আগামী নির্বাচনে খেলা হবে হাওয়া ভবন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে: কাদের



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
আগামী নির্বাচনে খেলা হবে হাওয়া ভবন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে: কাদের

আগামী নির্বাচনে খেলা হবে হাওয়া ভবন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে: কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন হুমকি দিয়ে এই সরকারের পতন ঘটানো যাবে না। আগামী নির্বাচনে খেলা হবে হাওয়া ভবনের বিরুদ্ধে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে। খেলা হবে লুটপাটের বিরুদ্ধে, খেলা হবে এই ডিসেম্বর বিজয়ের মাসে। আন্দোলন হলে রাজপথ, জনপদ, শহর, পাড়া-মহল্লায় ইউনিয়নে ও জেলা পর্যায়ে নেতাকর্মীরা অবস্থান নিবে।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহের সার্কিট হাউস মাঠে ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন আক্রমণ হলে পাল্টা আক্রমণ হবে কী না তা সময়ই বলে দেবে। বিএনপির নেতাকর্মীরা রাস্তায় কয়দিন থাকবে তা আমরা জানি না, তবে রাজপথ আমাদের দখলে থাকবে। কারণ আমরা আকাশ থেকে পড়েনি, জনগণের মাঝে থেকে আমরা এসেছি।

তিনি আরও বলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে রহস্য পুরুষ কামাল হোসেন ও তারেক রহমানসহ সবার অর্থের উৎস খোঁজা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন জিয়াউর রহমান ১৫ আগস্টের মাস্টার মাইন্ড তার ছেলে হাওয়া ভবনের যুবরাজ ২১ আগস্টের প্রধান নায়ক।

জাতীয় সংগীত পরিবেশন মধ্যে দিয়ে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সম্মেলনে প্রথম অধিবেশনে ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলমের স্বাগত বক্তব্যের পরপরই প্রধান অতিথির বক্তব্য ওবায়দুল কাদের।

সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত রয়েছেন- দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ও কৃষি মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মির্জা আজম এমপি, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সংস্কৃতি সম্পাদক বাবু অসীম কুমার উকিল এমপি, সদস্য মারুফা আক্তার পপি, রেমন্ড আরেং প্রমুখ।

সিরাজগঞ্জে রেল লাইনে ফাটল, ট্রেন থামিয়ে দিল স্থানীয়রা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জে রেল লাইনে ফাটল, ট্রেন থামিয়ে দিলো স্থানীয়রা

সিরাজগঞ্জে রেল লাইনে ফাটল, ট্রেন থামিয়ে দিলো স্থানীয়রা

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে রেল লাইনে ফাটল দেখে বনলতা এক্সপ্রেস ও মালবাহী দুইটি ট্রেন থামিয়ে দিয়েছেন স্থানীয়রা। এতে অল্পের জন্য দুর্ঘটনার কবল থেকে রক্ষা পেয়েছেন ট্রেন দুটি। পরবর্তীতে ট্রেন দুটি ধীর গতিতে ওই স্থান পার হয়ে চলে গেছে।

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) ভোরে কামারখন্দ উপজেলার রায়দৌলতপুর ইউনিয়নের পাগলা রেল ব্রিজ এলাকায় রেল লাইনে ফাটল দেখে প্রথমে মালবাহী একটি ট্রেন পরে বনলতা এক্সপ্রেস যাত্রীবাহী আরেকটি ট্রেন হাত দিয়ে সিগন্যাল দিয়ে থামিয়ে দেয় স্থানীয়রা।

জানা যায়, ভোরে কাজে যাওয়ার সময় রেল লাইনে ফাটল দেখতে পান কয়েকজন কৃষক। ওই সময়ই একটি মালবাহী ট্রেন আসতে দেখে হাত দিয়ে সিগন্যাল দিলে ট্রেনটি থামিয়ে দেন চালক। পরে ট্রেনের চালক রেল লাইনের ফাটল দেখার পর ধীর গতিতে পার হয়ে যান। শুধু মালবাহি ট্রেনই নয় রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি আসতে দেখে সেটাও থামিয়ে দেন তারা। পরে সে ট্রেনটিও ধীর গতিতে পার হয়ে গন্তব্যের উদ্যেশে চলে গেছে।

সিরাজগঞ্জ রেল স্টেশনের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আহসান হাবিব বলেন, সকালে ওই স্থানে রেল লাইনে ফাটল দেখতে পায় স্থানীয়রা। এটা বড় কোনো ফাটল না, ওই লাইনের ওপর দিয়ে ট্রেনগুলো স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারবে। স্থানীয়রা না বুঝে সিগন্যাল দিয়ে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা বনলতা এক্সপ্রেস এবং মালবাহী একটি ট্রেন থামিয়ে দিলে সেই ট্রেনগুলো ধীর গতিতে পার হয়ে চলে গেছে। খবর পেয়ে সেখানে লোক পাঠানো হয়েছে। এখন ফাটল ধরা রেল লাইনে কাজ চলছে। তবে সিরাজগঞ্জ-রাজশাহী রেল লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে তিনি জানান।

;

ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপনির্বাচন: কেন্দ্রে পৌঁছেছে নির্বাচনী সামগ্রী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপনির্বাচনে কেন্দ্রে পৌঁছেছে নির্বাচনী সামগ্রী

ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপনির্বাচনে কেন্দ্রে পৌঁছেছে নির্বাচনী সামগ্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) উপনির্বাচনের সকল প্রস্তুতি শেষ করে ইভিএম মেশিনসহ সকল নির্বাচনী মালামাল কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল থেকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের মাধ্যমে পাঠানো শুরু করে সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তারা। জেলার আশুগঞ্জ ও সরাইল উপজেলা পরিষদ থেকে এই মালামাল বিতরণ করা হয়।

আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা অরবিন্দ বিশ্বাস বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) উপ নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি শেষ করে ইভিএম মেশিনসহ সকল নির্বাচনী মালামাল কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। প্রিজাইডিং অফিসাররা এই মালামাল গ্রহণ করে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছেছে। ইতোমধ্যে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলা ও আশুগঞ্জ উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়ন নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন গঠিত। এর মধ্যে সরাইল উপজেলায় ৯ ইউনিয়ন ও আশুগঞ্জ উপজেলায় রয়েছে ৮ ইউনিয়ন। নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৩১৩ জন। এর মধ্যে সরাইল উপজেলায় ২ লাখ ৪১ হাজার ৭৯টি এবং আশুগঞ্জ উপজেলার মোট ভোটার ১ লাখ ৩২ হাজার। উপ নির্বাচনে মোট কেন্দ্র ১৩২টি। এর মধ্যে সরাইল উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ৮৪টি ও আশুগঞ্জ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৪৮টি ভোট কেন্দ্র করা হয়েছে।

এদিকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উপনির্বাচন করার লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে প্রশাসন। নির্বাচনে সংসদীয় আসনে অফিসারসহ ১ হাজার ১শ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও থাকবে দুই প্লাটুন বিজিবি সদস্য, র‌্যাবের ৯টি টিম, পুলিশের ৯টি মোবাইল টিম ও ৪টি স্ট্রাইকিং টিম। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে ৩ জন পুলিশ, অস্ত্রধারী ২ জন আনসার, লাঠিধারী ১০ জন আনসার ও ২ জন গ্রাম পুলিশ। উপনির্বাচনে ১৭টি ইউনিয়নে ১৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।

এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন অফিসার ও উপ নির্বাচনে সহকারী রিটার্নিং অফিসার জিল্লুর রহমান বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, উপনির্বাচন উপলক্ষে আমরা ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না। কেউ বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নির্বাচনে অফিসারসহ ১ হাজার ১শ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও থাকবে বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশের একাধিক মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স। উপনির্বাচনে ১৭টি ইউনিয়নে ১৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।

;

ফরিদপুরে ফসলি জমির মাটি বিক্রি, ২ জনের কারাদণ্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফরিদপুর
ফরিদপুরে ফসলি জমির মাটি বিক্রি: ২ জনের কারাদণ্ড

ফরিদপুরে ফসলি জমির মাটি বিক্রি: ২ জনের কারাদণ্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুরের নগরকান্দায় অননুমোদিতভাবে ফসলি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির অপরাধে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে দশ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের বিলগোবিন্দপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মঈনুল হক।

দণ্ডপ্রাপ্ত দুই ব্যক্তি হলেন- পার্শ্ববর্তী সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের মোঃ ইসলাম শেখ (২৪) ও অপরজন একই এলাকার কামরুল হাসান (২২)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অননুমোদিতভাবে কৃষিজমির মাটি কেটে ইট ভাটায় বিক্রির অপরাধে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৩ মোতাবেক দুইজনকে দশ দিন করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

এ ব্যাপারে নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মঈনুল হক জানান, ‘ফসলি জমি নষ্ট করে অননুমোদিতভাবে মাটি বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

;

দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ১২তম বাংলাদেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে দুর্নীতি বেড়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ এখন ১২তম অবস্থানে রয়েছে।

মঙ্গলবার এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক এ তালিকা বাংলাদেশে প্রকাশ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ (টিআইবি)।

এতে বলা হয়েছে, আগের বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩তম। মানে এক ধাপ অবনমন হয়েছে। দুর্নীতির ধারনাসূচক ২০২২-এ এ তথ্য উঠে এসেছে।

এর আগে দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই)-২০২১ অনুসারে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ২৬। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের এক ধাপ এগিয়ে ১২তম অবস্থান থেকে ১৩তম অবস্থানে এসেছিল।

আর তালিকায় উপরের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪৭তম। অবশ্য দুর্নীতির এই সূচকে বা স্কোরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কোনো অগ্রগতি হয়নি৷ এর আগের বছরের মতো একই স্কোর ছিল৷ চার বছর ধরেই একই স্কোর রয়েছে।

১৯৯৫ সাল থেকে বেসরকারি সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল দ্বারা প্রতি বছর এই সূচক প্রকাশ করা হয়।

 

;