তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সাইবার জ্ঞানভিত্তিক গণআন্দোলন গড়া জরুরি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সাইবার জ্ঞানভিত্তিক গণআন্দোলন গড়া জরুরি

তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সাইবার জ্ঞানভিত্তিক গণআন্দোলন গড়া জরুরি

  • Font increase
  • Font Decrease

সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় নারীদের তথ্যপ্রযুক্তির বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন এবং দক্ষতা উন্নয়নে মনযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আইসিটি বিশেষজ্ঞরা। একই সাথে তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সর্বস্তরে সাইবার জ্ঞানভিত্তিক গণআন্দোলন গড়ার পরামর্শ তাদের। সিটিও ফোরাম বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের (বিএনএসকে) যৌথ আয়োজনে গতকাল মঙ্গলবার সাইবার ঝুঁকি এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মশালায় তারা এসব বলেন।

আলোচনার প্রথম পর্বে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ। তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার যে কাজ করছে তাতে সাংবাদিকদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারা যদি তাদের লেখার মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তাসহ সরকারি কার্যক্রমের ইতিবাচক সমালোচনা করেন তাতে আমরা উপকৃত হবো। কারণ ভুলগুলো সংশোধন করে সামনে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে নারী সহিংসতায় শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি বেড়েছে মানসিক নির্যাতন এবং সেখানে সাইবার বা অনলাইন গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। এ বিষয়ে সর্বস্তরে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সাংবাদিকদের এগিয়ে আসতে হবে। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তিনি বলেন, নারী গণমাধ্যম কর্মীরা যে কাজেই বাইরে যান না কেন সবসময় তার ফোন নম্বর সচল রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনে পরিবারের কোনো সদস্যের সঙ্গে লোকেশন শেয়ার করা উচিত। এতে করে তিনি কোন সমস্যার পড়লে তার সহযোগিতায় এগিয়ে যাওয়া এবং সন্ধান পাওয়া সহজ হবে।

দ্বিতীয় পর্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং ইনফরমেশন সিকিউরিটি নিয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেন সিটিও ফোরাম মহাসচিব আরফে এলাহী মানিক। এসময় তিনি উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে অনলাইনে প্রাপ্ত তথ্যযাচাই করার প্রক্রিয়াসহ নিরাপত্তার অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করেন। এসময় তিনি বলেন, নিরাপত্তা শুরু করতে হবে ব্যক্তিপর্যায়ে থেকে। এছাড়া সামান্য ইমেইল বা ফেইসবুক পাসওয়ার্ড হতে শুরু করে তথ্য যাচাই-বাছাই, ভুল তথ্য প্রচার, ম্যালওয়্যার চেনা ও তা থেকে সুরক্ষায় মোবাইল এবং পিসিতে ফায়ারওয়ালের ব্যবহার এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখার কলাকৌশল নিয়ে তিনি কথা বলেন। নিরাপত্তা বিধানে ব্যক্তিক দক্ষতা উন্নয়নে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। সিটিও ফোরামের এই নেতা আরও বলেন, সাইবার বিশ্বে ঝুঁকি থাকবেই- তাই বলে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বন্ধ না করা চলবে না; বরং সবাইকে এ সম্পর্কে জ্হান অর্জন করে সতর্ক থাকতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে সিটিএ ফোরাম বাংলাদেশের সভাপতি তপন কান্তি সরকার বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ থেকে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি সুরক্ষায় তাদের মধ্যে প্রাযুক্তি সক্ষমতা গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি। সেই ধারাবাহিকতায় জাতীয় সঙ্কট বা প্রয়োজনের নিরিখে যেমন তরুণদের অংশগ্রহণে হ্যাকাথনের আয়োজন করা হয়; তেমনি আমরা পেশাদারদের দক্ষতা উন্নয়নেও সচেষ্ট। আমরা জানি সাইবার বিশ্বে সুবিধার পাশাপাশি বিভিন্নভাবে আমাদের নারীরা নিরাপত্তার ঝুঁকিতে রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে সাইবার জগতে তাদের নিরাপত্তার রক্ষার করণীয় বিষয়গুলো জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের নারী সাংবাদিকরা যদি নিজেরা সতর্ক হন এবং তাদের লেখার মাধ্যমে অন্যদের সতর্ক করতে পারে তাহলে সাইবার জগতে নারীর নিরাপদ অংশগ্রহণ বাড়বে। সেই লক্ষ্যেই  এই প্রশিক্ষণের আয়োজন। সাইবার জগত সম্পর্ক সচেতনতা বাড়াতে নারীদের জন্য এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। আগামীতে অন্য কোন সংগঠনের সদস্যদেরও এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে বলেও জানান সিটিও ফোরামের সভাপতি তপন কান্তি সরকার।

রাজধানীর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিভিন্ন পত্রপত্রিকা, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের ২০ সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন বাংলাদেশের মাহিন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশের মাহিন

আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশের মাহিন

  • Font increase
  • Font Decrease

ক’দিন আগে উন্মোচন করা হয়েছে মার্কিন টেকনোজায়ান্ট এপলের যুগান্তকারি সৃষ্টি আইফোন ১৪ সিরিজ। সারা বিশ্বে প্রায় ২০০ কোটি পিস সেলফোন বিক্রি করা এই প্রতিষ্ঠানটির ধারের কাছেও নেই বিশ্বের কোন মোবাইল ফোন তৈরি করা প্রতিষ্ঠান।

আইফোনের চমকপ্রদ নকশা, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা এটিকে দিয়েছে সেলফোনের জগতে সম্রাটের স্থান। বিশ্বখ্যাত এই আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ারিং টিমের সাথে কাজ করছেন বাংলাদেশের সন্তান মাহিন মাশরুর। যতটুকু জানা যায় মাহিনই একমাত্র বাংলাদেশি যে প্রোডাক্ট ডিজাইনার হিসেবে কাজ করছেন।

মাহিনের জন্ম ঢাকার উত্তরায়, ১৯৯৯ সালে। উত্তরার ‘ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন সেন্টারের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ার সময় বাবা মা’র সাথে চলে যায় কানাডায়। ২০১৮ সালে ভর্তি হন কানাডার মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ওয়াটারলু ইউনিভার্সিটির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টে।


ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি অসম্ভব আকর্ষণ মাহিনের। ওয়াটারলু ইউনিভার্সিটির নতুন নতুন প্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত থেকে তিনি তার যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। চলতি বছরের প্রথম দিকে যখন সে তার ফাইনাল পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত তখন আবেদন করেছিলেন চাকরি। ইলনমাস্কের টেসলা, স্পেসএক্স, এ্যাপল এবং অনেক কানাডিয়ান নামকরা প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি ইন্টারভিউ এর ডাক পান। মাহিন তার শেষবর্ষের পরীক্ষা শেষ করার আগেই ইন্টারভিউ এর চারটি ধাপ অতিক্রম করে এ্যাপলের আইফোন ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেয়ার সুযোগ পান।

গত ১৫ জুলাই সে যোগ দিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার কুপার্টিনোর স্টিভ জবস এর সেই বিখ্যাত ভবন অ্যাপল পার্কে। আইফোনের পরবর্তি সংস্করণের নকশায় বাংলাদেশের এই তরুণ মেধাবীর সম্পৃক্ততা থাকবে।

মেধাবী মাহিনের বাবা মা দুজনেই কৃষিবিদ। তাদের পৈত্রিক নিবাস উত্তরের জেলা গাইবান্ধা সদরের পলাশপাড়ায়। দেশে তার বাবা মোমিনুল আজম চাকরি করতেন বিসিএস (ডাক) ক্যাডারে আর মা মাহমুদা আনোয়ার ছিলেন বিসিএস (কৃষি) ক্যাডার। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ২০১০ সালে পাড়ি জমান কানাডায়। মাহিনের বড় ভাই মুহিবও কানাডায় মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন।

;

ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি, অর্থনীতি ও ইকোসিস্টেমকে ত্বরান্বিত করবে হুয়াওয়ে কানেক্ট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি, অর্থনীতি ও ইকোসিস্টেমকে ত্বরাণ্বিত করবে হুয়াওয়ে কানেক্ট

ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি, অর্থনীতি ও ইকোসিস্টেমকে ত্বরাণ্বিত করবে হুয়াওয়ে কানেক্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুরু হয়েছে বৈশ্বিক আইসিটি খাতের জন্য হুয়াওয়ের সপ্তম বার্ষিক ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম হুয়াওয়ে কানেক্ট ২০২২। ‘আনলিশ ডিজিটাল’ প্রতিপাদ্যের এই আয়োজনে সারা বিশ্বের আইসিটি খাতের দশ হাজারেরও বেশি শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ, বিশেষজ্ঞ এবং সহযোগীরা অংশগ্রহণ করেন। কীভাবে আরও কার্যকরভাবে ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি বাড়ানো যায়, ডিজিটাল অর্থনীতিকে উৎসাহিত করা যায় এবং শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরি করা যায় তার ওপর অনুষ্ঠানে গুরুত্বারোপ করেন অংশগ্রহণকারী সকলে।

সব ধরনের সহযোগিতা ও সাফল্য ভাগ করে নেয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি করে স্থানীয় ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার জন্য সরকার ও এন্টারপ্রাইজগুলোকে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য এই আয়োজনে আহ্বান জানায় হুয়াওয়ে। কারণ হুয়াওয়ের মতে, এই অংশীদারিত্বই উদ্ভাবনী অংশীদারদের একত্রিত করবে, মেধাবীদের বিকাশ ঘটাবে ও স্টার্টআপগুলোর প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদান করবে।

অনুষ্ঠানের মূল বক্তব্যে হুয়াওয়ের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট সায়মন লিন বলেন, “হুয়াওয়ে এই অঞ্চলে ডিজিটাল অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা ধারাবাহিকভাবে এর ডিজিটালাইজেশন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এবং ইন্ডাস্ট্রি ইকোসিস্টেম তৈরিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে সচেষ্ট থাকবো।”

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সরকারি প্রতিনিধিরাগণও তাঁদের নিজ-নিজ দেশে ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নের অগ্রগতি নিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। এদের মধ্যে রয়েছেন: বাংলাদেশের পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ. মান্নান; থাইল্যান্ডের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও জ্বালানি মন্ত্রী সুপ্তানাপং পুনমিচাও, এবং ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইন সরকারের অন্যান্য প্রতিনিধিগণ।

বিশাল এই আয়োজনের উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশের পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ. মান্নান তাঁর মূল বক্তব্যে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি সকলের সামনে বাংলাদেশের আইসিটি খাত, অবকাঠামো এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে এই দেশের অগ্রগতিগুলো তুলে ধরেন। গত কয়েক বছরে টেলিযোগাযোগ খাতের ওপর এই দেশের গুরুত্বারোপ ও উন্নয়নমূলক কাজের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি দেশের টুজি থেকে ফোরজি’র অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং বর্তমানে বাংলাদেশের সবাই যে ফোরজি কাভারেজ সুবিধা পাচ্ছেন সেই বিষয়টিও তুলে ধরেন। ফাইভি প্রযুক্তি চালুর মাধ্যমে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশও যে সামনের সারিতে দাঁড়িয়েছে সে বিষয়েও আলোকপাত করেন তিনি।

তিনি তাঁর মূল বক্তব্যে হুয়াওয়েকে বিগত ২৩ বছর ধরে বাংলাদেশে আইসিটি ও ডিজিটাল পাওয়ার খাতে সহায়তা করার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণের অংশীদার হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। বাংলাদেশে ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য উন্নত টেলিকম যোগাযোগ, ক্লাউড কম্পিউটিং, ডিজিটাল এনার্জি, স্মার্ট ফটোভোলটাইক্স প্রযুক্তি আনতে হুয়াওয়ের সদিচ্ছার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। স্থানীয় মেধাবীদের বিকাশ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সৃষ্ট জরুরি পরিস্থিতিতে হুয়াওয়ে যে ভূমিকা পালন করছে সেই বিষয়টিও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।

প্রাসঙ্গিকভাবেই এই অনুষ্ঠানে সাইমন লিন ডিজিটাল ফার্স্ট ইকোনমি শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছেন, যেখানে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণ এবং ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নের লক্ষ্যে নীতিগত পরামর্শের বিষয়টি উল্লেখ করা আছে।

২০২২ সালে হুয়াওয়ে কানেক্ট এর গ্লোবাল ট্যুরের প্রথম ধাপ হলো ব্যাংককের তিন দিনের এ সম্মেলনটি। দু’টি মূল অধিবেশন, ছয়টি শীর্ষ সম্মেলনের পাশাপাশি একাধিক ব্রেক-আউট সেশন ও ডেমোসহ চলতি বছরের এ অনুষ্ঠানটিতে সরকার ও এন্টারপ্রাইজগুলো ডিজিটাল রূপান্তরের পথচলায় যে সব প্রতিকূলতার মুখোমুখি হচ্ছে, ডিজিটাল অবকাঠামোতে হুয়াওয়ের অগ্রগতি, প্রতিষ্ঠানটির সর্বাধুনিক ক্লাউড সার্ভিস ও ইকোসিস্টেম পার্টনার সল্যুশন এর বিভিন্ন বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।

;

সাশ্রয়ী মূল্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল কলেজকে কর্পোরেট সেবা দিবে টেলিটক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সাশ্রয়ী মূল্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল কলেজকে কর্পোরেট সেবা দিবে টেলিটক

সাশ্রয়ী মূল্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল কলেজকে কর্পোরেট সেবা দিবে টেলিটক

  • Font increase
  • Font Decrease

সাশ্রয়ী মূল্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কে কর্পোরেট সেবা দিবে রাষ্টায়ত্ব মোবাইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড।

রাষ্টায়ত্ব মোবাইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড -এর কর্পোরেট সেবা ব্যবহারের লক্ষ্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এর মধ্যে ১১ সেপ্টেম্বর একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড সাশ্রয়ী মূল্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ- কে ভয়েস, ইন্টারনেট সেবা সহ বিভিন্ন কর্পোরেট সেবা প্রদান করবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড– এর মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয়, বিতরণ ও গ্রাহক সম্পর্ক ব্যবস্থাপনা) সালেহ্‌ মোঃ ফজলে রাব্বী এবং মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন) এ. এম. আখতারুল ইসলাম– এর উপস্থিতিতে, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড– এর পক্ষে মোঃ সাইফুর রহমান খান, অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেলস্‌ এন্ড আইবি) এবং ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ - এর পক্ষে প্রধান শিক্ষক মোঃ কাওসার চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

এছাড়াও উক্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এর পক্ষে মোস্তফা কামাল, জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেলস্‌), মোঃ বেলাল উদ্দিন সজীব, ব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেলস), নিলুফার ইয়াসমিন, উপ-ব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেলস) সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

;

বাংলাদেশে তৃতীয় আইসিটি একাডেমি স্থাপন করবে হুয়াওয়ে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাংলাদেশে তৃতীয় আইসিটি একাডেমি স্থাপন করবে হুয়াওয়ে

বাংলাদেশে তৃতীয় আইসিটি একাডেমি স্থাপন করবে হুয়াওয়ে

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষার্থীদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক জ্ঞান ও দক্ষতা বিকাশের জন্য আইসিটি একাডেমি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সম্প্রতি রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আইসিটি অবকাঠামো সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেড।

গতকাল (১৩ সেপ্টেম্বর) রুয়েট ক্যাম্পাসের ভিসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়। রুয়েটে প্রতিষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আইসিটি একাডেমিটি শিক্ষার্থীদের আইসিটি জ্ঞান ও ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে বুয়েটে প্রথম আইসিটি একাডেমি চালু করে হুয়াওয়ে, পরবর্তীতে গত আগস্ট মাসে কুয়েটে আইসিটি একাডেমি স্থাপনের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে হুয়াওয়ে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে (বাংলাদেশ) পাবলিক অ্যাফেয়ার্স এবং কমিউনিকেশন বিভাগের কান্ট্রি ডিরেক্টর কার্ল ইউয়িং সহ প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

হুয়াওয়ে এর নিজস্ব লার্নিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রুয়েটের শিক্ষার্থীদের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং কোর্স প্রদান করবে। পাশাপাশি, রুয়েটের শিক্ষকগন এই একাডেমিতে হুয়াওয়ের সনদপ্রাপ্ত প্রশিক্ষক হওয়ার সুযোগ পাবেন। এই শিক্ষকগন আইসিটি একাডেমিতে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেবেন, যেখানে শিক্ষার্থীরা সর্বশেষ আইসিটি ট্রেন্ড সম্পর্কে বিস্তৃত ধারণা লাভ করতে পারবেন।

এ নিয়ে রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “বাংলাদেশ যদি আইসিটি খাত দ্বারা পরিচালিত প্রবৃদ্ধির ধারাকে সচল রাখতে চায় তাহলে আমাদের এ তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। এ বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে আমরা হুয়াওয়ের সহযোগিতায় একটি আইসিটি একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমাদের দেশের তরুণদের ভবিষ্যত উপযোগী করে গড়ে তুলতে সহায়তা করার জন্য আমি হুয়াওয়েকে ধন্যবাদ জানাই।”

এ প্রসঙ্গে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ এর কার্ল ইউয়িং বলেন, “হুয়াওয়ে আইসিটি একাডেমি এমন একটি উদ্যোগ, যা অ্যাকাডেমিশিয়ান ও এ খাতের বিশেষজ্ঞদের সাথে তরুণ শিক্ষার্থীদের মেলবন্ধনের দ্বারা তাদের মেধার উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে তরুণদের দক্ষতা বিকাশকে ত্বরাণ্বিত করতে কাজ করছে। এর আগে আমরা বুয়েট ও কুয়েটে আইসিটি একাডেমি চালু করেছি, যার চমৎকার ফলাফল পাওয়া গেছে। এবার রুয়েটে আইসিটি একাডেমি চালু করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।”

উল্লেখ্য যে, হুয়াওয়ে ২০১৩ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কো-অপারেশন প্রকল্প হিসেবে আইসিটি একাডেমি চালু করে। বর্তমানে যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন সহ বিশ্বজুড়ে ৯০টির বেশি দেশে হুয়াওয়ের পরিচালনায় ১৫০০ আইসিটি একাডেমির কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ উদ্যোগের সঙ্গে সব মিলিয়ে ৯২৭টি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সম্পৃক্ত। এছাড়াও, বিশ্বের হাজার হাজার শিক্ষার্থী এই উদ্যোগ থেকে উপকৃত হচ্ছেন।

;