সম্মেলন ডিসেম্বরেই, প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী ডিসেম্বরেই আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলন আয়োজনে সার্বিক প্রস্তুতি নিতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা।

শনিবার (৭ মে) রাতে গণভবনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক শেষে বেরিয়ে দলের সধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান, পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন ও জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করতে হবে।

সারা দেশে আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ অভিযান জোরদার করা এবং দলের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার বিষয়েও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

সম্মেলনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ডিসেম্বরে আমরা মনে করছি। যে কোনো সময়ে, নেত্রী যখন তারিখ দেবে সেভাবেই হবে। এখন থেকেই গঠনতন্ত্র ও ঘোষণাপত্র আপডেট করার জন্য, ইশতেহার তৈরির জন্য তিনি (শেখ হাসিনা) নির্দেশ দিয়েছেন।

মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলোর সম্মেলনের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, যারা বিদ্রোহী, পদে আছে সেসব জায়গায় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি করে সম্মেলনের কাজ সমাপ্ত করতে হবে।

মেয়াদোত্তীর্ণ সকল শাখা বিশেষ করে উপজেলা এবং জেলার সম্মেলনগুলো কাজ শেষ করতে হবে। আমাদের অন্তত ৪০টি উপজেলার সম্মেলনের তারিখ নির্ধারিত হয়েছে। এবং ৭টির মতো জেলার সম্মেলনের জন্যর প্রস্তুতি নিচ্ছি আগামী ১২ মে থেকে।

বিজয় সুনিশ্চিত করতে আগামী নির্বাচন ও জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত পার্টি হিসেবে আওয়ামী লীগকে গড়ে তোলার বিষয়টিও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, বিরোধী দলগুলো তারা তাদের মিছিল-মিটিং-সমাবেশগুলো স্বাধীনভাবে করুক। আমরা গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। নির্বাচনের জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। বিরোধী দলও যারা নির্বাচন করবে তাদের স্বাগত। নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে।

সহযোগী সংগঠনের সম্মেলনের বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যারা বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত আছেন তারা প্রত্যেক বিভাগের সহযোগী সংগঠনগুলোর খোঁজ খবর নিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। সহযোগী হোক বা মূল দল মেয়াদোত্তীর্ণ হলে সম্মেলন করতে হবে।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ এবং অসম্মানিত করায় নীলফামারীর ডোমার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমেদের বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। ইতিমধ্যে তাকে অব্যাহতি দিয়ে শোকজ দেওয়া হয়েছে।

দলের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে জোর দিয়ে আওয়ামী লীগের সধারণ সম্পাদক বলেন, যেখানে যেখানে শৃঙ্খলার ঘাটতি আছে সেখানে সেখানে সমাধান করতে বিভাগীয় নেতৃবৃন্দকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যেটা তারা করতে অসমর্থ হবে তা নেত্রী পর্যায়ে আসবে।

সরকার পাচারকারীদের পক্ষ নিচ্ছে: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকার পাচারকারীদের তথ্য প্রকাশ না করে নিজকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে। দুর্নীতিবাজ ও পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে সরকার অপরাধীদের পক্ষ নিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি।

শুক্রবার (১২ আগস্ট ) রাজধানীর মিরপুরের চিড়িয়াখানা রোডের ঈদগাহ মাঠে মিরপুর ও শাহ্আলী থানার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, প্রতি বছর কারা হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছে, তাদের তালিকা জানতে চায় দেশের মানুষ। পাচারকারীদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। গেলো বছর সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশ থেকে ৪ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। সাধারণ মানুষ মনে করছে বর্তমান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও ক্ষমতাসীন দলের লোকজন বাঁচাতে দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ করছে না।

তিনি বলেন, জ্বালানি খাতের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে। দেশের মানুষ জানতে চায়, প্রতি বছর কত হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে। কারা এই দুর্নীতির সাথে জড়িত? দুর্নীতির সাথে জড়িতদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। বিচারের মুখোমুখি করতে হবে দুর্নীতিবাজদের।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ইউরোপ, আমেরিকা আর সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্য ছেড়ে দেয়া উন্নয়নের নৌকা এখন শ্রীলঙ্কার পথে। দেশের স্বার্থে কথা বললেই সরকারের কিছু নেতা ষড়যন্ত্র খোঁজে। আমরা যখন বলেছি, দেশ শ্রীলঙ্কার মত ব্যর্থ হতে চলছে। তখন আমাদের মুর্খ বলেছে। এখন আমাদের প্রশ্ন, দেশে লোডশেডিং কেন? ডলারের দাম এত বেড়েছে কেন? জ্বালানি তেলের দাম এত বেড়েছে কেন? সারাদিন বিশ্বব্যাংক আর আইএমএফ-কে গালাগাল দিয়ে এখন ঋণের জন্য তাদের পিছনে ঘুরছেন কেন?

তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বললেই আওয়ামী লীগ এর কিছু নেতা মনে করেন, তাদের গালাগাল দেয়া হচ্ছে। অযৌক্তিক ভাবে তারা আমাদের গালাগাল দিতে শুরু করেন। তারা বুঝতে চান না, মানুষ তাদের ভোটাধিকার ফিরে পেতে চায়। মানুষ নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচিত করে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায়। দেশের মানুষ আর টালবাহানার নির্বাচন চায় না। নির্বাচনের নামে ইভিএম এর কারসাজি চলবে না। কালো টাকা, পেশিশক্তি, অস্র আর প্রশাসনকে প্রভাবিত করে যেনতেন নির্বাচন করতে পারবে না কেউ। এখন মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠাই গুরুত্বপূর্ণ।

জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর উত্তর এর সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম পাঠানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তৃতা করেন পার্টির মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আব্দুস সবুর আসুদ, সফিকুল ইসলাম সেন্টু, আতিকুর রহমান, মোস্তফা আল মাহমুদ, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এমএ কুদ্দুস খান, আমানত হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ উদ্দিন, মাহবুবুর রহমান লিপটন প্রমুখ।

;

নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতির স্বাভাবিক হবে: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং করা হচ্ছে। তবে নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতির স্বাভাবিক হবে। একই সাথে বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার কারণে বাংলাদেশেও দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এ নিয়ে বিএনপির মাঠ গরমের কিছু নেই।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার দুপুরে রাজশাহীর মোহনপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শোক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণেই আজ সারাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার থেকে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত সবক্ষেত্রেই নারী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা হয়েছে। নারীদের আর্থিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, স্বামী পরিত্যক্তা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতাসহ বিভিন্ন ধরনের ভাতা চালু করেছেন। এর ফলে নারীরা স্বাবলম্বী হয়েছেন। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি, রাজশাহী -৩ আসনের সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন, কক্সবাজারের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা এবং রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোহনপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম। মোহনপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ এই শোকসভার আয়োজন করে।

;

‘বিএনপি অপরাজনীতির মাধ্যমে দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ওবায়দুল কাদের/ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের/ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি পরিকল্পিত ভাবে অপরাজনীতির মাধ্যমে দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কর্মীরা মাঠে নামলে রাজপথ নয়, বিএনপি অলিগলিও খুঁজে পাবে না।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) তাঁর বাসভবনে ব্রিফিংকালে এ মন্তব্য করেন।

বিএনপি নেতারা তাদের কর্মীদের রাজপথ দখলের নির্দেশ দেওয়া প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাজপথ কারো পৈত্রিক সম্পত্তি নয়, রাজপথ জনগণের সম্পদ, কাজেই অতীতের মত আবারও যদি রাজপথ দখলের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয় তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগকে অচীরেই রাজপথে দেখা যাবে এমনটা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, বিএনপির হাঁকডাক লোক দেখানো, কর্মীদের চাঙ্গা রাখার অকৌশল মাত্র, তাদের এসব ব্যর্থতা ঢাকার কৌশলী অপপ্রয়াস ছাড়া আর কিছু নয়।

বিএনপি চায় সরকারে গিয়ে আবার লুটপাটের অবাধ সুযোগ সৃষ্টি করতে,আবার হাওয়া ভবন তৈরি করে দেশের অমিত সম্ভাবনার পথ রুদ্ধ করে অন্ধকার পথে হাঁটতে এমন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণ তাদের সে সুযোগ আর কখনো দেবে না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যর্থ বিরোধীদল হিসেবে বিএনপি নিজেরাই চাচ্ছে দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে,দেশকে সংকটে ফেলে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে।

জনগণের প্রতি আস্থাহীন এক রাজনৈতিক দল বিএনপি,দাবি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাদের রাজনৈতিক মেরুদণ্ড অত্যন্ত ভঙ্গুর।

তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় যেতে চায় কিন্তু নির্বাচনে যেতে ভয় পায়।

বিএনপি মহাসচিব নির্বাচিত হয়ে সংসদে যাবেন না, আবার অন্যদের সংসদে পাঠাবেন, - ওবায়দুল কাদের বিএনপির এমন লাজ-লজ্জাও তাদের প্রতি মানুষের আস্থাহীনতার মত তলানীতে গিয়ে ঠেকেছে বলে মনে করেন।

তত্বাবধায়ক সরকার মীমাসিংত ইস্যু সেটা ভুলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি নেতাদের বলেন এদেশে আর তত্বাবধায়ক সরকার আসার সুযোগ নেই।

আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়াই বিএনপির মঙ্গল উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, সরকারের পদত্যাগ, সংসদ ভেঙে দেওয়া এসব দিবাস্বপ্ন দেখে কোন লাভ নেই।

;

রাজপথ দখলে নেতাকর্মীদের প্রস্তুত হতে বললেন ফখরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি নেতাকর্মীদের রাজপথ দখলের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার ডাক দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সংগ্রাম শুরু হয়ে গেছে, এই লড়াই আমাদের প্রাণের লড়াই, আমাদের বেঁচে থাকার লড়াই, এই লড়াই বাংলাদেশকে রক্ষা করবার লড়াই। এটা বিএনপির নয়, তারেক রহমানের নয়, আমাদের নয়, এই লড়াই বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষকে বাঁচার লড়াই।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই লড়াইয়ে অবশ্যই আমাদের শরিক হতে হবে, আমাদের ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে, রাজপথ আমাদেরকে দখল করতে হবে। রাজপথের লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে আমরা অবশ্যই এই ফ্যাসিস্ট দানবীয় হাসিনা সরকারকে সরিয়ে সত্যিকার অর্থেই আমরা একটা জনগণের সরকার, জনগণের রাষ্ট্র, জনগণের একটা সমাজ তৈরি করব।

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই, আর কাল বিলম্ব না করে অবিলম্বে পদত্যাগ করুন। কারণ আপনারা ব্যর্থ হয়েছেন। আপনারা মানুষের সমস্যা সমাধান করতে পারছেন না। সুতরাং আপনাদেরকে এই মুহূর্তে পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে, নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করে নির্বাচন দিয়ে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে নতুন পার্লামেন্ট গঠন করতে হবে, সরকার গঠন করতে হবে।

দেশের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে চাল, ডাল, তেল সব কিছুরই দাম বেড়ে যাচ্ছে। আরেকদিকে বিদ্যুতের যে সমস্যা, সেটা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সরকার আমদানি করার জন্য, দুর্নীতি ও চুরি করার জন্য আমার দেশে যে গ্যাস আছে, সেই গ্যাস উত্তোলনের জন্য তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই। তাদের নিজস্ব লোকদের দিয়ে গ্যাস আমদানির ফলে আজকে বিদ্যুতের দামও অনেক বাড়ানো হয়েছে।

;