শেখ হাসিনার সরকার কখনো নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করবে না: কাদের



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নেত্রকোনা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের সংবিধান অনুযায়ী এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশে যেভাবে নির্বাচন হচ্ছে, সেভাবেই এদেশে সাধারণ নির্বাচন হবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার কখনো নির্বাচনে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। সরকার শুধুমাত্র নিয়মমাফিক দায়িত্ব পালন করবে। আর নির্বাচন কমিশন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য স্বাধীনভাবে তার কাজ করবে।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) নেত্রকোনা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, মির্জা আজম এমপি ও শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল এবং আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এবং আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ডিসেম্বর মাসে একটি খেলা হবে। খেলা হবে বিএনপি, হাওয়া ভবন এবং বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে।

ঢাকা মহানগরীতে বিএনপির মহাসমাবেশ প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওইদিন সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সতর্ক থাকবেন।

তিনি বলেন, বিএনপি কর্মীরা কোনো ঝামেলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে বা আগুন নিয়ে খেলার চেষ্টা করলে, দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা তাদের অশুভ পরিকল্পনা নস্যাৎ করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বাধা দেব।

ওয়ান ইলেভেনে পালানোর গল্প শুধু বিএনপির আছে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ কখনো পালিয়ে যায়নি বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ওয়ান ইলেভেনে পালানোর গল্প শুধু বিএনপির আছে। রাজনীতি না করার মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে আছে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পথ হারিয়ে বিএনপি পদযাত্রা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মানুষের মনের জোর যখন কমে যায় তখন গলার জোর বেড়ে যায়। বিএনপির অবস্থা তাই হয়েছে। বিএনপি নেতাদের মনের জোর কমে যাওয়ায় গলার জোর বেড়ে গেছে। পথ হারিয়ে তারা পদযাত্রা শুরু করেছে।

তিনি বলেন, হঠাৎ বিএনপি এতো শান্ত কেনো? পথ হারিয়ে তারা পদযাত্রা শুরু করেছে। এর মধ্য দিয়ে বিএনপির আন্দোলনের মরণ যাত্রা শুরু হয়েছে। ফখরুল ইসলামের গলার জোর বেড়ে গেছে। বিক্ষোভ কর্মসূচি এখন নিরব কেন? ফখরুল সাহের অনেক বিষোদগার করেছেন।

‘আওয়ামী লীগের পায়ের নিচে মাটি নেই’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, কার পায়ের নিচে মাটি আছে, কার নেই তার প্রমাণের জন্য দরকার নির্বাচন। আসুন নির্বাচনে। আমরা ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চাই না। খেলা হবে। নির্বাচনের খেলা হবে। তখন দেখা যাবে কার পায়ের নিচে মাটি আছে আর কার নেই।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, এডভোকেট কামরুল ইসলাম ও ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়–য়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, বিএনপি-জামায়াত আবারও বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে চেষ্টা করছে। দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শেখ হাসিনা সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকার প্রতিটি নাগরিকের জন্য গৃহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে মানুষের মাথা গোজার ঠাঁই করে দিয়েছেন অতীতে আর কেউ করে দেন নাই। চিকিৎসার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক করে দিয়েছেন সেখানে বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়া যায়।

বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহবান জানিয়ে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, ক্ষমতায় যেতে চাইলে ভোটে আসেন, অন্য কোন পথে ক্ষমতায় যাওয়া যাবে না। রাজপথে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করবেন না। নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে রাজপথে জবাব দেওয়া হবে।

;

বিএনপি সমাবেশের নামে পিকনিক করেছেন: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি সমাবেশের নামে পিকনিক করেছে মন্তব্য করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, দেশের আট বিভাগে তারা সমাবেশের নামে মশারি ও কয়েল নিয়ে খিচুড়ি রান্না করে খেয়েছেন। এটি তাদের সমাবেশ না, পিকনিক। তারা পিকনিক করেছেন আর জারি গান শুনেছেন।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠের জনসভায় দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি কথায় কথায় বলে আওয়ামী লীগ পালাবার সুযোগ পাবে না। তাদের নেতা তারেকই দেশের বাইরে পালিয়ে আছেন। এদেশের জনগণ বিএনপিকেই পালাবার সুযোগ দেবে না।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এসে রাজশাহীতেই বাংলা ভাই সৃষ্টি করেছিল। তারা ক্ষমতায় গেলে একটি নয়, ১০টি বাংলা ভাই সৃষ্টি করবেন।

মন্ত্রী বলেন, রাজশাহীর এ মাদরাসা তারা সমাবেশ করেছেন। এখানে আমাদের নেতাকর্মীরা সমাবেশ করতে চাননি। তারা বড় মাঠে করতে চেয়েছিলেন। আমরা এখানেই করেছি। এটি একটি ঐতিহাসিক মাঠ। আজ আমাদের জনসভা মাঠ ছাড়িয়ে পুরো শহরে চলে গেছে। রাজশাহীজুড়েই জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।

;

‘আ.লীগ কখনো দেশ ছেড়ে পালায় না, বিএনপি নেতারা পালায়’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ পালানোর সময় পাবে না বিএনপির নেতাদের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজ যারা বলে আওয়ামী লীগ পালানোর সময় পাবে না, তাদের উদ্দেশ্যে বলি আওয়ামী লীগ এদেশ থেকে পালায় না। বিএনপির নেতারাই এদেশ থেকে পালায়।

তিনি বলেন, এদেশে জিয়াউর রহমান, এরশাদসহ অনেকেই ক্ষমতায় ছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ ছাড়া এদেশে কেউ উন্নয়ন করেনি।

রোববার রাজশাহীর আওয়ামী লীগ আয়োজিত ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

বিকাল তিনটার দিকে জনসভায় উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী। জনসভায় উপস্থিত হয়ে ২৬টি প্রকল্প উদ্বোধন ও ছয়টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। এসময় দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এর আগে দুপুরে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জনসভা শুরু হয়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ছাড়াও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির কঠোর সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ প্রধান বলেন, নৌকায় ভোট দেওয়ায় ফাহিমা-মহিমাদের নির্যাতন করেছে। অনেক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। অথচ এই নৌকায় ভোট দিয়েছে বলেই এদেশ স্বাধীন হয়েছে। নৌকায় ভোট না দিলে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হতে পারতো না। নৌকায় ভোট দিয়েছে বলেই জিয়াউর রহমান মেজর জেনারেল হতে পারছে। কিন্তু সেই নৌকার প্রতি এতো ক্ষোভ কেন।

বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকুক এটা বিএনপি সহ্য করতে পারে না বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলেই এদেশে লুটপাট আর দুর্নীতি করে। আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে এদেশের মানুষ শান্তিতে থাকে, ভালো থাকে।

জনসভায় আসার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারদায় পুলিশ একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের শিক্ষা সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

;

‘পালাব না, প্রয়োজনে ফখরুল সাহেবের বাসায় উঠব’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

‘আমরা দেশ ছেড়ে পালাব না, প্রয়োজনে ফখরুল সাহেবের বাসায় উঠব’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) রাজশাহীর মাদরাসা মাঠের জনসভায় ওবায়দুল কাদের এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান রাজনীতি করবে না বলে মুচলেকা দিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। আমরা পালাব না, প্রয়োজনে মির্জা ফখরুল সাহেবের বাসায় গিয়ে উঠব। জায়গা দেবে তো?’

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিএনপি এখন পদযাত্রা করছে। পদযাত্রা মানে অন্তিম যাত্রা, পদযাত্রা মানে মরণযাত্রা, পদযাত্রা মানে শেষ যাত্রা।

কাদের বলেন, কিছুদিন আগে বিএনপি এখানে একটা সমাবেশ করেছে। সেই সমাবেশ আর আজকের সমাবেশ সারাব বাংলাদেশ দেখছে। আজকের জনসভা জনসমুদ্রে রূপান্তরিত হয়েছে। জনসভা মাঠের ১০ গুণ মানুষ মাঠের বাইরে বসে আছে।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতাদের বড় জ্বালা, অন্তর জ্বালা। জ্বালায় জ্বালায় মরে। পদ্মা সেতুর জ্বালা। পদ্মা সেতুর পর মেট্রোরেল এসেছে। মেট্রোরেলের পর আরেক জ্বালা আসছে বঙ্গবন্ধু চটানেল। যেদিকে তাকাই উন্নয়ন। জ্বালায় মরে ফখরুল আর বিএনপি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজশাহী সিটি গ্রীণ সিটিতে রুপান্তিরিত হয়েছে উল্লেখ করে কাদের বলেন, আপনারা ভাগ্যবান। রাজশাহী এখন দেশের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন সিটি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাজশাহীতে নবরূপে সজ্জিত করেছেন মেয়র, জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা।

তিনি বলেন, খেলা হবে। হবে খেলা। খেলা হবার আগেই তো পালানো শুরু করেছেন। আগেই তো মরণ যাত্রা শুরু করেছেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দুর্নীতি, লটুপাট, অর্থপাচার, হত্যা-ষড়যন্ত্রের, জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে খেলা হবে। আগামী নির্বাচনে ফাইনাল খেলা হবে। তৈরি হয়ে যান। তাদের শিক্ষা হয়নি, শিক্ষাটা পাবে। আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে আবারো পরাজয়ের মুখ দর্শন করতে হবে।

;