ব্যাটিং রূপকথার রাতে পাঞ্জাবের ইতিহাসগড়া জয়



হোসাইন মাহমুদ আব্দুল্লাহ
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আইপিএল ইতিহাসের সর্বোচ্চ রান তাড়ার কীর্তি গড়ে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে পাঞ্জাব কিংস। কলকাতার দেয়া ২৬২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮ বল এবং ৮ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে গেছে তারা।

আইপিএল ইতিহাসে রান তাড়ার আগের কীর্তিটি ছিল রাজস্থান রয়্যালসের। ২০২০ সালে তখনকার কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে ২২৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করেছিল দলটি। সে রেকর্ড দুমড়েমুচড়ে দিয়ে আজ নতুন ইতিহাস লিখেছে পাঞ্জাব। জনি বেয়ারস্টোর সেঞ্চুরির সঙ্গে শশাঙ্ক সিং এবং প্রভসিমরান সিংয়ের ঝোড়ো দুই ফিফটিতে আইপিএল ফোকলোরের অংশ হয়ে গেছে তারা।

কলকাতার মাঠ ইডেন গার্ডেনসে টসভাগ্য ছিল পাঞ্জাবের পক্ষে। টস জিতে আগে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে পাঠান পাঞ্জাব অধিনায়ক স্যাম কারেন। ঘরের মাঠে দুই ওপেনার ফিল সল্ট এবং সুনীল নারাইনের দুর্দান্ত শুরু পায় কলকাতা। পাঞ্জাবের বোলারদের তুলোধুনো করে ৬২ বলে ১৩৮ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন দুই ওপেনার। ১০ ওভার পেরোতেই সাজঘরের পথ ধরেন তারা। এর আগে ৩৭ বলে ৭৫ রান আসে সল্টের ব্যাটে, নারাইন থামেন ৩২ বলে ৭১ রান করে।

সল্ট-নারাইনের তাণ্ডবের পর ভেঙ্কটেশ আইয়ারের ৩৯, শ্রেয়াস আইয়ারের ২৮ এবং আন্দ্রে রাসেলের ২৪ রানের ছোট তবে দেড়শর উপর স্ট্রাইক রেটে খেলা বিস্ফোরক ইনিংসগুলোতে চড়ে ২০ ওভারে ২৬১ রান পর্যন্ত পৌঁছায় তারা। পাঞ্জাবের পক্ষে সর্বোচ্চ দুই উইকেট পান পেসার আর্শদীপ সিং।

আইপিএলের এবারের আসরে যেভাবে পাইকারি হারে দুইশর উপর রান করছে দলগুলো, তাতে এত বড় সংগ্রহ নিয়েও স্বস্তিতে থাকার উপায় ছিল না কলকাতার। তবু জিততে হলে পাঞ্জাবকে আইপিএলে ইতিহাস গড়তে হবে, তা হয়ত কলকাতার সমর্থকদের আশা জোগাচ্ছিল।

কিন্তু ইংলিশ উইলোবাজ বেয়ারস্টোর ব্যাটে সে আশায় গুঁড়েবালি! ৪৫ বলে সেঞ্চুরি ছোঁয়া এই ব্যাটার ইনিংস শেষ করেছেন ৮ চার ও ৯ ছক্কায় ১০৮ রানে অপরাজিত থেকে। তার আগে অবশ্য ইমপ্যাক্ট সাব প্রভসিমরান ২০ বলে ৫৪ রানের তাণ্ডব চালিয়ে পাঞ্জাবের হৃদয়ে অসম্ভবকে সম্ভব করার বিশ্বাস গেঁথে দিয়েছিলেন। আর সে বিশ্বাসকে শেষবেলায় পূর্ণতা দিয়েছেন ২৮ বলে ২ চার ও ৮টি বিশাল ছক্কায় ৬৮ রানের ইনিংস খেলা শশাঙ্ক।

ইডেন গার্ডেনসে কলকাতা এবং পাঞ্জাবের ব্যাটাররা মিলে করেছেন ৫২৩ রান, গড়েছেন স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি ৪২ ছক্কার রেকর্ড। এমন রাতকে ব্যাটিং রূপকথার রাত না বললে চলেই না।

   

লিটন দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটার, বললেন সুজন



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে, বিশেষ করে ভারত বিশ্বকাপ থেকে যেসব আলোচনা-সমালোচনা হয়ে আসছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ব্যাটিং। বোলিং ও ফিল্ডিং বিভাগ নিয়ে বড় রকমের অভিযোগ না থাকলেও টাইগারদের ব্যাটিং দুর্দশা হয়ে আসছে প্রচুর অভিযোগ।

জিম্বাবুয়ের সঙ্গে চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচের পর অধিনায়ক নাজমুল শান্তও অকপটে স্বীকার করেছেন এ কথা। দলের বোলারদের নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ না পেলেও ব্যাটারদের উন্নতি করতে হবে বলে মেনে নিয়েছেন টাইগার অধিনায়ক। দলের দুর্ভোগ পোহানোর অন্যতম প্রধান কারণ মূলত ব্যাটিং বিভাগ, এমনটা মনে করেন কোচ এবং সমর্থকরাও।

ব্যাটিং নিয়ে প্রশ্ন উঠলেই সবার আগে যার নাম আসে তিনি হলেন লিটন দাস। ওপেনার হিসেবে দলের জন্য রানের যে ভীতটা গড়ে দিয়ে যাওয়ার কথা সেটা একদমই করে দেখা পারছেন না তিনি। টি-টোয়েন্টি ম্যাচ কিংবা ওয়ানডে, কোনো ফরম্যাটেই আশানুরূপ রান আসছে না লিটনের ব্যাট থেকে। এমনকি বিশ্বকাপ দলে তার জায়গা পাওয়া নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন ও আশঙ্কা।

লিটনের এমন বাজে ফর্মের পরও তার পাশে দাঁড়িয়ে এবার মুখ খুললেন বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন। গতকাল সোমবার মিরপুরে গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘লিটন প্রথম ম্যাচে রান করেনি, কালও (রবিবার দ্বিতীয় ম্যাচে) খুব বেশি রান করেছে বলব না। সে বিশ্বকাপ দলে থাকবে কিনা এমন অনেক প্রশ্ন দেখলাম মিডিয়াতে। এগুলো তো হওয়া উচিৎ না। লিটন দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটার। ওর অফ ফর্ম থাকতেই পারে। ক্রিকেটে ফর্ম ভাল-খারাপ দুটিই আছে। হয়ত লিটন এখন একটু অফ ফর্মে আছে। বাংলাদেশকে সার্ভিস দেওয়ার জন্য সে মাত্র এক ইনিংস দূরে।'

লিটনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও হচ্ছে তুমুল সমালোচনা ও ট্রল। এ প্রসঙ্গে সুজন বলেন, ‘দল নিয়ে বেশি নাড়াচাড়া, ঘাটাঘাটি, কথাবার্তা বলা, এগুলার জন্য দেশে খেলা হলে ছেলেরা আরও বেশি চাপে থাকে। নিউজিল্যান্ড একটা ম্যাচ হারলে আমি দেখি না ওদের দেশের মানুষ তেমন প্রতিক্রিয়া দেয়। আমরা যদি হারি বা খারাপ খেলি, তখন বলা হয় লিটন পারছে না, লিটনের নাম ঠনঠন দাস হয়ে যায়। লিটন এখন অনেক অভিজ্ঞ। তাকে তার মতো খেলতে দেওয়া উচিৎ। ওর খেলা ওকেই চিন্তা করতে হবে।‘

বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপন আশা করেন শুধু লিটন না, দলের সকলেই ফর্মে থাকুক ও আসন্ন বিশ্বকাপে ভালো কিছু করে দেখাক, ‘চ্যালেঞ্জ থাকবেই। কিন্তু আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, লিটন তাড়াতাড়ি ফর্মে ফিরে আসুক। সবাই সেরা ফর্মে থাকুক, ভালো খেলুক। টি-টোয়েন্টি খেলতে হলে এখন সাহস নিয়েই খেলতে হবে। রান হলো কি হলো না, ফর্ম আছে কি না, এসব ভেবে লাভ নাই। হাত খুলে না খেললে বড় ইনিংস খেলা মুশকিল।‘

;

সিরিজ নিশ্চিত করতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে ঘরের মাঠে সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ। পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ দাপটের সঙ্গে জিতে নিয়েছে টাইগাররা। আজ চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় সফরকারীদের বিপক্ষে মাঠে নামবে শান্তরা।

সিরিজে ২-০ তে এগিয়ে আছে টাইগাররা। আজ জয় তুলে নিতে পারলে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের নামে করে নিবে স্বাগতিকরা। এজন্যেই আজ জয়ের উদ্দেশ্যে মরিয়া হয়েই মাঠে নামছে বাংলাদেশ। অপরদিকে জিম্বাবুয়ের জন্য এটি সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচ। নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়েই মাঠে খেলবে তারা।

প্রথম দুই ম্যাচেই টস জিতে সফরকারীদের ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিলেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল শান্ত। বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কায় পরে ব্যাটিং করতে চায় বাংলাদেশ, এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা আজও রয়েছে। তাই আজকের ম্যাচেও টস জিতলে শান্ত হাঁটতে পারেন একই পথে।

বোলিং নিয়ে বাংলাদেশের চিন্তার খুব একটা কারণ নেই বললেই চলে। কারণ দুই ম্যাচেই টাইগার বোলাররা নিজেদের দায়িত্ব বেশ ভালোমতোই পালন করেছেন। তবে প্রশ্নের জায়গা আছে স্বাগতিকদের ব্যাটিং বিভাগ নিয়ে। গত ম্যাচ শেষে অধিনায়কও বলেছেন নিজেদের ব্যাটিং ব্যর্থতার কথা। ব্যাটারদের আরও উন্নতির জায়গা আছে বলে মনে করেন তিনি।

তানজিদ তামিম-লিটন দাস-নাজমুল শান্তরা আশানুরূপ সূচনা করে দেখা পারছেন না। যদিও প্রথম ম্যাচে দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন তামিম। দ্বিতীয় ম্যাচে আবারও নিষ্প্রভ ব্যাটিং দেখা গেছে টপ অর্ডারের কাছ থেকে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে যেমন আগ্রাসী শুরু হওয়ার কথা, সেটা না হয়ে দেখা যাচ্ছে বেশি ধীর গতির ব্যাটিং। পাওয়ার-প্লেতে কাঙ্ক্ষিত রান তুলছে পারছেন না বাংলাদেশের টপ অর্ডার। ফলে পরের ব্যাটারদের ওপর চাপ বাড়ছে।

তবে বাংলাদেশের শক্তির উল্লেখযোগ্য জায়গা মিডল অর্ডার। শেষ দুই ম্যাচেই দারুণ দায়িত্ব নিয়ে দলকে ম্যাচ জিতিয়েছেন তাওহিদ হৃদয়। সঙ্গে ছিলেন অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও। আজকের ম্যাচেও তাদের দিকে তাকিয়ে না থেকে বরং ওপেনিং জুটিও রানের ভীত গড়ে দিয়ে যাবেন এমনতাই আশা করেন সমর্থকরা।

একাদশে পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা নেই বাংলাদেশের। আরও একবার প্রথম দুই ম্যাচের একাদশ নিয়েই মাঠে নামবে টাইগাররা। আজ ম্যাচ জিতে সিরিজ নিশ্চিত করলে পরের দুই ম্যাচে হয়ত কিছু পরিবর্তন দেখা যেতে পারে একাদশে।

;

সূর্যকুমারের সেঞ্চুরিতে হায়দরাবাদকে হারাল মুম্বাই



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সাম্প্রতিক ফর্ম ও পয়েন্ট টেবিলের হিসেব বিবেচনায় বেশিরভাগ সমর্থকরা ধরেই নিয়েছিলেন যে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও হায়দরাবাদের মধ্যকার ম্যাচটি জিতবে হায়দরাবাদই। মুম্বাইয়ের টপ অর্ডার ধ্বসের পর তো সেটা আরও নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল দর্শকরা। তবে ওয়াংখেড়ের মাঠে স্বাগতিকরা যে প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে দেখাল তা বেশ অবাক করার মতোই।

সূর্যকুমার যাদবের ব্যাটে চড়ে ১৬ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের বড় জয় তুলে নিয়েছে মুম্বাই। ৫১ বলে সেঞ্চুরি আদায় করে শেষ পর্যন্ত ১০২ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয়ে একাই ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। এই জয়ের মাধ্যমে কাগজে-কলমে এখনও আইপিএলের প্লে-অফে জায়গা করে নেওয়ার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

টসে জিতে এদিন শুরুতে হায়দরাবাদকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় স্বাগতিকরা। মুম্বাইয়ের বোলারদের নৈপুণ্যে এই ম্যাচে হায়দরাবাদের কেউই নিজের ইনিংসকে বিধ্বংসী রূপ দিতে পারেনি। নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে তাদের দলীয় সংগ্রহ ছিল ১৭৩ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। পাওয়ার-প্লেতেই সাজঘরে ফেরত যান মুম্বাইয়ের প্রথম তিনজন ব্যাটার। এরপর ব্যাট হাতে সূর্যকুমার মাঠে নেমে যেন চলতি আইপিএলে নিজের সেরা পারফরম্যান্সটাই দেখালেন। দলের প্রয়োজনে গর্জে উঠল তার ব্যাট। তিলক বর্মাকে সাথে নিয়ে ঝোড়ো এক ইনিংস খেলার মাধ্যমে ১৮তম ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় মুম্বাই।

এই জয়ের পর ১২ ম্যাচে ৮ পয়েন্টের সঙ্গে তালিকার নবম স্থানে আছে রোহিত-হার্দিকদের দল। কাগজে-কলমের হিসেবে এখনও শীর্ষ চারে জায়গা করে নেওয়ার সম্ভাবনা আছে মুম্বাইয়ের, তবে তা খুব কঠিন। অপরদিকে ১১ ম্যাচে ১০ পয়েন্টের সঙ্গে চারে আছে হায়দরাবাদ।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

হায়দরাবাদঃ  ১৭৩/৮ (২০ ওভার); হেড ৪৮, কামিন্স ৩৫*; হার্দিক ৩-৩১, পীযুশ ৩-৩৩।

মুম্বাইঃ ১৭৪/৩ (১৭.২ ওভার); সূর্যকুমার ১০২*, তিলক ৩৭*; ভুবনেশ্বর ১-২২, কামিন্স ১-৩৫।

ফলাফলঃ মুম্বাই ৭ উইকেটে জয়ী।

প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচঃ সূর্যকুমার যাদব।

;

টিভিতে যা দেখবেন আজ



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

৩য় টি-টোয়েন্টি

বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে
বেলা ৩টা, টি স্পোর্টস ও গাজী টিভি

ফেডারেশন কাপ: সেমিফাইনাল

মোহামেডান-পুলিশ
বেলা ৩টা, টি স্পোর্টস ডিজিটাল

আইপিএল

দিল্লি-রাজস্থান
রাত ৮টা, টি স্পোর্টস ও গাজী টিভি

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ

পিএসজি-ডর্টমুন্ড
রাত ১টা, সনি স্পোর্টস ২

;