দেশের মানুষ মুক্তি চায়: মির্জা ফখরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, দেশের মানুষ বর্তমান সরকার থেকে মুক্তি চায়।

তিনি বলেন, সরকার পরিকল্পিতভাবে দেশের অথনীতিকে ধ্বংস করেছে। রাজনীতি কাঠামোকে হত্যা করেছে। তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে এই সরকার আন্দোলন করেছে। কিন্তু তারা ক্ষমতায় এসে সেই পদ্ধতি বন্ধ করেছে। কিন্তু তত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া দেশে আর কোনো নির্বাচন হবে না।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, জ্বালানি তেল, চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের গুলিতে দলীয় নেতাকর্মী হত্যা, হামলা এবং মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে রাজশাহীতে এই বিভাগীয় গণসমাবেশ আয়োজন করে বিএনপি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল বলেন, গত তিন দিন ধরে পদ্মার ঠাণ্ডা বাতাস গায়ে হু হু করে লেগেছে। তারপরও আপনারা এখান থেকে এক বিন্দুও সরেননি। খেয়ে না খেয়ে। কীসের ভালোবাসায়, কীসের তাগিদে আপনারা তিন ধরে এখানে কাটালেন? একটি মাত্র কারণ, আপনারা মুক্তি চান। ভয়াবহ দানবের হাত থেকে আপনারা মুক্তি চান।

তিনি বলেন, রাজশাহীর মাটি সংগ্রামের মাটি। পাশেই শুয়ে আছেন শাহমখদুম সাহেবের ভূমি এটা। এটা সেই জায়গা যেখানে মানুষ ন্যায়ের পক্ষে সংগ্রাম করেছে। বিদ্রোহ করেছে। অনেক বরেণ্য মানুষ সৃষ্টি হয়েছে। এই মাটিতেই তারা গড়ে উঠেছেন। ১৯৬৯ সালে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে যখন আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. জোহা নিজের বুকের রক্ত দিয়েছিলেন। এইরকম অনেকেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে ৬০০ নেতাকর্মী গুম হয়ে গেছে। এরমধ্যে পাবনার ঈশ্বরদীতে জাকারিয়া পিন্টুসহ ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। ২৫ জনকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছে। এটাই এই সরকারের চরিত্র। এভাবে তারা বিরোধীদলকে নির্মূল করতে চায়। এতে কি নির্মূল হয়েছে? রাজশাহীর মানুষ ভয় পেযেছে? পায়নি। আরও উত্তাল হয়ে জেগে উঠেছে। এই লড়াইয়ে আমাদের জয়ী হতেই হবে।

আওয়ামী লীগ এখন আর কোনও রাজনৈতিক দল নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা একটা লুটেরা দলে পরিণত হয়েছে। নিজেরা লুট করে করে সম্পদের পাহাড় করেছে, সাধারণ মানুষকে গরিব করছে। কয়দিন আগে ২৫ জন কৃষককে ২৫ হাজার টাকা ঋণ নেওয়ার জন্য তাদের জেলে নেওয়া হয়েছিল। আর হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে ব্যাংক খালি করে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ইসলামী ব্যাংক থেকে ৯টা গায়েবি কোম্পানিকে টাকা দিয়ে ব্যাংক খালি করে দেওয়া হয়েছে। সরকার পরিকল্পিতভাবে অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আমাদের রাজনৈতিক কাঠামোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে ১৭৩ দিন হরতাল করেছে। ওই সময় গানপাউডার দিয়ে একটা বাসেই ১১ জনকে হত্যা করেছিল। এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ৫টা নির্বাচন হয়ে গেল। এরা ক্ষমতায় আসার পরে কী করল? ওই ব্যবস্থা পাল্টে দিল। কেন, তারা কিছুদিন পরে বুঝতে পারল জনগণ তাদের পছন্দ করছে না। তাই সেটা পাল্টে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন ব্যবস্থা করেছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিধান চাই দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। অন্যথা এই দেশে কোন নির্বাচন হবে না। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, কী যেন নাম তার? ওবায়দুল কাদের সাহেব। তিনি বলছেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। কোন সংবিধান? যে সংবিধান তোমাদেরকে ক্ষমতায় রাখার জন্য বারবার কাটাছেড়া করেছো, সেই সংবিধান? তিনটা অনুচ্ছেদ রেখে, যার অধীনে একটা কথাও বলা যাবে না। সেই সংবিধান চলতে পারে না।

তিনি বলেন, এত পেটায়, এত মামলা দেই, তারপরও বিএনপি উঠে আসে কোত্থেকে? বিএনপি মাটি ফুটে বেরিয়ে আসে। এটাই বিএনপি। এজন্য ভয় পেয়েছে। ১০ তারিখেও ভয় পেয়েছে। আমরা বলেছি, পার্টি অফিসের সামনে সমাবেশটা করতে চাই। ওদের ঘুম নাই। ঘুম হারাম হয়ে গেছে। নিজের ওপর আস্থা নেই বলে ভয় পান। এই গেল, এই গেল ভাবতে থাকে। বিএনপি এলো, বিএনপি এলো ভাবতে থাকে।

গণসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, রাজশাহী মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী ঈসা।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিনা রহমান, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন।

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী কে হবেন, ঠিক করবেন শেখ হাসিনা: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়ভার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি সংসদীয় দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্ত করতে দলীয় সভাপতিকে একক ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করি। তখন সভায় উপস্থিত সবাই তা সমর্থন করে।

ইতিমধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে আগ্রহী প্রার্থীদের।১৯ ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে।

১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদ সদস্যদের ভোটে। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) তাতে নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ওই আইনের সপ্তম ধারায় বলা হয়েছে, নির্বাচনী কর্মকর্তা নির্ধারিত দিন, সময় ও স্থানে মনোনয়নপত্র পরীক্ষা করবেন। প্রার্থী একজন হলে এবং পরীক্ষায় তার মনোনয়নপত্র বৈধ বিবেচিত হলে কমিশন তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করবেন। তবে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হলে নির্বাচনের জন্য তাদের নাম ঘোষণা করবে ইসি।

;

আ.লীগের সংসদীয় দলের বৈঠক শুরু, কে হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কে হচ্ছেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি! এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। এরমধ্যে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী নির্বাচনে মঙ্গলবার (৭ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় বৈঠকে বসেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদীয় দল।

এতে সভাপতিত্ব করছেন আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সূত্র জানায়, সোমবার পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদে দুটি নাম বেশি আলোচনায় রয়েছে। তারা হলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মসিউর রহমান। এ ছাড়া আলোচনায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোশাররফ হোসেন।

ইতিমধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে আগ্রহী প্রার্থীদের।১৯ ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে।

১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদ সদস্যদের ভোটে। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) তাতে নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ওই আইনের সপ্তম ধারায় বলা হয়েছে, নির্বাচনী কর্মকর্তা নির্ধারিত দিন, সময় ও স্থানে মনোনয়নপত্র পরীক্ষা করবেন। প্রার্থী একজন হলে এবং পরীক্ষায় তার মনোনয়নপত্র বৈধ বিবেচিত হলে কমিশন তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করবেন। তবে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হলে নির্বাচনের জন্য তাদের নাম ঘোষণা করবে ইসি।

আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সবশেষ ষষ্ঠ সভা হয় ১২ জানুয়ারি। ওই সভায় প্রবীণ রাজনীতিক মতিয়া চৌধুরীকে সংসদ উপনেতা করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

;

অনেকেই সরকারের বিরোধিতাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা মনে করে: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
অনেকেই সরকারের বিরোধিতাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা মনে করে: জিএম কাদের

অনেকেই সরকারের বিরোধিতাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা মনে করে: জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপি বলেছেন, দেশের মানুষের পক্ষে সরকারের ভুল-ত্রুটি ধরিয়ে দিতে সরকারের সমালোচনা করছি, সরকারের সমালোচনা কখনোই রাষ্ট্রদ্রোহিতা হতে পারে না। অনেকেই সরকারের বিরোধিতাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা মনে করেন।

মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয়ে কুমিল্লা জেলা জাতীয় পার্টি নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

জিএম কাদের আরও বলেন, সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাদের রাজনীতি দেশের মানুষের জন্য তাই, আমরা দেশের মানুষের জন্য কথা বলি। সরকার দেশের মানুষের মাঝে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। সরকারি দল না করলে চাকরি মেলে না, ব্যবসা করা যায় না। স্বাধীনতার আগে পাকিস্তানীরা আমাদের সাথে বৈষম্য করেছিল। সেই বৈষম্যের বিরুদ্ধেই আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখনো দেশের মানুষ বৈষম্যের শিকার। দেশের মানুষের সাথে বৈষম্য হচ্ছে স্বাধীনতার চেতনা পরিপন্থী।

তিনি বলেন, নির্বাচনে আমরা জোটবদ্ধ হওয়াকে বন্ধুত্ব মনে করি। জোটবদ্ধ হওয়া মানে ক্রীতদাস হওয়া নয়, জোটবদ্ধ মানে দাসত্ব নয়। আমরা রাজনীতি করি, দেশের মানুষের স্বার্থই আমাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানুষ বিভিন্নভাবে নিষ্পেশিত হচ্ছে। প্রতিদিন দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাচ্ছে। আবার মানুষের আয়ও কমে যাচ্ছে। এ কারণেই মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। দেশের মানুষ সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কুমিল্লা মহানগর আহ্বায়ক রওশন আরা মান্নান এমপি, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক এয়ার আহমেদ সেলিম, সদস্য সচিব হুমায়ুন কবির মুন্সি বক্তব্য রাখেন।

উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা প্রফেসর গোলাম মোস্তফা, মমতাজ উদ্দিন, যুগ্ম মহাসচিব মোঃ বেলাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হেলাল উদ্দিন, এনাম জয়নাল আবেদীন, দফতর সম্পাদক-২ এমএ রাজ্জাক খান প্রমুখ ।

;

যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন দৃশ্যমান: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের আমলে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার আমলে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন দৃশ্যমান। এখন অগ্রাধিকার হলো অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিশৃঙ্খলাকে নিয়ন্ত্রণে আনা। এ জন্য প্রয়োজন জনগণের সচেতনতা।’

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মৎস ভবন মোড়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) উদ্যোগে সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

ইজিবাইকগুলো নীতিমালার মধ্যে নিয়ে আসার কাজ শেষ পর্যায়ে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, মেট্রোরেলের পিলারে যারা পোস্টার লাগিয়েছেন তারা নিজ দায়িত্বে সেগুলো সরাবেন, অন্যথায় ব্যবস্থা নেয়া হবে। সড়কে নিরাপত্তা সবাই চায়, ফলে সবাইকেই এগিয়ে আসতে হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন পর্যন্ত আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রতিদিন আছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে যে কর্মসূচি তা পাল্টাপাল্টি কোনো কর্মসূচি নয়। জনগণের জানমাল রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। আর তাই নির্বাচনের আগে আমাদের দলীয় কর্মসূচি থাকবে।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের কর্মসূচি পালন করছি, কোনো সংঘাতে যাচ্ছি না। ২০১৩-১৪ সালে আমরা দেখেছি তারা (বিএনপি) কর্মসূচির নামে আগুন সন্ত্রাস, রেল স্টেশন, ভূমি অফিস পুড়িয়ে দিয়েছিল। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেয়া আমাদের কর্তব্য। কাজেই সারা বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন পর্যন্ত সতর্ক পাহারায় থাকবো।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজকের সংসদীয় বৈঠকে এটা এজেন্ডা আকারে আসতে পারে। আজ সবকিছু হয়ে যাবে এমন নয়। ১৯ তারিখ নির্বাচন, তার আগে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটিই বাস্তবায়ন করা হবে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করছেন। তিনি শেষ পর্যন্ত যেটা সিদ্ধান্ত নেবেন সেটি আমাদের দল মেনে নেবে। আমাদের সভাপতির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এমনও হতে পারে আমরা সংসদীয় দলের প্রধানের কাছে দায়িত্ব দিতে পারি।

;