Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

ছবি তুলতে গিয়ে যমুনা নদীতে পড়ে শিশু নিখোঁজ

ছবি তুলতে গিয়ে যমুনা নদীতে পড়ে শিশু নিখোঁজ
নদীতে স্রোত বেশি থাকায় মুহূর্তেই তলিয়ে যায় শিশুটি, পুরনো ছবি
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
টাঙ্গাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলের ভুঞাপুরে ঈ‌দ উপলক্ষে পরিবারের সঙ্গে যমুনা নদী‌তে গি‌য়ে ছ‌বি তোলার সময় বালু উত্তোলনকারী ভল‌গেট থে‌কে প‌ড়ে রা‌বেয়া না‌মের পাঁচ বছ‌রের এক কন্যা শিশু নি‌খোঁজ হয়ে‌ছে। সে ওই উপজেলার পুনর্বাসন গ্রা‌মের এরশাদ আলীর মে‌য়ে। শিশু‌টি‌কে উদ্ধার কর‌তে পু‌লিশ ও ফায়ার সা‌র্ভি‌সের কর্মীরা কাজ কর‌ছেন।

বুধবার (১৪ আগস্ট) বিকা‌লে উপ‌জেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পুনর্বাসন বাজার এলাকার যমুনা নদী‌তে এই ঘটনা ঘ‌টে।

ত‌বে বালু উত্তোলনের জন্য সেখা‌নে রাখা একা‌ধিক ভল‌গেট থাকায় উদ্ধার অভিযান চালানো সম্ভব হ‌চ্ছে না বলে জা‌নি‌য়ে‌ছেন ফায়ার সা‌র্ভি‌সের কর্মীরা।

‌নি‌খোঁজ রাবেয়ার চাচা সাদ্দাম হোসেন বলেন, 'পরিবারের সবাই ল্যাংড়া বাজার এলাকার যমুনা নদীর তীরে ঘুরতে যাই। এ সময় রাবেয়ার বাবা এরশাদ আলী রাবেয়াকে বালুবাহী ভলগেটের উপর দাঁড় করিয়ে ছবি তুলতে গেলে সে নদীতে পড়ে যায়। স্রোত বেশি থাকায় পরিবারের সদস্যরা চেষ্টা করেও তার কোনো খোঁজ পায়নি। প‌রে পুলিশ ও ভূঞাপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ত‌বে রাত ৯টা পেরিয়ে গে‌লেও রা‌বেয়ার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়‌নি।'

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, 'খবর পে‌য়েই টাঙ্গাইল ও ভূঞাপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যেখা‌নে শিশু‌টি নি‌খোঁজ হ‌য়েছে সেখা‌নে বালু উত্তোলনের জন্য একা‌ধিক ভল‌গেট রাখা হ‌য়ে‌ছে। ভল‌গেটগু‌লো না সরালে উদ্ধার অভিযান সম্ভব নয়। ভল‌গে‌টের মা‌লিক‌দের সেগু‌লো স‌রি‌য়ে নি‌তে বলা হ‌য়ে‌ছে।'

আপনার মতামত লিখুন :

আগুনে মাছের আড়তসহ ১০ দোকান পুড়ে ছাই

আগুনে মাছের আড়তসহ ১০ দোকান পুড়ে ছাই
কোম্পানীগঞ্জ বাজারে লাগা আগুন। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

কুমিল্লার মুরাদনগরে অগ্নিকাণ্ডে মাছের আড়তসহ ১০ দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) রাতে উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ৫ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে- আঁখি এন্টারপ্রাইজ, প্লাস্টিক সামগ্রী বিক্রয়ের দোকান, মাছের আড়ত, বস্তা বিক্রয়ের দোকান এবং বাকি ৬টি ভাঙারির দোকান।

মুরাদনগর ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের স্টেশন অফিসার মো. বিল্লাল হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘রাত সোয়া ১২টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আমাদের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। পরে ৫ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে ভোরের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে মাছের আড়তসহ ১০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।’

তবে কীভাবে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। তদন্ত করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

অফিস সময়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিস, দুদকের অভিযান

অফিস সময়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিস, দুদকের অভিযান
হাসপাতালে দুদকের অভিযান, ছবি: সংগৃহীত

কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে জেলা শহর মাইজদীর একটি হাসপাতালে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করছেন একজন ডাক্তার। এ খবর পেয়ে তার চেম্বারে অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুদক নোয়াখালীর বিভাগীয় পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম ও সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদ এ অভিযান পরিচালনা করেন।

দুদক সূত্রে জানা যায়, সোনাইমুড়ি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ফৌজিয়া ফরিদ কর্মস্থলে না গিয়ে অফিসের সময়ে রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে মাইজদীর একটি হাসপাতালে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করছেন এ খবর পেয়ে দুদক ওই ডাক্তারের চেম্বারে অভিযান চালায়। দুদক ওই ডাক্তারের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

এ সময় তার প্রেসক্রিপশনে দেখা যায়, তিনি ব্যবস্থাপত্রে একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ উল্লেখ করেছেন অথচ তার এমবিবিএস ব্যতীত অন্য কোন ডিগ্রি নেই। এছাড়া তিনি প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে রাত ৮টা অবধি রোগী দেখেন বলে ব্যবস্থাপত্রে উল্লেখ করেছেন। 

পরে সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মোমিনুর রহমান এসে ওই ডাক্তারের ডিউটি রোস্টার ও ডিজিটাল উপস্থিতি পরীক্ষা করার জন্য সোনাইমুড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে হাজিরাসহ অন্যান্য ডাক্তারদের উপস্থিতিতে অসংগতি দেখতে পায়। এসময় হাসপাতালে গোডাউন রেজিস্টারের সঙ্গে ওষুধ সরবরাহে অব্যবস্থাপনা পাওয়া যায়। যাচাইকালে অন্যান্য ডাক্তারদের ডিজিটাল উপস্থিতিতেও অসংগতি পাওয়া যায়।

দুদক নোয়াখালীর বিভাগীয় পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, দুদকের হট লাইনে অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান করা হয়। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তের পর প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে ডাঃ ফৌজিয়া ফরিদ ও সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মোমিনুর রহমান কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র