যে লাল কার্ডেও আনন্দ ভিনসেন্ট আবুবাকারের

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
যে লাল কার্ডেও আনন্দ ভিনসেন্ট আবুবাকারের

যে লাল কার্ডেও আনন্দ ভিনসেন্ট আবুবাকারের

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রাজিলকে হারিয়ে বিশ্বকাপে আরেক অঘটনের জন্ম দিয়েছে ক্যামেরুন। ক্যামেরুনের এই জয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে কোন আফ্রিকান দেশের প্রথম। ক্যামেরুন ম্যাচ জিতেছে ১-০ গোলে। গোলদাতা ভিনসেন্ট আবুবাকার।

এই হার যেমন ব্রাজিলের নকআউট পর্বের প্রথম ধাপে উত্তরণ বাধাগ্রস্ত করতে পারেনি, তেমনি ক্যামেরুনও যেতে পারেনি নকআউট পর্বে। তবে এটা ঐতিহাসিক অর্জন তাদের নিঃসন্দেহে।

আফ্রিকার দেশ ক্যামেরুন বিশ্বকাপে এবার নিয়ে ৮ বার অংশগ্রহণ করেছে। সর্বোচ্চ অর্জন কোয়ার্টার ফাইনালে। ১৯৯০ বিশ্বকাপে তারা নিজেদের প্রথম ম্যাচে ফ্রঁসোয়া ওমাম-বিয়িকের গোলে দিয়েগো ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনাকে হারিয়েছিল ১-০ গোলে। হারিয়েছিল তারা রোমানিয়া এবং পরের পর্বে কলম্বিয়াকে। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে তারা হার মানে ইংল্যান্ডের কাছে।

এই আটবারের মধ্যে আগের সাতবারের অংশগ্রহণে মাত্র ৪টি ম্যাচ জিতেছিল ক্যামেরুন। আর্জেন্টিনা, রোমানিয়া, কলম্বিয়া ও সৌদি আরব ছিল কেবল এই তালিকায়। এবারের কাতার বিশ্বকাপে এবার যুক্ত হয়েছে ব্রাজিল।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) কাতারের লুসাইল স্টেডিয়াম সাক্ষী হয়েছে এই ইতিহাসের। ম্যাচের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে দুর্দান্ত এক প্রতি-আক্রমণে ডান দিক থেকে বক্সে ক্রস বাড়ান জেরোম এনগুম। ডি-বক্সে ভেসে আসা বলে দুরন্ত হেডে বল জালে পাঠান ভিনসেন্ট আবুবাকার।

ইতিহাস সৃষ্টি করা এই গোলের পর উল্লাসে ভাসেন আবুবাকার। উচ্ছ্বাস প্রকাশে জার্সি খুলে উদযাপন করেন। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী জার্সি খুলে উদযাপন নিয়মবিরুদ্ধ বলে হলুদ কার্ড দেখতে হয়। ম্যাচে আগে আরেকটা হলুদ কার্ড পাওয়ায় দুই হলুদ কার্ড মিলিয়ে এরপর লাল কার্ড দেখতে হয় তাকে। রেফারি কার্ড দেখাতে এসে প্রথমে পিঠ চাপড়ে দেন আবুবাকারের, এরপর হাত মেলান তার সঙ্গে। তারপর লাল কার্ড দেখালে হাসিমুখে সেই লাল কার্ডও উদযাপন করেন এই ফুটবলার।

এই ম্যাচের আগে ফিফা বিশ্বকাপে মাত্র দুইবার মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিল ও ক্যামেরুন। দুটি ম্যাচেই জয় ছিল ব্রাজিলের। ১৯৯৪ সালে ৩-০ ব্যবধানে এবং ২০১৪ সালে ৪-১ ব্যবধানে জয় পায় সেলেসাওরা। তবে সবমিলিয়ে ছয়বার মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে ব্রাজিল জিতেছে পাঁচবার। ২০০৩ সালে ফিফা কনফেডারেশন কাপে একমাত্র জয়টি আসে ক্যামেরুনের।

এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিল প্রথম হারের মুখ দেখল তখন যখন আগের দুই ম্যাচ জিতেই নিশ্চিত করেছিল শেষ ষোলো। সার্বিয়া ও সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে পাওয়া সেই জয়ের পর ক্যামেরুনের বিপক্ষে আগের ম্যাচের মাত্র দুইজনকে রেখে নয়জনকে বদল করে দল নামিয়েছিলেন কোচ তিতে। কিন্তু আফ্রিকান অদম্য সিংহ ক্যামেরুন বিশেষ করে ভিনসেন্ট আবুবাকারের গোলে এবারের একমাত্র হার দেখতে হয় তাদের। ক্যামেরুনের বিপক্ষে গ্রুপ পর্যায়ের ম্যাচের আগে এবারের বিশ্বকাপে কোনো শট অন টার্গেটের মুখোমুখি হয়নি ব্রাজিল।

সেলেসাওদের এই হারে গত বছরের কোপা আমেরিকার ফাইনালে হারের পর যে অপরাজেয় যাত্রার শুরু হয়েছিল তাতে ছেদ পড়ল ১৭ ম্যাচ পর।

ক্যামেরুনের গোলদাতা ভিনসেন্ট আবুবাকার কাতারে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ খেলছেন। সৌদি প্রো-লিগের দল আল নাসেরের এই স্ট্রাইকার এরআগে খেলেছেন বেসিকতাস ও পোর্তোর মতো ক্লাবে। ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের আগে জাতীয় দলের হয়ে ৯৩ ম্যাচে ৩৭ গোল করেছেন এই স্ট্রাইকার।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ২১ ক্রিকেটার



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২৩ সালে ২১ ক্রিকেটারকে অন্তর্ভুক্ত করে কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলাদাভাবে চুক্তি করা হয়েছে।

গত বছরের তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন চার ক্রিকেটোর ইয়াসির আলি, সাদমান ইসলাম, মাহমুদুল হাসান জয় ও নাইম শেখ। তাদের পরিবর্তে চুক্তিতে জায়গা পাওয়া চার ক্রিকেটার হচ্ছে- মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, জাকির হাসান, খালেদ আহমেদ ও হাসান মাহমুদ।

এদের মধ্যে প্রথমবারের মত চুক্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন জাকির ও হাসান। নিজের অভিষেক টেস্টে ভারতের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন ওপেনার জাকির। এজন্য শুধুমাত্র টেস্ট ফরমেটে জায়গা পেয়েছেন তিনি। ধারাবাহিকভাবে পারফরমেন্স করায় শুধুমাত্র টি-টোয়েন্টিতে আছেন পেসার হাসান।
জাকির ছাড়া টেস্ট ফরমেটে চুক্তিবদ্ধ অপর চার ক্রিকেটার হচ্ছেন-মোমিনুল, তাইজুল ইসলাম, এবাদত হোসেন ও সৈয়দ খালেদ আহমেদ।

তিন ফরমেটে জায়গা পাওয়া চার ক্রিকেটার- সাকিব আল হাসান, লিটন দাস, মেহেদি হাসান মিরাজ ও তাসকিন আহমেদ। এদের মধ্যে মিরাজ এবার তিন ফরম্যাটের চুক্তিতে যুক্ত হলেন। গত বছরের চুক্তিতে শুধুমাত্র টেস্ট ও ওয়ানডেতে ছিলেন তিনি।

ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম আছেন শুধুমাত্র টেস্ট ও ওয়ানডের চুক্তিতে। গত বছর তিন ফরম্যাটেই ছিলেন মুশি। টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়ায় এবার টেস্ট ও ওয়ানডেতে আছেন তিনি।

টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের চুক্তিতে আছেন- নাজমুল হোসেন শান্ত ও নুরুল হাসান সোহান। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আছেন কেবলমাত্র ওয়ানডেতে।
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আছেন- মুস্তাফিজুর রহমান, আফিফ হোসেন ও শরিফুল ইসলাম। গত বছর তিন ফরমেটে থাকলেও এবার টেস্ট থেকে বাদ পড়েন শরিফুল ইসলাম।

শুধু টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের চুক্তিতে আছেন- নাসুম আহমেদ, শেখ মাহেদি হাসান, মোসাদ্দেক ও হাসান।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

জুনে বাংলাদেশে আসছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা ফুটবল দল আগামী জুনে বাংলাদেশে আসতে সম্মতি দিয়েছে বলে জানিয়েছে বাফুফে (বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন)।

মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) বাফুফে সহ সভাপতি আতাউর রহমান মানিক ভূঁইয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, জুন মাসের উইন্ডোতে বাংলাদেশে আসতে সম্মত হয়েছে আর্জেন্টিনা। তারা যেহেতু বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন তাই তাদের অনেক শর্ত আছে। আমরা কাল সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানিয়ে দেব।'

২০১১ সালে ঢাকায় সংক্ষিপ্ত সফরে মেসিরা যে সুযোগ-সুবিধা পেয়েছিলেন, এবার এলে তাদের আগের চেয়েও বেশি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।

গত মাসে কাতার বিশ্বকাপে টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা এলে তাদের ম্যাচের ভেন্যুর ফ্যাসিলিটিজ সেই মানের হওয়া প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত চারটি বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ হয়েছে আমার। এর মধ্যে কাতারের স্টেডিয়ামসহ সবকিছুই ছিল অসাধারণ। মেসিরা এর আগে আমাদের এখানে একবার খেলে গেছে। এটুকু বলতে পারি, আগের বারের চেয়ে এবার অনেক বেশি সুবিধা দেওয়া হবে তাদের।

আর্জেন্টিনার বিশাল সমর্থক গোষ্ঠী রয়েছে বাংলাদেশে। বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশে মেসির আর্জেন্টিনাকে আনার বিষয়টি নিয়ে চেষ্টা করে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন আর্জেন্টিনার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে চিঠি দেয়।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

শিরোপাধারী অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের বিশ্বকাপ শুরু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ইতিহাস গড়ে নারী অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটাররা। আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৭ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে খুদে টাইগ্রেসরা।

বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট ইতিহাসে এর আগে কখনো অস্ট্রেলিয়ার কোনো নারী দলকে হারাতে পারেনি বাংলাদেশ। এবার বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বড় জয়ে শুভ সূচনা করল বাংলাদেশের নারীরা।

শনিবার দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে আসরের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার নারী দলের মুখোমুখি হয় টাইগ্রেসরা। ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ৫ উইকেটে ১৩০ রান করে অজিরা।

জবাবে দুই ওভার হাতে রেখে জয় তুলে নেয় টাইগ্রেসরা। ম্যাচে অজি দলের বিপক্ষে ১৮ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান করে ফেলে বাংলাদেশের মেয়েরা।

এদিন টস হেরে ফিল্ডিং করতে নেমে দিশা ও মারুফাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস থামে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩০ রানে। টাইগ্রেসদের হয়ে জোড়া উইকেট নেন অধিনায়ক দিশা বিশ্বাস ও মারুফা আক্তার। এছাড়া একটি উইকেট নেন করেছেন রাবেয়া খাতুন।

জবাবে ব্যাট করতে শুরুতেই গোল্ডেন ডাক হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান টাইগ্রেস ওপেনার মিষ্টি সাহা। তবে শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে দুর্দান্তভাবে লড়াইয়ে ফেরে বাঘিনীরা। আফিয়া ও দিলারা জুটি দলকে শক্ত ভীত গড়ে দেন। দলীয় ৬৬ রানে আউট হওয়ার আগে ৪২ বলে ৪০ রান করেন দিলারা।

পরে ক্রিজে বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি আফিয়া প্রত্যাশাও। ২২ বলে ২৪ রান করেন তিনি। তবে জুটির বিদায়ের পর স্বর্ণা-সুমাইয়ার অবিচ্ছিন্ন জুটিতে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাঘিনীরা।

প্রসঙ্গত, গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের অন্য দুই প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা ও যুক্তরাষ্ট্র। ১৬ জানুয়ারি শ্রীলঙ্কা এবং ১৮ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে মাঠে নামবে টাইগ্রেসরা।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

সিইও নয়, হলে বিসিবির ‘প্রেসিডেন্ট’ই হতে চান সাকিব



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গত ৪ জানুয়ারি এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-২০ আয়োজন নিয়ে দেশসেরা তারকা সাকিব আল হাসান বলেছিলেন, যা তা অবস্থা। এসময় তিনি বলেছিলেন, আমি বিপিএলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) দায়িত্ব পেলে দুই-এক মাসের মধ্যেই সব ঠিক করে ফেলতাম।

রোববার (৮ জানুয়ারি) আরেক অনুষ্ঠানে এক ভক্তের করা প্রশ্ন ছিল সাকিবের প্রতি বিসিবি যদি প্রস্তাব দেয় সিইও হতে চান কী না? তখন হাসতে হাসতেই উত্তর দেন সাকিব, ‘হলে তো বিসিবির প্রেসিডেন্ট হওয়াই ভালো।’ সাকিবের উত্তরে হলভর্তি ভক্তরা তালি দিয়ে সাধুবাদ জানায়। যেন সাকিবের বিসিবি সভাপতি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা উপস্থিত ভক্তদের সায় আছে।

এখন থেকে প্রায় দুই বছর আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডয়চে ভেলের সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দীনের সঙ্গে ফেসবুক লাইভে অংশ নিয়ে সাকিব আল হাসান বলেছিলেন, আমি জানি যে আমিই হব বিসিবির ইতিহাসের সেরা প্রেসিডেন্ট এবং এটা আমি খুব ভালোভাবেই বিশ্বাস করি যে আমার পক্ষে সেটা সম্ভব।

সাকিব আরও বলেছিলেন, সম্ভব হলে বিসিবির প্রেসিডেন্ট হতে চাইবেন তিনি। সাকিবের সেই ইচ্ছা যে এখনও খুব ভালো করেই বিদ্যমান; সেটি সেই ক্রিকেটার আবার জানান দিলেন।

 

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;