থাইল্যান্ড যাচ্ছে সিডস ফর দ্য ফিউচার বাংলাদেশের বিজয়ী ৯ শিক্ষার্থী 



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
থাইল্যান্ড যাচ্ছে সিডস ফর দ্য ফিউচার বাংলাদেশের বিজয়ী ৯ শিক্ষার্থী 

থাইল্যান্ড যাচ্ছে সিডস ফর দ্য ফিউচার বাংলাদেশের বিজয়ী ৯ শিক্ষার্থী 

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার বনানীর হোটেল শেরাটনে এক অনুষ্ঠানে সিডস ফর দ্য ফিউচার ২০২২, বাংলাদেশের শীর্ষ নয় (৯) শিক্ষার্থীর নাম ঘোষণা করেছে হুয়াওয়ে। আয়োজনের পরবর্তী রাউন্ডে অংশ নিতে আগামী মাসে এই বিজয়ীরা থাইল্যান্ড যাবেন এবং এশিয়ার অন্যান্য বিজয়ীদের সাথে যোগ দিবেন। 

চলতি বছর এই প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া এক হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩০ জন শিক্ষার্থী দ্বিতীয় রাউন্ডের জন্য নির্বাচিত হয়। বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে তৃতীয় রাউন্ড তথা বাংলাদেশের ফাইনাল রাউন্ডে শীর্ষ নয় (৯) শিক্ষার্থীকে বাছাই করা হয়। থাইল্যান্ডে এই প্রোগ্রামের পরবর্তী রাউন্ড অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন এবং তাদের প্রোজেক্ট আইডিয়া এবং সাবমিশনের মাধ্যমে অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতায় অংশ নিবেন। থাইল্যান্ড রাউন্ডের বিজয়ীরা ‘টেক ফর গুড অ্যাকসেলারেটর ক্যাম্প’-এ অংশ নিতে সিঙ্গাপুর যাবেন। প্রোগ্রাম শেষে চ্যাম্পিয়নরা পাবেন হুয়াওয়ে মেটবুক ল্যাপটপ।         

প্রতিযোগিতার নয়জন বিজয়ী হলেন: বুয়েটের গোলাম মাহমুদ সামদানী; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাদমিন সুলতানা; রুয়েটের মাদিহা বিনতে জাকির ও মেহরিন তাবাসসুম, আইইউটির ওয়াসিফা রহমান রেশমি ও মো. সুমিত হাসান; চুয়েটের মোহাম্মদ ইফতেখার ইবনে জালাল এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের লাজিব শারার শায়ক ও মোহসিনা তাজ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকায় চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর ইউ লিওয়েন, বাংলাদেশে ইউনেস্কোর হেড অব অফিস ও প্রতিনিধি বিয়াট্রিস কালদুন এবং ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। এছাড়াও, হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের বোর্ড মেম্বার জেসন লি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, “আমাদের স্টেমের বিষয়গুলোতে আরও বেশি জ্ঞান অর্জন করতে হবে এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে যথাযথ আইসিটি জ্ঞান প্রদান করতে হবে। এ ধরনের প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা এই লক্ষ্য পূরণে এগিয়ে যাচ্ছি। সিডস ফর দ্য ফিউচার আমার কাছে অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক বলে মনে হয়। আমি নিশ্চিত যে, আমাদের শিক্ষার্থীরাও ঠিক এমনটাই মনে করে। এই উদ্যোগের জন্য আমি হুয়াওয়েকে সাধুবাদ জানাই এবং প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া সকল বিজয়ীকে অভিনন্দন জানাই।”

বাংলাদেশে ইউনেস্কোর হেড অব অফিস ও প্রতিনিধি বিয়াট্রিস কালদুন বলেন, “হুয়াওয়ে তরুণদের শেখার ও অন্যদের শিখতে উৎসাহিত করার চমৎকার সুযোগ তৈরি করছে। আমি সত্যিই বিশ্বাস করি যে, এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যা শিখবে তা তাদের ভবিষ্যতে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে, যা পরবর্তীতে সমাজ ও দেশের প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর ইউ লিয়েন বলেন, “ইকোসিস্টেমের বিকাশে সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে হুয়াওয়ে। যেহেতু তরুণরা এ ইকোসিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ; তাই বিশ্বজুড়ে তরুণদের ডিজিটাল দক্ষতা বিকাশের জন্য হুয়াওয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

তিনি আরও বলেন, “হুয়াওয়ের সিডস ফর দ্য ফিউচার এমন একটি উদ্যোগ, যা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সহায়তা করার পাশাপাশি তাদের এ খাত সংশ্লিষ্ট জ্ঞান অর্জনে সাহায্য করবে। তরুণ মেধাবীদের বিকাশেও চীনা দূতাবাস কাজ করছে। প্রতি বছর আমরা শিক্ষার্থীদের  চীন সরকারের বৃত্তি, প্রভিন্সিয়াল বৃত্তি, বিশ্ববিদ্যালয় বৃত্তি ও কনফুসিয়াস বৃত্তি দিয়ে থাকি। চীনা দূতাবাস ও হুয়াওয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর এ ধরনের প্রচেষ্টা বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সাহায্য করেছে এবং ভবিষ্যতে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণেও সাহায্য করবে বলে আমি মনে করি।"

হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের বোর্ড মেম্বার জেসন লি বলেন, “আইসিটি খাতের মেধাবীদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে একটি উন্নত ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে হুয়াওয়ে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মেধাবী তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিশ্বব্যাপী সিডস ফর দ্য ফিউচার প্রোগ্রামে ১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করেছে হুয়াওয়ে। বাংলাদেশে অনেক মেধাবী তরুণ রয়েছেন এবং বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে হুয়াওয়ে সবসময় পাশে আছে।”

ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, “বিশ্বদরবারে নিজেদের চিহ্ন রাখতে হুয়াওয়ের সিডস ফর দ্যা ফিউচার প্রোগ্রামে সারা দেশের শিক্ষার্থীদের এমন স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। নিঃসন্দেহে এটি দুর্দান্ত কিছুর শুরু। তরুণদের দিকনির্দেশনায় আমরা স্মার্ট বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যাবো।”

শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি চুয়েটের ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইফতেখার ইবনে জালাল বলেন, “সিডস ফর দ্য ফিউচার প্রোগ্রামে আমরা অনেকগুলো ধাপে অংশ নিয়েছি। এর মধ্যে ছিলো একটি মেন্টরশিপ স্টেজ, যেখানে আমি অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। এই প্রোগ্রামটি আমাকে এবং আমার মতো আরও অনেককে আইডিয়াকে একটি কার্যকর পরিকল্পনায় বাস্তবায়ন শিখতে সাহায্য করেছে এবং আমাদের লক্ষ্যের আরও কাছাকাছি নিয়ে গেছে।”

বাংলাদেশে একটি পূর্ণাঙ্গ আইসিটি ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে বিভিন্নভাবে অবদান রাখছে হুয়াওয়ে। এই বৈশ্বিক আইসিটি অবকাঠামো সেবাদাতা দেশকে ডিজিটাল রূপান্তরের সকল সুবিধা লাভে সাহায্য করছে। ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার’ হুয়াওয়ের এমনই একটি উদ্যোগ, যা ২০০৮ সালে থাইল্যান্ডে বৈশ্বিকভাবে চালু হয়। এখন পর্যন্ত, এই প্রোগ্রামটি বিশ্বের ১৩৭টি দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিশ্বের প্রায় ১২ হাজার শিক্ষার্থী ও পাঁচ শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয় এই উদ্যোগের মাধ্যমে উপকৃত হয়েছে। স্টেম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, গণিত) এবং নন-স্টেমে শীর্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত এই প্রোগ্রাম, অংশগ্রহণকারীদের শেখার ও দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করে।

বিনিয়োগের ব্যাপারে ঘোষণা দিলো শেয়ারট্রিপ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিনিয়োগের ব্যাপারে ঘোষণা দিলো শেয়ারট্রিপ

বিনিয়োগের ব্যাপারে ঘোষণা দিলো শেয়ারট্রিপ

  • Font increase
  • Font Decrease

 

জমকালো পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে অংশীদার ও অংশীজনদের সাথে নিজেদের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে দেশের সবচেয়ে বড় ও শীর্ষস্থানীয় অনলাইন ট্রাভেল এজেন্ট (ওটিএ) শেয়ারট্রিপ। সম্প্রতি রাজধানীর হোটেল শেরাটন ঢাকায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শেয়ারট্রিপ এর ভ্রমণ ও পর্যটন সম্পর্কিত অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২০২০-২০২১ সালে সার্বিক সহায়তা ও নানা ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য সৌহার্দ্যপূর্ণ আংশিদারিত্বের প্রতীক স্বরূপ পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে সম্মানিত করেছে। পর্যটন খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে থেকে শেয়ারট্রিপ প্রথমবারের মতো এর সাপ্লায়ার এবং ব্যবসায়িক অংশীদারদের পুরস্কৃত করে। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টার্টআপ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহমেদ। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শেয়ারট্রিপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া হক এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা কাশেফ রহমান।

এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেয়ারট্রিপ এর অংশীদার প্রতিষ্ঠানদের প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি জানাতে বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার প্রদান করে, যেমন: এক্সেমপ্লারি পারফর্মিং এয়ারলাইন ইন সাউথ এশিয়া, সাউথ-ইস্ট এশিয়া, আমেরিকাস, ইউরোপ, ওশেনিয়া, মিডল ইস্ট ও সেন্ট্রাল এশিয়া, এশিয়া রিজিওনস এবং বাংলাদেশ, লিডিং ক্যাম্পেইন পার্টনার, লিডিং ট্র্যানজ্যাকশন পার্টনার, বেস্ট কমার্শিয়াল পার্টনার, বেস্ট পারফর্মিং এজেন্ট সহ আরও অন্যান্য অনেক বিভাগ। এছাড়াও, গ্রাহকদের পছন্দ জানার জন্য, তিন দিনব্যাপী পরিচালিত এক জরিপের দশ হাজারেরও বেশি মতামতের ভিত্তিতে শেয়ারট্রিপ পিপল’স চয়েস এয়ারলাইন এবং পিপল’স চয়েস হোটেল খাতে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। 

আইসিটি বিভাগের ফ্ল্যাগশিপ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় এ ওটিএ প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করে এবং শেয়ারট্রিপ-ই দেশের প্রথম পর্যটন খাতে বিনিয়োগকৃত প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। পর্যটন খাতের সকল ক্ষেত্রে এ ওটিএ যাতে এগিয়ে যেতে পারে, তাই শেয়ারট্রিপে কৌশলগত এ বিনিয়োগ করা হয়। পর্যটন খাতে একটি প্রভাবশালী ভূমিকা পালনের এবং এর অগ্রগতিকে আরও ডিজিটালাইজড করার লক্ষ্যে, স্টার্টআপ বাংলাদেশ ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যমানের প্রতিষ্ঠান শেয়ারট্রিপে বিনিয়োগ করেছে। শেয়ারট্রিপের লক্ষ্য পর্যটন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এবং উন্নয়নকে ডিজিটালাইজড খাতে রূপান্তর করা।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন “ আমরা দেশের পর্যটন খাতের ২০ শতাংশ সম্পর্কে জানি, এ খাতের বাকি ৮০ শতাংশই অনেকের কাছে অজানা। বিদেশ ও দেশের পর্যটকরা বেশিরভাগ ভ্রমণের জায়গা সম্পর্কে অবগত নন। আমার প্রত্যাশা, শেয়ারট্রিপ ও স্টার্টআপ বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির সাথে সাথে দেশের পর্যটন খাতও একই গতিতে এগিয়ে যাবে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের স্থপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছেন। এ ডিজিটাল বাংলাদেশ লক্ষ্যের অধীনে আমরা দেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম তৈরি করছি। স্টার্টআপগুলোর জন্য আমাদের ৫শ’কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা একসাথে আমরা দেশের ভবিষ্যতের ইউনিকর্ন স্টার্টআপ গড়ে তুলতে পারবো।”

সামি আহমেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড বলেন “ শেয়ারট্রিপে স্টার্টআপ বাংলাদেশের বিনিয়োগ ঘোষণা করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমি স্টার্টআপ বাংলাদেশ পরিবারে শেয়ারট্রিপকে স্বাগত জানাতে চাই, যারা খুব অল্প সময়ের মধ্যে দেশের অনলাইন ট্রাভেল মার্কেটের ৫০ শতাংশ বাজার নিজেদের করে নিয়েছে। তিন বছরে প্রতিষ্ঠানটি ২৫ গুণ প্রবৃদ্ধির মাইলফলক গড়েছে, যা রীতিমতো বিস্ময়কর। তবে এটিই স্টার্টআপের বিশেষত্ব, যে যখন একটি দূর্দান্ত আইডিয়াকে দক্ষ জনশক্তি ও অর্থায়নের মাধ্যমে বাস্তবে রূপ দেয়া হয়, তা ফলাফল হয় অভাবনীয় সাফল্য। উদ্ভাবন ও দক্ষতার মাধ্যমে শেয়ারট্রিপ বিশ্ব-বাজারেও অবস্থান পাকা করে নেবে বলে আমার বিশ্বাস ।”

শেয়ারট্রিপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া হক বলেন “শেয়ারট্রিপ শুধুমাত্র ট্রাভেল এজেন্টই নয়, আমরা স্টার্টআপ হিসেবে অনলাইনে ট্রাভেল এজেন্টের সেবা প্রদান করি। ট্রাভেল ইকোসিস্টেমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে শেয়ারট্রিপ। বাংলাদেশের হোটেল ইন্ডাস্ট্রি এখনও বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, আমাদের লক্ষ্য এ খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসা। শুধুমাত্র আমাদের সেবা উন্নত করার জন্যই নয়, বরং আমাদের গ্রাহকদের জন্য একটি নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে উদ্ভাবন এবং পণ্য ও সেবার উন্নয়নে আনতে আমরা উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছি। উদ্ভাবন এবং উন্নত গ্রাহক সেবার মাধ্যমে, আমরা লক্ষ্য আরও সামনে এগিয়ে যাওয়া। ”

দেশজুড়ে ৫ লাখেরও বেশি গ্রাহকদের সেবা প্রদান করেছে শেয়ারট্রিপ। ৫ হাজারেরও বেশি এজেন্ট ব্র্যান্ডটির জন্য কাজ করে, যা অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভ্রমণকে আরও সহজ করে তোলে। শেয়ারট্রিপ বিশ্বাস করে, দেশে এখনও ডিজিটাইজেশনের বিশাল সুযোগ রয়েছে। বর্তমান পর্যটন খাতের মোট অনলাইন কার্যক্রমের প্রায় ৫০ শতাংশের অধিক পরিচালনা করে শেয়ারট্রিপ। এ খাতে ডিজিটালাইজেশন এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে থাকাতে গ্রাহকরা অনেক পরিষেবা এবং সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকছেন। আইসিটি বিভাগ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো অংশীজন ও অংশীদারদের সাথে হাত মিলিয়ে, শেয়ারট্রিপ বৈশ্বিকভাবে স্বদেশী প্রযুক্তির উৎকর্ষের সুযোগ প্রসারিত করে বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার সুযোগ তৈরি করতে চায়।

;

ফুডলাভারদের জন্য এবার এলো কেএফসি অ্যাপ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ফুডলাভারদের জন্য এবার এলো কেএফসি অ্যাপ

ফুডলাভারদের জন্য এবার এলো কেএফসি অ্যাপ

  • Font increase
  • Font Decrease

ডিজিটালাইজেশন ও গ্রাহক সেবার এই যুগে গ্লোবাল রেস্তোরাঁ চেইন কেএফসি নিয়ে এলো "কেএফসি অ্যাপ "। হাতের নাগালেই ফিঙ্গার লিকিং গুডনেস- এই ট্যাগলাইনটি প্রচারের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে কাস্টমারদের বহুল প্রতীক্ষিত এই অ্যাপটি।

নতুন এই অ্যাপটি ডাউনলোড করার মাধ্যমে কাস্টমাররা ৫০০ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ২ পিস হট & ক্রিস্পি চিকেন ফ্রি। অফারটি সীমিত সময়ের জন্য। তাই আর দেরি না করে এখনই ডাউনলোড করুন এন্ড্রয়েড এই অ্যাপটি: t.ly/KFC-App

অ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য থাকছে বিভিন্ন কাস্টমাইজড অফার ও আকর্ষণীয় ডিলস্। এছাড়াও মোবাইল ব্যাংকিং, ডেবিট/ ক্রেডিট কার্ড কিংবা ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পেমেন্ট সম্পন্ন করার মাধ্যমে গ্রাহকরা তাদের অর্ডারে উপভোগ করতে পারবেন ঝামেলামুক্ত ও দ্রুততম সময়ে অর্ডার সম্পন্ন হওয়ার অভিজ্ঞতা। অর্ডারকৃত হট & ক্রিস্পি আইটেম সমূহ প্রস্তুতির ও ডেলিভারির কোন পর্যায়ে রয়েছে তা খুব সহজেই গ্রাহকরা অ্যাপের মাধ্যমে জানতে পারবেন। "এক ক্লিকেই রিওর্ডার" ফিচারটি ব্যবহার করে পছন্দের আইটেমস গুলো পুনরায়  অর্ডার করা এখন খুবই সহজ। কর্নেল স্যান্ডার্সের পক্ষ হতে আরো অনেক মজাদার আইটেম থাকছে নতুন এই অ্যাপটিতে। মিস করতে না চাইলে এখনই ডাউনলোড করুন।

বিশ্ববিখ্যাত রেস্টুরেন্ট চেইন কেএফসি ফুডলাভারদের কাছে ভালোবাসার ওপর নাম। কেএফসি ফ্র্যাঞ্চাইজি লাইসেন্সের অধীনে ট্রান্সকম ফুডস লিমিটেড বাংলাদেশে ২০০৬ সাল থেকে তাদের ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সুস্বাদু সব খাবার দিয়ে কেএফসি সারা দেশের ফুডলাভারদের মন জয় করে নিয়েছে।

;

তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সাইবার জ্ঞানভিত্তিক গণআন্দোলন গড়া জরুরি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সাইবার জ্ঞানভিত্তিক গণআন্দোলন গড়া জরুরি

তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সাইবার জ্ঞানভিত্তিক গণআন্দোলন গড়া জরুরি

  • Font increase
  • Font Decrease

সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় নারীদের তথ্যপ্রযুক্তির বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন এবং দক্ষতা উন্নয়নে মনযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আইসিটি বিশেষজ্ঞরা। একই সাথে তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সর্বস্তরে সাইবার জ্ঞানভিত্তিক গণআন্দোলন গড়ার পরামর্শ তাদের। সিটিও ফোরাম বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের (বিএনএসকে) যৌথ আয়োজনে গতকাল মঙ্গলবার সাইবার ঝুঁকি এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মশালায় তারা এসব বলেন।

আলোচনার প্রথম পর্বে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ। তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার যে কাজ করছে তাতে সাংবাদিকদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারা যদি তাদের লেখার মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তাসহ সরকারি কার্যক্রমের ইতিবাচক সমালোচনা করেন তাতে আমরা উপকৃত হবো। কারণ ভুলগুলো সংশোধন করে সামনে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে নারী সহিংসতায় শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি বেড়েছে মানসিক নির্যাতন এবং সেখানে সাইবার বা অনলাইন গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। এ বিষয়ে সর্বস্তরে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সাংবাদিকদের এগিয়ে আসতে হবে। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তিনি বলেন, নারী গণমাধ্যম কর্মীরা যে কাজেই বাইরে যান না কেন সবসময় তার ফোন নম্বর সচল রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনে পরিবারের কোনো সদস্যের সঙ্গে লোকেশন শেয়ার করা উচিত। এতে করে তিনি কোন সমস্যার পড়লে তার সহযোগিতায় এগিয়ে যাওয়া এবং সন্ধান পাওয়া সহজ হবে।

দ্বিতীয় পর্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং ইনফরমেশন সিকিউরিটি নিয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেন সিটিও ফোরাম মহাসচিব আরফে এলাহী মানিক। এসময় তিনি উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে অনলাইনে প্রাপ্ত তথ্যযাচাই করার প্রক্রিয়াসহ নিরাপত্তার অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করেন। এসময় তিনি বলেন, নিরাপত্তা শুরু করতে হবে ব্যক্তিপর্যায়ে থেকে। এছাড়া সামান্য ইমেইল বা ফেইসবুক পাসওয়ার্ড হতে শুরু করে তথ্য যাচাই-বাছাই, ভুল তথ্য প্রচার, ম্যালওয়্যার চেনা ও তা থেকে সুরক্ষায় মোবাইল এবং পিসিতে ফায়ারওয়ালের ব্যবহার এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখার কলাকৌশল নিয়ে তিনি কথা বলেন। নিরাপত্তা বিধানে ব্যক্তিক দক্ষতা উন্নয়নে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। সিটিও ফোরামের এই নেতা আরও বলেন, সাইবার বিশ্বে ঝুঁকি থাকবেই- তাই বলে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বন্ধ না করা চলবে না; বরং সবাইকে এ সম্পর্কে জ্হান অর্জন করে সতর্ক থাকতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে সিটিএ ফোরাম বাংলাদেশের সভাপতি তপন কান্তি সরকার বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ থেকে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি সুরক্ষায় তাদের মধ্যে প্রাযুক্তি সক্ষমতা গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি। সেই ধারাবাহিকতায় জাতীয় সঙ্কট বা প্রয়োজনের নিরিখে যেমন তরুণদের অংশগ্রহণে হ্যাকাথনের আয়োজন করা হয়; তেমনি আমরা পেশাদারদের দক্ষতা উন্নয়নেও সচেষ্ট। আমরা জানি সাইবার বিশ্বে সুবিধার পাশাপাশি বিভিন্নভাবে আমাদের নারীরা নিরাপত্তার ঝুঁকিতে রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে সাইবার জগতে তাদের নিরাপত্তার রক্ষার করণীয় বিষয়গুলো জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের নারী সাংবাদিকরা যদি নিজেরা সতর্ক হন এবং তাদের লেখার মাধ্যমে অন্যদের সতর্ক করতে পারে তাহলে সাইবার জগতে নারীর নিরাপদ অংশগ্রহণ বাড়বে। সেই লক্ষ্যেই  এই প্রশিক্ষণের আয়োজন। সাইবার জগত সম্পর্ক সচেতনতা বাড়াতে নারীদের জন্য এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। আগামীতে অন্য কোন সংগঠনের সদস্যদেরও এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে বলেও জানান সিটিও ফোরামের সভাপতি তপন কান্তি সরকার।

রাজধানীর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিভিন্ন পত্রপত্রিকা, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের ২০ সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

;

ঢাকা ও চট্টগ্রামে গ্রামীনফোনের ৫জি ট্রায়াল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাকা ও চট্টগ্রামে গ্রামীনফোনের ৫জি ট্রায়াল

ঢাকা ও চট্টগ্রামে গ্রামীনফোনের ৫জি ট্রায়াল

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা ও চট্টগ্রামে ইউজ কেস সহ মঙ্গলবার ফাইভজি নেটওয়ার্কের ট্রায়াল পরিচালনার করেছে গ্রামীণফোন। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি কানেক্টিভিটির ভবিষ্যৎ উন্মোচনে প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ফাইভজি ট্রায়াল পরিচালনার মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল কানেক্টিভিটি পার্টনার ও টেক সার্ভিস লিডার এ প্রতিষ্ঠানটি স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্যপূরণের যাত্রায় ভূমিকা রাখতে দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে।

যুগান্তকারী ফাইভজি প্রযুক্তি বিভিন্ন শিল্পখাত, সমাজের উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিদিনের পথচলার অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করার জন্য এমন সব সম্ভাবনা ও সুযোগ তৈরি করবে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ, সুরক্ষিত ও টেকসই ভবিষ্যৎ তৈরি হবে।  

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান সহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রাজধানীর জিপি হাউজে ইনোভেশন ল্যাবে ফাইভজি ট্রায়ালের অভিজ্ঞতা নেন । এ ইনোভেশন ল্যাবটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যেখান থেকে ধাপে ধাপে ফাইভজি টেস্ট ও এর ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হবে। এর পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানটির শীঘ্রই অন্যান্য বিভাগীয় শহরে ফাইজি ট্রায়াল পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। 

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান বলেন, “চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সম্ভাবনা উন্মোচনের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যপূরণে আমরা ফাইভজি কানেক্টিভিটি ও এর ইউজ কেসের ট্রায়াল পরিচালনা করছি। আমি বাংলাদেশ সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, নেটওয়ার্ক পার্টনার, ইকোসিস্টেম প্লেয়ার এবং গ্রামীণফোন টিমের সদস্যদের ধন্যবাদ জানাই – সবাই একসাথে আগামী দিনের কানেক্টিভিটিকে (ফাইভজি) সম্ভাবনায় পরিণত করেছেন। ফাইভজি’র ট্রায়াল পরিচালনা ও ফাইভজি’র চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করতে আমরা সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা ও পরামর্শ নিয়ে কাজ করার ব্যাপারে প্রত্যাশী। বর্তমানে, আমরা দেশজুড়ে বিস্তৃত ফোরজি নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছি; একইসাথে, আমরা ভবিষ্যতের সক্ষমতা তৈরি, ফাইভজি ইকোসিস্টেম বিনির্মাণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আইওটি, ব্লকচেইন ও রোবোটিকসের মাধ্যমে শিল্পখাতের জন্য  বিভিন্ন সল্যুশন নিয়ে আসতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

তিনি আরো বলেন, “বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের নির্দিষ্ট চাহিদা অনুযায়ী ইউজ কেস উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে টেলিনর গ্রুপ। টেলিনর গ্রুপের অংশ হিসেবে, উদ্ভাবনী নানা সল্যুশন নিয়ে আসতে আমরা কার্যকরী উপায়ে আমাদের দক্ষতার পূর্ণ ব্যবহার করবো। এসব সল্যুশন প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলাদেশের ডিজিটাল সমাজ ও অর্থনীতির অগ্রযাত্রা ত্বরাণ্বিত করতে প্রাসঙ্গিক ভূমিকা রাখবে। আমাদের বিশ্বাস, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম এগিয়ে আসবে এবং প্রযুক্তিগত সল্যুশনের মাধ্যমে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুযোগ উন্মোচন এবং এর সদ্ব্যবহার করবে।”  

হুয়াওয়ে ও জেডটিই’র সাথে পার্টনারশিপে এক্ষেত্রে গ্রামীণফোন ডিজিটাল-এনাবলারের ভূমিকা রাখছে, নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করছে এবং বাংলাদেশে ডিজিটাল বিল্পব ত্বরাণ্বিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। 

;