Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

নাটোরে সাক্ষ্য দিতে আসার পথে আসামিকে কুপিয়ে হত্যা

নাটোরে সাক্ষ্য দিতে আসার পথে আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরে মারা যান তিনি, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নাটোর


  • Font increase
  • Font Decrease

নাটোরের গুরুদাসপুরে জালাল হোসেন মন্ডল (৬০) নামের হত্যা মামলার এক আসামিকে আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে হাত-পা কেটে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। জালাল স্থানীয় মোমিন মন্ডল হত্যা মামলার ১ নং আসামি। সে উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের সাবগাড়ী গ্রামের আমজাদ হোসেন ওরফে আনন্দ মন্ডলের ছলে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের সাবগাড়ী এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।

হত্যার পর পুলিশ ওই কাটা হাত ও হত্যাকারীদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত জালাল ৮ বছর যাবৎ স্বপরিবারে ঢাকায় বাস করেন। অবসরপ্রাপ্ত সচিব আব্দুল জব্বারের বাসায় কেয়ারটেকার হিসেবে থাকেন। বুধবার তিনি হত্যা মামলার হাজিরা দেয়ার জন্য বাড়ি আসেন। সকালে যোগেন্দ্র নগর গ্রামের বাড়ি থেকে তিনি নাটোর কোর্টে যাওয়ার সময় সাবগাড়ী বাঁধ এলাকায় পৌঁছালে একই গ্রামের মোমিন মন্ডলের ছেলে আশরাফুল ইসলাম, আক্কাছ মন্ডলের ছেলে শরিফুল ইসলাম ও সাইদুর রহমান, সাইদুরের সহযোগী খামার নাচকৈড়ের আব্দুর রব্বেল প্রামাণিকের ছেলে শামসুল হক ও তার আরও তিন-চারজন সহযোগী পথ রোধ করে প্রকাশ্যে রাস্তায় ফেলে বুকের ওপর বসে তার বাম হাত কেটে নেয়। ডান হাত কাটার পর একটু লেগে থাকায় তা নিয়ে যেতে পারেনি।

এ সময় বাম পায়ের রগ কেটে ফেলে রেখে চলে যায় তারা। জালালের চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গুরুদাসপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

জালালকে গুরুদাসপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে প্রাথমিক চিকিৎসার সময় চিৎকার করে ওই সকল হত্যাকারীদের নাম বলেন।

স্থানীয় বিয়াঘাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক জানান, সাইদুরসহ যারা ওই ঘটনা ঘটিয়েছে তারা প্রকৃতই সন্ত্রাসী। তারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত।

এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাহারুল ইসলাম জানান, হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও কেটে নেওয়া হাত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন :

গোপালগঞ্জে সাধারণ ওয়ার্ডে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি

গোপালগঞ্জে সাধারণ ওয়ার্ডে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি
গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীরা। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। ফলে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বেড দিতে না পারায় ডেঙ্গু রোগীদেরকে হাসপাতালের ফ্লোর ও সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এতে সাধারণ রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে এ চিত্র দেখা গেছে।

গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. অসিত মল্লিক জানান, হাসপাতালে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত ১৫০ জন রোগী ভর্তি রয়েছে। এর মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২৮ জন। হাসপাতালে পৃথক দুইটি ডেঙ্গু সেলে ১৬টি বেড রয়েছে। বাকিদের সাধারণ ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. তরুণ মণ্ডল জানান, গোপালগঞ্জে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ১১ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট ডেঙ্গু রোগী ২২২ জন। তারা বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। ডেঙ্গু রোগীর যথাযথ চিকিৎসা দিতে জেলার সব চিকিৎসকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের আগেই ছাড়ছে লঞ্চ

নির্ধারিত সময়ের আগেই ছাড়ছে লঞ্চ
লঞ্চে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঈদের ছুটি শেষ হওয়ায় পটুয়াখালী থেকে ঢাকাগামী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। বিশেষ করে গতকাল শুক্রবার (১৬ আগস্ট) এবং শনিবার (১৭ আগস্ট) লঞ্চগুলোতে যাত্রীদের সব থেকে বেশি চাপ ছিল। যাত্রীদের বেশি চাপ থাকায় নির্ধারিত সময়ের আগেই লঞ্চগুলো ছেড়ে যেতে দেখা যায়। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পটুয়াখালী নদীবন্দরে শনিবার বেলা বারোটা থেকে লঞ্চগুলো ছেড়ে যেতে শুরু করেছে। লঞ্চঘাট থেকে এম ভি প্রিন্স অব রাসেল, এম ভি কাজল ৭, এমভি জামাল ৫,  এমভি কুয়াকাটা ১, এমভি সুন্দরবন ৮সহ মোট সাতটি লঞ্চ ছেড়ে যায়। বাড়তি যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে বিআইডব্লিউটিএ-এর পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি অতিরিক্ত লঞ্চ এর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদিকে লঞ্চগুলোর ডেক, কেবিনের করিডোর, লঞ্চের ছাদ থেকে শুরু করে সর্বোত্র যাত্রীদের উপস্থিতি দেখা গেছে।

বছরের অন্য সময় গুলোতে বিকেল পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত লঞ্চগুলো ছেড়ে গেলেও ঈদের ছুটির পর থেকে বেলা বারোটার পর লঞ্চগুলো পটুয়াখালী নদী বন্দর ত্যাগ করেছে।

আগামী দুই থেকে তিনদিন এমন পরিস্থিতি চলবে বলেও জানান পটুয়াখালী নদী বন্দর কর্মকর্তা খাজা সাদিকুর রহমান।

ছুটি শেষে ঢাকায় যাওয়া মানুষদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে লঞ্চঘাটে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে।

যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে লঞ্চঘাটে পটুয়াখালী পৌরসভার পক্ষ থেকে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র