Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

এমপিদের শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

এমপিদের শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট
ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সংবিধান অনুসারে দশম জাতীয় সংসদ না ভেঙে দিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নেওয়া শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এ রিট দায়ের করেন।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি সংবিধান অনুসারে দশম জাতীয় সংসদ না ভেঙে দিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নেওয়া শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশের জবাব না দেয়ায় এই রিট দায়ের করা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং মো. তাহেরুল ইসলাম তাওহীদের পক্ষে নোটিশটি প্রেরণ করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

নোটিশে বলা হয়, সংবিধানের ১২৩(৩) অনুচ্ছেদে সংসদ ভেঙে দিয়ে পুনরায় সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু সে অনুচ্ছেদ প্রতিপালন না করে পুনরায় সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ায় বর্তমানে দুইটি সংসদ বহাল রয়েছে, যা সংবিধান পরিপন্থী।

এর আগে গত ৭ জানুয়ারি সোমবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শপথ নেন নতুন মন্ত্রিসভার ৪৭ সদস্য।

আপনার মতামত লিখুন :

ঘুষ লেনদেনের মামলায় গ্রেফতার ডিআইজি মিজান

ঘুষ লেনদেনের মামলায় গ্রেফতার ডিআইজি মিজান
ডিআইজি মিজান, ছবি: সংগৃহীত

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলা থেকে বাঁচতে চল্লিশ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের মামলায় সাময়িক বরখাস্ত পুলিশের ডিআইজি মিজানকে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার গ্রেফতার আবেদনের উপর শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক কেএম ইমরুল কায়েস এ আদেশ দেন।

গত ১৬ জুলাই মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা ডিআইজি মিজানকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেছিলেন। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অন্য একটি মামলায় গত ২ জুলাই থেকে তিনি কারাগারে আটক আছেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, মিজানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে বাঁচতে তিনি অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মামলার অপর আসামি দুদক পরিচালক (সাময়িক বরখাস্ত) এনামুল বাছিরকে ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।

আসামি সরকারি কর্মকর্তা হয়ে নিজের বিরুদ্ধে আনা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ হতে অব্যাহতি পেতে অপর আসামি এনামুল বাছিরকে অবৈধভাবে প্রভাবিত করতে অবৈধ পন্থায় অর্জিত অপরাধলব্ধ আয় থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ প্রদান করে পরস্পর অপরাধ করেছেন।

ডিআইজি মিজানের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এহসানুল হক সমাজি। রাষ্ট্রপক্ষে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল, তাপস কুমার পাল শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন।

নারী নির্যাতনের অভিযোগে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার হওয়ার পর ডিআইজি মিজানের অবৈধ সম্পদ তদন্ত শুরু করেন দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাসির। কিন্তু তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন জমা দেন বাসির।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ডিআইজি মিজান অভিযোগ করেন, মামলা থেকে বাঁচাতে বাসির তার কাছে থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। এ বিষয়ে প্রমাণ স্বরুপ বাসিরের সাথে তার কথোপকথন ফাঁস করে দেন। তবে এনামুল বাসির তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন।

গত ২৪ জুন তিন কোটি ২৮ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মিজান, তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনা রত্না, ভাগ্নে এসআই মাহমুদুল হাসান ও ছোট ভাই মাহবুবুর রহমানকে আসামি করে মামলা করে দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে সাময়িক বহিষ্কার করে।

গত ১ জুলাই আত্মগোপনে থাকা এ পুলিশ কর্মকর্তা হাইকোর্টে আত্মসমর্পণ করে আগাম জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নাকচ করে তাকে পুলিশে সোপর্দ করেন। ২ জুলাই তাকে আদালতে হাজির করা হলে তার জামিনের আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠায় আদালত।

যুদ্ধাপরাধ মামলা: গাইবান্ধার ৫ জনের রায় যেকোনো দিন

যুদ্ধাপরাধ মামলা: গাইবান্ধার ৫ জনের রায় যেকোনো দিন
ছবি: সংগৃহীত

মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গাইবান্ধার পাঁচ আসামির রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করা হবে।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রোববার (২১ জুলাই) চেয়ারম্যান বিচারপতি মো.শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন পক্ষে ছিলেন মোখলেসুর রহমান বাদল। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবুল হাসান।

মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলার ছয় আসামির মধ্যে মো. রঞ্জু মিয়া কারাগারে আছেন। পলাতক বাকি ৫ আসামিরা হলেন- রাজাকার কমান্ডার আবদুল জব্বার (৮৬), মো. জাফিজার রহমান খোকা (৬৪), মো. আবদুল ওয়াহেদ মণ্ডল (৬২), মো. মমতাজ আলী বেপারি মমতাজ (৬৮)। অপরদিকে, আসামি আজগর হোসেন খান (৬৬) মারা গেছেন।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে হত্যা-গণহত্যা, ধর্ষণ, আটক, অপহরণ, নির্যাতন, বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ, ভয়-ভীতি ও আতঙ্ক ছড়িয়ে হিন্দু সম্প্রদায়কে ধর্মান্তর ও দেশান্তরে বাধ্য করাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে ওই পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে।

তারা গাইবান্ধা সদরের নান্দিদা ও ফুলবাড়ি গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা এবং সবাই জামায়াতের সক্রিয় কর্মী। আসামিদের মধ্যে মো. আবদুল জব্বার, মো. জাফিজার রহমান খোকা ও মো. আবদুল ওয়াহেদ মণ্ডল ১৯৭১ সালের আগে থেকেই জামায়াতের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ১৯৭২ সালে জব্বার ও খোকা মানবতাবিরোধী অপরাধে গ্রেফতার হলেও তাদের কোনো বিচার হয়নি।

রাজধানীর কাফরুল থানার উত্তর ইব্রাহিমপুরের বাসিন্দা খোকা। তিনি ১৯৭৫ সালে পুলিশের চাকরিতে যোগ দিয়ে ২০১৪ সালে অবসর নেন। মো. মমতাজ আলী বেপারি মমতাজ ১৯৭৪ সালে কৃষি বিভাগে চাকরিতে যোগ দিয়ে ২০১২ সালে অবসর নেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র