‘বিএনপির রাজনীতি থেকে বিদায় নেওয়ার সময় এসেছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকার নয়, নেতিবাচক রাজনীতি ও নির্বাচন বিমূখতার জন্য বিএনপির রাজনীতি থেকে বিদায় নেওয়ার সময় এসেছে।

বুধবার (১০ আগস্ট) আওয়ামী লীগ সরকারের নাকি বিদায় নেওয়ার সময় এসেছে, বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে এক বিবৃতিতে একথা বলেন তিনি।

নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতা পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের ক্ষমতার উৎস এদেশের জনগণ এবং ক্ষমতা দেওয়ার মালিক মহান আল্লাহ।

তিনি তাঁর বিবৃতিতে আরও বলেন, বিএনপির মত জনবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক দলের মুখের কথায় জনগণের এখন আর কোন আস্থা নেই।

বিএনপি সরকার পরিচালনায় যেমন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে, বিরোধীদল হিসেবেও চরম দায়িত্বহীনতার নজির স্থাপন করেছে বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

বিএনপি প্রায় প্রতিদিনই মিটিং - মিছিল করছে,সমাবেশ করছে, অথচ তারা অভিযোগ করছে তাদের নাকি সভা সমাবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না, তাদেরকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে - এতসব মিথ্যা অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের তাঁর বিবৃতিতে বলেন, বিএনপি নিজেদের ব্যর্থতা ও নানান অপকর্মের দায় সরকারের ওপর চাপানোর অপচেষ্টা করা তাদের পুরনো স্বভাব।

মিথ্যার মোড়কে বিএনপির অগণতান্ত্রিক রাজনীতির স্বরূপ জনগণের কাছে এখন স্পষ্ট, এমন দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের শাসন আমলেইতো দেশ মগের মুল্লুকে রূপান্তরিত হয়েছিলো। ধর্মীয় উগ্রবাদ আর সাম্প্রদায়িকতার ডাল-পালার বিস্তার ঘটেছিলো, সার চাইতে গিয়ে কৃষকেরা প্রাণ দিয়েছিলো।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, বিএনপির শাসনামলে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছিলো, সংখ্যালঘু নির্যাতনের রেকর্ড করেছিলো।

বিএনপি আবারও দেশকে সেই অরাজকতায় ডুবিয়ে দিতে চায় উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিবৃতিতে বলেন, জনগণ বর্ণচোরা বিএনপিকে চিনে, জনগণ সেই সুযোগ তাদের আর দেবে না।

‘রঙিন খোয়াব দেখে লাভ নেই, বিএনপি এখন উভয় সংকটে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘রঙিন খোয়াব দেখে লাভ নেই,  বিএনপি এখন উভয় সংকটে’

‘রঙিন খোয়াব দেখে লাভ নেই, বিএনপি এখন উভয় সংকটে’

  • Font increase
  • Font Decrease

রঙিন খোয়াব দেখে কোন লাভ নেই ,  বিএনপি এখন উভয় সংকটে, তাদের জ্বলে কুমির ডাঙায় বাগ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের অন্তর্গত  কদমতলী থানা ও ৫২,৫৩,৫৮, ৫৯,৬০, ৬১ নং ওয়ার্ড সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

বিএনপি  আন্দোলনে ব্যর্থ এখন নির্বাচনেও যেতে ভয় পাচ্ছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন তাদের নেতা কে? ২২ দলীয় ঝগা খিচুড়ির ঐক্য গতবারের মত এবারও একই পরিনতি হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন যারা দেশে হ্যা- না ভোট করে প্রহসনের নির্বাচন  করেছিলেন, আজিজ মার্কা নির্বাচন কমিশন এবং ১৫ ই ফেব্রুয়ারীর ভোটারবিহীন নির্বাচন করেছিলেন তাদের শেখ হাসিনার উপর আস্থা রাখার কোন দরকার নেই । 

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের  বলেন দল করলে দলের নিয়মশৃঙ্খলা মেনে  চলতে হবে, নেতাকর্মীরা ঐক্য থাকলে বিএনপি যতই লাফালাফি করুক তাতে  কোন লাভ হবে না।

কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ নাছিম মিয়ার সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এডভোকেট কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

;

সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর ঠিকানা বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে হবে না: বাবর



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
হেলাল আকবর চৌধুরী বারব

হেলাল আকবর চৌধুরী বারব

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন শারদীয় দূর্গা পূজাকে সামনে রেখে হিন্দুদের মন্দিরে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী হামলা চালালে তাদের ঠিকানা বঙ্গবন্ধু'র অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশে হবে না বলে হুশিয়ার করেছেন সাবেক ছাত্রনেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বারব।

আসন্ন শারদীয় দর্গা পূজাকে সামনে ২২নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ডের পূজামণ্ডপ কমিটি সমূহের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। এসময় তিনি প্রতিটি পাড়া মহল্লায় সম্প্রীতি কমিটি গঠন করার আহ্বান জানান।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ টার দিকে নগরের নন্দনকানন  ডিসিহিলের সম্মুখে ২২নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর সলিমুল্লাহ বাচ্চুর সভাপতিত্বে সাবেক ছাত্রনেতা শিবু প্রসাদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় আয়োজিত  উক্ত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, সংরক্ষিত কাউন্সিলর নিলু নাগ, ম এড. শ্রীপতি কান্তি পাল ,মহানগর পূজা কমিটির সদস্য বিলু ঘোষ, সরোয়ার জাহান সারু,সুজিত ঘোষ।

হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর বলেন, যারা ধর্মের নামে মন্দির, মসজিদ, গির্জায় সাম্প্রদায়িক হামলা করে তারা সমাজের শত্রু,দেশের শত্রু, ধর্মের শত্রু।যারা এই ধরণের হামলা করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে তাদের জায়গা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসাম্প্রদায়িক চেতনার সোনার বাংলাদেশে হবে না।বিএনপি-জামাত চক্র দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য বারংবার সাম্প্রদায়িক হামলা চালিয়েছে হিন্দুদের বাড়ী ঘরে, মন্দিরে ভাংচুর চালিয়েছে। তাদের প্রতি সাবধান করে বলতে চাই যদি কোন প্রকার সাম্প্রদায়িক হামলা চালিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করা হয় তবে সকল শ্রেণী পেশার মানুষদের সাথে নিয়ে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।

এ সময় আসন্ন দূর্গা পূজাকে সামনে রেখে প্রতিটি পাড়া মহল্লায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কমিটি গঠন করারার মাধ্যমে প্রতিটি পূজা মন্ডপে প্রশাসনের পাশাপাশি স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে পাহারাদারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে আহ্বান জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, গোলাপ সিং লেন মজুমদার বাড়ী পূজা মণ্ডপের সভাপতি অনিন্দ মজুমদার শ্যাম, সম্পাদক আনন্দ মজুমদার স্নীগ্ধ, শ্রী শ্রী মঙ্গলময়ী কালিবাড়ী মন্ডপের সভাপতি টুটুল ঘোষ,সম্পাদক গৌতম ঘোষ, শ্রী শ্রী ব্রজধাম পূজা কমিটির সভাপতি শিমুল কুমার দাশ,সম্পাদক রানা দাশ,মহিলা সমিতি গোয়ালপাড়া পুকুর পাড় পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি মিনা চৌধুরী,সম্পাদক রিতা রক্তি,যুগ্ন সম্পাদক দেবিকা ঘোষ, গোয়ালপাড়া শিল্পী সংঘের  সভাপতি শৈবাল ঘোষ মিমো,সম্পাদক ছোটন ঘোষ,সনাতন ধর্ম সংসদের সভাপতি উত্তম দে,সম্পাদক বিপ্লব দে, কোষাধ্যক্ষ টুটুল মজুমদার,১নং এনায়েত বাজার পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুদীপ কুমার মিত্র,সম্পাদক সঞ্জিত ভট্টাচার্য, নন্দনকানন ১নং গলি পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দেবাশীষ ঘোষ অমিত,সম্পাদক রাকেশ দাশ, বাবুলাল ঘোষের বাড়ী পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি মুন্না ঘোষ,সম্পাদক বিকাশ ঘোষ,এয়ারবেল কারু পূজা কমিটির সভাপতি প্রণব চৌধুরী কুমকুম,সম্পাদক দীপংকর রুদ্র,রথের পুকুর পাড় বালক সাধু আশ্রম পূজা কমিটির সভাপতি সুমন মজুমদার, সম্পাদক মৃনাল কাম্তি দত্ত, শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর মন্দির পূজা কমিটির সভাপতি জীবন দে,সম্পাদক টিপু মিত্র, লাভলেন সেবক কলোনী পূজা কমিটির সভাপতি হরি রাম দাশ,সম্পাদক আরমান দাশ, রেলওয়ে কলোনী পূজা কমিটির সভাপতি বাবুল চক্রবর্তী, সম্পাদক আশীষ চৌধুরী,জুবলী রোড় পূজা কমিটির সভাপতি সঞ্জয় ঘোষ,সম্পাদক কমল সাহা প্রমুখ।

;

ইডেনে ছাত্রলীগের কার্যক্রম স্থগিত, ১৬ নেতাকর্মী বহিষ্কার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অপরাধে ১৬ জন নেতাকর্মীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ এসব তথ্য জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইডেন মহিলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।

এতে আরও বলা হয়, শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অপরাধে প্রাথমিকভাবে পাওয়া প্রমাণের ভিত্তিতে ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সোনালি আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, জেবুন্নাহার শিলা, কল্পনা বেগম, জান্নাতুল ফেরদৌস, আফরোজা রশ্মি, মারজানা উর্মি, সানজিদা পারভীন চৌধুরী, এস এম মিলি, সাদিয়া জাহান সাথী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খানম বিন্তি ও সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি এবং কর্মী রাফিয়া নীলা, নোশিন শার্মিলী, জান্নাতুল লিমা, সূচনা আক্তারকে ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হলো।

সেই সঙ্গে অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলার সঙ্গে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে রোববার দুপুরে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে ছাত্রী নিবাসের সিট বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, শিক্ষার্থী নির্যাতনসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ এনে দুজনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে কলেজ ছাত্রলীগের ২৫ নেত্রী।

;

রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচন: আ.লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীকে বহিষ্কার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
আখতারুজ্জামান আক্তার

আখতারুজ্জামান আক্তার

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে সরে না দাঁড়ানোয় ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী আখতারুজ্জামান আক্তারকে জেলা আওয়ামী লীগের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ দারা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আখতারুজ্জামান রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ছিলেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ভোটে অংশ নেওয়ায় আখতারুজ্জামানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হলো। পাশাপাশি যারা দলীয় প্রার্থীর বিরোধীতা করবেন তারাও মূল দল বা সহযোগী সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত হবেন।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে প্রার্থিতা বৈধ হওয়ার পর থেকেই ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী আখতারুজ্জামানের ফোন বন্ধ ছিল। এরমধ্যেই তিনি জেলা প্রশাসক ও নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন যে, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ তাকে নির্বাচন থেকে সরে যেতে হুমকি দিয়েছেন।

রোববার প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শেষ হয়েছে। আখতারুজ্জামান তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় বহিষ্কার করা হলো। আগামী ১৭ অক্টোবর রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে।

এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল ও ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী আখতারুজ্জামান ছাড়াও আফজাল হোসেন নামের আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া তিনটি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে ১৭ জন এবং ৯টি সাধারণ ওয়ার্ডে ২৯ জন প্রার্থী ভোটের মাঠে আছেন।

;