Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কাটার মাস্টারের বৌভাত: চলছে সাজসজ্জা

কাটার মাস্টারের বৌভাত: চলছে সাজসজ্জা
কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমানের বৌভাত উপলক্ষ্যে সাজানো বাড়ি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
সাতক্ষীরা


  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় দলের ক্রিকেটার কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমানের বৌভাত অনুষ্ঠান ১৩ জুলাই। নববধূর আগমন উপলক্ষ্যে তার বাড়ির সামনে সাজানো হয়েছে সুউচ্চ গেট। আলো ঝলমল গেট শোভা পাচ্ছে অপরূপ সৌন্দর্যে। শুক্লাপক্ষের একাদশি তিথিতে নববধূকে বরণ করতে প্রস্তুত মোস্তাফিজের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরা। বাড়িতে চলছে সাজ-সাজ রব। উৎসবমূখর পরিবেশে চলছে আয়োজন। মোস্তাফিজের বড় ভাই মাহফুজুর রহমান মিঠু জানান, মোস্তাফিজের বৌভাত অনুষ্ঠানে প্রায় আড়াই হাজার অতিথি থাকবেন। দাওয়াতের কাজ শেষ হয়েছে। চলছে সাজ-সজ্জার কাজ। বাড়ি লাগোয়া মেইন রাস্তায় করা হয়েছে আলো ঝলমল দৃষ্টিনন্দন গেট। সেখান থেকে বাড়ির দরজা পর্যন্ত প্রায় ১০০ মিটার পথের দু’ধারেও সাজানো হয়েছে বিদ্যুতের আলোয়। গোটাবাড়ি সাজানো হয়েছে অনন্যরূপে। বর-কনের আসনও সাজানো হচ্ছে ফুল ও রঙিন আলোর সংমিশ্রণে।

মোস্তাফিজের পরিবার আগেই জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপ শেষে অনুষ্ঠিত হবে বৌভাত। নববধূ শিমুকে সেদিন জাঁকজমক আয়োজনে তুলে নেওয়া হবে। মোস্তাফিজের বাড়ি সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামে। এ বাড়িতেই বধূ হয়ে আসবেন শিমু।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/12/1562884282170.jpg

১৩ জুলাই শনিবার এ বাড়িতেই মোস্তাফিজের বৌভাত। এরই মধ্যে বাড়িতে সাজসাজ রব পড়ে গেছে। আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্খীদের মধ্যে নতুন প্রাণসঞ্চার হয়েছে। তাদের মুখে মুখে এক কথা মোস্তাফিজের বৌভাত। মোস্তাফিজের বড় ভাই মাহফুজুর রহমান মিঠু আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয় দলের সব খেলোয়াড় নিমন্ত্রিত হয়েছন। সব আত্মীয়-স্বজন শরিক হবেন বৌভাতে। গ্রামীণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বৌভাত।

নববধূ সুমাইয়া পারভিন শিমু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞান বিভাগে অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। তার বাবা মো. রওনাকুল ইসলাম পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে থাকেন গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে।

পাঁচ লাখ এক টাকা দেনমোহরে ২২ মার্চ বিয়ে হয়েছিল তাদের। মোস্তাফিজের স্বপ্নেররাণী তার মামাতো বোন শিমু ২০১৮ সালে দেবহাটার সখিপুর খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ কলেজ থেকে এ-প্লাস পেয়ে এইচএসসি পাস করেন। এর আগে ২০১৬ সালে নলতা হাইস্কুল থেকে তিনি গোল্ডেন এ-প্লাস পেয়ে পাস করেন এসএসসি।

আপনার মতামত লিখুন :

গাইবান্ধায় বন্যায় এক লাখ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত, ৪ জনের মৃত্যু

গাইবান্ধায় বন্যায় এক লাখ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত, ৪ জনের মৃত্যু
গাইবান্ধায় বন্যা কবলিত এলাকা/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধার বন্যার পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। কমতে শুরু করেছে ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদের পানি। এবারের বন্যায় পাঁচটি উপজেলার প্রায় এক লাখ পরিবারের চার লাখ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এসব মানুষের মাঝে নানান রোগের প্রার্দুভাব ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার (২০ জুলাই) সকাল পর্যন্ত জেলা শহরে প্রবেশদ্বারে চারটি সড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বিশেষ জরুরি কাজে অনেকে পায়ে হেঁটে হাঁটুপানি দিয়ে শহরে প্রবেশ করছেন। রেল লাইনের উপরে পানি থাকায় ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

গত কয়েকদিনে বন্যার পানিতে ডুবে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। ভেসে গেছে শত শত গবাদিপশু।

এদিকে সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি, সাদুল্লাপুর ও সদর উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হলেও, গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ী দুটি উপজেলায় নতুন করে বন্যা দেখা দিয়েছে। এখানকার বন্যা পরস্থিতি অবনতি হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563599690325.jpg

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চলমান বন্যায় জেলার সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি, সাদুল্লাপুর ও সদর উপজেলার একলাখ ৪ হাজার পরিবারের ৪ লাখ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার কাঁচা রাস্তা ৫১৭ কিলোমিটার, পাকা রাস্তা কিলোমিটার, ১৮ টি কালভার্ট এবং সাড়ে ৫৭ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১৬৬টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৭১ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ৭৫ টি মেডিকেল টিম কাজ করছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড গাইবান্ধার কন্ট্রোলরুমের দায়িত্বরত কর্মকর্তা লালন আহমেদ বার্তাটুয়েন্টিফোর.কমকে জানান, শনিবার (২০ জুলাই) সকাল ৯ টা পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার ১২৯ সেন্টিমিটার, ঘাঘট নদীর পানি ৬৯ সেন্টিমিটার এবং তিস্তা নদীর পানি ৫০ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক (রুটিন দায়িত্ব) রোখসানা বেগম বার্তাটুয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত দুর্গতদের নানান সহায়তা দেওয়াসহ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। যা চলমান থাকবে।

জামালপুরে বন্যা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে

জামালপুরে বন্যা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। জেলার সাত উপজেলায় ৬২টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে, বন্ধ হয়ে গেছে সড়ক ও রেল পথ, তলিয়ে গেছে ১৫ হাজার হেক্টর ফসলি জমি। অপরিবর্তিত রয়েছে বন্যার পরিস্থিতি। এ পর্যন্ত ১২ লাখ ৭০ হাজার মানুষ বন্যা কবলিত হয়েছে ও বকশীগঞ্জে পৃথকস্থানে বন্যার পানিতে ডুবে ৩ জন মারা গেছে ।

শনিবার (২০ জুলাই) সকালে যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপদসীমার ১৩৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করার ফলে জেলার ৬২ টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পুকুরের মাছ, মুরগীর খামার, গরুর খাবার ও ফসলের মাঠ। সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর-দুরমুট, মেলান্দহ, তারাকান্দি রেল স্টেশনে লাইনে পানি উঠায় ট্রেন চলাচল সাময়িক বন্ধ হয়ে গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563598827686.jpg
বন্যা পরিস্থিতি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে 

 

পানি বৃদ্ধির কারণে বন্যা কবলিত এলাকায় ১১০৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে। জামালপুরে বন্যা কবলিত ২ লাখ ৩০০ পরিবারের ১২ লাখ ৭০ হাজারের অধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদিকে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার শুকনো খাবারের তীব্র অভাবের পাশাপাশি শিশু খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

বন্যা কবলিত এলাকায় ৩৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে আশ্রয় নিয়েছে হাজার বানভাসি মানুষ। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোট বরাদ্দকৃত ত্রাণের পরিমাণ ৮৫০ মেট্রিকটন চাল চার হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১৪ লাখ ৫০ হাজার নগদ অর্থ বরাদ্দ করেছে ।
এদিকে আশ্রয়কেন্দ্রে মেডিকেল টিমের কোন দেখা মেলেনি। কোন বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ নেই। ফলে বন্যা কবলিত মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র