাচিতরা। শেষ মুহূর্তে দলীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন। দুপুর ২টার পর দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানা গেছে। তবে যাই হোক, আজই হয়তো শপথ নেবেন দলটির একাধিক সদস্য।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যার মধ্যে শপথগ্রহণ হতে পারে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাঁর কার্যালয়ে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। তবে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ জানাননি।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে তারা শপথ নেবেন। সেক্ষেত্রে আগে থেকে চিঠি না দিয়ে তাৎক্ষনিকভাবে স্পিকারের কাছে অনুরোধ জানিয়ে শপথ নিতে পারেন।

এরইমধ্যে শপথ নেওয়ার জন্য ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী তিন প্রার্থী ঢাকায় এসেছেন। তারা নিজ আসনগুলোতে উপনির্বাচনের সুযোগ দিতে চান না। যেহেতু দলের চাপ রয়েছে শপথ না নেওয়ার জন্য, তাই আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি নাও দিতে পারেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, "দলের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। দল বললেই চলে আসব। আমরা প্রস্তুত আছি।’’

একাদশ সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আটজন বিজয়ী হোন। তাদের মধ্যে গণফোরামের দু'জন। বাকি ছয়জন বিএনপির। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে শুরু থেকেই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে আসছে দলটি। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শপথ না নিতে অনড় তারা।

তবে যেহেতু সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় ৩০ এপ্রিল শেষ হয়ে যাচ্ছে তাদের শপথের সময়সীমা, তাই সুযোগ হাত ছাড়া করতে নারাজ বিএনপির বিজয়ী প্রার্থীরা। সংবিধান অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনের পর প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিন থেকে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে কেউ যদি শপথ গ্রহণ না করেন তাহলে তার ওই আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। বিধান অনুযায়ী আজই শেষ হচ্ছে সেই সময়সীমা। পরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ওই আসনে উপনির্বাচনের আয়োজন করে থাকে। তবে স্পিকারের কাছে যৌক্তিক কারণ দেখিয়ে সময় চাইলে বাড়তে পারে সময়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/29/1556524721366.jpg
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের মো. আমিনুল ইসলাম ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের মো. হারুনুর রশীদ, ছবি: সংগৃহীত

 

একাদশ সংসদে বিএনপির নির্বাচিতরা হলেন- বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বগুড়া-৪ আসনে মোশাররফ হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে মো. আমিনুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে মো. হারুন অর রশীদ, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে জাহিদুর রহমান ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া।

তাদের মধ্যে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে জাহিদুর রহমান দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে গত ২৫ এপ্রিল শপথ নিয়েছেন। যদিও পরে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্যরাও বহিষ্কার আতঙ্কে আছেন। তাই তারা চাইছেন মহাসচিবসহ একত্রে শপথ নেওয়া যায় কি-না?

এ বিষয় জানতে চাইলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের মো. হারুনুর রশীদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, "আমরাও খুব চাপের মধ্যে আছি, দলও চাপে আছে। সবাই চাপের মধ্যে। চাপ কোনোটা বেশি, কোনোটা কম। আমরা তো অপেক্ষায় আছি। আমরা তো আমাদের অভিমত দলকে জানিয়েছি। দলতো জানাবে ২টার পরে। আজকে সময় আছে। সংসদ অধিবেশন চলাকালীন যেন কোনো সময় যেতে পারি। সন্ধ্যার পরেও যেতে পারি।"

আরও পড়ুন: সোমবার যে কোনো সময় বিএনপির নির্বাচিত বাকিদের শপথ!

আরও পড়ুন: বিএনপি থেকে বহিষ্কার জাহিদুর রহমান

আপনার মতামত লিখুন :

‘লবিং নয়, যোগ্যতা দিয়েই ছাত্রলীগের নেতা হতে হবে’

‘লবিং নয়, যোগ্যতা দিয়েই ছাত্রলীগের নেতা হতে হবে’
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বাংলাদেশে অধিকার আদায়ের সব আন্দোলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অবদান আছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল। শনিবার (২০ জুলাই) জবি ছাত্রলীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নেতৃত্বে যেই আসুক তাকে মেনে নিয়ে শেখ হাসিনার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানাচ্ছি। যার ছাত্রত্ব আছে জবি ছাত্রলীগের নেতৃত্ব তাকেই দেওয়া হবে।

সম্মেলনের প্রধান বক্তা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, লবিং তদবির করে নেতা হওয়া যাবে না। ছাত্রলীগের নেতা হতে হলে যোগ্যতা দিয়েই নেতা হতে হবে।

সম্মেলনের উদ্বোধক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, প্রার্থীদের সবাই পদ পাবে না। তাই পদ না পেয়ে হারিয়ে যাওয়া যাবে না। একজন ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এক হয়ে কাজ করতে হবে।

সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটনের সভাপত্বিতে ও যুগ্ম আহবায়ক জামাল উদ্দীনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নজিবুল্লাহ হীরু, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু এবং ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ।

উল্লখ্য, সকালে সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের আসতে দেরি হওয়ায় সম্মেলন শুরু হয় বিকেল ৩টায়।

দেশে মেগা প্রকল্পের নামে মেগা লুট চলছে: ফখরুল

দেশে মেগা প্রকল্পের নামে মেগা লুট চলছে: ফখরুল
চট্টগ্রামে বিভাগীয় সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘সরকার উন্নয়নের নামে ঢোল পিটিয়ে মেগা প্রকল্পের নামে মেগা হরিলুট করছে। দেশের ব্যাংকগুলো রুগ্ন হয়ে গেছে। গোটা অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ঋণ নির্ভর হয়ে পড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশ গভীর অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে পড়বে।’

শনিবার (২০জুলাই) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নাসিম ভবনের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাজেট ঘোষণার পরই গ্যাস, জ্বালানিসহ প্রত্যেকটা জিনিসের দাম বাড়ানো হয়েছে। নিজেরা ঢোল বাজিয়ে দেশে উন্নয়নের লহরী ভরিয়ে দিয়েছে। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কথা বাদ দিয়ে তারা লুটপাটকারীদের সুবিধার্থে কালো টাকা সাদা করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে।’

নির্বাচন কমিশনারের হজ প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, ‘সাংবিধানিক ব্যবস্থা এত লজ্জাজনক অবস্থায় গেছে, যেখানে নির্বাচন কমিশনার একটি দলের তত্ত্বাবধায়কের সদস্য হয়ে হজ করতে যাচ্ছেন। উপহার হিসেবে আপনাকে হজ করতে পাঠানো হলো। এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারে না।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, মামলায় ভারাক্রান্ত হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা পালিয়ে গিয়ে রিকশা চালাচ্ছেন, হকারের কাজ করছেন। খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাবন্দী করে রেখেছে। আইনজীবীদের শত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেখ হাসিনার নির্দেশ ছাড়া তাঁর মুক্তি মিলছে না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563634869186.gif

এর আগে বক্তব্যের শুরুতে ফখরুল দেশের বন্যর্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিএনপি নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান।

দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, ‘সরকারের একঘেয়েমির কারণে পৃথিবীর কেউ আমাদের দেখতে পারে না। অবিলেম্বে রোহিঙ্গাদের তাদের ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। নির্বাচিত সরকার এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।

চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আউয়াল মিন্টু, আবদুল্লাহ আল নোমান, সুকুমার রায়, গিয়াস উদ্দিন কাদের, বরকত উল্লাহ বুলু, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম, খন্দকার মোশারফ হোসেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সাবেক চিফ হুইপ জয়নাল আবেদীন ফারুক সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

এদিকে বিভাগীয় সমাবেশ ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে বিরাজ করে উৎসবের আমেজ। দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠানের অনুমতি থাকলেও নেতাকর্মীদের আগমনে সমাবেশ ছড়িয়ে পড়ে কাজীর দেউড়ি, লাভলেইন এলাকায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র