কোথায় হারালো ১৩ ও ১৫ বছরের মেয়ে দুটি? পাচারের পরিসংখ্যান বাড়ল!



আল-আমিন রাজু, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর হাজারীবাগ থানার বোরহানপুর এলাকার বাসিন্দা মো. ইদ্রিসের মেয়ে সুমনা খাতুন (১৫)। কাগজে কলমে কিশোরী হলেও সুমনা জীবনের পথে এগিয়ে গেছে বহুদূর। প্রাথমিকের গণ্ডি না পেরোতেই শিক্ষা থেকে ঝড়ে পড়ে। এরই মধ্যে ভালোবেসে বিয়ে করে হাজারীবাগ এলাকার লেগুনা চালক শাওনকে।

দুই বছরের সংসারে সুমনার কোলে আসে সন্তান। ৯ মাস বয়সী ছেলেটিকে রেখে হঠাৎই হারিয়ে গেলো মেয়েটি। শিশুটি হলো মা-হারা।

ওদিকে একই এলাকার নাসিমার মেয়ে খাদিজাও একই পথের পথিক। মাত্র ১২ বছর বয়সে ভালোবেসে বিয়ে করে সবুজ নামের এক তরুণকে। বিয়ে বছর না যেতেই স্বামীর সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি হওয়ায় মায়ের কাছে এসে থাকতো। খাদিজাও হারিয়ে গেছে। মায়ের বাসা থেকে বান্ধবী সুমনাকে নিয়ে বের হয়ে গত ২৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায়। সেই থেকে নিখোঁজ সুমনা ও খাদিজা! এরপর আর তাদের সন্ধান পাচ্ছে না পরিবার।

থানায় সাধারণ ডায়েরি করলেও পুলিশের সহযোগিতা পাচ্ছে না দুটি পরিবার! নানা জায়গায় ধরনা দিয়েও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে তাদের। পরে এই ঘটনায় সুমনার মা নিলু বাদী হয়ে হাজারীবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন। শুরু হয় মামলার ছায়া তদন্ত। তাতে নেমে একটি অপহরণ চক্রের সন্ধান পায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)’র রমনা বিভাগ। তাতে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মানব পাচার এক চক্রের তথ্য বেড়িয়ে আসে। যারই শিকার সুমনা ও খাদিজা।

পুলিশ এরই মধ্যে গ্রেফতার করেছে পাচার চক্রের অন্যতম হোতা কবির হোসেনকে। সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে খুলনার দৌলতপুর থেকে একইভাবে হারিয়ে যাওয়া সীমা আক্তার ও তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নবাব শেখকে। তবে সুমনা ও খাদিজার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য এখনো মেলেনি গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের কাছে।

রাজধানীর হাজারীবাগে নিখোঁজ দুই কিশোরীর বাসায় গিয়ে দেখা মেলে এক করুণ দৃশ্যের। নিখোঁজ খাদিজার মা নাসিমা বেগম, পেশায় গৃহকর্মী। বাবা আহম্মদ, পেশায় একজন জেলে। পেশাগত কারণেই খাদিজার মা থাকেন ঢাকায়, বাবা নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের এদেরকান্দি গ্রামে। পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে খাদিজা চতুর্থ। মাত্র ১২ বছর বয়সে বিয়ে করে কিছু দিন খুলনার বাগেরহাটে স্বামীর সঙ্গে ছিলেন। পরবর্তীতে পারিবারিক কলহের কারণে স্বামী থেকে দূরে থাকছেন।

হাজারীবাগের মনেশ্বর লেনের বাসায় গিয়ে দেখা যায়, ফ্লোরে পাতলা একটি তোশক বিছানো। তাতে শুয়ে আছেন এক বৃদ্ধা। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ডাক দিতেই চোখ মেলে তাকালেন। প্রতিবেদকের পরিচয়ে জেনে নিজেকে টেনে তুলে বসলেন। জানা গেলো তার নাম ফিরোজা বেগম। নাতনি খাদিজা নিখোঁজের খবর পেয়ে ঢাকায় ছুটে এসেছেন। কাজে থাকায় অপেক্ষা করেও খাদিজার মায়ের দেখা মিললো না।

ফিরোজা বলেন, আমার মেয়ের পাঁচটা সন্তান। স্বামীর আয়ে সংসার চলছিল না। তাই মেয়ে নাসিমা ঢাকায় এসে গৃহকর্মীর কাজ করছেন। নিখোঁজ হওয়ার কয়েক দিন আগে আড়াইহাজার থেকে মায়ের কাছে আসে খাদিজা। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি।

তিনি আরও বলেন, খাদিজার বাবা মেঘনা নদীতে মাছ ধরে। মেয়ে বাসা বাড়িতে কাজ করে ছেলে মেয়েদের দু মুঠো ভাত দিচ্ছে। এখন আমরা কার কাছে যাব। কি করবো কিছুই বুঝতে পারছি না।

খাদিজার মায়ের সঙ্গে থাকেন নাতনি পলি। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘খালামনি (খাদিজা) মাঝে মাঝে ঢাকায় এসে থাকেন, আবার গ্রামে চলে যান। কয়েক দিন আগে ঢাকায় আসেন। তাকে প্রায়ই দেখতাম ফেসবুক ব্যবহার করতে। কিন্তু কারো সঙ্গে কথা বলতে দেখিনি। কীভাবে কি হলো বুঝলাম না।’

একই দিনে নিখোঁজ হওয়া সুমনা স্বামী সন্তান নিয়ে হাজারীবাগ এলাকায় মায়ের সঙ্গে থাকতেন। জানুয়ারি মাসের ১৫ তারিখ হাজারীবাগের মাহাদীনগর এলাকায় আলাদা বাসা নেন। পরবর্তীতে ২৩ জানুয়ারি ৯ মাস বয়সী ছেলে আবিরকে নিয়ে মায়ের বাসায় আসে। সুমনা আসার একটু পর একই বাসায় আসে তার বান্ধবী খাদিজা। কিছু সময় অবস্থান করার পর বান্ধবী খাদিজাকে নিয়ে বের হয়ে যায় সুমনা।

৯ মাস বয়সী শিশুটি মায়ের জন্য কান্নাকাটি করে উল্লেখ করে সুমনার মা নীলু বলেন, মেয়েটা জীবনের শুরুতেই একটা ভুল করে বসে। তারপরও আমরা মেনে নিয়েছি। স্বামীকে নিয়ে আমাদের কাছে থাকত। হঠাৎ ১৫ তারিখ অন্যত্র বাসা ভাড়া নিলো। এরপর ২৩ তারিখ বাসায় এসে বাচ্চাটা রেখে বের হয়ে আর এলো না। নাতিটা (সুমনার ছেলে) মায়ের জন্য কান্নাকাটি করে। এতো ছোট বাচ্চা মা ছাড়া কি রাখা যায়? কি করবো কার কাছে যাবো কিছুই বুঝতে পারছি না।

তিনি বলেন, নিখোঁজের পাঁচদিন পর ২৮ জানুয়ারি রাত একটার দিকে বড় ভাই রাজুর মোবাইলের ইমো নাম্বারে বাঁচার আকুতি জানিয়ে ফোন করেছিলো সুমনা। ঘুমন্ত অবস্থায় বিষয়টা বোঝার আগেই পাশের লোকজন তার ফোন কেড়ে নেয়। পরবর্তীতে ফোন করা হলে এক ব্যক্তি জানায়, সুমনাকে ভারতের কেরালায় পাচারকারীদের হাত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মেয়েকে ফিরে পেতে পরিবারের সদস্যদের ভারতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে ফোনটি কেটে দেন। পরে আমরা শুনেছি একই সময়ে খাদিজাও নাকি তার মাকে ফোন করেছিল। এরপর আর কোনো সন্ধান পাচ্ছি না।

নিখোঁজ সুমনা দিনমজুর বাবা ইদ্রিস ও মা নীলুর সাত সন্তানের মধ্যে তৃতীয়। তাদের গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর থানার শুক্তাবাদ এলাকায়। পরিবারের সঙ্গে হাজারীবাগ এলাকায় থাকত। স্বামী শাওন বেড়িবাঁধ এলাকায় মোহাম্মদপুর-সেকশন রুটের লেগুনা চালান।

মা নীলু আক্ষেপ করে বলেন, মানুষের বাসায় কাজ করে অনেক শখ করে মেয়েকে একটা টাচ (স্মার্ট) মোবাইল কিনে দিয়েছিলাম। সেই মোবাইলই কাল হলো মেয়েটার  জন্য।

কথা বলা শেষে নিখোঁজ দুই কিশোরীর পরিবারের কাছে তাদের ছবি চেয়েও পাওয়া যায় নি। পাচারের পরিসংখ্যানের খাতায় আরও দুটি বাড়তি সংখ্যা হয়ে গেলো তারা!

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি)’র রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মোহাম্মদ ফজলে এলাহী বার্তা২৪.কম-কে বলেন, চাকরির নামে মানবপাচার চক্রের এক সদস্যকে আমরা দু’জন ভিক্টিমসহ গ্রেফতার করেছি। আমাদের তদন্ত কাজ চলছে। চক্রের মূলহোতা আনারুলসহ পাঁচ থেকে ছয় জনের নাম পেয়েছি। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এদিকে ফেসবুক, টিকটকসহ সামাজিক মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে মানবপাচার প্রায়ই ঘটছে।

   

পাবনায় ২৪২ মেট্রিকটন ভারতীয় চিনি জব্দ, আটক ২৩



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে চোরাইপথে আনা ২৪২ মেট্রিকটন ভারতীয় চিনিসহ ১২টি ট্রাক জব্দ করেছে পাবনা জেলা পুলিশ। এ সময় ট্রাকচালক ও হেলপারসহ ২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম।

তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র অবৈধভাবে আমদানিকৃত ভারতীয় চিনি দেশে এনে বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করছিল। এমন খবরের ভিত্তিতে মাঠে নামে পুলিশ। পরে কাজিরহাট ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তারা মালামালের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এরপর এগুলো জব্ধ করা হয় এবং ২৩ জনকে আটক করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম আরও জানান, এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন। তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

;

জিআই স্বীকৃতি পেল নরসিংদীর অমৃত সাগর কলা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নরসিংদী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নরসিংদীর অমৃত সাগর কলা ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই (জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন) পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। এই স্বীকৃতি পাওয়ায় খুশি চাষিরা। এতে নরসিংদীর অবস্থানকে আরও উপরে নিয়ে গেছে বলে জানালেন জেলা প্রশাসক।

কোনো দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে জিআই এর স্বীকৃতি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। এবার সেই জিআই পণ্যের তালিকায় নরসিংদীর অমৃত সাগর কলা। গত ৮ ফেব্রুয়ারি শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদফতর নরসিংদীর অমৃত সাগর কলার ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্যের স্বীকৃতি প্রদান করে। জিআই সনদপত্রটি ১১ ফেব্রুয়ারি সরকার প্রধানের হাতে তুলে দেয়া হয়। এই স্বীকৃতিতে খুশি কলাচাষিরা।

নরসিংদী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সূত্রে জানা যায়, নরসিংদীতে দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি থাকায় এখানে অমৃত সাগর কলার চাষাবাদ বেশি হয়। অমৃত সাগর কলা স্থানীয় বাজারের চাহিদা পুরণ করে আশপাশের জেলা ও রাজধানীতে সরবরাহ করা হয়।

শুধু তাই নয়, দেশের বাইরেও রফতানি হচ্ছে এই সাগর কলা। এরই প্রেক্ষিতে ই-কমার্স ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের সহযোগিতায় নরসিংদীর লটকন ও অমৃত সাগর কলাকে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়। আবেদনের প্রেক্ষিতে যাচাই বাছাই শেষে সাগর কলাকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে কর্তৃপক্ষ।

নরসিংদী জেলা প্রশাসক ড. বদিউল আলম জানান, জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে অমৃত সাগর কলা দেশে ও দেশের বাইরে রফতানিতে ব্যাপক সাড়া ফেলবে।

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছর জেলায় ৫৮০ হেক্টর জমিতে অমৃত সাগর কলার চাষাবাদ করা হয়েছে। এই স্বীকৃতিতে আগামী বছর এর চাষাবাদ আরও বাড়বে বেলে আশাবাদ সচেতন মহলের।

;

প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলতে রাজবাড়ী আসছেন ব্যারিস্টার সুমন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলতে রাজবাড়ী আসবেন দেশের আলোড়ন সৃষ্টিকারী ব্যক্তিত্ব হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য, ক্রীড়া সংগঠক ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। সবকিছু ঠিক থাকলে শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ৩টায় রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের বহরপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী বহরপুর রেলওয়ে মাঠে খেলবেন তিনি ও তার দল।

বালিয়াকান্দিতে খেলতে আসার বিষয়টি ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন নিজেই তার ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বি.এন.বি.এস আন্তঃজেলা ফুটবল টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটি বহরপুরের আয়োজনে এ প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ব্যারিস্টার সুমন একাডেমি বনাম মাগুরা জেলা ফুটবল একাদশ অংশগ্রহণ করবে।

বি.এন.বি.এস আন্তঃজেলা ফুটবল টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জনপ্রিয় মুখ হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় ঐতিহ্যবাহী বহরপুর রেলওয়ে মাঠে ফুটবল খেলতে আসবেন। খেলার মাঠটি প্রস্তুত করা হয়েছে। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়েছে।

রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার জি.এম.আবুল কালাম আজাদ বলেন, বহরপুর রেলওয়ে মাঠে ব্যারিস্টার সুমন তার একাডেমির খেলোয়াড় নিয়ে ফুটবল খেলতে আসবেন। এ খেলায় হাজার হাজার দর্শক হবে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হবে। খেলার মাঠসহ আশপাশের এলাকা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ৪ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।

বি.এন.বি.এস আন্তঃজেলা ফুটবল টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সভাপতি কাজী শহিদুল ইসলামের (সাহিদ) সভাপতিত্বে খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে রেলমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিল্লুল হাকিমের।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন রাজবাড়ী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম শফিকুল মোরশেদ আরুজ,বালিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল কালাম আজাদ,কালুখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অলিউজ্জামান চৌধুরী টিটু,বালিয়াকান্দির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম,বালিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোঃ আলমগীর হোসেন, বালিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ হান্নানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

;

শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে এসে হরিণ শিকারের চেষ্টা, যুবক আটক



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বাগেরহাট
যুবক আটক

যুবক আটক

  • Font increase
  • Font Decrease

সুন্দরবন থেকে হরিণ শিকারের ১৫০ ফুট ফাঁদসহ মো. জুয়েল নামের এক চোরা শিকারিকে আটক করেছে বনবিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) ভোরে সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগ শরণখোলা রেঞ্জের বগি স্টেশনের চরখালী টহল ফাঁড়ি সংলগ্ন অভয়ারণ্য থেকে তাকে আটক করা হয়। এ সময় অপর দুই শিকারি গহীন বনে পালিয়ে যায়।

আটক জুয়েল ঢাকার ডেমরা থানার মো. জালালের ছেলে। বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার তাফালবাড়ি এলাকায় তার শ্বশুর মো. মনো হাওলাদারের বাড়িতে এসে সুন্দরবনে হরিণ শিকার করতে গিয়ে আটক হয়েছেন জুয়েল।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চরখালী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে নিয়মিত টহলকালে বগি স্টেশনের চরখালী টহল ফাঁড়ির কাছে অভয়ারণ্য থেকে ফাঁদ পেতে অপেক্ষারত অবস্থায় জুয়েল নামে এক চোরা শিকারিকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তার সাথে থাকা অপর দুই চোরা শিকারি গহীন বনে পালিয়ে যান। পালিয়ে যাওয়াদের আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানায় বনবিভাগ।

এদিকে আটককৃতের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়েরের পর বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাট আদালতে পাঠালে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন।

;