Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মানবিক সমাজ বিনির্মাণে রাবিতে বিএলএ’র যাত্রা

মানবিক সমাজ বিনির্মাণে রাবিতে বিএলএ’র যাত্রা
বিএলএ’র সভাপতি নাইম জাহিন ও সাধারণ সম্পাদক মেশকাত চৌধুরী / ছবি: বার্তা২৪
রাবি করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মানবিক সমাজ বিনির্মাল এবং শিক্ষা ও সচেতনতামূলক কাজ করার লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বাংলাদেশ লিবারেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএলএ) নামের একটি নতুন সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নাইম জাহিনকে সভাপতি এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মেশকাত চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক করে সংগঠনটির নয় সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম ও সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর কবির স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন- সহ-সভাপতি মাসুদ রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর খালিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আকিব আবদুল্লাহ, অর্থ-সম্পাদক আতিকা মাইমুনা, দফতর সম্পাদক শাহরিয়ার আহমেদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, গবেষণা ও উন্নয়ন সম্পাদক রাশেদ রানা।

সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, নেতৃত্বের বিকাশ ও তারুণ্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণে ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে যাত্রা শুরু করে বিএলএ। এর পরিষদগুলোতে যুক্ত রয়েছে ১৮ থেকে ৩৫ বছরের স্নাতকোত্তর সম্পন্ন ও স্নাতক অধ্যয়নরত তরুণরা। ১৬ টি পরিষদের বাইরেও বিএলএ’র একটি যুব ছায়া সংসদ থাকছে, যেটি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের আদলে ৩৫০ জন তরুণ প্রতিনিধি নিয়ে ৫ বছরের জন্য গঠিত হবে এবং তারা তাদের নিজ নিজ আসনের প্রতিনিধিত্ব করবেন। সংসদের সদস্যরা মনোনীত হবেন লিবারেল অ্যাসোসিয়েশনের ১৬টি পেশাভিত্তিক পরিষদ থেকে।

আপনার মতামত লিখুন :

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সারাদেশে একেরপর এক ঘটতে থাকা খুন, ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনকারীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রমৈত্রী।

সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের পাদদেশে এক মানববন্ধনে এ দাবি জানান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

এ সময় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার পর আমরা রাজাকারদের বিচার করতে পেরেছি। কিন্তু দেশে চলমান খুনি, ধর্ষণকারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের কেন বিচার করতে পারছি না?

এ সময় তারা খুন, ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের কার্যকরী ভূমিকা পালন করার দাবি জানান।

ছাত্র মৈত্রী কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মোরশেদ হাবিবের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- সহসভাপতি আরিফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শামিমুল ইসলাম সুমন, শেখ রাসেল হলের সভাপতি আশিকুর রহমান প্রমুখ।

ছাত্র মৈত্রী ইবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফের সঞ্চালনায় মানবন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন- দফতর সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ পাপ্পু, প্রচার সম্পাদক মোরশেদুল ইসলাম, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রিড়া সম্পাদক আশিকুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আখতার হোসাইন আজাদসহ বিভিন্ন পর্যয়ের নেতাতর্মীরা।

আনন্দ-উৎসবে পালিত হলো নোবিপ্রবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

আনন্দ-উৎসবে পালিত হলো নোবিপ্রবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

নানা আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হলো নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (১৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষাক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

নোবিপ্রবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ক্যাম্পাসকে সাজানো হয় মনোরমভাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে আলোকসজ্জা করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ ভবনসমূহে ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙানো হয়।

দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল- জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, উদ্বোধনী ঘোষণা, আনন্দ শোভাযাত্রা, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কেক কাটা, তথ্যচিত্র উপস্থাপনা, সম্মাননা স্মারক প্রদান, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

NSTU

সকালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে সমবেত জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার উল আলম, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন, পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক উদ্দিন ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো.মমিনুল হক প্রমুখ।

পরে হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার উল আলমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী। সভা সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. মমিনুল হক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র