Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

স্বর্ণের মেলা, রাজস্ব আসবে ৪০০ কোটি টাকা

স্বর্ণের মেলা, রাজস্ব আসবে ৪০০ কোটি টাকা
স্বর্ণ, ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে স্বর্ণের মেলা। আগামী ২৩, ২৪, এবং ২৫ জুন ৩ দিনব্যাপী মেলা ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি জেলায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে ৪০০ কোটি টাকা রাজস্ব পাবে বলে আশা করছে এনবিআর।

অবৈধ স্বর্ণকে কর দিয়ে বৈধ করার লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করছে।

রোববার (৯ জুন) জুয়েলারি সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলিপ কুমার আজগর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমাদের সমিতির মোট ১৮ প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা ভ্যাট দেয়। এই সদস্যদের মধ্যে যাদের অবৈধ স্বর্ণ রয়েছে তারা মেলায় সরকারকে নির্দিষ্ট হারে কর দিয়ে কালো সোনাকে সাদা করতে পারবে।’

তিনি বলেন, ‘মেলায় অন্তত ৪০০ কোটি টাকার রাজস্ব পাবে সরকার। ব্যবসায়ীরা ভরি প্রতি এক হাজার টাকা কর দিয়ে অবৈধ স্বর্ণ এবং স্বর্ণালঙ্কারকে বৈধ করতে পারবে। স্বর্ণের পাশাপাশি কাট ও পোলিশড ডায়মন্ড প্রতি ভরি ৬ হাজার টাকা করে কর দিয়ে অবৈধ স্বর্ণ বৈধ করার সুযোগ দিয়েছে এনবিআর।

এনবিআরের সদস্য (কর) কানুন কুমার বায় বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘দেশের সকল ব্যবসায়ীদের বৈধভাবে স্বর্ণ ব্যবসা করায় উৎসাহিত করতে এই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে যদি কোনো ব্যবসায়ী এই সুযোগ গ্রহণ না করে তবে তার জন্য আইন গত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

উল্লেখ্য, ২৮ মে মঙ্গলবার এনবিআর একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে, যাতে বলা হয়, কোনো স্বর্ণ ব্যবসায়ী বা স্বর্ণালঙ্কার প্রস্তুতকারী কর্তৃক অঘোষিত অমজুদকৃত এবং উক্ত নীতিমালার আওতায় ঘোষিত স্বর্ণ স্বর্ণালঙ্কার, কাট ও পোলিশড ডায়মন্ড এবং রৌপ্যের ওপর প্রদেয় আয়কর কমিয়ে প্রতি ভরি স্বর্ণ ও স্বর্ণালঙ্কারের জন্য ১ হাজার টাকা, প্রতি ক্যারেট কাট ও পোলিশড ডায়মন্ডের জন্য ৬ হাজার টাকা এবং প্রতি ভরি রৌপ্যের জন্য ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ডিলার স্বর্ণব্যবসায়ী বা স্বর্ণালঙ্কার প্রস্তুতকারীকে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে অঘোষিত এবং মওজুদকৃত স্বর্ণ ও স্বর্ণালঙ্কার, কাট ও পোলিশড ডায়মন্ড এবং রৌপ্য সম্পর্কে ঘোষণা দিয়ে কর পরিশোধ করতে হবে। এই প্রজ্ঞাপনের মেয়াদ আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বলবত থাকবে।

প্রজ্ঞাপনের আওতায় ঘোষিত স্বর্ণ ও স্বর্ণালঙ্কার, কাট ও পোলিশড ডায়মন্ড এবং রৌপ্যের বিস্তারিত তথ্য ও কর পরিশোধের চালান সংশ্লিষ্ট ডিলার, স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা স্বর্ণালঙ্কার প্রস্তুতকারীর আয়কর রিটার্নের সঙ্গে জমা দিতে হবে।

এই প্রজ্ঞাপনের আওতায় ঘোষিত স্বর্ণ ও স্বর্ণালঙ্কার, কাট ও পোলিশড ডায়মন্ড এবং রৌপ্যের পরিমাণ সংশ্লিষ্ট ডিলার, স্বর্ণ ব্যবসায়ী বা স্বর্ণালঙ্কার প্রস্তুতকারীর ব্যবসার হিসাব বইতে পৃথকভাবে মজুদ (Inventory) লিপিবদ্ধ করতে হবে। উক্ত মজুদ (Inventory) হতে বিক্রয়ের পরিমাণ (ভরি/ক্যারেট) ও মূল্য সংক্রান্ত তথ্য আয়কর রিটার্নের সঙ্গে জমা দিতে হবে। আর এগুলো জমা দিলে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স দিবে। তাতে তারা বৈধ উপায়ে বিদেশ থেকে স্বর্ণআমদানি করতে পারবে।

প্রজ্ঞাপনের আওতায় ঘোষিত এবং কর পরিশোধিত স্বর্ণ ও স্বর্ণালঙ্কার, কাট ও পোলিশড ডায়মন্ড এবং রৌপ্যের অর্জনমূল্য এবং অর্জনকালের ওপর আয়কর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোনোরূপ প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

আপনার মতামত লিখুন :

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলো।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তরা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে (আইডিআরএ) অঙ্গীকার করেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারির সভাপতিত্বে বৈঠকে আইডিআরএ’র সদস্য, পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্সে অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনসহ কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি এবং মুখ্য নির্বাহীরা ১৫ শতাংশের অধিক কমিশন বন্ধে দৃঢ় প্রত্যয় এবং কর্তপক্ষের সার্কুলারের সাথে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

সভায় শেখ কবির হোসেন আইডিআরএ’র নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও নির্বাহীদের আন্তরিকতা প্রদর্শনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে কোনো নন-লাইফ বিমাকারী ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন প্রদান করে ব্যবসা করবে না।’

সভায় আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকলের এ কার‌্যকর এবং সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে বিমা শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠুবাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।’

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড
জব্দকৃত মশার কয়েল, ছবি: সংগৃহীত

সনদ ছাড়াই অবৈধভাবে নিন্মমানের কয়েল বিক্রি করার অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েলের দুই কর্মকর্তাকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ মামলা ও কারাদণ্ড দেয়। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআইয়ের আইন, ২০১৮ অমান্য করে ড্রাগন ব্রান্ডের মশার কয়েল বাজারজাত করায় মিরপুরের মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের মালিক মোশারফ আলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েল বিক্রি-বিতরণ করায় ম্যানেজার মো. আতিকুর রহমান (২৮) ও মাছুম আলম (৪৯) কে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে উভয় ব্যান্ডের ১৩০ কার্টুন মশার কয়েল জব্দ করা হয়। এ সময় লাইসেন্সবিহীন মশার কয়েল ক্রয় ও ব্যবহার হতে বিরত থাকার জন্য ক্রেতাসাধারণকে পরামর্শ প্রদান করা হয়। বিএসটিআই’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রাশিদা আক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র