তারেক রহমানকে 'বেয়াদব' বললেন ওবায়দুল কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তারেক রহমান বলে হাসিনা পালাবে, মন্ত্রীরা পালাবে। সে যে ১৪ বছর পালিয়ে আছে, সে কথা বলে না কেন। ২০০৮ থেকে পলাতক তারেক রহমান বলে হাসিনা পালাবে। শেখ হাসিনাও বলে না। এত বেয়াদব। আমরা বেগম খালেদা জিয়া বলি। সম্মানের সঙ্গে নেত্রীর নামটা উচ্চারণ করে না। ১৯ বছর যিনি ক্ষমতায় আছেন।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভার্চুয়ালি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট এ.এইচ.সি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনাকে ২১ আগস্ট মারতে চেয়েছেন। জিয়াউর রহমান মেরেছে বঙ্গবন্ধুকে। মুফতি হান্নান বলেছে হাওয়া ভবন থেকে তার নির্দেশ পেয়ে গ্রেনেড হামলা করেছে। তারেক রহমানের লোকেরা এখানে আমাদেরকে ভয় দেখান তারেক রহমান আসবে বীরের মত। কাপুরুষের মত যে পালিয়ে গেছে। সে বীরের মত আসবে। এত বছরে যা ঘটল না। এখন ঘটবে সেটা বিশ্বাস হয় না।

সেতুমন্ত্রী বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশকে উদ্দেশ করে বলেন, যেখানে পাকহানাদার বাহিনীরা আত্মসমর্পণ করেছে। দুনিয়ার ইতিহাসে অন্যতম সেরা ভাষণ, স্বাধীনতার ডাক, সেই স্মৃতি যেখানে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তাদের ভয় কেন। তারা যে মনে মনে চেতনায় হৃদয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করেন না এটাই তার প্রমাণ। পল্টনে কয়টা লোক ধরবে। ছোট্র জায়গায় যাবে অঘটনের ভয়ে ফখরুল বলছে। অঘটন কে ঘটাবে। বিআরটিসির গাড়ি পুড়িয়ে অঘটন কে ঘটাবে আপনারাই জানিয়ে দিলেন কারা অঘটন ঘটাতে পারে।

তিনি বলেন,আজকে একটা ভিডিও ক্লিপ পেলাম। পুরান ঢাকার এক তরুণ নেতার সঙ্গে কনভারসেশন অর্থপাচারে দণ্ডিত তারেক রহমানের সাথে। এ সময় সেতুমন্ত্রী কোম্পানীগঞ্জের আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে বিবদমান দ্বন্দ্বের জের ধরে ঘটে যাওয়া সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সেতুমন্ত্রীর ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জাকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়।

জাতীয় নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি আরও বাড়বে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আসছে জাতীয় নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি আরও বাড়বে।

শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সংসদের উপনির্বাচনগুলোতে ভোটারের উপস্থিতি নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে জাতিকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছেন। বিএনপি এক হিসাব তুলে ধরে বলেছে উপনির্বাচনগুলোতে ভোটার উপস্থিতি পাঁচ শতাংশের বেশি হয়নি। এটি সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য নির্লজ্জ মিথ্যাচার করেছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সবগুলো উপনির্বাচনে ২৫ শতাংশের বেশি ভোটার ভোট দিয়েছেন। শীত ও প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে ভোটাররা ভোট দিতে এসেছিলেন। এমনকি ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৪৫ শতাংশের মতো। উপনির্বাচনে যেহেতু সরকার পরিবর্তনের কোনো বিষয় থাকে না, সেহেতু জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় এটা নিয়ে ভোটারদের আগ্রহ কম। স্পষ্ট বলা যায়, জাতীয় নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি আরও বাড়বে। মানুষ উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেবেন।

 

;

আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সপ্তম সভা ৭ ফেব্রুয়ারি



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সপ্তম সভা আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে সংসদ ভবনের লেভেল ৯-এ সরকারি দলের সভাকক্ষে এ সভা হবে।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় , আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সেক্রেটারি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী আওয়ামী লীগ দলীয় এমপিদের যথাসময়ে সভায় উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।

;

জাপান কেন আরও দেশকে চিঠি দিয়েছি আমরা: মির্জা ফখরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ সরকার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে মানুষের ওপরে অন্যায় অত্যাচার করছে বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ দুর্নীতি-লুটপাটের মধ্য দিয়ে মানুষের পকেট কেটে দেশকে ধ্বংস করছে, তারা রাজনৈতিক কর্মীদের হত্যা করছে, গুম করছে, মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে- এই বিষয়গুলো আমরা সারা পৃথিবীকে জানিয়েছি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের বক্তব্যের জবাবে বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব একথা বলেন।

সংসদে বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, বিএনপি মহাসচিব ২০২০ সালের ২৭ জানুয়ারি জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে চিঠি দিয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছেন। এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, শুধু জাপানকে কেন আমরা তো চিঠি দিয়েছি বহু দেশকে। এটা সত্য।

তিনি বলেন, তারা সমানে মিথ্যাচার করছেন, সংসদে মিথ্যাচার করছেন, বিদেশিদের সামনে মিথ্যাচার করছেন- সবসময় বলছেন যে, এখানে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়নি। বাংলাদেশে যে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে সেটার নজির খুব আছে। আমরা নিজেরাই তো এদেশে জানতাম না এনফোর্স ডিজএ্যাপিয়ারেন্স কাকে বলে? গুম করা কাকে বলে? আমরা এখানে জানতাম না। আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর থেকে আমরা এটা জানতে পারছি।'

সংবাদ সম্মেলনে উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৫ শতাংশের বেশি ছিল না বলে দাবি করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, গতকাল তথাকথিত নির্বাচন কমিশন যে উপনির্বাচন অনুষ্ঠান করল- সেটা হচ্ছে উপনির্বাচন। এই উপনির্বাচনগুলোতে ভোটারের সংখ্যা কোথাও তাদের (ইসি) হিসাব মতে ১৫ থেকে ২৫ শতাংশের বেশি হয় নাই।'

আর আমাদের (বিএনপি) হিসাব মতে- এটা ৫ শতাংশের বেশি হয় নাই। আজকে পত্র-পত্রিকাগুলোতে যে ছবিগুলো আসছে দেখবেন, অনলাইনে দেখেছি... কুকুর শুয়ে আছে মানুষ নাই। তারা (সরকার) এই অবস্থায় নিয়ে চলে গেছে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে।

মির্জা ফখরুল বলেন, এখন নতুন করে রাস্তা খোঁড়া শুরু হয়েছে। এই যে চলমান প্রক্রিয়া লুটের এই তো চলছে। এভাবে লুট করে তারা বিদেশে পাচার করছে এবং দেশের প্রতি জনগণের প্রতি যেহেতু কোনো দায়বদ্ধতা নেই সেজন্য তারা আজকে লাগামহীনভাবে দুর্নীতি করে চলেছে।

তিনি বলেন, আমরা সরকারের এহেন অপকর্মের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির আহমেদ আজম খান, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালামসহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

;

সুষ্ঠু উপ নির্বাচনে 'গণতন্ত্রের বিজয়' হয়েছে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির ছেড়ে দেয়া আসনগুলোর উপ নির্বাচন সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ হওয়ার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী মোড়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে উপনির্বাচন হয়েছে, বগুড়া, ঠাকুরগাঁও, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মোট ছয়টি উপনির্বাচন। মির্জা ফখরুল বলেছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাকি মাগুরার দাদা হয়েছে, দাদা হবে। দাদাও হয়নি, নানাও হয়নি, মাগুরাও হয়নি, নির্বাচন হয়েছে, সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জে একটু হাতাহাতি হয়েছে, এছাড়া সব কয়টি নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে শেষ হয়েছে।

কে জিতল কে হারলো এটা আমাদের মূল বিষয় নয়, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আবারও গণতন্ত্রের বিজয়, গণতন্ত্র এখানে বিজয়ী। এরা অপপ্রচার করে এই সরকারের আমলে সুষ্ঠু নির্বাচন হয় না। বিদেশিদের কাছে নালিশ করে।

আসন ছেড়ে দিয়ে বিএনপি ভুল করেছে দাবি করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ফখরুল সাহেব ছয়টি সিট আপনাদের ছিল, পার্লামেন্ট থেকে পদত্যাগ করে কত বড় ভুল করেছে তা যতই দিন যাবে ততই অনুধাবন করতে পারবেন।

বিএনপি নেতাদের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা আব্বাস বলে সরকার নাকি ভয় পেয়ে গেছে। সরকার ভয় পেয়েছে না আপনারা ভয় পেয়েছেন। সরকার শান্তি সমাবেশ দিয়ে শুরু করেছে, এখনো শান্তি সমাবেশ করে যাচ্ছে, আপনারা সরকারের পতন, গণঅভ্যুত্থান, লাল কার্ড দেখে এখন কেনো অন্তিম পদযাত্রায় নামলেন, জিজ্ঞাসা, ভয় পেলো কে, বিক্ষোভ থেকে নীরব পদযাত্রা, কোথায় বিক্ষোভ, আমরা শান্তিতে ছিলাম, শান্তিতে আছি, শান্তিতেই থাকবো।

কাদের বলেন, খেলা হবে... আগামী নির্বাচনে, সেদিন প্রমাণ হবে কাদের পায়ের তলায় মাটি আছে, কাদের নাই। নির্বাচনে জনপ্রিয়তা যাচাই হবে, জনগণ ভোট দিয়ে যাচাই করবে। কাজেই এখন আপনি দাবি করছেন সরকারের পায়ের তলায় মাটি নেই। আপনাদের পায়ের তলায় মাটি আছে? জনগন আছে?

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবু-উল আলম হানিফ, সাংগঠনি সম্পাদক মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, ঢাকা মহানগর দক্ষিনের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফি, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন,ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি রাজিবুল ইসলাম বাপ্পি শান্তি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।

;