৫ হাজার কোটি টাকায় সিডিএ’র তিন রিং রোড



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
কালুরঘাট থেকে শাহ আমানত সেতু পর্যন্ত সড়ক

কালুরঘাট থেকে শাহ আমানত সেতু পর্যন্ত সড়ক

  • Font increase
  • Font Decrease

 


কানেকটিভিটির অভাবে সুফল নিয়ে সংশয়

অক্সিজেন থেকে কাপ্তাই রাস্তার মাথা পর্যন্ত চার লেন করা হবে- সিডিএ চেয়ারম্যান


নগরীতে চলছে ৫ হাজার কোটি টাকায় তিন রিং রোডের নির্মাণ কাজ। আগামী বছরের শেষ দিক থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এসব রোড যান চলাচলের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে। কিন্তু অক্সিজেন থেকে কাপ্তাই রাস্তার মাথা পর্যন্ত অংশটি চারলেনের না হলে আবারো আন্ত:জেলা গাড়ির চাপে যানজটের মুখোমুখি হবে নগরবাসী। এমনই আশঙ্কা করছেন নগর বিশেষজ্ঞরা।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) যে তিন রিং রোডের কাজ করছে এরমধ্যে একটি হলো- ২ হাজার ৪২৬ কোটি টাকায় পোর্ট কানেকটিং রোডের সাগরিকা, সাগরপাড় হয়ে পতেঙ্গা নেভাল পর্যন্ত চারলেনের সড়ক নির্মাণ। ডিটি রোড দিয়ে আসা গাড়িগুলো ফৌজদারহাট পোর্ট এক্সেস রোড দিয়ে কিংবা অলংকার মোড় থেকে সাগরিকা রোড দিয়ে দক্ষিণকাট্টলী রাসমনি ঘাট দিয়ে আউটার রিং রোড হয়ে চলে যেতে পারবে পতেঙ্গা নেভাল পর্যন্ত। সেখান থেকে কর্ণফুলীর তলদেশে নির্মাণাধীন টানেল দিয়ে কক্সবাজারের দিকে।

দ্বিতীয় রিং রোডটি - ডিটি রোডের পোর্ট এক্সেস রোডের মুখ থেকে পাহাড়ের ভেতর দিয়ে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব উইমেনের পাশ দিয়ে বায়েজীদ পর্যন্ত ৬ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেনের সড়ক। ৩১০ কোটি টাকার প্রকল্পটি আগামী বছরের জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। আর এটি শেষ হলে ঢাকা থেকে বান্দরবান, রাঙ্গামাটির দিকে কিংবা কক্সবাজারমুখী গাড়িগুলো অক্সিজেন মোড় হয়ে যাতায়াত করতে পারবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/26/1537972613946.gif
ডিটি বায়েজীদ সংযোগ সড়ক

তৃতীয় রিং রোডটি- কালুরঘাট সেতু থেকে শাহ আমানত সেতু পর্যন্ত কর্ণফুলীর তীর ঘেঁষে চারলেনের সাড়ে আট কিলোমিটার দীর্ঘ রোডের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। ২০২০ সালের জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার টার্গেট নিয়ে শুরু হওয়া এই রোডটি কালুরঘাট থেকে শাহ আমানত সেতু পর্যন্ত সংযোগ রক্ষাকারী রোড হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এতে খাগড়াছড়ি বা রাঙ্গামাটি থেকে আসা গাড়িগুলো যাতায়াত করতে পারবে।

কিন্তু এই তিন রোডের মধ্যে সমন্বয় নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট নগর পরিকল্পনাবিদ ও স্থপতি জেরিনা হোসেন। তিনি বলেন, নগরীতে খাপছাড়াভাবে রিং রোডের নির্মাণ চলছে। ডিটি বায়েরজীদ সংযোগ সড়কটি অক্সিজেন মোড়ে এসে শেষ হবে। কিন্তু অক্সিজেন মোড় থেকে কালুরঘাট পর্যন্ত চার লেনের সড়কটি কোথায়। অনন্যা আবাসিকের ভেতর দিয়ে দুই লেনের একটি রোড করা হয়েছে। যা কখনো রিং রোড হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না।

তিনি আরো বলেন, শাহ আমানত সেতু থেকে সদরঘাট পর্যন্ত চার লেনের একটি রোড হওয়ার কথা অনেক আগে থেকে, কিন্তু সেই রোডটিও হচ্ছে না। এভাবে খাপছাড়াভাবে উন্নয়ন করা হলে আন্ত:জেলার বাসগুলো ঠিকই শহরের ভেতর দিয়ে যাতায়াত করবে এবং রিং রোডের সুফল পাওয়া যাবে না।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/26/1537972650756.gif
পতেঙ্গা থেকে সাগর পাড়ে নির্মাণাধীন রোড

তবে অপর স্থপতি আশিক ইমরান বলেন, আমাদের দেশে কোনো রোড নির্মাণের আগে ব্যাপকহারে পরিকল্পনা করা হয় না। এতে পরবর্তীতে জোড়া লাগাতে হয়। এই রিং রোডের ক্ষেত্রেও অক্সিজেন থেকে কাপ্তাই রাস্তার মাথা পর্যন্ত সড়কটি নির্মাণের সময় চার লেনে করা হলে আজ এর রিং রোডের যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতো না। তবে এসব রোড থেকে অবশ্যই সুফল পাওয়া যাবে।

এদিকে এসব রোড বাস্তবায়নকারী সংস্থা সিডিএ’র চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, নগরীতে এখন একটি আউটার রিং রোডের বলয় গড়ে উঠছে। তবে এর পরিপূর্নতা একদিনে আসবে না। আগামীতে অক্সিজেন মোড় থেকে কাপ্তাই রাস্তার মাথা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু এভিনিউ রোডটি চার লেনে উন্নীত করা হবে। এজন্য ডিপিপি তৈরির কাজ চলছে। আর তা করা গেলে তা পূর্ণতা পেয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, রিং রোডের উদ্দেশ্য হলো এক শহর থেকে আরেক শহরে যাতায়াতকারী গাড়িগুলো শহরের ভেতরে প্রবেশ না করে বাইরের রোড দিয়ে চলে যাওয়া। আর এই রোডকে বলা হয় রিং রোড বা বাইপাস সড়ক। প্রত্যেক শহরেই এধরনের রোড রয়েছে। সিটি ট্রাফিক ও আন্ত:জেলা ট্রাফিকের মধ্যে পার্থক্য রাখতেই এই উদ্যোগ। এতে শহরের ভেতরে যানজট কমে আসে। 

   

গরমে জানটা শ্যাষ হয়া গেইল!



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লালমনিরহাট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের সাহেব আলী। এই অইদের (রোদ) ঠ্যালায় জানটা ব্যার হয়া যাবার নাগছে বাহে! গরীম মানুষ বাঁচে কেমন করি। জারের (শীত) সমায় (সময়) কনকনা ঠান্ডা আর গরমের সমায় গরম। হামরা ঘর থাকি ব্যার হওয়া যায় না। জানটা শ্যাষ (শেষ) হয়া গেইল।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রবাহে সৃষ্ট দাবদাহে অতিষ্ট লালমনিরহাটের জনজীবন। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ ক্রমশ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। আগুন ঝরা বাতাসে নারী-শিশুসহ কর্মজীবী মানুষ দিন দিন অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে লালমনিরহাট বুড়িমারী মহাসড়কে যানবাহন ও যাত্রীর সংখ্যা কম, জরুরি কাজ ছাড়া কেউ বাহিরে বের হচ্ছেন না।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কথা হয় হাতীবান্ধা উপজেলার ভ্যানচালক নুরআলম সাথে, তিনি বলেন, বৈশাখের চনচনা অইদোত রোদে মাল নিয়া ভ্যান চালাইতে কষ্ট হয়। গরমের ঠ্যালায় কইলজা ফাটি যায়। ওই জন্যে ঠান্ডাত (গাছের ছায়া) একনা দম নিবার নাগছি।

তিনি আরো বলেন, কোথাও ঠান্ডার আভাস নাই। এভাবে চলতে থাকলে আমরা কর্মহীন হয়ে পড়বো। পরিবার পরিজনের মুখে দু’মুঠো ভাত তুলে দেয়া দুরুহ ব্যাপার হয়ে পড়বে। রিকশাচালক হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘গত চার-পাঁচ দিন ধরে আয় রোজগার কমে গেছে। বেলা সাড়ে ১০-১১টার পর রাস্তায় আর কোনো যাত্রী থাকে না।

বাসচালক আকবর আলী বার্তা২৪.কমকে জানান, গরমের কারণে লালমনিরহাট বুড়িমারী মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় পিচ (বিটুমিন) উঠে গাড়ির চাকার সাথে লেগে যায়। এতে খুব সতর্ক অবস্থায় গাড়ী চালাতে হয়েছে।

লালমনিরহাট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ রমজান আলী বার্তা২৪.কমকে জানান, প্রচন্ড গরমে শিশু ও বয়স্করা ডায়রিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দৈনিক শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। জেলার প্রতিটি হাসপাতালে শিশু রোগী ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সময়ে তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ, যথাসম্ভব বাহিরে বের না হওয়া, সাথে খাবার পানি রাখা, ছাতা ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার।

কুড়িগ্রাম আবহাওয়া পর্যবেক্ষনাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র বার্তা২৪.কমকে বলেন, দুপুর ১২টায় লালমনিরহাটে তাপমাত্রা ৩৮.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

লালমনিরহাট জেলা তথ্য অফিসার শাহজাহান আলী (অতিরিক্ত দায়ত্বি) বার্তা২৪.কমকে জানান, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে জেলার সর্বত্র সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে।

;

কুয়াকাটায় জেলের জালে ২৬ কেজির কোরাল



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, (কলাপাড়া-পটুয়াখালী)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পটুয়াখালির কুয়াকাটায় বঙ্গোপসাগরে রাসেল মাঝি (৩৫) নামের এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ২৬ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ১.৩০ মিনিটে কুয়াকাটা মেয়র মৎস্য মার্কেটের মনি ফিস আড়তে মাছটি নিয়ে আসা হয়। এসময় মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। পরে কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাইকারি মাছ ব্যবসায়ী বিক্রম চন্দ্র নিলামের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বঙ্গোপসাগরের বলেশ্বর নদীর সাগর মোহনায় মাছটি ধরা পড়ে।

মাছ পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে রাসেল মাঝি বলেন, প্রতিদিনের মত গত সোমবার (২২ এপ্রিল) ধুলাস্বার ইউনিয়নের বাবলাতলা বাজার থেকে (মায়ের দোয়া) নামের ট্রলার নিয়ে গভীর সাগরে যাই। পরে বলেশ্বর নদীর সাগর মোহনায় জাল ফেলার পর অন্যান্য মাছের সঙ্গে এ কোরাল মাছটি ধরা পড়ে। মাছটির ওজন বেশি হওয়ায় আমাদের ট্রলারে তুলতে অনেক বেগ পেতে হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এর আগেও আমার জালে ১০ থেকে ১৫ কেজি ওজনের কোরাল মাছ ধরা পড়েছিলো। তবে আমার জালে ধরা এটিই সবচেয়ে বেশি ওজনের কোরাল। মাছটি খুব ভাল দামে বিক্রি করেছি। এত বড় মাছ পেয়ে আমার ট্রলারে থাকা জেলেসহ আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।

মাছটি ক্রয় করা ব্যবসায়ী বিক্রম চন্দ্র বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মাছের ব্যবসা করি, এত বড় কোরাল আসলে সব সময় পাওয়া যায় না। মাছটি দেখেই আমার পছন্দ হয়েছে। তাই নিলামে আমিই বেশি দাম হেঁকে এ মাছটি ক্রয় করেছি। মাছটি বিক্রির জন্য আজই ঢাকায় পাঠাবো। আশা করছি আমি ভালো মানের লাভ করতে পারব।

কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, কোরাল মাছ খুবই সুস্বাদু। শিশুদের মানসিক বিকাশে কোরাল মাছ গুরুত্বপূর্ণ। আশা করছি বৃষ্টি হলে জেলেদের জালে ইলিশের পাশাপাশি আরও বড় বড় মাছ ধরা পড়বে।

;

বিশ্বনাথে নারী কাউন্সিলরের মামলায় ৭ জনের জামিন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভার মেয়রের গাড়ি চাপায় হত্যা চেষ্টার অভিযোগে নারী কাউন্সিলরের দায়ের করা মামলায় ৮ জনের মধ্যে দুই কাউন্সিরসহ ৭ জনকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সিলেটের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রট প্রথম আদালতে জামিন আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। তবে মামলার প্রধান আসামি মেয়র মুহিবুর রহমান আদালতে জামিন আবেদন করেননি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সুমন পারভেজভ

জামিন প্রাপ্তরা হলেন - কাউন্সিলর ফজর আলী, কাউন্সিলর বারাম উদ্দিন, পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও পৌরসভার উদ্যোক্তা সুরমান আলী, দক্ষিণ মীরেরচর গ্রামের মৃত রুস্তম আলীর ছেলে মিতাব আলী, রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত তবারক আলীর ছেলে আনোয়ার আলী, রহমাননগর গ্রামের শমসের আলীর ছেলে মেয়রের গাড়ি চালক হেলাল মিয়া ও জানাইয়া গ্রামের মৃত তোতা মিয়ার ছেলে আব্দুস শহিদ।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) বিশ্বনাথ থানায় বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করে নারী কাউন্সিলর রাসনা বেগম। মামলা নং-(৫)। মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি রাখা হয় আরও ৪/৫ জন।

এ ব্যাপারে অ্যাডভোকেট সুমন পারভেজ বলেন, এই মামলার প্রধান আসামি মেয়র মুহিবুর রহমান জামিন আবেদন করেননি। তবে মেয়র ছাড়া বাকি ৭ জন আসামি জামিন আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

;

নারী চিকিৎসককে ইভটিজিং করায় যুবকের কারাদণ্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক নারী চিকিৎসককে হয়রানি করার অপরাধে সাগর হোসেন (২৬) নামে এক যুবককে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত সাগর হোসেন দৌলতপুর থানা বাজার এলাকার বিপ্লব হোসেনের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওবায়দুল্লাহ।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তোহিদুল ইসলাম জানান, ওই যুবক বেশ কিছু দিন ধরে আমাদের এক নারী চিকিৎসককে নানাভাবে হয়রানি করে আসছিল।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে হাসপাতালে এসে একইভাবে তাকে হয়রানি করতে গেলে আমরা বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করি।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওবায়দুল্লাহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বখাটে সাগর হোসেনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। পরে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

;