খালেদার চিকিৎসার নামে বিএনপি এতদিন অপরাজনীতি করেছে: নাছিম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নামে বিএনপি এতদিন দেশে অপরাজনীতি করেছে। তারা এতদিন মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি তৈরি করে ষড়যন্ত্র করেছে। 

বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে জাতীয় শ্রমিক লীগ-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাহাউদ্দীন নাসিম বলেন,বিএনপি নেতারা এতদিন বলেছে খালেদা জিয়াকে বিদেশ না নিয়ে গেলে তিনি মরে যাবেন। তাকে কোন ভাবেই বাঁচানো যাবে না। শেষ পর্যন্ত আমরা দেখলাম তিনি সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে গিয়েছেন। বাংলাদেশে তার সুন্দর ভাবে চিকিৎসা হয়েছে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে বিএনপি কতটা মিথ্যাচার ও অপপ্রচার করেছে তা দেশের মানুষ দেখেছে। তারা মূলত চেয়েছে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নামে দেশে অস্থিতীশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে।

আওয়ামী লীগের এ যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি সব সময় বিদেশীদের কাছে গিয়ে ধর্ণা দেয়। তারা পরাশক্তির কাছে নালিশ করে। লবিষ্ট নিয়োগ করে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করে । বিদেশীদের টাকা দেয় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য। অর্থনীতি কে বাধাগ্রস্থ করতে তারা মূলত বিদেশে লবিষ্ট নিয়োগ করেছে। এর আগে খালেদা জিয়াও নিবন্ধ লিখে জিএসপি সুবিধা নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন, যা আমেরিকার বিভিন্ন পত্রিকায় এসেছে। বিএনপির কাজ হলো অপরাজনীতি করা, তারা কখনো স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনা। তারা সব সময় চায় বাংলাদেশ ধ্বংস হোক।

শ্রমিক লীগের নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, জাতীয় শ্রমিক লীগ সব সময় মেহনতী মানুষের জন্য কাজ করে আসছে। আপনাদের সকলকে সেটা মনে রাখতে হবে। সংগঠনের  শক্তিকে আরও বাড়াতে হবে। দক্ষ নেতৃত্ব তৈরি করতে হবে। জনপ্রিয়দের খুঁজে বের করতে হবে।  দেশের স্বার্থে, জাতির পিতার আদর্শের স্বার্থে, বাংলাদেশ উন্নয়ন অগ্রযাত্রার স্বার্থে এবং গনতন্ত্রের স্বার্থে দেশের অপরাজনীতির বিরুদ্ধে শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীদের এক হয়ে কাজ করতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতীয় শ্রমিক লীগের সকল নেতা কর্মীরা বিএনপি জামায়াতের সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিবে।

শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নূর কুতুব আলম মান্নান এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কে এম আযম খসররুর সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম প্রমুখ। 

‘বিএনপি অপরাজনীতির মাধ্যমে দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ওবায়দুল কাদের/ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের/ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি পরিকল্পিত ভাবে অপরাজনীতির মাধ্যমে দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কর্মীরা মাঠে নামলে রাজপথ নয়, বিএনপি অলিগলিও খুঁজে পাবে না।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) তাঁর বাসভবনে ব্রিফিংকালে এ মন্তব্য করেন।

বিএনপি নেতারা তাদের কর্মীদের রাজপথ দখলের নির্দেশ দেওয়া প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাজপথ কারো পৈত্রিক সম্পত্তি নয়, রাজপথ জনগণের সম্পদ, কাজেই অতীতের মত আবারও যদি রাজপথ দখলের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয় তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগকে অচীরেই রাজপথে দেখা যাবে এমনটা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, বিএনপির হাঁকডাক লোক দেখানো, কর্মীদের চাঙ্গা রাখার অকৌশল মাত্র, তাদের এসব ব্যর্থতা ঢাকার কৌশলী অপপ্রয়াস ছাড়া আর কিছু নয়।

বিএনপি চায় সরকারে গিয়ে আবার লুটপাটের অবাধ সুযোগ সৃষ্টি করতে,আবার হাওয়া ভবন তৈরি করে দেশের অমিত সম্ভাবনার পথ রুদ্ধ করে অন্ধকার পথে হাঁটতে এমন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণ তাদের সে সুযোগ আর কখনো দেবে না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যর্থ বিরোধীদল হিসেবে বিএনপি নিজেরাই চাচ্ছে দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে,দেশকে সংকটে ফেলে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে।

জনগণের প্রতি আস্থাহীন এক রাজনৈতিক দল বিএনপি,দাবি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাদের রাজনৈতিক মেরুদণ্ড অত্যন্ত ভঙ্গুর।

তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় যেতে চায় কিন্তু নির্বাচনে যেতে ভয় পায়।

বিএনপি মহাসচিব নির্বাচিত হয়ে সংসদে যাবেন না, আবার অন্যদের সংসদে পাঠাবেন, - ওবায়দুল কাদের বিএনপির এমন লাজ-লজ্জাও তাদের প্রতি মানুষের আস্থাহীনতার মত তলানীতে গিয়ে ঠেকেছে বলে মনে করেন।

তত্বাবধায়ক সরকার মীমাসিংত ইস্যু সেটা ভুলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি নেতাদের বলেন এদেশে আর তত্বাবধায়ক সরকার আসার সুযোগ নেই।

আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়াই বিএনপির মঙ্গল উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, সরকারের পদত্যাগ, সংসদ ভেঙে দেওয়া এসব দিবাস্বপ্ন দেখে কোন লাভ নেই।

;

রাজপথ দখলে নেতাকর্মীদের প্রস্তুত হতে বললেন ফখরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি নেতাকর্মীদের রাজপথ দখলের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার ডাক দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সংগ্রাম শুরু হয়ে গেছে, এই লড়াই আমাদের প্রাণের লড়াই, আমাদের বেঁচে থাকার লড়াই, এই লড়াই বাংলাদেশকে রক্ষা করবার লড়াই। এটা বিএনপির নয়, তারেক রহমানের নয়, আমাদের নয়, এই লড়াই বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষকে বাঁচার লড়াই।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই লড়াইয়ে অবশ্যই আমাদের শরিক হতে হবে, আমাদের ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে, রাজপথ আমাদেরকে দখল করতে হবে। রাজপথের লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে আমরা অবশ্যই এই ফ্যাসিস্ট দানবীয় হাসিনা সরকারকে সরিয়ে সত্যিকার অর্থেই আমরা একটা জনগণের সরকার, জনগণের রাষ্ট্র, জনগণের একটা সমাজ তৈরি করব।

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই, আর কাল বিলম্ব না করে অবিলম্বে পদত্যাগ করুন। কারণ আপনারা ব্যর্থ হয়েছেন। আপনারা মানুষের সমস্যা সমাধান করতে পারছেন না। সুতরাং আপনাদেরকে এই মুহূর্তে পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে, নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করে নির্বাচন দিয়ে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে নতুন পার্লামেন্ট গঠন করতে হবে, সরকার গঠন করতে হবে।

দেশের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে চাল, ডাল, তেল সব কিছুরই দাম বেড়ে যাচ্ছে। আরেকদিকে বিদ্যুতের যে সমস্যা, সেটা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সরকার আমদানি করার জন্য, দুর্নীতি ও চুরি করার জন্য আমার দেশে যে গ্যাস আছে, সেই গ্যাস উত্তোলনের জন্য তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই। তাদের নিজস্ব লোকদের দিয়ে গ্যাস আমদানির ফলে আজকে বিদ্যুতের দামও অনেক বাড়ানো হয়েছে।

;

নির্বাচন পর্যন্ত আ. লীগ রাজপথ দখলে রাখবে: হাছান মাহমুদ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আসছে সেপ্টেম্বর মাস থেকে আগামী নির্বাচন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রাজপথ দখলে রাখবে।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টায় রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের শুরুতে তিনি বক্তব্য দিতে গিয়ে এ কথা জানান।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব আজকে বিকেলে নয়াপল্টনে মিটিং করে বলেছেন, রাজপথ দখল করতে হবে। আমরা বলছি, এটি শোকের মাস। সেজন্য আমরা নানা কর্মসূচি পালন করছি। সেপ্টেম্বরে আমরা মাঠে নামবো। রাজপথ আমাদের দখলে থাকবে।

তিনি বলেন, কোনও দুস্কৃতিকারীরাকে আমরা রাজপথ ইজারা দেইনি। বিএনপির ব্যানারে তারা আবার রাজপথ দখল করে মানুষের ওপরে পেট্রোল বোমা মারবে, সেটি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হতে দেবে না। আমরা রাজপথ দখলে রাখব আগামী মাস থেকে। দুষ্কৃতিকারীরা যেন মানুষের ওপর হামলা করতে না পারে। নির্বাচন পর্যন্ত আমরা রাজপথ দখলে রাখবো।

জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে মাঠ গরম করার সুযোগ নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীতে এখন সংকট চলছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের মূল্য ৭০ থেকে ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সে কারণে বাংলাদেশেও জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। যখন পৃথিবীতে স্থিতিশীলভাবে দাম কমবে, তখন বাংলাদেশেও কমবে। তেলের এই দাম বৃদ্ধি নিয়ে কারও মাঠ গরম করার সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, তেলের দাম ভারতে অনেক আগে বেড়েছে। ভারতের অর্থনীতি আমাদের চেয়ে অনেক বড়। এরপরও তারা বেশ আগে তেলের মূল্য বৃদ্ধি করেছে। আমাদের সরকার তা করেনি। গত তিন মাসে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা বিপিসি লোকসান করেছে। অব্যাহতভাবে তো চলতে পারে না। সে কারণে বাধ্য হয়ে দাম বাড়াতে হয়েছে। আমরা দাম বৃদ্ধি করে ভারতের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, রিজার্ভ নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। রিজার্ভ তো কমবে-বাড়বে। সব সময় কি বাড়বে? কোনো দেশে যদি তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর রিজার্ভ থাকে তাহলে সেটি নিরাপদ। আমাদের কিন্তু প্রায় ছয় মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো রিজার্ভ আছে। রিজার্ভের ক্ষেত্রে সারা পৃথিবীতে আমাদের অবস্থান ৪৫, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের পরে আমাদের অবস্থান। অথচ আমাদের বিশেষ কারণে অজ্ঞ বিশেষজ্ঞ বা সব বিষয়ের বিশেষজ্ঞরা তারা কী বলেন! মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য তারা নানা কথা বলেন।

দেশে এখন তিন ধরনের ‘বিশেষজ্ঞ’ আছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবীরা অনেক কথা বলেন। বাংলাদেশে তিন ধরনের বুদ্ধিজীবী আছেন। এক সত্যিকারের বুদ্ধিজীবী, বিশেষ কারণে বুদ্ধিজীবী আর সব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ বুদ্ধিজীবী। পড়েছেন আইন, উনি আবার পরিবেশ বিশেষজ্ঞ! পড়েছেন রাজনীতি বিজ্ঞান, উনি আবার অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ! পড়ান পদার্থ, উনি আবার তেল-গ্যাস বিশেষজ্ঞ! সব বিষয়ে বিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশে আছে। রাত ১২টার পর যখন টেলিভিশনের পর্দার সামনে বসবেন, তখন দেখবেন।’

তিনি বলেন, এই সমস্ত প্রাইভেট টেলিভিশন জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে এসেছে। এখন প্রায় ৪০টার কাছাকাছি বেসরকারি টেলিভিশন। এর যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯৬ সালে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে। গত ১৩ বছরে ৩০টি টেলিভিশন সম্প্রচারে এসেছে। এই টেলিভিশনের পর্দায় যদি রাত ১২টার পরে বসেন এবং কিছু কিছু মানুষের বক্তব্য যদি শোনেন, মনে হবে বাংলাদেশ গত ১৩ বছরে ১৩ ফুট নেমে গেছে। তাদের বক্তব্যে মনে হয়। আসলেই কি তাই?’

আওয়ামী লীগের রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের দেশে যখন করোনা মহামারি দেখা দিল, তখন গবেষণার নামে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কিছু কিছু রিপোর্ট সামনে আনা হলো। কোন গবেষণালব্ধ রিপোর্ট না। বিশেষ কারণে বিশেষজ্ঞরা বলল, এই করোনায় দুই কোটি মানুষ নতুন করে দরিদ্র হবে। কয়দিন আগে আইএমএফ রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, ২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালে এক শতাংশ দরিদ্র কমেছে এবং অতিদরিদ্র মানুষের হার বাংলাদেশে ১১ শতাংশ। প্রকৃতপক্ষে এটা ১০ শতাংশ। অর্থাৎ এই করোনা মহামারির মধ্যেও যেখানে তথাকথিত বিশেষজ্ঞরা ফতোয়া দিয়েছেন, বিভ্রান্ত করার জন্য বক্তব্য দিয়েছেন যে দারিদ্রতা বাড়বে, সেখানে কিন্তু দারিদ্রতা কমছে।

তিনি বলেন, করোনা মহামারির মধ্যে আমরা মাথাপিছু আয়ের ক্ষেত্রে ভারতকে ছাড়িয়ে গেছি। এখন তিন হাজার ডলারের কাছাকাছি আমাদের মাথাপিছু আয়। এটাও আইএমএফের রিপোর্ট। অনেকেই বলেছিল, করোনার পর এই দেশে হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মারা যাবে। কিন্তু করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে পঞ্চম এবং দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম। সবার ওপরে আমরা।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল। সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারের পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজারের এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল, নগর আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি শাহীন আক্তার রেনী, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইসতিয়াক আহমেদ প্রমুখ।

;

আ.লীগের মাঠে নামলে কর্পূরের মতো উড়ে যাবে, বিএনপিকে কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আ.লীগের মাঠে নামলে কর্পূরের মতো উড়ে যাবে, বিএনপিকে কাদের

আ.লীগের মাঠে নামলে কর্পূরের মতো উড়ে যাবে, বিএনপিকে কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ রাজপথ ছাড়েনি জানিয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ যখন মাঠে নামবে, বিএনপি কর্পূরের মতো উড়ে যাবে।

এ সময় বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, পালানোর ইতিহাস আপনাদের, আমাদের নেই। প্রয়োজনে দেশের মাটিতে জেলে যাবো। আওয়ামী লীগ পালাবার দল নয়।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের এক জরুরী সভায় সাংবিাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিব ময়ুর সিংহাসন দেখছেন দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা সোনার হরিণ। দিন যায়, রাত যায়, সপ্তাহ যায়, মাস যায়, বছর যায়, কিন্তু সোনার হরিণ ময়ূর সিংহাসনের দেখা আজো দেখলাম না। তাদের এই স্বপ্ন রঙিন খোয়াবের মতো কর্পূরের মতো উড়ে যাবে। আওয়ামী লীগ যখন মাঠে নামবে। খালি মাঠে গোল হবে না। ফাঁকা মাঠে গোল হবে না।

আওয়ামী লীগ রাজপথ থেকে ক্ষমতায় এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা (বিএনপি ও সমমনা দলগুলো) যেভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে, রাজপথ মনে আমরা ভুলে গেছি। আমরাও আছি। অচিরেই রাজপথে দেখতে পাবেন। শোকের মাসে হয়তো আমরা কিছু কিছু প্রোগ্রাম করছি না।’

তিনি বলেন, অপপ্রচার, মিথ্যাচার, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। আমাদেরও প্রতিবাদ করতে হবে। জনগণকে সচেতন করতে হবে। সেই জন্য আমরা আগামী ১৭ আগস্ট সিরিজ বোমা হামলা দিবসে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে একটা বিক্ষোভ সমাবেশ আমরা করতে চাই। এই কর্মসূচি জেলা, উপজেলা, থানা ও ইউনিয়নে পালন করা হবে বলেও জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সবাই প্রস্তুত আছেন? আছেন মাঠে? খেলা হবে, মোকাবিলা হবে, যার যা কিছু ফ্রি-স্টাইল বাংলাদেশে হতে দেব না আমরা।’

শান্তিপূর্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সরকার কোনো বাধা দেবে না জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা যদি এই আন্দোলনের সঙ্গে সহিংসতার উপাদান যুক্ত করে। আগুন সন্ত্রাস নিয়ে মাঠে নামলে আমরা নীরব হয়ে ববে থাকবো? ঘরে বসে থাকবো? আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কি আঙুল চুষবে? প্রতিরোধ করতে হবে। প্রতিবাদ করতে হবে। রাজপথে মোকাবিলা হবে।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা প্রতিনিদই সরকারের পতন দেখতে পাচ্ছেন। প্রতিদিই বলে সরকার পালিয়ে যাবে। কোথায় পালাবো? আমাদের দেশ বাংলাদেশ। পালানোর ইতিহাস আমাদের নেই। প্রয়োজনে দেশের মাটিতে জেলে যাবো। আওয়ামী লীগ পলাবার দল নয়। পালাবার দল আপনারা (বিএনপি)। আপনাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কোথায়? তিনি টেমস নদীর তীরে কীভাবে দেখেন? জরুরি সরকারের কাছে মুচলেকা দিয়ে এখান থেকে পালিয়ে গেছেন।

জরুরি সভায় দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান,  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, এস এম কামাল হোসেন, ত্রান ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, উপ প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

;