ঘর গোছানো আর জাতীয় ঐক্যে গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি



মুজাহিদুল ইসলাম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: বেশ কয়েক বছর ধরে জোটের বাইরে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের চেষ্টা করছে বিএনপি। তার সুফল না মিললেও পুরোপুরি হতাশ নয় দলটি। কিন্তু সেই প্রচেষ্টায় কতটা সফল হবে তা নিয়ে এক ধরনের হতাশা দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নিজেদের ঘর গোছাচ্ছে বিএনপি।

ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে বেশকিছু অসম্পূর্ণ কমিটি। এর আগে কয়েক দফায় চেষ্টা করেও সম্পন্ন করতে পারেনি দল পূণর্গঠনের কাজ। সিনিয়র নেতারা বলছেন, জুন-জুলাইয়ে বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনগুলোর কমিটি সম্পন্ন করা হবে। এতে করে একদিকে দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি পাবে অপরদিকে নতুন কমিটি আগামী দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে ভুমিকা রাখবে।

দল পূণর্গঠন ও জাতীয় ঐক্যের মধ্য দিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে দলের চেয়ারপারসনের মুক্তি ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি আদায় করতে চায় বিএনপি। তবে জাতীয় ঐক্যের কথা যাদেরকে নিয়ে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে আদর্শগত অমিল।

সূত্র বলছে, চলতি বছরের জুলাই মাসে দল পূণর্গঠন পক্রিয়া শেষ করতে নীতিগত সিদ্ধন্তে পৌছেছে নেতারা। এর সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং তৃণমূলে সংগঠন পূণর্গঠনের দায়িত্বে রয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাজাহান।

একই সঙ্গে জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে ঐক্যমতে পৌছতে চায় দলটি। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতীয় ঐক্যের বিষয়ে বিকল্প ধারা সভাপতি ডা. অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী, ড. কামাল হোসেন, মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ কয়েকজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন। এমনকি সমমনা অন্যান্য রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গেও যোগাযোগ হচ্ছে বলেও জানিয়েছে দলের একাধিক সূত্র।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে যুক্তফ্রন্টের মুখপাত্র ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বার্তা২৪.কম কে বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের কোনো ফরমাল কথা হয়নি। বিএনপি নেতারা আলাদাভাবে বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন এমনকি আমার সঙ্গেও। একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করার জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াইটা করা উচিত।

জাতীয় ঐক্যের বিষয়ে বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ডা. অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী সম্প্রতি এক ইফতার মাহফিলে বলেছেন, এমন একটা শক্তি দরকার যে ওদিকেও কন্ট্রোল করতে পারে, এদিকেও কন্ট্রোল করতে পারে। তারা যদি উঠে আসতে পারে তাহলে দেশের স্থিতিশীল বজায় থাকবে। তবে তিনিও জাতীয় ঐক্যের বিষয়ে বেশ কয়েকটি সভা সেমিনারে ইতিবাচক বক্তব্য দিয়েছেন।

অধ্যাপক বদরুদ্দোজার সঙ্গে কথা হয় বার্তা২৪.কম এর। তিনিও জানালেন আশার কথা। বললেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা আমরা প্রত্যাশা করিনা। নির্বাচনের পরে দেশে কোনো সহিংসতা, জ্বালাও পোড়াও যেনো না হয় তার জন্য একটা জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজন। এমন একটি ঐক্য যে ঐক্য উভয় দিকে কন্ট্রোল করতে পারবে। যারা বিপথে হাঁটবে আমরা তাদের সঙ্গে নেই।

এদিকে, শনিবার (২ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তফ্রন্ট। নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য দলীয় সরকারের পরিবর্তে নির্দলীয় নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন করা দরকার বলেও মনে করে এই জোট।

তবে জামায়াতে ইসলামী ইস্যুতে জাতীয় ঐক্যে কিছুটা পিছুটান দেখা দিয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতা বার্তা২৪.কম কে জানিয়েছে। জামায়াত যুদ্ধাপরাধী ইস্যুতে বিতর্কিত হওয়ায় অনেকের মধ্যে কিছুটা এলার্জি তো রয়েছেই। প্রকাশ্যে না বললেও মনে মনে এমনকি বিভিন্ন ফোরামে এই বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। জামায়াত নিয়ে যেহেতু অনেকের মধ্যে এলার্জি রয়েছে সেহেতু তাদেরকে বাইরে রেখে জাতীয় ঐক্যের পক্ষে মত দিয়েছে বিএনপির বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতারা।

তবে ২০ দলীয় জোট মনে করছে, নিজেদের অস্তিত্ব ধরে রাখতে ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে নির্বাচনের দাবি আদায়ে রাজনৈতিক ঐক্য জরুরী। তাই যেকোনো শর্তে সমমনা দলগুলোর মধ্যে ঐক্য হওয়া সময়ের দাবি। তবে সেই ঐক্যে কারা থাকছে তা শীঘ্রই স্পষ্ট হবে বলেও দলের একাধিক নেতা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা গণতন্ত্র পূণরুদ্ধারের লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্য গড়তে জাতীয়তাবাদী সকল শক্তিকে একত্রিত করার আহবান জানাচ্ছি। যারা গণতন্ত্র চাই তারা আমাদের সঙ্গে কাজ করবে বলে আমরা আশাবাদী। একইসঙ্গে দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে কাজ করছি। সম্মিলিত আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশনেত্রীকে মুক্ত করে তাকে সঙ্গে নিয়ে জনগনের ভোটাধিকার রক্ষায় জনগনকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবো। এবং নির্দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচনের দাবি আদায়ের মধ্য দিয়ে জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা লাভ করবে এটাই হবে আমাদের লক্ষ্য।

   

গরমে জানটা শ্যাষ হয়া গেইল!



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লালমনিরহাট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের সাহেব আলী। এই অইদের (রোদ) ঠ্যালায় জানটা ব্যার হয়া যাবার নাগছে বাহে! গরীম মানুষ বাঁচে কেমন করি। জারের (শীত) সমায় (সময়) কনকনা ঠান্ডা আর গরমের সমায় গরম। হামরা ঘর থাকি ব্যার হওয়া যায় না। জানটা শ্যাষ (শেষ) হয়া গেইল।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রবাহে সৃষ্ট দাবদাহে অতিষ্ট লালমনিরহাটের জনজীবন। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ ক্রমশ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। আগুন ঝরা বাতাসে নারী-শিশুসহ কর্মজীবী মানুষ দিন দিন অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে লালমনিরহাট বুড়িমারী মহাসড়কে যানবাহন ও যাত্রীর সংখ্যা কম, জরুরি কাজ ছাড়া কেউ বাহিরে বের হচ্ছেন না।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কথা হয় হাতীবান্ধা উপজেলার ভ্যানচালক নুরআলম সাথে, তিনি বলেন, বৈশাখের চনচনা অইদোত রোদে মাল নিয়া ভ্যান চালাইতে কষ্ট হয়। গরমের ঠ্যালায় কইলজা ফাটি যায়। ওই জন্যে ঠান্ডাত (গাছের ছায়া) একনা দম নিবার নাগছি।

তিনি আরো বলেন, কোথাও ঠান্ডার আভাস নাই। এভাবে চলতে থাকলে আমরা কর্মহীন হয়ে পড়বো। পরিবার পরিজনের মুখে দু’মুঠো ভাত তুলে দেয়া দুরুহ ব্যাপার হয়ে পড়বে। রিকশাচালক হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘গত চার-পাঁচ দিন ধরে আয় রোজগার কমে গেছে। বেলা সাড়ে ১০-১১টার পর রাস্তায় আর কোনো যাত্রী থাকে না।

বাসচালক আকবর আলী বার্তা২৪.কমকে জানান, গরমের কারণে লালমনিরহাট বুড়িমারী মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় পিচ (বিটুমিন) উঠে গাড়ির চাকার সাথে লেগে যায়। এতে খুব সতর্ক অবস্থায় গাড়ী চালাতে হয়েছে।

লালমনিরহাট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ রমজান আলী বার্তা২৪.কমকে জানান, প্রচন্ড গরমে শিশু ও বয়স্করা ডায়রিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দৈনিক শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। জেলার প্রতিটি হাসপাতালে শিশু রোগী ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সময়ে তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ, যথাসম্ভব বাহিরে বের না হওয়া, সাথে খাবার পানি রাখা, ছাতা ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার।

কুড়িগ্রাম আবহাওয়া পর্যবেক্ষনাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র বার্তা২৪.কমকে বলেন, দুপুর ১২টায় লালমনিরহাটে তাপমাত্রা ৩৮.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

লালমনিরহাট জেলা তথ্য অফিসার শাহজাহান আলী (অতিরিক্ত দায়ত্বি) বার্তা২৪.কমকে জানান, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে জেলার সর্বত্র সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে।

;

কুয়াকাটায় জেলের জালে ২৬ কেজির কোরাল



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, (কলাপাড়া-পটুয়াখালী)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পটুয়াখালির কুয়াকাটায় বঙ্গোপসাগরে রাসেল মাঝি (৩৫) নামের এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ২৬ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ১.৩০ মিনিটে কুয়াকাটা মেয়র মৎস্য মার্কেটের মনি ফিস আড়তে মাছটি নিয়ে আসা হয়। এসময় মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। পরে কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাইকারি মাছ ব্যবসায়ী বিক্রম চন্দ্র নিলামের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বঙ্গোপসাগরের বলেশ্বর নদীর সাগর মোহনায় মাছটি ধরা পড়ে।

মাছ পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে রাসেল মাঝি বলেন, প্রতিদিনের মত গত সোমবার (২২ এপ্রিল) ধুলাস্বার ইউনিয়নের বাবলাতলা বাজার থেকে (মায়ের দোয়া) নামের ট্রলার নিয়ে গভীর সাগরে যাই। পরে বলেশ্বর নদীর সাগর মোহনায় জাল ফেলার পর অন্যান্য মাছের সঙ্গে এ কোরাল মাছটি ধরা পড়ে। মাছটির ওজন বেশি হওয়ায় আমাদের ট্রলারে তুলতে অনেক বেগ পেতে হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এর আগেও আমার জালে ১০ থেকে ১৫ কেজি ওজনের কোরাল মাছ ধরা পড়েছিলো। তবে আমার জালে ধরা এটিই সবচেয়ে বেশি ওজনের কোরাল। মাছটি খুব ভাল দামে বিক্রি করেছি। এত বড় মাছ পেয়ে আমার ট্রলারে থাকা জেলেসহ আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।

মাছটি ক্রয় করা ব্যবসায়ী বিক্রম চন্দ্র বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মাছের ব্যবসা করি, এত বড় কোরাল আসলে সব সময় পাওয়া যায় না। মাছটি দেখেই আমার পছন্দ হয়েছে। তাই নিলামে আমিই বেশি দাম হেঁকে এ মাছটি ক্রয় করেছি। মাছটি বিক্রির জন্য আজই ঢাকায় পাঠাবো। আশা করছি আমি ভালো মানের লাভ করতে পারব।

কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, কোরাল মাছ খুবই সুস্বাদু। শিশুদের মানসিক বিকাশে কোরাল মাছ গুরুত্বপূর্ণ। আশা করছি বৃষ্টি হলে জেলেদের জালে ইলিশের পাশাপাশি আরও বড় বড় মাছ ধরা পড়বে।

;

বিশ্বনাথে নারী কাউন্সিলরের মামলায় ৭ জনের জামিন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভার মেয়রের গাড়ি চাপায় হত্যা চেষ্টার অভিযোগে নারী কাউন্সিলরের দায়ের করা মামলায় ৮ জনের মধ্যে দুই কাউন্সিরসহ ৭ জনকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সিলেটের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রট প্রথম আদালতে জামিন আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। তবে মামলার প্রধান আসামি মেয়র মুহিবুর রহমান আদালতে জামিন আবেদন করেননি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সুমন পারভেজভ

জামিন প্রাপ্তরা হলেন - কাউন্সিলর ফজর আলী, কাউন্সিলর বারাম উদ্দিন, পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও পৌরসভার উদ্যোক্তা সুরমান আলী, দক্ষিণ মীরেরচর গ্রামের মৃত রুস্তম আলীর ছেলে মিতাব আলী, রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত তবারক আলীর ছেলে আনোয়ার আলী, রহমাননগর গ্রামের শমসের আলীর ছেলে মেয়রের গাড়ি চালক হেলাল মিয়া ও জানাইয়া গ্রামের মৃত তোতা মিয়ার ছেলে আব্দুস শহিদ।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) বিশ্বনাথ থানায় বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করে নারী কাউন্সিলর রাসনা বেগম। মামলা নং-(৫)। মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি রাখা হয় আরও ৪/৫ জন।

এ ব্যাপারে অ্যাডভোকেট সুমন পারভেজ বলেন, এই মামলার প্রধান আসামি মেয়র মুহিবুর রহমান জামিন আবেদন করেননি। তবে মেয়র ছাড়া বাকি ৭ জন আসামি জামিন আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

;

নারী চিকিৎসককে ইভটিজিং করায় যুবকের কারাদণ্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক নারী চিকিৎসককে হয়রানি করার অপরাধে সাগর হোসেন (২৬) নামে এক যুবককে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত সাগর হোসেন দৌলতপুর থানা বাজার এলাকার বিপ্লব হোসেনের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওবায়দুল্লাহ।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তোহিদুল ইসলাম জানান, ওই যুবক বেশ কিছু দিন ধরে আমাদের এক নারী চিকিৎসককে নানাভাবে হয়রানি করে আসছিল।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে হাসপাতালে এসে একইভাবে তাকে হয়রানি করতে গেলে আমরা বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করি।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওবায়দুল্লাহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বখাটে সাগর হোসেনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। পরে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

;