গ্রাহক ধরে রাখতে সেবার মান বাড়ানোর বিকল্প নেই



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
'নেটওয়ার্ক উন্নয়নে অবকাঠামো ভাগাভাগির চ্যালেঞ্জ' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক

'নেটওয়ার্ক উন্নয়নে অবকাঠামো ভাগাভাগির চ্যালেঞ্জ' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে মোবাইল অপারেটররা তাদের নিজস্ব টাওয়ার শেয়ারিং এ অনাগ্রহী হওয়ায় এক যুগের বেশি সময় আগে অবকাঠামো ভাগাভাগি নীতিমালা করা হলেও এর উল্লেখযোগ্য কোন সুফল পাওয়া যায়নি।

এ নীতিমালা প্রতিপালনে বাধ্যবাধকতা থাকলে নেটওয়ার্ক সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যেত। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব।

নীতিমালাটি কঠোরভাবে প্রতিপালন করা হলে সেবার মানও তুলনামূলক বৃদ্ধি পেত বলে জানান আলোচকরা।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টার ইনে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত 'নেটওয়ার্ক উন্নয়নে অবকাঠামো ভাগাভাগির চ্যালেঞ্জ' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে আলোচকরা  একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধে জানানো হয়, গত ২৫ বছরে মোবাইল অপারেটর টাওয়ার শেয়ারিং মাত্র ১৭% পৌঁছেছে।

টাওয়ার লাইসেন্সিং চালু পরবর্তী সময়ে ২০২১ সালের মে মাসে এ বিটিআরসি ত্রিপাক্ষিক চুক্তি (মোবাইল অপারেটর-টাওয়ার কোম্পানি- মোবাইল অপারেটর) সম্পাদনের নির্দেশ দিলেও কিছু মোবাইল অপারেটর অন্য মোবাইল অপারেটর নিজস্ব টাওয়ারের শেয়ারিং করতে চাইলেও গত প্রায় ৪ বছরে কোন শেয়ারিং হয়নি।

টাওয়ার নির্মাণ বাড়ছে যা টাওয়ার শেয়ারিং এর পরিপন্থী। এর কারণে টাওয়ার কোম্পানী গুলোর প্রচুর বিনিয়োগ প্রয়োজন হচ্ছে। 

আলোচকরা বলেন, এই অবস্থার মূল্য কারণ প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে মোবাইল অপারেটররা তাদের নিজস্ব টাওয়ার শেয়ারিং এ অনাগ্রহী। মোবাইল অপারেটরদের প্রায় ২০ হাজার টাওয়ার এখনও শেয়ারিং এর বাইরে রয়েছে।

আলোচকরা বলছেন, নেটওয়ার্ক তৈরির প্রতিযোগিতায় অপরিকল্পিতভাবে বিটিএস স্থাপন করেছে সেলফোন অপারেটররা। গত দুই দশকে সারা দেশে অপারেটর নিজস্ব টাওয়ারে বিটিএস বসিয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার।

বর্তমানে অপারেটরগুলোর মধ্যে রবি ৩০%, গ্রামীণফোন ১৮%, বাংলালিংক ১৭% শেয়ার করছে। অপারেটরেদের হাতে থাকা ২৪ হাজার ৪২৫ টাওয়ারেরর মাত্র ১৭ % টাওয়ার শেয়ার হচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। 

টাওয়ার শেয়ারিং না করা সরকারের নীতির সম্পূর্ণ বিরোধী বলে মন্তব্য করে আলোচকরা বলেন, টাওয়ার ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজন হচ্ছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ, যা চাপ তৈরি করছে জ্বালানির ওপর। অপরিকল্পিত এসব বিটিএস পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। অপচয় হচ্ছে জমিরও। এগুলো পরিচালনায় ব্যয় বাড়ছে অপারেটরদের।

 

অপারেটরদের ভাগাভাগির মাধ্যমে এ সংখ্যা কমিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে জানিয়ে আলোচকরা বলেন, মোবাইল অপারেটররা তাদের নিজস্ব মালিকানাধীন টাওয়ার ধরে রেখেছে যার ফলে নতুন টাওয়ার তৈরি হচ্ছে কিন্তু শেয়ারিং বাড়ছে না । টাওয়ার নির্মাণ বাড়ছে যা টাওয়ার শেয়ারিং এর পরিপন্থী।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, অপ্রয়োজনে একই জায়গায় একাধিক অবকাঠামো গড়ে তোলা সমীচিন নয়। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে যে অবকাঠামো আমরা গড়ে তুলছি তা যেন একে অপেরর সাথে ভাগাভাগি করতে পারি। অ্যাকটিভ শেয়ারিংটা জরুরি।

মন্ত্রী বলেন, বিটিআরসি উন্নয়নের কাজ বেশি করে। যে সংকটগুলো বলা হয়েছে তা অবশ্যই সমাধানের উদে্যগ নেওয়া হবে। এমএনওগুলোর দায়িত্ব হচ্ছে তাদের হাতে যে টাওয়ারগুলো আছে তা দয়া করে টাওয়ার কোম্পানিগুলোকে দিয়ে দিন। কোম্পানিগুলো সেগুলো শেয়ার করুক, শেয়ার করার ক্ষেত্রে চারটি অপারেটরই যাতে নিতে পারে সে সুযোগ তৈরি করতে হবে। এরফলে এমএনওগুলোর বিনিয়োগ কম করতে হবে, যে অর্থটা তারা এভানে বিনিয়োগ করতো তা গুনগত মান উন্নয়নে ব্যয় করতে পারবে। আমাদের যে গাইডলাইন রয়েছে তা যেন মেনে চলা হয়। অ্যাকটিভ শেয়ারিং জরুরি বিষয়, এ নীতিমালা আপডেট করা হচ্ছে যা সময় নিয়ে করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, কোন অবস্থাতেই গ্রাহক ধরে রাখতে পারবেন না যদি সেবার মান ধরে না রাখতে পারেন। সেবার বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। ব্যবসা করেন বা গ্রাহক বাড়ান তাতে কোনো আপত্তি নেই। মানসম্মত সেবা দিতে না পারলে টিকে থাকা যাবে না।

বিটিআরি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর শিকদার বলেন, আমাদের কোয়ালিটি অব সার্ভিস নিশ্চিত করতে হবে। অবকাঠামো ভাগাভাগিতে গ্যাপ কোথায় তা দেখতে হবে। আমােদর দেশে যারা টেলিকম সেবাদাতা তারা কেউ কেউ মাকের্ট সাইজটা বৃদ্ধি করতে মনেযাগী সেবার মান বৃদ্ধি করতে মনযোগী কম। শেয়ারিং এর ক্ষেত্রে অপারেটরদের অহীনা আছে, কিছুটা সমন্বয়হীনতাও আছে। বিটিআরসি এ বিষয়ে কাজ করছে । সরকার যে সাশ্রয়ের কথা বলছে জ্বালানি ও বিদু্‌্যত , এ সাশ্রয় করতে গেলে শেয়ারিংটা মাস্ট। অনেক কিছুই আছে নতুন কোন নীতিমালা দরকার নেই, কিছু কিছু জায়গায় ভুলবুঝাবুঝি আছে তা সমাধান করতে হবে যা রিভিউ করা দরকার।

এছাড়া অনুষ্ঠানে রিকি স্টেইন, কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ইডটকো বাংলাদেশ

হোসেন সাদাত, হেড অব রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স, গ্রামীণফোন, তাইমুর রহমান, চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার, বাংলালিংক, সাহাব উদ্দিন আহমেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টেলিটক ,রফিকুল মতিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিটিসিএল, এমদাদুল হক, সভাপতি, আইএসপিএবি, মইনুল হক সিদ্দিকী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যান, ফাইবার অ্যাট হোম

অনামিকা ভক্ত, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট, স্পেকট্রাম অ্যান্ড টেকনিক্যাল রেগুলেশন, রবি আজিয়াটা লিমিটেড বক্তব্য রাখেন।

আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন বাংলাদেশের মাহিন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশের মাহিন

আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশের মাহিন

  • Font increase
  • Font Decrease

ক’দিন আগে উন্মোচন করা হয়েছে মার্কিন টেকনোজায়ান্ট এপলের যুগান্তকারি সৃষ্টি আইফোন ১৪ সিরিজ। সারা বিশ্বে প্রায় ২০০ কোটি পিস সেলফোন বিক্রি করা এই প্রতিষ্ঠানটির ধারের কাছেও নেই বিশ্বের কোন মোবাইল ফোন তৈরি করা প্রতিষ্ঠান।

আইফোনের চমকপ্রদ নকশা, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা এটিকে দিয়েছে সেলফোনের জগতে সম্রাটের স্থান। বিশ্বখ্যাত এই আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ারিং টিমের সাথে কাজ করছেন বাংলাদেশের সন্তান মাহিন মাশরুর। যতটুকু জানা যায় মাহিনই একমাত্র বাংলাদেশি যে প্রোডাক্ট ডিজাইনার হিসেবে কাজ করছেন।

মাহিনের জন্ম ঢাকার উত্তরায়, ১৯৯৯ সালে। উত্তরার ‘ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন সেন্টারের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ার সময় বাবা মা’র সাথে চলে যায় কানাডায়। ২০১৮ সালে ভর্তি হন কানাডার মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ওয়াটারলু ইউনিভার্সিটির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টে।


ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি অসম্ভব আকর্ষণ মাহিনের। ওয়াটারলু ইউনিভার্সিটির নতুন নতুন প্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত থেকে তিনি তার যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। চলতি বছরের প্রথম দিকে যখন সে তার ফাইনাল পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত তখন আবেদন করেছিলেন চাকরি। ইলনমাস্কের টেসলা, স্পেসএক্স, এ্যাপল এবং অনেক কানাডিয়ান নামকরা প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি ইন্টারভিউ এর ডাক পান। মাহিন তার শেষবর্ষের পরীক্ষা শেষ করার আগেই ইন্টারভিউ এর চারটি ধাপ অতিক্রম করে এ্যাপলের আইফোন ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেয়ার সুযোগ পান।

গত ১৫ জুলাই সে যোগ দিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার কুপার্টিনোর স্টিভ জবস এর সেই বিখ্যাত ভবন অ্যাপল পার্কে। আইফোনের পরবর্তি সংস্করণের নকশায় বাংলাদেশের এই তরুণ মেধাবীর সম্পৃক্ততা থাকবে।

মেধাবী মাহিনের বাবা মা দুজনেই কৃষিবিদ। তাদের পৈত্রিক নিবাস উত্তরের জেলা গাইবান্ধা সদরের পলাশপাড়ায়। দেশে তার বাবা মোমিনুল আজম চাকরি করতেন বিসিএস (ডাক) ক্যাডারে আর মা মাহমুদা আনোয়ার ছিলেন বিসিএস (কৃষি) ক্যাডার। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ২০১০ সালে পাড়ি জমান কানাডায়। মাহিনের বড় ভাই মুহিবও কানাডায় মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন।

;

ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি, অর্থনীতি ও ইকোসিস্টেমকে ত্বরান্বিত করবে হুয়াওয়ে কানেক্ট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি, অর্থনীতি ও ইকোসিস্টেমকে ত্বরাণ্বিত করবে হুয়াওয়ে কানেক্ট

ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি, অর্থনীতি ও ইকোসিস্টেমকে ত্বরাণ্বিত করবে হুয়াওয়ে কানেক্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুরু হয়েছে বৈশ্বিক আইসিটি খাতের জন্য হুয়াওয়ের সপ্তম বার্ষিক ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম হুয়াওয়ে কানেক্ট ২০২২। ‘আনলিশ ডিজিটাল’ প্রতিপাদ্যের এই আয়োজনে সারা বিশ্বের আইসিটি খাতের দশ হাজারেরও বেশি শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ, বিশেষজ্ঞ এবং সহযোগীরা অংশগ্রহণ করেন। কীভাবে আরও কার্যকরভাবে ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি বাড়ানো যায়, ডিজিটাল অর্থনীতিকে উৎসাহিত করা যায় এবং শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরি করা যায় তার ওপর অনুষ্ঠানে গুরুত্বারোপ করেন অংশগ্রহণকারী সকলে।

সব ধরনের সহযোগিতা ও সাফল্য ভাগ করে নেয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি করে স্থানীয় ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার জন্য সরকার ও এন্টারপ্রাইজগুলোকে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য এই আয়োজনে আহ্বান জানায় হুয়াওয়ে। কারণ হুয়াওয়ের মতে, এই অংশীদারিত্বই উদ্ভাবনী অংশীদারদের একত্রিত করবে, মেধাবীদের বিকাশ ঘটাবে ও স্টার্টআপগুলোর প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদান করবে।

অনুষ্ঠানের মূল বক্তব্যে হুয়াওয়ের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট সায়মন লিন বলেন, “হুয়াওয়ে এই অঞ্চলে ডিজিটাল অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা ধারাবাহিকভাবে এর ডিজিটালাইজেশন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এবং ইন্ডাস্ট্রি ইকোসিস্টেম তৈরিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে সচেষ্ট থাকবো।”

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সরকারি প্রতিনিধিরাগণও তাঁদের নিজ-নিজ দেশে ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নের অগ্রগতি নিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। এদের মধ্যে রয়েছেন: বাংলাদেশের পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ. মান্নান; থাইল্যান্ডের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও জ্বালানি মন্ত্রী সুপ্তানাপং পুনমিচাও, এবং ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইন সরকারের অন্যান্য প্রতিনিধিগণ।

বিশাল এই আয়োজনের উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশের পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ. মান্নান তাঁর মূল বক্তব্যে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি সকলের সামনে বাংলাদেশের আইসিটি খাত, অবকাঠামো এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে এই দেশের অগ্রগতিগুলো তুলে ধরেন। গত কয়েক বছরে টেলিযোগাযোগ খাতের ওপর এই দেশের গুরুত্বারোপ ও উন্নয়নমূলক কাজের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি দেশের টুজি থেকে ফোরজি’র অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং বর্তমানে বাংলাদেশের সবাই যে ফোরজি কাভারেজ সুবিধা পাচ্ছেন সেই বিষয়টিও তুলে ধরেন। ফাইভি প্রযুক্তি চালুর মাধ্যমে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশও যে সামনের সারিতে দাঁড়িয়েছে সে বিষয়েও আলোকপাত করেন তিনি।

তিনি তাঁর মূল বক্তব্যে হুয়াওয়েকে বিগত ২৩ বছর ধরে বাংলাদেশে আইসিটি ও ডিজিটাল পাওয়ার খাতে সহায়তা করার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণের অংশীদার হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। বাংলাদেশে ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য উন্নত টেলিকম যোগাযোগ, ক্লাউড কম্পিউটিং, ডিজিটাল এনার্জি, স্মার্ট ফটোভোলটাইক্স প্রযুক্তি আনতে হুয়াওয়ের সদিচ্ছার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। স্থানীয় মেধাবীদের বিকাশ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সৃষ্ট জরুরি পরিস্থিতিতে হুয়াওয়ে যে ভূমিকা পালন করছে সেই বিষয়টিও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।

প্রাসঙ্গিকভাবেই এই অনুষ্ঠানে সাইমন লিন ডিজিটাল ফার্স্ট ইকোনমি শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছেন, যেখানে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণ এবং ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নের লক্ষ্যে নীতিগত পরামর্শের বিষয়টি উল্লেখ করা আছে।

২০২২ সালে হুয়াওয়ে কানেক্ট এর গ্লোবাল ট্যুরের প্রথম ধাপ হলো ব্যাংককের তিন দিনের এ সম্মেলনটি। দু’টি মূল অধিবেশন, ছয়টি শীর্ষ সম্মেলনের পাশাপাশি একাধিক ব্রেক-আউট সেশন ও ডেমোসহ চলতি বছরের এ অনুষ্ঠানটিতে সরকার ও এন্টারপ্রাইজগুলো ডিজিটাল রূপান্তরের পথচলায় যে সব প্রতিকূলতার মুখোমুখি হচ্ছে, ডিজিটাল অবকাঠামোতে হুয়াওয়ের অগ্রগতি, প্রতিষ্ঠানটির সর্বাধুনিক ক্লাউড সার্ভিস ও ইকোসিস্টেম পার্টনার সল্যুশন এর বিভিন্ন বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।

;

সাশ্রয়ী মূল্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল কলেজকে কর্পোরেট সেবা দিবে টেলিটক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সাশ্রয়ী মূল্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল কলেজকে কর্পোরেট সেবা দিবে টেলিটক

সাশ্রয়ী মূল্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল কলেজকে কর্পোরেট সেবা দিবে টেলিটক

  • Font increase
  • Font Decrease

সাশ্রয়ী মূল্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কে কর্পোরেট সেবা দিবে রাষ্টায়ত্ব মোবাইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড।

রাষ্টায়ত্ব মোবাইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড -এর কর্পোরেট সেবা ব্যবহারের লক্ষ্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এর মধ্যে ১১ সেপ্টেম্বর একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড সাশ্রয়ী মূল্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ- কে ভয়েস, ইন্টারনেট সেবা সহ বিভিন্ন কর্পোরেট সেবা প্রদান করবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড– এর মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয়, বিতরণ ও গ্রাহক সম্পর্ক ব্যবস্থাপনা) সালেহ্‌ মোঃ ফজলে রাব্বী এবং মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন) এ. এম. আখতারুল ইসলাম– এর উপস্থিতিতে, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড– এর পক্ষে মোঃ সাইফুর রহমান খান, অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেলস্‌ এন্ড আইবি) এবং ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ - এর পক্ষে প্রধান শিক্ষক মোঃ কাওসার চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

এছাড়াও উক্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এর পক্ষে মোস্তফা কামাল, জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেলস্‌), মোঃ বেলাল উদ্দিন সজীব, ব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেলস), নিলুফার ইয়াসমিন, উপ-ব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেলস) সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

;

বাংলাদেশে তৃতীয় আইসিটি একাডেমি স্থাপন করবে হুয়াওয়ে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাংলাদেশে তৃতীয় আইসিটি একাডেমি স্থাপন করবে হুয়াওয়ে

বাংলাদেশে তৃতীয় আইসিটি একাডেমি স্থাপন করবে হুয়াওয়ে

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষার্থীদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক জ্ঞান ও দক্ষতা বিকাশের জন্য আইসিটি একাডেমি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সম্প্রতি রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আইসিটি অবকাঠামো সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেড।

গতকাল (১৩ সেপ্টেম্বর) রুয়েট ক্যাম্পাসের ভিসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়। রুয়েটে প্রতিষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আইসিটি একাডেমিটি শিক্ষার্থীদের আইসিটি জ্ঞান ও ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে বুয়েটে প্রথম আইসিটি একাডেমি চালু করে হুয়াওয়ে, পরবর্তীতে গত আগস্ট মাসে কুয়েটে আইসিটি একাডেমি স্থাপনের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে হুয়াওয়ে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে (বাংলাদেশ) পাবলিক অ্যাফেয়ার্স এবং কমিউনিকেশন বিভাগের কান্ট্রি ডিরেক্টর কার্ল ইউয়িং সহ প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

হুয়াওয়ে এর নিজস্ব লার্নিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রুয়েটের শিক্ষার্থীদের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং কোর্স প্রদান করবে। পাশাপাশি, রুয়েটের শিক্ষকগন এই একাডেমিতে হুয়াওয়ের সনদপ্রাপ্ত প্রশিক্ষক হওয়ার সুযোগ পাবেন। এই শিক্ষকগন আইসিটি একাডেমিতে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেবেন, যেখানে শিক্ষার্থীরা সর্বশেষ আইসিটি ট্রেন্ড সম্পর্কে বিস্তৃত ধারণা লাভ করতে পারবেন।

এ নিয়ে রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “বাংলাদেশ যদি আইসিটি খাত দ্বারা পরিচালিত প্রবৃদ্ধির ধারাকে সচল রাখতে চায় তাহলে আমাদের এ তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। এ বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে আমরা হুয়াওয়ের সহযোগিতায় একটি আইসিটি একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমাদের দেশের তরুণদের ভবিষ্যত উপযোগী করে গড়ে তুলতে সহায়তা করার জন্য আমি হুয়াওয়েকে ধন্যবাদ জানাই।”

এ প্রসঙ্গে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ এর কার্ল ইউয়িং বলেন, “হুয়াওয়ে আইসিটি একাডেমি এমন একটি উদ্যোগ, যা অ্যাকাডেমিশিয়ান ও এ খাতের বিশেষজ্ঞদের সাথে তরুণ শিক্ষার্থীদের মেলবন্ধনের দ্বারা তাদের মেধার উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে তরুণদের দক্ষতা বিকাশকে ত্বরাণ্বিত করতে কাজ করছে। এর আগে আমরা বুয়েট ও কুয়েটে আইসিটি একাডেমি চালু করেছি, যার চমৎকার ফলাফল পাওয়া গেছে। এবার রুয়েটে আইসিটি একাডেমি চালু করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।”

উল্লেখ্য যে, হুয়াওয়ে ২০১৩ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কো-অপারেশন প্রকল্প হিসেবে আইসিটি একাডেমি চালু করে। বর্তমানে যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন সহ বিশ্বজুড়ে ৯০টির বেশি দেশে হুয়াওয়ের পরিচালনায় ১৫০০ আইসিটি একাডেমির কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ উদ্যোগের সঙ্গে সব মিলিয়ে ৯২৭টি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সম্পৃক্ত। এছাড়াও, বিশ্বের হাজার হাজার শিক্ষার্থী এই উদ্যোগ থেকে উপকৃত হচ্ছেন।

;