চা শিল্পের উন্নয়নে শ্রমিকবান্ধব কর্মপরিবেশের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চা শিল্পের উন্নয়নে সংশি¬ষ্ট সবাই শ্রমিকবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করবে বলে প্রত্যাশা ব্যাক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি প্রত্যাশা করি, চা শিল্পের উন্নয়ন ও দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে চা বাগান মালিক ও বিপণনকারীসহ সংশি¬ষ্ট সকলে শ্রমিকবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করবে এবং আন্তরিকভাবে কাজ করে এ শিল্পকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’

প্রধানমন্ত্রী রোববার (৪ জুন) ‘জাতীয় চা দিবস’ উপলক্ষ্যে  আজ দেয়া এক বাণীতে এ প্রত্যাশার কথা বলেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় চা দিবস' উদযাপন হচ্ছে জেনে তিনি আনন্দিত। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘চা দিবসের সংকল্প, শ্রমিকবান্ধব চা শিল্প,’ যা অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে উত্তরবঙ্গে চা শিল্পের প্রসারের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে বৃহৎ বাগানের পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, নীলফামারী, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার প্রায় ১২ হাজার একর জমিতে ক্ষুদ্র পরিসরে চা চাষ হচ্ছে। প্রতিবছর এ অঞ্চলের বাগানগুলো চা উৎপাদনের অতীত রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। শুধুমাত্র দেশের উত্তরাঞ্চলে ২০২২ সালে রেকর্ড পরিমাণ ১৭.৭৮ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৭ সালের ৪ জুন প্রথম বাঙালি হিসেবে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে যোগদান করে বাঙালি জাতিকে সম্মানিত করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে দেশের চা শিল্পে অসামান্য অবদান রাখেন। তাঁর প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় ১৯৫৭ সালে শ্রীমঙ্গলে চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং ঢাকার মতিঝিলে চা  বোর্ডের কার্যালয় স্থাপিত হয়। জাতির পিতা চা শ্রমিকদের শ্রমকল্যাণ যেমন- বিনামূল্যে বাসস্থান, সুপেয় পানি, প্রাথমিক শিক্ষা এবং রেশন প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বাগান মালিকদের নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি চা শ্রমিকদের বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেন এবং ভোটাধিকার প্রদান করেন। চা শিল্পে জাতির পিতার অবদান এবং চা বোর্ডে যোগদানের তারিখকে স্মরণীয় করতে ৪ জুনকে ‘জাতীয় চা দিবস’ ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় চা পুরস্কার নীতিমালা-২০২২’ এর আলোকে এবছর জাতীয় চা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় চা পুরস্কার’ প্রদানের উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই। এতে চা বাগান মালিক, চা শ্রমিক, চা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানসহ সংশি¬ষ্ট সকলকে অণুপ্রেরণা যোগাবে বলে আমার বিশ্বাস।’ তিনি  ‘জাতীয় চা দিবস-২০২৩' এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

   

বরিশালে জাপা প্রার্থীর সমর্থনে গণসংযোগ



স্টাফ করেসপনডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বরিশাল
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ্ব গোলাম কিবরিয়া টিপুর সমর্থনে দিনভর ব্যাপক গণসংযোগ করা হয়েছে।

শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের আগরপুর বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে এ গণসংযোগ করা হয়।

ইউনিয়ন জাতীয় পার্টি ও তার সকল সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে দিনভর গণসংযোগ শেষে বিকেলে জাহাপুর শিলনদিয়া রাস্তার মাথা বাজারে অনুষ্ঠিত পথসভায় ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি ওয়াহিদুল আলম বিপলুর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক হাসানাত খান তরুণ, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ হাওলাদার, যুব সংহতির নেতা এনামুল হক কবির, ইউপি সদস্য হাসান লিয়া, ইউনিয়ন ছাত্র সমাজের সাধারণ সম্পাদক রাব্বি হাওলাদার প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বরিশাল-৩ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব গোলাম কিবরিয়া টিপুর মাধ্যমে ব্যাপক উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় গোলাম কিবরিয়া টিপুকে এ আসন থেকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য জোর দাবি করেন।

গণসংযোগ ও পথসভায় জাতীয় পার্টির সহস্রাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশগ্রহণ করেন।

;

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণে আইডিএর প্রস্তাবনা



স্টাফ করেসপনডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) কাছে ৭৩ হাজার ১৫১ কোটি টাকার প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী। মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করা গেলে ঢাকা-চট্টগ্রামের দূরত্বের পাশাপাশি দুর্ঘটনা কমে আসবে বলেও জানান তিনি। 

শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের কার্যক্রম ও সেবা প্রদান এবং তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

আমিন উল্লাহ নুরী বলেন, প্রতিদিন সড়কে প্রাণ ঝরছে। মৃত্যুর মিছিল থামানো যাচ্ছে না। এটা থামাতে হবে। আমাদের মধ্যে আইন না মানার প্রবণতার কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। নিরাপদ সড়ক উপহার দিতে সরকার আন্তরিক। বিআরটিএর সবসেবা একযোগে পেতে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে দেশবাসী সুফল পেতে শুরু করেছে। নিরাপদ সড়কের জন্য আমাদের ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে। আরও বেশি সচেতন ও সাবধান হতে হবে। নিরাপদ সড়কের জন্য আমাদের সবাইকে নিজ থেকে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। 

তিনি বলেন, সভায় অনেকে অভিযোগ করেছেন, চট্টগ্রামে ট্রাক ও বাস টার্মিনাল নেই। বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। দেশের প্রধান বন্দর চট্টগ্রামে। এখানে বাস ও ট্রাক টার্মিনাল থাকাটা জরুরি। বাস ও ট্রাক টার্মিনাল করার পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।

বিআরটিএ’র সেবা সম্পর্কে তিনি বলেন, মানুষ এখন ঘরে বসে বিআরটিএ’র সেবা নিতে পারছেন। লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে বিআরটিএ’র অফিসে যাওয়ার দরকার নেই। শুধুমাত্র একবার বায়োমেট্রিক দেওয়ার জন্য গেলেই হবে।

সড়ক পরিবহণ ও সড়ক বিভাগ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সওজের চট্টগ্রামের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আতাউর রহমান। সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের উপ সচিব (সমন্বয় ও প্রশিক্ষণ অধিশাখা) নীলিমা আফরোজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ), বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট করপোরেশন (বিআরটিসি) এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নিজ নিজ দপ্তরে বিভিন্ন চলমান কার্যক্রম উপস্থাপন করেন। একইভাবে সেবা কার্যক্রম নিয়ে সর্বশেষ অবস্থার বিবরণ তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিআরটিএর চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার, বিআরটিসি চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান, সিএমপি অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) আব্দুল মান্নান মিয়া, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি প্রবীর কুমার রায় ও জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবদুল মালেক, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঁঞা ও  চট্টগ্রাম বিআরটিসি বাস ডিপোর ব্যবস্থাপনক মো. জুলফিকার আলী।

 
;

২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ২ উপজাতি আটক



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম বান্দরবান
২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ২ উপজাতি আটক

২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ২ উপজাতি আটক

  • Font increase
  • Font Decrease

২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ২ উপজাতি মহিলা মাদককারবারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।  

শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর)  বান্দরবান পার্বত্য জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার মায়ানমার সীমান্তের ঘুমধুমে এক অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির টহল কমান্ডার নায়েক মোঃ মোশফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিশেষ টহল দল ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্তের জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকা থেকে ২ জন উপজাতি মহিলাকে পাশ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের তৈরি  ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক করে।             

আটক হওয়া দুই উপজাতি মহিলারা হলেন- নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার মায়ানমার সীমান্তবর্তী ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্তের বাইশফাঁড়ী গ্রামের জয় তংচংগার স্ত্রী মায়া তংচংগা (১৮), একই গ্রামের রাংগাইয়া তংচংগ্যার মেয়ে জয়েন মালা তংচংগ্যা (১৫)।

উল্লেখ্য, উক্ত এলাকার কাছাকাছি মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকা থাকাতে ঐ এলাকার অনেকেই স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি ফাঁকি দিয়ে অবৈধ ইয়াবা ব‍্যবসা করে আসছে বলে জানা গেছে। 

সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে আপ্রাণ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন বলে জানিয়েছেন বিজিবি সদস্যরা।

 

 

;

সরকার খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বিষয়ে যথেষ্ট আন্তরিক: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সরকার খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বিষয়ে যথেষ্ট আন্তরিক: তথ্যমন্ত্রী

সরকার খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বিষয়ে যথেষ্ট আন্তরিক: তথ্যমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকার বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বিষয়ে যথেষ্ট আন্তরিক, বরং বিএনপি বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতি করছে।

শনিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় শেখ রাসেল এভিয়ারি পার্কে নতুনভাবে চালুকৃত কেবল-কার (রোপওয়ে) উদ্বোধন শেষে বেগম খালেদা জিয়াকে সরকার হত্যার চেষ্ঠা করছে বলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু’র বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, 'খালেদা জিয়া যতোবারই হাসপাতালে গেছে ততবারই বিএনপি বলেছে বিদেশ না পাঠালে খালেদা জিয়ার জীবন সংকটাপন্ন এবং তাকে বাঁচানো কঠিন হবে। কিন্তু প্রতিবারই আল্লাহর রহমতে তিনি হাসপাতালে বাংলাদেশের চিকিৎসকদের চিকিৎসা ও সেবায় সুস্থ হয় বাড়ি ফেরত গেছেন। এখনো বেগম খালেদা জিয়া যাতে সর্বোচ্চ চিকিৎসা পান সরকার সেজন্য যা কিছু করা দরকার সেটি করছে।'

;