রক্তস্নাত পাহাড়ের নীড়ে ফেরেনি শান্তির পায়রা



আলমগীর মানিক, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাঙামাটি
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পার্বত্য চুক্তির বর্ষপূর্তি আজ। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পাহাড়ের বিরাজমান সশস্ত্র তৎপরতা বন্ধে অত্রাঞ্চলের জনগণের পক্ষে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় গিয়ে শান্তিচুক্তি করেন সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)।

১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এর মাধ্যমে পাহাড়ে প্রায় আড়াই দশকের বেশি সময় ধরে চলা শান্তিবাহিনী নামক গেরিলা বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্যদিয়ে তিন পার্বত্য জেলায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসান ঘটানোর প্রত্যাশাই ছিল চুক্তির মূল উদ্দেশ্য। কাগজে কলমে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি নাম হলেও দেশ বিদেশের পর্যবেক্ষকরা এই চুক্তির নাম দিয়েছিল শান্তিচুক্তি।

চুক্তির ফলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ-বিদেশে প্রশংসা পাওয়ার পাশাপাশি নানা পুরস্কার ও উপাধী অর্জন করেন।

শান্তির আশায় চুক্তি করে সন্ত্রাসীদের পুনর্বাসন ও সেনাক্যাম্প গুটিয়ে নেওয়ার আজ ২৫ বছর পূর্ণ হতে চলেছে। কিন্তু সবুজ-শ্যামল ছায়া সুনিবিড় পার্বত্য চট্টগ্রামে আজও শান্তি অধরা। দীর্ঘ এই পথপরিক্রমায় ইতিমধ্যেই পাহাড়ের অভ্যন্তরে বিরাজ করছে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের বারুদের গন্ধ। প্রতিনিয়তই স্থানীয় ভ্রাতৃঘাতি সংঘাতের বলি হওয়া মানুষের রক্তের রক্তিম হচ্ছে পাহাড়ের পরিবেশ।

গত বুধবারও (৩০ নভেম্বর) রাঙামাটির সাজেকে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হন জেএসএসের কর্মী সজীব চাকমা (২২)। গতবছরও ঠিক একই তারিখে রাঙামাটি সদর উপজেলায় আবিস্কার চাকমা নামের একজনকে হত্যা করেছিলো পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা।

সামরিক-বেসামরিক বিভিন্ন দায়িত্বশীল সরকারি একাধিক সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, পাহাড়ে সশস্ত্র তৎপরতায় লিপ্ত থাকা সন্ত্রাসীদের হাতে চুক্তির পূর্ববর্তী সময়ে ১৯৭৪ থেকে পাহাড়ে ব্যাপকহারে সশস্ত্র তৎপরতা শুরু করে সে সময়কার শান্তিবাহিনীর সদস্যরা। এই পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে নিহত, আহত ও অপহরণ/নিখোঁজের শিকার হয়েছে অন্তত ৮১৪০ জন। তার মধ্যে পাহাড়ি ১১৩৮, বাঙালি ১৪৪৬ নিয়ে নিহত হয়েছে সর্বমোট ২৫৮৪ জন। এই সময়ের মধ্যে আহত হয়েছে (উপজাতীয়-৮২০, বাঙালি-১৭৯৮) ২৬১৮ এবং অপহরণের শিকার হয়েছে (উপজাতীয়-১৮০০,বাঙালি-১১৩৬ জন) সর্বমোট ২৯৩৬ জন।

এদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের রক্ষাসহ অত্রাঞ্চলের ভূখণ্ড রক্ষায় দায়িত্বপালন করতে গিয়ে উপজাতীয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলায় একাত্তর থেকে চলতি ২০২২ এর সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সর্বমোট ৩৮০ জন সদস্য শহীদ হয়েছে। তারমধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৭১, বিজিবি’র ১১১, পুলিশের ৩২ ও আনসার ব্যাটালিয়নের রয়েছে ৩৮০ জন। এই সময়ের মধ্যে আহত হয়েছে ৪৪৬ জন। আহতদের মধ্যে ২৪১ জন সেনা সদস্য, বিজিবি’র ১০২, পুলিশের ৯০, আনসার বিডিপির রয়েছে ১৬ জন।

শান্তিচুক্তি

পাহাড়ের মানুষের আত্মসামাজিক উন্নয়নে পার্বত্য চট্টগ্রামে সর্বমোট ৪৬০০ কিলোমিটার সড়ক পথ নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে চুক্তির পূর্বে ১৯৭২ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত ছিলো ১১৬০ কিমি, আর চুক্তির পরবর্তীতে চলতি ২০২২ এর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে ৩৪৪০ কিলোমিটার সড়ক। এছাড়াও সীমান্ত সড়ক প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হচ্ছে ১০৩৬ কিলোমিটার সড়ক। আগামী ২০২৪ সালের ৩০ জুন এই প্রকল্পটি শেষ হবে বলে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন সূত্রে জানাগেছে।

এখন পর্যন্ত পার্বত্যাঞ্চলের বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সরকারি ৪৩টি হাসপাতাল, বেসরকারি হাসপাতাল ১৬টি, সরকারি ৩৮৫টি ক্লিনিক, বেসরকারি ৫১ নিয়ে সর্বমোট ৪৯৫টি হাসপাতাল/ক্লিনিক স্থাপন করা হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ইতিমধ্যেই তিন পার্বত্য জেলায় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পসহ সর্বমোট ৭৩২৯টি শিল্প-কলকারখানা স্থাপন করা হয়েছে। তারমধ্যে কল-কারখানা সরকারি ৮টি, বেসরকারি ৩২টি, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সরকারি ১১টি ও বেসরকারি ৭২৮৮টি রয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে সর্বমোট ১২৮টি গুচ্ছগ্রাম রয়েছে। এই গুচ্ছগ্রামগুলোতে বাঙালি ৪৪৯২৮ ও পাহাড়ি পরিবার রয়েছে ২৬৭৭টি। এতে করে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার জনসংখ্যার বসবাস রয়েছে। এই জনসংখ্যার মধ্যে কর্মহীন বেকার অবস্থায় রয়েছে ৯৪ হাজার ৬৩৪ জন বাঙালি ও ৬ হাজার ৮৪৯ জন উপজাতি।
পার্বত্য চুক্তির পর হতে ২০২২ এর অধ্যবদি পর্যন্ত পার্বত্য তিন জেলায় নতুন করে ১৪৭টি কিন্ডারগার্ডেন, ৮১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪০৪টি হাইস্কুল, কলেজ ২৫টি, মাদ্রাসা ১৩৩টি, পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট ১১টি, নার্সিং ইন্সটিটিউট ১টি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৩টি (সরকারি ১), একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হয়েছে।

পাহাড়ের মানুষের ধর্মপালনে পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৬৬০টি বৌদ্ধ কিয়াং, ৭১৪ টি গীর্জা, ৪৪৬টি মন্দির ও ১৪৩৪টি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে বলে সামরিক সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এতকিছুর পরেও পার্বত্য চট্টগ্রামে থেমে নেই হত্যার রাজনীতি। অত্রাঞ্চলে বিগত ২৫ বছরে ৯০১ জন পাহাড়ি,৩৯০ বাঙালিসহ সামরিক/আধাসামরিক বাহিনীর মোট ১৩০৫ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে সর্বমোট ১৮২৩ জন। চুক্তির পরবর্তী সময়ে ২৫ বছরে পাহাড়ে অপহরণের শিকার হয়েছে সর্বমোট ২১৯৮ জন।

এতোগুলো সন্ত্রাসী কার্যক্রমের পাশাপাশি জাতিস্বত্তার কথা বলে নিজেদের স্বার্থের জন্য বিপুল অংকের অর্থের জন্য দেশদ্রোহী জঙ্গিগোষ্ঠিদের প্রশিক্ষণও দিচ্ছে পাহাড়ি উপজাতীয় আঞ্চলিকদলগুলো। এতে করে পার্বত্য চুক্তির বাস্তবায়ন মোটেও সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন চুক্তি সম্পাদনকারী কমিটির অন্যতম সদস্য রাঙামাটির এমপি দীপংকর তালুকদার।

তিনি বলেন, চুক্তির পর থেকেই সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএস এর সন্ত্রাসীদের হাতে ব্যাপকহারে মার খাচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পাশাপাশি চুক্তির বিরোধীতাকারী সংগঠন ও রাজনৈতিকগুলোর সঙ্গে প্রকাশ্যে জোট করে ব্যাপকহারে চাঁদাবাজি, সশস্ত্র তৎপরতায় লিপ্ত থাকাদের নিয়ে চুক্তি বাস্তবায়নের রোডম্যাপ মোটেও সম্ভব নয়। তিনি সকলকে তাদের ভুল পথ পরিহার করে একই মঞ্চে আসার আহবান জানিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগ চুক্তি করেছে আওয়ামী লীগই এটার বাস্তবায়ন করবে কিন্তু আস্থার জায়গাটা সৃষ্টিতে সকলের এক হতে হবে। অন্যথায় কিছুই হবে না।

বিশ্লেষকদের মতে পার্বত্য চুক্তির পর পাহাড়ে হতাহতের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্যোগজনক। চুক্তির ২৫ বছর পর আজও প্রশ্ন উঠছে আসলেই কি পাহাড়ে শান্তি ফিরেছে? প্রশ্নটির উত্তরে যে কেউ বিনা বাক্যে বলতে বাধ্য যে, শান্তিতো আসেইনি বরং খুন-চাঁদাবাজির ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত হয়েছে। সে সময়ে জনসংহতি সমিতি নামে একটি মাত্র আঞ্চলিক সংগঠন ছিল; যাদের সশস্ত্র শাখা ছিল শান্তি বাহিনী। আর চুক্তির পর এই সংগঠন থেকেই জন্ম হয়েছে ইউপিডিএফ থেকে শুরু করে গুন্ডুস বাহিনীসহ আরও ছয়টি সশস্ত্র সংগঠনের। যাদের আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্ব প্রতিনিয়ত বিষিয়ে তুলছে পাহাড়ের পরিবেশ।

এদিকে চুক্তির কারণে পাহাড় থেকে সেনা ক্যাম্প গুটিয়ে নেওয়ার কারণে দিনে দিনে পাহাড়-সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়ে উঠেছে।

টুনা মাছ ধরার জাহাজ পাওয়া নিয়ে সংশয়



তরিকুল ইসলাম সুমন, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গভীর সমুদ্র থেকে টুনাসহ সমজাতীয় মাছ সংগ্রহের জন্য তিনটি লং লাইনার জাহাজ সংগ্রহ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানাগেছে।

মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক এবিষয়ে বার্তা২৪.কমকে বলেন, টুনা ও সমজাতীয় মাছ সংগ্রহের জন্য আমরা বেসরকারি বিনিয়োগ আহ্বান করেছিলাম। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসেনি। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরামর্শ ও নির্দেশনায় ‘গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ ও সমজাতীয় পেলজিক মাছ আহরণ’ প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কিন্তু করোনা পরবর্তী বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে আমরা প্রয়োজনীয় অর্থ দিতে পারছি না। এতে করে আমাদের জাহাজ পেতে বিলম্ব হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। যাতে করে অর্থমন্ত্রণালয় আমাদের গুরুত্ব ও প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ ছাড়ের উদ্যোগ নেয়।

‘গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ ও সমজাতীয় পেলজিক মাছ আহরণ’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. জুবায়েদুল আলম বার্তা২৪.কমকে বলেন, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা জাহাজ সরবরাহে ৬টি প্রতিষ্ঠান থেকে সিঙ্গাপুরভিত্তিক জাহাজ সররবাহকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইউনিমেরিন সার্ভিসেস পিটিই লিমিটেডের সঙ্গে জাহাজ সরবরাহের চুক্তি করেছিলাম। কিন্তু সেই মেয়াদ শেষ হবে ৯ ফেব্রুয়ারি। এ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ২৮দশমিক ৮৬ লাখ মার্কিন ডলার পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু সরকারিভাবে জলযান ক্রয় সংক্রান্ত সরকারি বিধিনিষেধের কারণে প্রয়োজনীয় ডলার সরবরাহ করা যাচ্ছে না। এ কারণে যদি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তাদের সঙ্গে আমাদের থাকা চুক্তির মেয়াদ না বৃদ্ধি করে তাহলে আমরা বিপদে পড়বো। জাহাজ নির্দিষ্ট সময়ে পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দেবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বঙ্গোপসাগরে এক লাখ ৩১ হাজার ৯৮ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকার একচ্ছত্র অর্থনৈতিক এলাকার (ইইজেড) জলসম্পদের মালিক হয়েও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে গভীর সমুদ্র থেকে টুনা মাছ সংগ্রহ করা যাচ্ছে না।

মহাপরিচালক মাহবুবুল হক আরও বলেন, আমরা একদিকে জাহাজ সংগ্রহ করছি। অপরদিকে গভীর সমুদ্রে টুনা ও সমজাতীয় মাছের ক্ষেত্র সমূহ চিহ্নিত করার কাজ করছি। এজন্য আমরা আমাদের উপকূলীয় এলাকার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র সমূহে গবেষণার কাজ চলছে। কিছু তথ্য আমরা হাতে পেয়েছি। গবেষণায় আমরা সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা দেশের বিশাল সমুদ্রে টুনা মাছ ধরার জন্য বেসরকারি বিনিয়োগ আহ্বান করছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯টি প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছ থেকে টুনা মাছ ধরার জন্য অনুমতি নিয়েছে। তারাও এখন পর্যন্ত কোনো জাহাজ আমদানি বা নির্মাণ করেছে কীনা সে রকম কোনো তথ্য পাইনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ ধরতে তিনটি লং লাইনার প্রকৃতির ফিশিং ভ্যাসেল সংগ্রহ, ভ্যাসেল পরিচালনায় দেশি-বিদেশি পরামর্শক নিয়োগ, টুনা ও সমজাতীয় পেলজিক মৎস্য আহরণ, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার কর্মকৌশল ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি, ক্রুসহ টুনা আহরণে নিয়োজিত ১০০ জনকে প্রশিক্ষণ এবং ৩৭ জন দেশীয় ও সাতজন আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগ কাজ চলমান রয়েছে।

;

এইচএসসির ফল জানা যাবে যেভাবে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে বুধবার। বরাবরের মত এবারও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটের পাশাপাশি যে কোনো মোবাইল থেকে এসএমএস করে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানা যাবে। এছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়েও ফল জানা যাবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়কারী ঢাকা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, তিন পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান-শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা ফলাফল জানতে পারবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট www.dhakaeducationboard.gov.bd এর রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন (EIIN) নম্বর দিয়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল ডাউনলোড করা যাবে।

এছাড়া, www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এসএমসের মাধ্যমেও ফল সংগ্রহ করা যাবে। মোবাইল থেকে এসএমএস অপশনে গিয়ে HSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2022 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। (উদাহরণ: HSC Dha 123456 2022 Send to 16222)। ফিরতি এসএমএসে ফল জানানো হবে।

আলিমের ফল পেতে Alim লিখে একটি স্পেস দিয়ে Mad লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2022 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অনলাইনের মাধ্যমে পাওয়া ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করার জন্য www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন নম্বরের মাধ্যমে ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ঢাকা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে।

;

এইচএসসির ফল প্রকাশ বুধবার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি)।এদিন সকাল ১০টায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে ফলাফলের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেবেন।

পরে দুপুর ১২টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। মন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন।

আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার ২৯ জানুয়ারি সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়কারী ঢাকা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, তিন পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান-শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা ফলাফল জানতে পারবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট www.dhakaeducationboard.gov.bd এর রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন (EIIN) নম্বর দিয়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল ডাউনলোড করা যাবে।

এছাড়া, www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এসএমসের মাধ্যমেও ফল সংগ্রহ করা যাবে। মোবাইল থেকে এসএমএস অপশনে গিয়ে HSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2022 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। (উদাহরণ: HSC Dha 123456 2022 Send to 16222)। ফিরতি এসএমএসে ফল জানানো হবে।

আলিমের ফল পেতে Alim লিখে একটি স্পেস দিয়ে Mad লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2022 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অনলাইনের মাধ্যমে পাওয়া ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করার জন্য www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন নম্বরের মাধ্যমে ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ঢাকা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে।

করোনা পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হওয়ায় গত ৬ নভেম্বর সারা দেশে অনেকটা স্বাভাবিক পরিবেশে শুরু হয়েছিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ জন।

;

উপহারের মাইক্রোকে অ্যাম্বুলেন্স বানাবেন হিরো আলম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কথা অনুযায়ী হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামের বাসিন্দা অধ্যক্ষ মাওলানা এম মোখলিছুর রহমান নিজের ব্যবহৃত মাইক্রোবাস বহুল আলোচিত আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমকে উপহার হিসেবে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন এম মোখলিছুর রহমান। কয়েকশ মানুষের সামনে গাড়িটি হিরো আলমকে বুঝিয়ে দেন তিনি।

উপহার পেয়ে হিরো আলম বলেন, ভালোবাসার এ গাড়ি আমি নিজে ব্যবহার করবো না। এটি অ্যাম্বুলেন্স বানিয়ে রোগী বহনের কাজে ব্যবহার করবেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমার ভাই আমাকে একটি গাড়ি উপহার দিয়েছেন। আমি ব্যস্ত থাকার কারণে আসতে বিলম্ব হয়েছে। দেশ-বিদেশ থেকে অনেকেই আমাকে বলেছেন কেউ উপহার দিলে তা গ্রহণ করতে হয়। আমি উপহারের গাড়িটি গ্রহণ করেছি। কিন্তু এটির অবস্থা বেশি ভালো নয়। তবে যেমনই হোক, এটি আমি অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে দান করে দিলাম। এটিতে নম্বর থাকবে। কেউ ফোন দিলেই সেটি চলে যাবে। অনেক গরিব, অসহায় মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকেন। চিকিৎসা করানোর সুযোগ থাকে না। হাসপাতালে নিতে পারেন না। তাদের সেবার জন্য গাড়িটি ব্যবহৃত হবে।

এদিকে ঢাকা থেকে চুনারুঘাট যাওয়ার সময় পথিমধ্যে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার সামনে পুলিশ হিরো আলমের গাড়ি আটকে আড়াই হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে। ওসি মাইনুল ইসলাম ভূইয়া জানান, হিরো আলমকে বহন করা গাড়িটি দ্রুতগতি থাকার কারণে এ জরিমানা করা হয়।

;