ই-বর্জ্য: অবৈধ স্মার্ট পণ্যের প্রবেশে কঠোরতা দাবি



আইসিটি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ই-বর্জ্য: অবৈধ স্মার্ট পণ্যের প্রবেশে কঠোরতা দাবি

ই-বর্জ্য: অবৈধ স্মার্ট পণ্যের প্রবেশে কঠোরতা দাবি

  • Font increase
  • Font Decrease

স্মার্ট ডিভাইস ছাড়া জীবনযাপন অচল ও অস্থির। দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনে ডিজিটাল গ্যাজেটের পরিধি ও জনপ্রিয়তা দুটোই বাড়ছে সমান্তরাল। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই সে পণ্য পরিণত হচ্ছে ই-বর্জ্যেয়। যা পরিবেশ ও জীবনের জন্য বয়ে আনছে ঝুঁকির অশনি বার্তা।

সারাদেশে বছরে ৩০ লাখ মেট্রিকটন ই-বর্জ্য সৃষ্টি হচ্ছে। স্মার্ট ডিভাইস থেকেই সৃষ্টি হচ্ছে ১০ লাখ টন ই-বর্জ্য। অন্যদিকে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩০২ ইউনিট নষ্ট টেলিভিশন থেকে সৃষ্টি হচ্ছে ১.৭ লাখ টনের ই-বর্জ্য। জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প থেকে আসছে ২৫ লাখ টনের বেশি।

শঙ্কার বিষয় হচ্ছে, বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ই-বর্জ্য বাড়ছে ৩০ শতাংশ হারে। গবেষণা বলছে, ২০২৫ সাল নাগাদ কোটি টনের ই-বর্জ্যের ভাগাড় হবে বাংলাদেশ। ২০৩০ সাল নাগাদ বছরে বিলিয়ন ইউনিট স্মার্ট ডিভাইস উৎপাদন হবে। কম্পিউটারভিত্তিক ধাতু রূপান্তর ব্যবসায় সম্প্রসারিত হবে। যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক হবে। সঙ্কট নিয়ন্ত্রণে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার সঙ্গে অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ করা রিফার্বিশ ইলেকট্রনিক্স পণ্য আমদানি বন্ধে আইনের কঠোরতা সময়ের দাবি।

শনিবার (৩ জুন) বিকেলে বাংলাদেশ আইসিটি জর্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজএফ) উদ্যোগে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ই-বর্জ্যের কার্বণ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: কারণ ও উত্তরণের পথ’ শিরোনামে গোলটেবিল আলোচনায় ই-বর্জ্যর ভয়াবহতার বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন বক্তারা।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কানাডিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আখতার হোসেন। উপস্থাপনায় তিনি বলেন, ই-বর্জ্যের কোনো গাইডলাইন নেই। অভিভাবকহীন। সমস্যা উত্তরণে প্রতিটি পণ্যের সঙ্গে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রয়োগিক নীতিমালার বাস্তবায়ন সময়ের দাবি। আগামী ১৪ অক্টোবর ২০২৩ সাল থেকে আমরা বিআইজেএফ উদ্যোগে সবাইকে নিয়ে দেশজুড়ে আন্তর্জাতিক মানের ই-বর্জ্য সচেতনতা দিবস পালন করব। শিক্ষার্থীদের নিয়ে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় হ্যাকাথন করতে চাই।

স্বাগত বক্তব্যে ই-বর্জ্যের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরার সঙ্গে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পরিবেশের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় বিআইজেএফ’র নেওয়া উদ্যোগ আগামীতে আর জোরলো হবে বলে জানান বিআইজেএফ সভাপতি নাজনীন নাহার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজাউল করিম জানালেন, ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সময়ের সঙ্গে খুবই প্রাসঙ্গিক। প্রতিকারে সচেতনতা গড়ে তোলার সঙ্গে ব্যবস্থাপনায় সুনির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি। যা বাস্তবায়নে বিআইজেএফ প্রেসার গ্রুপ হিসেবে কাজ করবে বলে প্রত্যাশা করছি।

র‌্যাব মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানালেন, সরকারের নির্দিষ্ট আইন আছে। তবে সে আইন না মানলে আমার ব্যবস্থা নেই। আইন প্রয়োগ করে যেকোনো কিছু পুরোপুরি বন্ধ করা অসম্ভব। সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে না পারলে ই-বর্জ্যের অপব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব নয়।

অধ্যাপক লাফিফা জামাল বলেন, আজকের ইলেকট্রনিক্স পণ্যেই ভবিষ্যতের ই-বর্জ্য। ল্যাপটপ-কম্পিউটারের চেয়ে কি-বোর্ড, মাউস থেকে ই-বর্জ্য বেশি সৃষ্টি হচ্ছে। ২০২২ সালের ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিধিমালা অনুযায়ী, যারা পণ্য উৎপাদন করবেন তাদেরই ফিরিয়ে নেওয়ার বিধান থাকলেও তা প্রতিপালন হয় না। তাই গণসচেতনতার বিকল্প নেই।

ডিএনসিআরপি উপ-পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মাদ শাহরিয়ার বলেন, ব্যাটারিচালিত গাড়ি থেকে দেশে ভয়ংকর মাত্রায় সিসা ছড়াচ্ছে। তাই সবার আগে উৎপাদকদের দায়বদ্ধতা থাকতে হবে। নীতি নির্ধারকদের চাপের মুখে রাখতে সংগঠন হিসেবে বিআইজেএফ সমাজের আয়না হিসেবে পরিচিত গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের সিইআরএম পরিচালক রওশন মমতাজ জানালেন, বুয়েট থেকে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে গবেষণা করে ই-বর্জ্য আইন-২০০১ খসড়া করা হয়। রি-ইউজ মানেই ই-বর্জ্য নয়। তাই একে ই-রিসোর্স হিসেবে অভিহিত করা যায়। ব্যবহার অযোগ্য স্মার্ট সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। জাপান রিসাইকেল ই-বর্জ্য দিয়ে গোল্ড মেডেল তৈরি করতে চায়। হাইটেক পার্কে যদি রিসাইকেল প্ল্যান্ট করা হয় তবে তা সম্পদ হিসেবে উপযোগ সৃষ্টি করবে।

স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, ই-বর্জ্যকে ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ই-রিসোর্সে রূপান্তর ব্যবসায় শুভ নয়। ইন্টারনাল ই-ওয়েস্ট ব্যবস্থাপনা নিয়ে ভাবতে হবে। তখন বাইরের দেশ থেকে ই-বর্জ্য বাংলাদেশে ডাম্পিং করা হচ্ছে। সারাদেশে প্রতি মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার রিফার্বিশ ল্যাপটপ বাজারে প্রবেশ করছে। ফলে সরকার ৩০ থেকে ৩১ কোটি টাকার মতো রাজস্ব হারাচ্ছে।

সার্ক সিসিআই (বাংলাদেশ) নির্বাহী কমিটির সদস্য শাফকাত হায়দারের সঞ্চালনায় বৈঠকে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসি’র স্পেকট্রাম বিভাগের উপ-পরিচালক প্রকৌশলী মো. মাহফুজুল আলম, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, র‌্যাব (আইন ও মিডিয়া শাখা) পরিচালক খন্দকার আল মঈন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় ডিজিটাল কমার্স সেলের উপসচিব সাঈদ আলী, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের (ডিএনসিআরপি) উপ-পরিচালক (ঢাকা বিভাগ) মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার, বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের সিইআরএম পরিচালক রওশন মমতাজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রোবোটিক্স অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল।

সাবেক সভাপতি শহীদ উল মুনির, গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড চেয়ারম্যান আব্দুল ফাত্তাহ, স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, জেআর রিসাইক্লিং সলিউশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ হোসেন জুয়েল, ডেল বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার আতিকুর রহমান, এইচপি বাংলাদেশ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার (ভোক্তা পিএস) কৌশিক জানা, আসুস বাংলাদেশের কান্ট্রি প্রোডাক্ট ম্যানেজার আসাদুর রহমান সাকি, লেনোভো ভারতের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক ব্যবসা) সুমন রায়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার নাজমুস সালেহীন, ইউসিসি’র হেড অব সেলস শাহীন মেল্লা, স্মার্ট টেকনোলজিসের সেলস ডিরেক্টর মুহাহিদ আল বেরুনী সুজন।

সভায় ই-বর্জ্য ঝুঁকি থেকে বাংলাদেশকে স্মার্ট হিসেবে বিশ্বের সামনে উপস্থাপনে সরকারি-বেসরকারি-ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমির যৌথ অংশীদারিত্বে কাল-বিলম্ব না করে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণে গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। বক্তাদের পরামর্শ সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে আনতে বিআইজেএফ আগামীতে স্মার্ট সংবাদিকতায় ভূমিকা পালন করবে এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে গোলটেবিল আলোচনায় উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সাব্বিন হাসান।

   

৩ দিনের মোবাইল ডাটা চলবে ৭ দিন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মোবাইল ইন্টারনেটের তিনদিনের প্যাকেজ তুলে দেওয়া হলেও গ্রাহকের সুবিধার্থে তা সাতদিন মেয়াদে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন -বিটিআরসি। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, ৭, ৩০ ও আনলিমিটেড মেয়াদে প্যাকেজের নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে প্যাকেজের সংখ্যা কমিয়ে সর্বোচ্চ ৪০টি করা হয়েছে। এ নির্দেশিকা আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।

রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে ‘মোবাইল ফোন অপারেটরসমূহের ডাটা এবং ডাটা সংশ্লিষ্ট প্যাকেজ সম্পর্কিত নতুন নির্দেশিকা-২০২৩’ সংক্রান্ত সভায় এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

চলতি বছরের প্যাকেজ ও ডাটার মূল্য সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় গ্রাহক জরিপের ফলাফল তুলে ধরে বিটিআরসির মহা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাছিম পারভেজ জানান, মোবাইল ফোন অপেরাটরের একাধিক প্যাকেজে গ্রাহকরা বিভ্রান্ত হয়ে যায়। ফলে আমরা কয়েকটি জরিপ করি। জরিপে অংশ নেয়া এক হাজার ৬০০ ডাটা ব্যবহারকারীর ৪৪ দশমিক ৫ শতাংশ বিদ্যমান পাঁচটি মেয়াদ বহাল রাখার পক্ষে মত দেয়। অপর দিকে ৫২ দশমিক ৯ শতাংশ গ্রাহক ৭, ৩০ ও আনলিমিটেড মেয়াদের প্যাকেজের পক্ষে মত দেয়। সেই অনুযায়ী ৩ ও ১৫ দিনের মেয়াদ বাতিল করা হয়।

তবে বিটিআরসির নতুন এই নির্দেশিকায় ৩ দিনের ডাটা প্যাকেজ রাখা যায় কিনা তা পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানান মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এমটবের (অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ) মহাপরিচালক লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার।

তিনি বলেন, ৩ দিনের ডাটা প্যাকেজ মোবাইল অপরেটরদের জন্য একটি লাভজনক প্যাকেজ। দেশে গ্রাহকদের গড়ে ৬৯ দশমিক ২৩ শতাংশ ৩ দিনের মেয়াদ ব্যবহার করেন। ৩ দশমিক ৮২ শতাংশের পছন্দ ১৫ দিনের মেয়াদ। সব দিক বিবেচনার প্যাকেজ গুলোর পুনঃমুল্যায়ন করা যায় কিনা তা ভেবে দেখার অনুরোধ জানাই।

এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, ক্ষুদ্র মেয়াদ প্যাকেজ, বোনাস প্যাকেজ এসব নানাবিধ প্যাকেজ দেওয়ার ফলে কিন্তু সাধারণ মানুষ নানা ভাবে বিভ্রান্ত হচ্ছে। এই বিভ্রান্তি টা অনেক বেশি ছিল, সেগুলো কমাতে কমাতে আমরা সর্ব শেষ যে যায়গাটাতে এসেছি আমরা ৪০ টা প্যাকেজ নির্ধারণ করেছি।মোবাইল অপরেটরদের প্রতি অনুরোধ এই ৪০ টা প্যাকেজের মধ্য থেকে ফাঁড়ি রাস্তা খুজে বের করে এটাকে ৪০০ বানায় ফেলবেন না।

তিনি বলেন, আমরা তিন দিনের যে মেয়াদ আছে সেটাকে ৭ দিনের করেছি। কারন ৩ দিনের মেয়াদের প্যাকেজটা গ্রাহক যদি ৭ দিনে ব্যবহার করতে পারে। তাহলে গ্রাহক তো উপকৃত হবে। গ্রাহক ৩ দিনে যে ডাটা শেষ করতে পারত না সেটা ৭ দিনে ব্যবহার করতে পারবে। তবে মোবাইল অপেরাটররা যদি ভাবে যে তিন দিনের মেয়াদ টা গ্রাহকদের টাকা গিলে ফেলার জন্য তৈরি করেছি। তাহলে এটা তো কোন অবস্থাতেই সঠিক বা গ্রহন যোগ্য না।

;

দাম কমল আইফোন ১৪ সিরিজের



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
১০০ ডলার দাম কমেছে আইফোন ১৪ সিরিজের

১০০ ডলার দাম কমেছে আইফোন ১৪ সিরিজের

  • Font increase
  • Font Decrease

আইফোন ১৫ লঞ্চ হতেই দাম কমেছে আইফোন ১৪ সিরিজের। 

শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে নতুন মডেলের আইফোন অর্ডার নেওয়া শুরু হচ্ছে।

এর মধ্যেই সিরিজটির দাম কমিয়েছে অ্যাপল কোম্পানি। ১০০ ডলার কমিয়ে আইফোন ১৪ সিরিজের দাম ৬৯৯ ও ৭৯৯ ডলার করা হয়েছে; যা বাংলাদেশি টাকায় যথাক্রমে ৭৭ হাজার ৩৭৬ ও ৮৮ হাজার ৪৪৬ টাকা। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে আইফোন ১৪ ও আইফোন ১৪ প্লাস লঞ্চ করেছিল অ্যাপল। ফোন দুটির দাম ছিল যথাক্রমে ৭৯৯ ও ৮৯৯ ডলার।

এর আগে কখনও আইফোনের দাম এতটা কমানো হয়নি বলে মনে করেন বাজার বিশ্লেষকেরা।

গত ১২ সেপ্টেম্বর বহুল প্রতীক্ষিত আইফোন ১৫ সিরিজ উন্মোচন করেছে অ্যাপল। এদিন রাতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাপল পার্কে আইফোন ১৫ সিরিজের পাশাপাশি, অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ৯, অ্যাপল ওয়াচ আল্ট্রা ২ উন্মোচন করা হয়। 

অ্যাপল কর্তৃপক্ষ জানান, আইফোন ১৫ প্রো এবং আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্সে রয়েছে অ্যাপলের এ১৭ বায়োনিক চিপসেট। এ ছাড়া এই দুই মডেলের ফ্রেমে স্টেইনলেস স্টিলের বদলে থাকছে টাইটানিয়াম চেসিস। এই ফোন দুটিতে আইফোনের সিগনেচার আইকনিক সাইলেন্ট সুইচের বদলে যুক্ত করা হয়েছে অ্যাকশন বাটন।

আইফোন ১৫ সিরিজ পাওয়া যাবে বাহারি রঙে। এরমধ্যে ব্ল্যাক টাইটেনিয়াম, হোয়াইট, ব্লু ও ন্যাচারাল টাইটেনিয়াম রঙে পাওয়া যাবে আইফোন ১৫ প্রো এবং আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স। এই দুই ফোনেই রয়েছে ইউএসবি টাইপ-সি চার্জিং পোর্ট সুবিধা।

এই সিরিজের দাম শুরু হবে ৭৯৯ ডলার থেকে। আইফোন ১৫ প্রো এর দাম ধরা হয়েছে ৯৯৯ ডলার। আর সর্বোচ্চ দাম হবে আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্সের। যা শুরু হবে ১ হাজার ১৯৯ ডলার থেকে।

২২ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ ও অঞ্চলের বাজারে আসবে আইফোন ১৫ সিরিজ।

 

;

চমকে ভরপুর আইফোন ১৫



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে প্রযুক্তি পরাশক্তি অ্যাপল আইফোন সিরিজের ১৫ ও ১৫ প্লাস উন্মোচন করেছে।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত অ্যাপল পার্কে আইফোন-১৫ সিরিজের পাশাপাশি, অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ-৯, অ্যাপল ওয়াচ আল্ট্রা-২ উন্মোচিত হয়।

প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম টেকক্রাঞ্চ জানিয়েছে, আইফোনের নতুন এই সিরিজে টাইটানিয়াম কেস এবং দ্রুতগতির চিপ, যা আরও ভালো গ্রাফিক্স ও মোবাইল গেমিংয়ে সহায়তা করবে। স্মার্ট ফোনের চার্জার দিয়েই আইফোন চার্জ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে নতুন এ সিরিজটিতে।

বিশ্লেষক লুক ইন জানান, স্টেইনলেস স্টিলের পরিবর্তে টাইটানিয়াম শেল ও পেরিস্কোপ ক্যামেরা সিস্টেম ব্যবহার করার কারণে আইফোন ১৫ প্রোর দাম বৃদ্ধি পাবে। পেরিস্কোপ ক্যামেরা সিস্টেমটি ৫-৬ গুণ বেশি অপটিক্যাল জুম করতে পারবে।

বিপণন প্রধান গ্রেগ জোসওয়াক বলেন, টাইটানিয়ামের প্রো ব্যবহার এটিকে অন্যান্য ধাতুর পূর্ববর্তী মডেলগুলোর তুলনায় হালকা এবং শক্তিশালী করে তোলে। আইফোনের নতুন সিরিজসমূহ ভোক্তাদের মাঝে অ্যাপলের জনপ্রিয়তা এবং উন্মাদনাকে আরও প্রবল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।

টেকনালাইসিস রিসার্চের প্রধান বব ও'ডোনেল বলেন, আইফোনের নতুন লাইনআপগুলো ভোক্তাদের জন্য স্থিতিশীল দামের বিস্ময়কর সুবিধা নিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, আইফোন ১৫ এর দাম শুরু ৭৯৯ মার্কিন ডলার থেকে, আইফোন ১৫ প্লাসের দাম শুরু ৮৯৯ মার্কিন ডলার থেকে এবং প্রো সিরিজের দাম শুরু ৯৯৯ মার্কিন ডলার থেকে। প্রো ম্যাক্সের দাম ১১৯৯ মার্কিন ডলার থেকে শুরু হয়।

ক্রিয়েটিভ স্ট্র্যাটেজিসের বিশ্লেষক ক্যারোলিনা মিলানেসি বলেন, ইউএসবি-সি শিফটসহ আরও কিছু ক্ষেত্রে আইফোন প্রোতে কিছু পার্থক্য আনা হয়েছে। এতে ডাটা স্থানান্তরের জন্য দ্রুত থ্রুপুট রয়েছে। যারা পেশাদার ভোক্তা তাদের জন্য ডিভাইসটি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

;

উন্মোচন হলো ‘টাইপ সি’ চার্জারযুক্ত আইফোন ১৫



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আইফোন ১৫ সিরিজ উন্মোচন করল প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল। মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাপল পার্কে আইফোন ১৫ সিরিজের পাশাপাশি, অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ৯, অ্যাপল ওয়াচ আল্ট্রা ২ উন্মোচন করা হয়। 

অ্যাপল জানিয়েছে, আইফোনের নতুন মডেলগুলোতে ‘টাইপ সি’ চার্জার ব্যবহার করা যাবে। ব্যবহারকারীরা দীর্ঘদিন ধরে আইফোনে ‘টাইপ সি’ চার্জার যোগ করার দাবি করে আসছিলেন। অবশেষে ব্যবহারকারীদের দাবি পূরণ করে আইফোন ১৫-তে ‘টাইপ সি’ চার্জার যুক্ত করল অ্যাপল।

জানা গেছে, গত বছর আইফোন ১৪ প্রোর মডেলে যে হার্ডওয়্যার ব্যবহার করেছিল অ্যাপল, আইফোন ১৫ ও ১৫ প্লাস ফোন দুটিতে একই হার্ডওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। শুধু ক্যামেরা অ্যাপে নতুন টেলিফটো অপশন ব্যবহার করা হয়েছে। আইফোন ১৫ ও ১৫ প্লাস ফোন দুটির প্রধান ক্যামেরা ৪৮ মেগাপিক্সেলের। এই ফোন দুটি পিঙ্ক, ইয়েলো, গ্রিন, ব্লু এবং ব্ল্যাক কালারে বাজারে পাওয়া যাবে।

আইফোন ১৫ প্রো’র ১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৯৯ ডলার। আর একই ভ্যারিয়েন্টের আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স’র দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৯৯ ডলার।

আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) থেকে নতুন ফোনগুলোর অর্ডার নেওয়া শুরু হবে এবং ২২ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বের অন্তত ৪০টি দেশ ও অঞ্চলের ব্যবহারকারীরা এটি হাতে পাবেন বলে জানিয়েছে অ্যাপল। 

আইফোন ১৫ সিরিজের ডিভাইসগুলোর দাম

আইফোন ১৫ এর দাম শুরু হবে ৭৯৯ মার্কিন ডলার থেকে। আইফোন ১৫ প্লাসের দাম শুরু হচ্ছে ৮৯৯ মার্কিন ডলার থেকে। আইফোন ১৫ প্রো ১০৯৯ ডলার থেকে। আর আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স ১২৯৯ ডলার থেকে শুরু হবে।

;