Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মনিরুল হত্যা মামলায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মনিরুল হত্যা মামলায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আলোচিত যুবলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী মনিরুল হত্যা মামলায় নয় জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত আলী এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় ১২ আসামি উপস্থিত ছিলেন। বাকি তিন আসামি পলাতক।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের বালিয়াদিঘী গ্রামের মৃত আলী ঘোষের ছেলে মো. আখিরুল ইসলাম, একই এলাকার মৃত মামলত হোসেনের ছেলে মো. সিরাজুল ইসলাম মুন্সি, শিবগঞ্জ পৌর এলাকার চতুরপুর মহল্লার সেন্টু কাপড়িয়ার ছেলে তহুরুল ইসলাম টুটুল, নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের রশিকনগর গ্রামের আবদুল জাব্বারের ছেলে মো. আবদুল মালেক, রশিকনগর গ্রামের মৃত হোসেন মন্ডলের ছেলে সিরাজুল ইসলাম ওরফে সেন্টু, মনাকষা ইউনিয়নের সাহাপাড়া গ্রামের হাজী মনজুর হোসেনের ছেলে মো. সিরাজুল ইসলাম, একই ইউনিয়নের পারচৌকা রানিনগর গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে মো. মাসুদ রানা (পলাতক), কানসাট ইউনিয়নের চরভবানিপুর গ্রামের মো. কশিম উদ্দিনের ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম, ছত্রাজিতপুর ইউনিয়নের কাঠালিপাড়া গ্রামের মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে আবদুস সালাম (পলাতক)।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রাজশাহী জেলার বেলেপুকুর গ্রামের মো. ইসমাইল হোসেন বাবুর স্ত্রী মোসা. পারুল বেগম (পলাতক) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহারাজপুর গ্রামের মৃত মোকবুল হোসেনের ছেলে মো. মাসুদ ওরফে লাল চান।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ২৪ অক্টোবর সোনামসজিদ স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ ও স্থানীয় যুবলীগ নেতা মনিরুল ইসলামকে দাওয়াতের নাম বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান আসামিরা। পরস্পর যোগসাজশ করে শিবগঞ্জ স্টেডিয়ামের কাছে তাকে গুলি করে হত্যা করে। পরে ওইদিন রাতেই পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় তখনকার সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের নেতা আখিরুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম মুন্সি, তহুরুল ইসলাম টুটুলসহ ১৫ জনকে আসামি করে নিহতের স্ত্রী রহিমা বেগম বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে গত ২০১৫ সালের ১৫ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তৎকালীন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মতিউর রহমান সিদ্দিকী। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিচারক এ রায়ে দণ্ডিত করেন। অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় মামলার চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

বেকসুর খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- ওবাইদুর রহমান সেলিম রেজা, সেনাউল ইসলাম, খাইরুল ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন :

নীলফামারীতে পৃথক ঘটনায় নিহত ২

নীলফামারীতে পৃথক ঘটনায় নিহত ২
নীলফামারী জেলা ম্যাপ, ছবি: সংগৃহীত

নীলফামারীতে পৃথক দুটি ঘটনায় এক কৃষক ও স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিকেলে সদর উপজেলার চওড়া বড়গাছা ইউনিয়নের নতিবাড়ি এলাকায় বজ্রপাতে সফি উদ্দিন (৪৬) নামের কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সফি উদ্দিন ওই গ্রামের বছির উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, সফি উদ্দিন বাড়ির পাশে আমন ধানের চারা রোপণ করছিলেন। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এর আগে নীলফামারী-চিলাহাটি রেলপথে তরনীবাড়ি রেলস্টেশনের সন্নিকটে ট্রেনে কাটা পড়ে সবুজ রায় (১৬) নামের এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত সবুজ চওড়া বড়গাছা ইউনিয়নের তৃপ্তিপাড়া এলাকার রমানাথ রায়ের ছেলে। সে রংপুর সরকারি কলেজ থেকে এ বছরে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সৈয়দপুর জিআরপি পুলিশের উপ-সহকারী পরিদর্শক মাসুদ রানা জানান, নীলফামারী থেকে চিলাহাটিগামী তিতুমীর এক্সপ্রেসে কাটা পড়ে সবুজ রায়ের মৃত্যু হয়েছে।

শায়েস্তাগঞ্জে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৩৫

শায়েস্তাগঞ্জে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৩৫
ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছেন। গুরুত্বর আহত অবস্থায় অন্তত ১৫ জনকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিকেলে উপজেলার রাজিউড়া ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের জহুর উদ্দিনের ছেলে বাবর আলীর সঙ্গে জমি-জমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল একই গ্রামের মরম আলীর ছেলে কুদ্দুছ মিয়ার। এ বিরোধের জের ধরে মঙ্গলবার বিকেলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে নারীসহ অন্তত ৩৫ জন আহত হন। খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।

গুরুত্বর আহতরা হলেন- কুদ্দুছ আলী (৪২), বাবর আলী (৪৪), তোফাজ্জল হোসেন (২৪), আলী হোসেন (২০), ছাবর আলী (৩৬), আব্দুল খালেক (৩৫), জায়েদা খাতুন (৩০), জলিল মিয়া (৩২), হারুন মিয়া (২৮), রোজিনা আক্তার (২২), ইয়ার চান বিবি (৬৫), করিম মিয়া (৫০), শাহ আলম (২৫), ছালেক মিয়া (৪০) ও সালাম মিয়া (৩৫)। তাদের হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুজ্জামান বলেন, 'খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ আনে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র