‘নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ভারতের কাছে ধর্না দেয়া লজ্জাজনক’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • Font increase
  • Font Decrease

র‌্যাবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ভারতের কাছে ধর্না দেয়া দেশের জন্য লজ্জাজনক এমন মন্তব্য করে সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, সরকার বর্বরভাবে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছে। ভয়াবহ দানব সরকারকে প্রতিরোধ করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সরকারকে সরানো সবার আগে প্রয়োজন। জনমত গড়ে তুলতে পেশাজীবীদের প্রতি আহ্বান।

বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর লেডিস্ ক্লাবে এক ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। পেশাজীবীদের সম্মানে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি।

মির্জা ফখরুল বলেন, রাষ্ট্র দখলের মত একই কায়দায় জোর করে আইনজীবী সমিতির ফলাফল ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। পেশাজীবীদের প্রতিবাদ করা দরকার।

তিনি বলেন, নিউমার্কেটে দুজন নিরীহ মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে, ছাত্রলীগের কাজ। কিন্তু বিএনপি নেতাদের নামে মামলা দিয়েছে তারা। অথচ যারা জড়িত মিডিয়ায় তাদের ছবি চিহ্নিত হয়েছে। আজ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে। কিন্তু এতদিন তারা বিএনপি নেতা মকবুলের নামে মামলা দিয়েছে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রকাশ্যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য ভারতের কাছে ধর্না দিচ্ছে। কিন্তু যখন রোহিঙ্গা ইস্যুতে তাদের কথা বলা প্রয়োজন ছিল তখন কথা বলেনি বতমান সরকার। একদলীয় শাসন কায়েম করছে তারা।

'এই সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নিরপেক্ষ কমিশনের অধীনে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রয়োজন। এ দেশের পেশাজীবিদের প্রতি গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান।

ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন, শওকত মাহমুদ, প্রফেসর দিলারা চৌধুরী, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী প্রমুখ।

বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় মেফতা আল রশিদ মিলটন নামের এক যুবদল কর্মী ছুরিকাহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শহরের নবাববাড়ি সড়কে জেলা বিএনপি অফিসের সামনে এঘটনা ঘটে।

জানাগেছে, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার জেলা বিএনপি অফিসের সামনে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাজেদুর রহমান জুয়েলের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক রেজাউল করিম বাদশা।

সমাবেশ সংক্ষিপ্ত করার উদ্দ্যেশে প্রধান অতিথি ছাড়া আর কাউকে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেওয়া হয়নি সমাবেশে। প্রধান অতিথির বক্তব্যের পর সমাবেশের সভাপতি মাজেদুর রহমান জুয়েল সমাপনী বক্তব্য শুরু করেন। ১০ মিনিট বক্তব্য দেওয়ার পর মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক সরকার মুকুল পিছন থেকে মাজেদুর রহমান জুয়েলের পিঠে ধাক্কা দিয়ে বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করতে বলেন। এনিয়ে মঞ্চে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হয়।

একপর্যায় তা হাতাহাতিতে রূপ নিলে শুরু হয় দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। এসময় শহর যুবদলের আহবায়ক সদস্য মেফতা আল রশিদ মিলটনকে ছুরিকাঘাত করে প্রতিপক্ষের কর্মীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দুই পক্ষকেই ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেয়।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাজেদুর রহমান জুয়েল বলেন, আমি অসুস্থ। হুইল চেয়ারে বসে কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করি। সমাপনী বক্তব্য দেওয়ার সময় সরকার মুকুল পিছন থেকে আমার পিঠে দুইবার ধাক্কা দেয়। এরপর আমি দ্রুত বক্তব্য শেষ করে বাসায় চলে যাই। পরে কি হয়েছে বলতে পারবো না।

বগুড়া সদর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শাহিনুজ্জামান বলেন, নিজেদের কোন্দলে যুবদল নেতা মিলটন ছুরিকাহত হয়েছেন। এঘটনার পর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

;

‘আ.লীগ ক্ষমতার জন্য ভারতকে কখনো অনুরোধ করেনি’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ওবায়দুল কাদের/ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের/ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের সাথে বাংলাদেশ কোন বৈরিতার সম্পর্ক চায় না, ভারতের সাথে বৈরিতা করে দেশের ক্ষতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর পলাশি মোড়ে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিল উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বক্তব্য প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকিয়ে থাকা ও আসার জন্য ভারতকে কখনো অনুরোধ করেনি, শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে কাউকে দায়িত্ব দেয়া হয়নি। এটি কারো ব্যক্তিগত অভিমত হতে পারে।

হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া কোন সাম্প্রদায়িক হামলা হয়নি, জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যারা হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা করেছে তারা দুর্বৃত্ত।

আমাদের সমর্থন, ক্ষমতার উৎস বাংলাদেশের জনগণ। বাইরের কেউ আমাদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে পারবে না। আল্লাহর ইচ্ছায় জনগণের সমর্থনে আওয়ামী লীগ টিকে আছে, ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতেও টিকে থাকবে। যিনি এ কথা বলেছেন, তার ব্যক্তিগত অভিমত হতে পারে। এটা আমাদের সরকারের বক্তব্য না, দলেরও বক্তব্য না। এতে করে ভারতও লজ্জা পায়। কীভাবে আমরা এ কথা বলি! বন্ধু, বন্ধু আছি। সম্পর্কটা ভালো আছে। অহেতুক কথা বলে এটা নষ্ট করবেন না কেউ, বলেন কাদের।

হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে কাদের বলেন, আমরা আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং আমরা ভবিষ্যতেও আপনাদের সঙ্গে থাকবো। এখানে কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্বের অবকাশ সেই।

;

কমিটি সহসাই যারা আসছে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃত্বে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কমিটি সহসাই যারা আসছে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃত্বে

কমিটি সহসাই যারা আসছে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃত্বে

  • Font increase
  • Font Decrease

স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রথম কমিটি গঠন হয় ২০১৬ সালের দিকে। এরপর দীর্ঘ ৪ বছর পর ২০২০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বরে স্বেচ্ছাসেবক দলের ১৪৯ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেন্দ্রীয় সভাপতি শফিউল বারী বাবু মৃত্যুবরণ করলে সংগঠনে কিছুটা স্থবিরতা আসে। তবে সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করে যান।পরে ২০২২ সালের ২০ এপ্রিল মোস্তাফিজুর রহমানকে সভাপতি করেই ৩৫২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়।

তবে এই কমিটি নিয়ে দলের মধ্যে যথেষ্ট নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। সাংগঠনিক বিচারে এটি একটি মেয়াদোর্ত্তীণ কমিটি। স্বেচ্ছাসেবক দলের বেশ কয়েকজন নেতার সাথে আলাপ করে জানা গেছে, বর্তমান কমিটি প্রত্যাশানুযায়ী কাজ করতে পারছে না। তাছাড়া সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের রসায়নেও যথেষ্ট সমস্যা রয়েছে। বিভিন্ন ইউনিটের কমিটি দেয়াতে দীর্ঘ সূত্রিতার আশ্রয় নেয়ায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের উপর ক্ষুব্ধ। বিএনপির অন্যান্য সক্রিয় সংগঠনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে না পারার কারণে স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটি দেয়ার প্রয়োজন অনুভব করছে বিএনপি হাইকমান্ড। চলতি মাসে (২ আগস্ট) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংগঠনটির নেতৃবৃন্দের সাথে নতুন কমিটি গঠন নিয়ে ভার্চুয়ালি আলোচনা করেছেন। সেখানে তিনি সম্ভাব্য নেতৃবৃন্দ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নিয়েছেন।

নতুন কমিটিতে সাবেক ছাত্রনেতাদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে জানা গেছে। এছাড়া বিগত আন্দোলন সংগ্রামে যেসব নেতা ভূমিকা রেখেছে কিন্তু অন্য কোথাও পদ পাননি তাদেরকে পূর্নবাসনের ইচ্ছে আছে বিএনপি হাইকমান্ডের। এছাড়া ছাত্রদলের সদ্য সাবেক এবং যুব নেতাদের যারা পদ বঞ্চিত তাদের ব্যাপারেও সফট কর্ণার রয়েছে দলের। এজন্যই এবার আংশিক কমিটির বদলে পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেয়ার ব্যাপারে শক্ত অবস্থানে আছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।

স্বেচ্ছাসেবক দলে সভাপতি পদ প্রত্যাশীদের মধ্যে জোর আলোচনায় আছেন-বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল ছাড়াও হাবিবুর রশীদ হাবিব,রাজীব আহসান,গোলাম সারোয়ার,সাইফুল ইসলাম ফিরোজ এবং এস এম জিলানী।

স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদকের পদে ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ সহ আলোচনায় আছেন আজহারুল হক মুকুল,সাদরেজ জামান, ইয়াসিন আলী,সর্দার মো. নুরুজ্জামান এবং নাজমুল হাসান।

কমিটিতে যারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী কিন্তু পদে আসতে পারবেন না তাদেরকে সংগঠনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করা হবে বলে জানা গেছে। কমিটি গঠনের কাজ একেবারেই শেষ পর্যায়ে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাই যে কোন মুহূর্তেই নতুন কমিটি ঘোষণা হতে পারে।

;

জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে গুম-বিচারবর্হিভূত হত্যার তদন্ত চায় বিএনপি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিএনপি।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) বিকালে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনারের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই দাবি জানান।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার অত্যন্ত সঙ্গতভাবে বলেছেন, এগুলোর সুষ্ঠু স্বাধীন নিরপেক্ষ তদন্ত হতে হবে। সেই সঙ্গে এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, তাদের বিচার হতে হবে। তিনি র‌্যাবের নামও উচ্চারণ করেছেন। র‌্যাবের মাধ্যমে এগুলো হয়েছে বলে তাদের তদন্তে যতটুকু এসেছে। এ বিষয়ে আমরা বলছি যে, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধায়নে স্বাধীন তদন্ত চাই। তদন্তের মাধ্যমে সেগুলো উৎঘাটন করতে চাই। যারা এসবের সঙ্গে জড়িত, যেসব সংগঠন জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রায় ৬ শতাধিক বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতাকর্মী, বিভিন্ন সিভিল সোসাইটির মানুষ ও শ্রমিক নেতাকে গুম করা হয়েছে। বেশির ভাগকেই খুঁজে পাওয়া যায়নি। এগুলোর কোনো সদুত্তর আমরা পাইনি, গুম হওয়া পরিবারের সদস্যরা পায়নি। একটা লোককে রাষ্ট্র গুম করে রাখবে, কিছু জানবে না! তার সমস্ত অধিকারকে ক্ষুণ্ন করা হবে, তার পরিবারের মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হবে- এটা কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। এই ধরনের অপরাধ অবশ্যই খুঁজে বের করা দরকার।

‘গুম নিয়ে বিএনপির অভিযোগ বেশিরভাগই রাজনৈতিক’ ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী-নেতাদের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘উনারা তো একথা বলবেনই। তারা তো স্বীকার করবেন না। তবে কালকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য যেটা দেখলাম যে, জাতিসংঘের কোনো ক্ষমতা নেই এসব গুম-অপহরণ হয়ে যাওয়ার বিষয়গুলো বিচার করার। তার মানে এসব ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, তাহলে স্বীকার করছেন যে সংঘটিত হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, সবাই তো নিশ্চয়ই পুলিশ অফিসারদের বক্তব্যগুলো শুনেছেন। তারা সব সময়ই বলে থাকেন, অনেকে হারিয়ে যায়, অনেকে পারিবারিক কারণে লুকিয়ে থাকে- এই ধরনের কথা-বার্তা। কিন্তু এগুলো প্রমাণিত হয়ে গেছে। বিশেষ করে একটি অনলাইন পোর্টালে যে প্রতিবেদন বেরিয়েছে তাতে আরও বেশি প্রমাণিত হয়েছে যে, সম্পূর্ণ রাষ্ট্র এর সঙ্গে জড়িত। রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই গুম, অত্যাচার-নির্যাতনের ঘটনার সঙ্গে জড়ানো হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তাতে বিএনপির যে দাবি তা আবারো প্রমাণিত হয়েছে। আমরা এত দিন বলে আসছি , এখানে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা চলছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের বিবৃতিতে আছে শর্টটার্ম ও লং টার্ম গুম হয়েছে। পরিস্কার করে বলেছেন জাতিসংঘের কর্মীদের ফাইন্ডিংসগুলো হচ্ছে এভাবে গুম হয়ে গেছে, বিচারবহির্ভূত হত্যা করেছে। এমনকি তারা এটাও বলেছে যে, এসব ঘটনা ইনভেস্টিগেশন করার জন্য নতুন একটি টিম আসবে। তারা আশা করেন যে, সরকার তাদেরকে অনুমতি দেবে। যদিও এর আগে কয়েকবার হিউম্যান রাইটস কমিশন আসতে চেয়েছিল। সরকার তাদেরকে বাধা দিয়েছে, তাদেরকে আসতে দেয়নি। এবার তাদেরকে আসতে দিয়েছে।

;